
এক ভোট বাক্স নীতি নিয়ে শেষ মুহূর্তে আসন সমঝোতা থেকে সরে গেলেও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীমের আসনে কোনো প্রার্থী দেবে না জামায়াতে ইসলামী ও ১০ দলীয় জোট।
রোববার (১৮ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠক শেষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের।
তিনি বলেন, এক ভোট বাক্স নীতির আন্দোলনে ইসলামী আন্দোলনের ভূমিকা আমরা শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করি। কিছু টেকনিক্যাল বিষয়ের কারণে তারা আলাদাভাবে নির্বাচনে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আমরা তাদের নির্বাচনী সাফল্য কামনা করি। ইসলামী আন্দোলনের প্রতি সম্মান জানিয়ে এবং যেহেতু তাদের আমির নির্বাচন করছেন না, সে কারণে দলের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীমের আসনে আমরা কোনো প্রার্থী দেবো না।
সংবাদ সম্মেলনে তাহের আরও বলেন, দীর্ঘদিন ধরেই জামায়াতে ইসলামী ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের দাবি জানিয়ে আসছে। প্রধান উপদেষ্টা আজ আমাদের আশ্বস্ত করেছেন যে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং এ জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হবে।
তিনি বলেন, ভোটকেন্দ্রের ভেতরে সেনাবাহিনী, পুলিশ কিংবা র্যাবের প্রবেশ ভোটারদের মধ্যে ভীতি সৃষ্টি করতে পারে। তাদের দায়িত্ব হবে ভোটকেন্দ্রের বাইরে থেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করা। প্রধান উপদেষ্টা আমাদের নিশ্চিত করেছেন যে নিরাপত্তা বাহিনী ভোটকেন্দ্রের ভেতরে প্রবেশ করবে না।
নির্বাচনের লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড প্রসঙ্গে সৈয়দ আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের বলেন, তফসিল ঘোষণার দিন থেকেই সমান সুযোগ নিশ্চিত হওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে কিছু বিচ্যুতি ঘটেছে। কয়েকজন উপদেষ্টা প্রধান উপদেষ্টাকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
তিনি জানান, প্রধান উপদেষ্টা স্বীকার করেছেন যে অনেক তথ্য তার কাছে যথাযথভাবে পৌঁছাচ্ছে না। এ বিষয়ে আরও কার্যকর তথ্য সংগ্রহ ব্যবস্থার ওপর গুরুত্ব দেওয়ার পাশাপাশি যারা নির্দেশনা বাস্তবায়নে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর হওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

এক ভোট বাক্স নীতি নিয়ে শেষ মুহূর্তে আসন সমঝোতা থেকে সরে গেলেও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীমের আসনে কোনো প্রার্থী দেবে না জামায়াতে ইসলামী ও ১০ দলীয় জোট।
রোববার (১৮ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠক শেষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের।
তিনি বলেন, এক ভোট বাক্স নীতির আন্দোলনে ইসলামী আন্দোলনের ভূমিকা আমরা শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করি। কিছু টেকনিক্যাল বিষয়ের কারণে তারা আলাদাভাবে নির্বাচনে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আমরা তাদের নির্বাচনী সাফল্য কামনা করি। ইসলামী আন্দোলনের প্রতি সম্মান জানিয়ে এবং যেহেতু তাদের আমির নির্বাচন করছেন না, সে কারণে দলের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীমের আসনে আমরা কোনো প্রার্থী দেবো না।
সংবাদ সম্মেলনে তাহের আরও বলেন, দীর্ঘদিন ধরেই জামায়াতে ইসলামী ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের দাবি জানিয়ে আসছে। প্রধান উপদেষ্টা আজ আমাদের আশ্বস্ত করেছেন যে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং এ জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হবে।
তিনি বলেন, ভোটকেন্দ্রের ভেতরে সেনাবাহিনী, পুলিশ কিংবা র্যাবের প্রবেশ ভোটারদের মধ্যে ভীতি সৃষ্টি করতে পারে। তাদের দায়িত্ব হবে ভোটকেন্দ্রের বাইরে থেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করা। প্রধান উপদেষ্টা আমাদের নিশ্চিত করেছেন যে নিরাপত্তা বাহিনী ভোটকেন্দ্রের ভেতরে প্রবেশ করবে না।
নির্বাচনের লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড প্রসঙ্গে সৈয়দ আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের বলেন, তফসিল ঘোষণার দিন থেকেই সমান সুযোগ নিশ্চিত হওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে কিছু বিচ্যুতি ঘটেছে। কয়েকজন উপদেষ্টা প্রধান উপদেষ্টাকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
তিনি জানান, প্রধান উপদেষ্টা স্বীকার করেছেন যে অনেক তথ্য তার কাছে যথাযথভাবে পৌঁছাচ্ছে না। এ বিষয়ে আরও কার্যকর তথ্য সংগ্রহ ব্যবস্থার ওপর গুরুত্ব দেওয়ার পাশাপাশি যারা নির্দেশনা বাস্তবায়নে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর হওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

