নির্বাচন কমিশনের ওপর বিএনপির আস্থা রয়েছে বলে জানিয়েছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন যোগ্যতার সঙ্গেই আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরিচালনা করতে সক্ষম হবে বলে বিএনপি বিশ্বাস করে।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) রাজধানীর জিয়া উদ্যানে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৯০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের দেখানো পথ অনুসরণ করেই বিএনপি এগিয়ে যাচ্ছে। একটি উদার ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে দলটি আরও দৃঢ়ভাবে অঙ্গীকারবদ্ধ। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষ প্রতি বছর শহীদ জিয়াকে স্মরণ করে, কারণ তিনি আমাদের সামনে যে আদর্শ রেখে গেছেন, সেটাই আমাদের পথনির্দেশনা।’
আসন্ন নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ঘোষণা হয়েছে। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনের পর একটি ধ্বংসপ্রাপ্ত অর্থনীতি পুনর্গঠন এবং গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার জন্য বিএনপি নতুন করে শপথ নিয়েছে। এই শপথের মধ্য দিয়েই দল ও তার অঙ্গসংগঠনগুলো শহীদ জিয়ার আদর্শ বাস্তবায়নে কাজ করবে।
মনোনয়ন বাতিল ও পোস্টাল ব্যালট নিয়ে বিতর্ক প্রসঙ্গে দলীয় অবস্থান জানতে চাইলে বিএনপির মহাসচিব বলেন, মনোনয়ন বাছাইয়ের সময় কিছু সমস্যা বরাবরই থাকে এবং এটি নতুন কোনো বিষয় নয়। তিনি বলেন, ‘এখন পর্যন্ত আমরা দেখেছি নির্বাচন কমিশন মোটামুটিভাবে যোগ্যতার সঙ্গেই কাজ করছে। আমাদের যে দু-একটি আপত্তি ছিল, সেগুলো আমরা কমিশনের সামনে তুলে ধরেছি।’
জামায়াতে ইসলামীর আমিরের জন্য বিশেষ নিরাপত্তা প্রসঙ্গে বিএনপির চেয়ারম্যানের মতো নিরাপত্তা দেওয়ার বিষয়টি জানতে চাইলে মির্জা ফখরুল বলেন, এটি সংশ্লিষ্ট দলের বিষয়, বিএনপির নয়।
এ সময় অনুষ্ঠানে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, সালাউদ্দিন আহমেদ, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেলসহ দল ও অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
নির্বাচন কমিশনের ওপর বিএনপির আস্থা রয়েছে বলে জানিয়েছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন যোগ্যতার সঙ্গেই আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরিচালনা করতে সক্ষম হবে বলে বিএনপি বিশ্বাস করে।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) রাজধানীর জিয়া উদ্যানে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৯০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের দেখানো পথ অনুসরণ করেই বিএনপি এগিয়ে যাচ্ছে। একটি উদার ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে দলটি আরও দৃঢ়ভাবে অঙ্গীকারবদ্ধ। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষ প্রতি বছর শহীদ জিয়াকে স্মরণ করে, কারণ তিনি আমাদের সামনে যে আদর্শ রেখে গেছেন, সেটাই আমাদের পথনির্দেশনা।’
আসন্ন নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ঘোষণা হয়েছে। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনের পর একটি ধ্বংসপ্রাপ্ত অর্থনীতি পুনর্গঠন এবং গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার জন্য বিএনপি নতুন করে শপথ নিয়েছে। এই শপথের মধ্য দিয়েই দল ও তার অঙ্গসংগঠনগুলো শহীদ জিয়ার আদর্শ বাস্তবায়নে কাজ করবে।
মনোনয়ন বাতিল ও পোস্টাল ব্যালট নিয়ে বিতর্ক প্রসঙ্গে দলীয় অবস্থান জানতে চাইলে বিএনপির মহাসচিব বলেন, মনোনয়ন বাছাইয়ের সময় কিছু সমস্যা বরাবরই থাকে এবং এটি নতুন কোনো বিষয় নয়। তিনি বলেন, ‘এখন পর্যন্ত আমরা দেখেছি নির্বাচন কমিশন মোটামুটিভাবে যোগ্যতার সঙ্গেই কাজ করছে। আমাদের যে দু-একটি আপত্তি ছিল, সেগুলো আমরা কমিশনের সামনে তুলে ধরেছি।’
জামায়াতে ইসলামীর আমিরের জন্য বিশেষ নিরাপত্তা প্রসঙ্গে বিএনপির চেয়ারম্যানের মতো নিরাপত্তা দেওয়ার বিষয়টি জানতে চাইলে মির্জা ফখরুল বলেন, এটি সংশ্লিষ্ট দলের বিষয়, বিএনপির নয়।
এ সময় অনুষ্ঠানে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, সালাউদ্দিন আহমেদ, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেলসহ দল ও অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
