
কুমিল্লা-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন ফিরে পেতে করা রিট আবেদন খারিজ করেছেন হাইকোর্ট। ফলে আসন্ন নির্বাচনে তার অংশগ্রহণের আর সুযোগ থাকছে না।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) বিচারপতি রাজিক আল জলিল ও বিচারপতি মো. আনোয়ারুল ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন। এর আগে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে গত সোমবার (১৯ জানুয়ারি) তিনি হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন।
জানা যায়, মনোনয়ন যাচাইয়ের সময় সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তা প্রথমে মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করেছিলেন। তবে ওই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে এনসিপি প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ নির্বাচন কমিশনে আপিল করেন।
আপিলে অভিযোগ করা হয়, মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী ঋণখেলাপি হওয়া সত্ত্বেও সেই তথ্য গোপন করে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। গত ১৭ জানুয়ারি আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে আপিল শুনানি শেষে অভিযোগের সত্যতা পায় নির্বাচন কমিশন। এরপর রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্ত বাতিল করে মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়নপত্র অবৈধ ঘোষণা করা হয়।
ইসির সেই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রিট করা হলেও বুধবার তা খারিজ করে দেন আদালত। ফলে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তই বহাল থাকলো।

কুমিল্লা-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন ফিরে পেতে করা রিট আবেদন খারিজ করেছেন হাইকোর্ট। ফলে আসন্ন নির্বাচনে তার অংশগ্রহণের আর সুযোগ থাকছে না।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) বিচারপতি রাজিক আল জলিল ও বিচারপতি মো. আনোয়ারুল ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন। এর আগে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে গত সোমবার (১৯ জানুয়ারি) তিনি হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন।
জানা যায়, মনোনয়ন যাচাইয়ের সময় সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তা প্রথমে মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করেছিলেন। তবে ওই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে এনসিপি প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ নির্বাচন কমিশনে আপিল করেন।
আপিলে অভিযোগ করা হয়, মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী ঋণখেলাপি হওয়া সত্ত্বেও সেই তথ্য গোপন করে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। গত ১৭ জানুয়ারি আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে আপিল শুনানি শেষে অভিযোগের সত্যতা পায় নির্বাচন কমিশন। এরপর রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্ত বাতিল করে মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়নপত্র অবৈধ ঘোষণা করা হয়।
ইসির সেই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রিট করা হলেও বুধবার তা খারিজ করে দেন আদালত। ফলে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তই বহাল থাকলো।

কুমিল্লা-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন ফিরে পেতে করা রিট আবেদন খারিজ করেছেন হাইকোর্ট। ফলে আসন্ন নির্বাচনে তার অংশগ্রহণের আর সুযোগ থাকছে না।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) বিচারপতি রাজিক আল জলিল ও বিচারপতি মো. আনোয়ারুল ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন। এর আগে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে গত সোমবার (১৯ জানুয়ারি) তিনি হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন।
জানা যায়, মনোনয়ন যাচাইয়ের সময় সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তা প্রথমে মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করেছিলেন। তবে ওই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে এনসিপি প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ নির্বাচন কমিশনে আপিল করেন।
আপিলে অভিযোগ করা হয়, মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী ঋণখেলাপি হওয়া সত্ত্বেও সেই তথ্য গোপন করে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। গত ১৭ জানুয়ারি আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে আপিল শুনানি শেষে অভিযোগের সত্যতা পায় নির্বাচন কমিশন। এরপর রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্ত বাতিল করে মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়নপত্র অবৈধ ঘোষণা করা হয়।
ইসির সেই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রিট করা হলেও বুধবার তা খারিজ করে দেন আদালত। ফলে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তই বহাল থাকলো।

কুমিল্লা-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন ফিরে পেতে করা রিট আবেদন খারিজ করেছেন হাইকোর্ট। ফলে আসন্ন নির্বাচনে তার অংশগ্রহণের আর সুযোগ থাকছে না।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) বিচারপতি রাজিক আল জলিল ও বিচারপতি মো. আনোয়ারুল ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন। এর আগে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে গত সোমবার (১৯ জানুয়ারি) তিনি হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন।
জানা যায়, মনোনয়ন যাচাইয়ের সময় সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তা প্রথমে মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করেছিলেন। তবে ওই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে এনসিপি প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ নির্বাচন কমিশনে আপিল করেন।
আপিলে অভিযোগ করা হয়, মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী ঋণখেলাপি হওয়া সত্ত্বেও সেই তথ্য গোপন করে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। গত ১৭ জানুয়ারি আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে আপিল শুনানি শেষে অভিযোগের সত্যতা পায় নির্বাচন কমিশন। এরপর রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্ত বাতিল করে মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়নপত্র অবৈধ ঘোষণা করা হয়।
ইসির সেই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রিট করা হলেও বুধবার তা খারিজ করে দেন আদালত। ফলে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তই বহাল থাকলো।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!