এক ভোট বাক্স নীতি নিয়ে শেষ মুহূর্তে আসন সমঝোতা থেকে সরে গেলেও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীমের আসনে কোনো প্রার্থী দেবে না জামায়াতে ইসলামী ও ১০ দলীয় জোট।
রোববার (১৮ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠক শেষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের।
তিনি বলেন, এক ভোট বাক্স নীতির আন্দোলনে ইসলামী আন্দোলনের ভূমিকা আমরা শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করি। কিছু টেকনিক্যাল বিষয়ের কারণে তারা আলাদাভাবে নির্বাচনে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আমরা তাদের নির্বাচনী সাফল্য কামনা করি। ইসলামী আন্দোলনের প্রতি সম্মান জানিয়ে এবং যেহেতু তাদের আমির নির্বাচন করছেন না, সে কারণে দলের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীমের আসনে আমরা কোনো প্রার্থী দেবো না।
সংবাদ সম্মেলনে তাহের আরও বলেন, দীর্ঘদিন ধরেই জামায়াতে ইসলামী ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের দাবি জানিয়ে আসছে। প্রধান উপদেষ্টা আজ আমাদের আশ্বস্ত করেছেন যে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং এ জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হবে।
তিনি বলেন, ভোটকেন্দ্রের ভেতরে সেনাবাহিনী, পুলিশ কিংবা র্যাবের প্রবেশ ভোটারদের মধ্যে ভীতি সৃষ্টি করতে পারে। তাদের দায়িত্ব হবে ভোটকেন্দ্রের বাইরে থেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করা। প্রধান উপদেষ্টা আমাদের নিশ্চিত করেছেন যে নিরাপত্তা বাহিনী ভোটকেন্দ্রের ভেতরে প্রবেশ করবে না।
নির্বাচনের লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড প্রসঙ্গে সৈয়দ আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের বলেন, তফসিল ঘোষণার দিন থেকেই সমান সুযোগ নিশ্চিত হওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে কিছু বিচ্যুতি ঘটেছে। কয়েকজন উপদেষ্টা প্রধান উপদেষ্টাকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
তিনি জানান, প্রধান উপদেষ্টা স্বীকার করেছেন যে অনেক তথ্য তার কাছে যথাযথভাবে পৌঁছাচ্ছে না। এ বিষয়ে আরও কার্যকর তথ্য সংগ্রহ ব্যবস্থার ওপর গুরুত্ব দেওয়ার পাশাপাশি যারা নির্দেশনা বাস্তবায়নে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর হওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

এক ভোট বাক্স নীতি নিয়ে শেষ মুহূর্তে আসন সমঝোতা থেকে সরে গেলেও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীমের আসনে কোনো প্রার্থী দেবে না জামায়াতে ইসলামী ও ১০ দলীয় জোট।
রোববার (১৮ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠক শেষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের।
তিনি বলেন, এক ভোট বাক্স নীতির আন্দোলনে ইসলামী আন্দোলনের ভূমিকা আমরা শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করি। কিছু টেকনিক্যাল বিষয়ের কারণে তারা আলাদাভাবে নির্বাচনে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আমরা তাদের নির্বাচনী সাফল্য কামনা করি। ইসলামী আন্দোলনের প্রতি সম্মান জানিয়ে এবং যেহেতু তাদের আমির নির্বাচন করছেন না, সে কারণে দলের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীমের আসনে আমরা কোনো প্রার্থী দেবো না।
সংবাদ সম্মেলনে তাহের আরও বলেন, দীর্ঘদিন ধরেই জামায়াতে ইসলামী ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের দাবি জানিয়ে আসছে। প্রধান উপদেষ্টা আজ আমাদের আশ্বস্ত করেছেন যে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং এ জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হবে।
তিনি বলেন, ভোটকেন্দ্রের ভেতরে সেনাবাহিনী, পুলিশ কিংবা র্যাবের প্রবেশ ভোটারদের মধ্যে ভীতি সৃষ্টি করতে পারে। তাদের দায়িত্ব হবে ভোটকেন্দ্রের বাইরে থেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করা। প্রধান উপদেষ্টা আমাদের নিশ্চিত করেছেন যে নিরাপত্তা বাহিনী ভোটকেন্দ্রের ভেতরে প্রবেশ করবে না।
নির্বাচনের লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড প্রসঙ্গে সৈয়দ আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের বলেন, তফসিল ঘোষণার দিন থেকেই সমান সুযোগ নিশ্চিত হওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে কিছু বিচ্যুতি ঘটেছে। কয়েকজন উপদেষ্টা প্রধান উপদেষ্টাকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
তিনি জানান, প্রধান উপদেষ্টা স্বীকার করেছেন যে অনেক তথ্য তার কাছে যথাযথভাবে পৌঁছাচ্ছে না। এ বিষয়ে আরও কার্যকর তথ্য সংগ্রহ ব্যবস্থার ওপর গুরুত্ব দেওয়ার পাশাপাশি যারা নির্দেশনা বাস্তবায়নে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর হওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!