নির্বাচন কমিশনের ওপর বিএনপির আস্থা রয়েছে বলে জানিয়েছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন যোগ্যতার সঙ্গেই আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরিচালনা করতে সক্ষম হবে বলে বিএনপি বিশ্বাস করে।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) রাজধানীর জিয়া উদ্যানে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৯০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের দেখানো পথ অনুসরণ করেই বিএনপি এগিয়ে যাচ্ছে। একটি উদার ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে দলটি আরও দৃঢ়ভাবে অঙ্গীকারবদ্ধ। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষ প্রতি বছর শহীদ জিয়াকে স্মরণ করে, কারণ তিনি আমাদের সামনে যে আদর্শ রেখে গেছেন, সেটাই আমাদের পথনির্দেশনা।’
আসন্ন নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ঘোষণা হয়েছে। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনের পর একটি ধ্বংসপ্রাপ্ত অর্থনীতি পুনর্গঠন এবং গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার জন্য বিএনপি নতুন করে শপথ নিয়েছে। এই শপথের মধ্য দিয়েই দল ও তার অঙ্গসংগঠনগুলো শহীদ জিয়ার আদর্শ বাস্তবায়নে কাজ করবে।
মনোনয়ন বাতিল ও পোস্টাল ব্যালট নিয়ে বিতর্ক প্রসঙ্গে দলীয় অবস্থান জানতে চাইলে বিএনপির মহাসচিব বলেন, মনোনয়ন বাছাইয়ের সময় কিছু সমস্যা বরাবরই থাকে এবং এটি নতুন কোনো বিষয় নয়। তিনি বলেন, ‘এখন পর্যন্ত আমরা দেখেছি নির্বাচন কমিশন মোটামুটিভাবে যোগ্যতার সঙ্গেই কাজ করছে। আমাদের যে দু-একটি আপত্তি ছিল, সেগুলো আমরা কমিশনের সামনে তুলে ধরেছি।’
জামায়াতে ইসলামীর আমিরের জন্য বিশেষ নিরাপত্তা প্রসঙ্গে বিএনপির চেয়ারম্যানের মতো নিরাপত্তা দেওয়ার বিষয়টি জানতে চাইলে মির্জা ফখরুল বলেন, এটি সংশ্লিষ্ট দলের বিষয়, বিএনপির নয়।
এ সময় অনুষ্ঠানে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, সালাউদ্দিন আহমেদ, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেলসহ দল ও অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
নির্বাচন কমিশনের ওপর বিএনপির আস্থা রয়েছে বলে জানিয়েছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন যোগ্যতার সঙ্গেই আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরিচালনা করতে সক্ষম হবে বলে বিএনপি বিশ্বাস করে।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) রাজধানীর জিয়া উদ্যানে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৯০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের দেখানো পথ অনুসরণ করেই বিএনপি এগিয়ে যাচ্ছে। একটি উদার ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে দলটি আরও দৃঢ়ভাবে অঙ্গীকারবদ্ধ। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষ প্রতি বছর শহীদ জিয়াকে স্মরণ করে, কারণ তিনি আমাদের সামনে যে আদর্শ রেখে গেছেন, সেটাই আমাদের পথনির্দেশনা।’
আসন্ন নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ঘোষণা হয়েছে। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনের পর একটি ধ্বংসপ্রাপ্ত অর্থনীতি পুনর্গঠন এবং গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার জন্য বিএনপি নতুন করে শপথ নিয়েছে। এই শপথের মধ্য দিয়েই দল ও তার অঙ্গসংগঠনগুলো শহীদ জিয়ার আদর্শ বাস্তবায়নে কাজ করবে।
মনোনয়ন বাতিল ও পোস্টাল ব্যালট নিয়ে বিতর্ক প্রসঙ্গে দলীয় অবস্থান জানতে চাইলে বিএনপির মহাসচিব বলেন, মনোনয়ন বাছাইয়ের সময় কিছু সমস্যা বরাবরই থাকে এবং এটি নতুন কোনো বিষয় নয়। তিনি বলেন, ‘এখন পর্যন্ত আমরা দেখেছি নির্বাচন কমিশন মোটামুটিভাবে যোগ্যতার সঙ্গেই কাজ করছে। আমাদের যে দু-একটি আপত্তি ছিল, সেগুলো আমরা কমিশনের সামনে তুলে ধরেছি।’
জামায়াতে ইসলামীর আমিরের জন্য বিশেষ নিরাপত্তা প্রসঙ্গে বিএনপির চেয়ারম্যানের মতো নিরাপত্তা দেওয়ার বিষয়টি জানতে চাইলে মির্জা ফখরুল বলেন, এটি সংশ্লিষ্ট দলের বিষয়, বিএনপির নয়।
এ সময় অনুষ্ঠানে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, সালাউদ্দিন আহমেদ, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেলসহ দল ও অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!