
নির্বাচন কমিশনের (ইসি) বিরুদ্ধে বিএনপির প্রতি পক্ষপাতের অভিযোগ তুলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র ও কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, এই নির্বাচনে এনসিপি অংশ নেবে কি না-সে বিষয়ে নতুন করে চিন্তা-ভাবনা করা হচ্ছে।
রোববার (৪ জানুয়ারি) রাজধানীর বাংলামোটরে এনসিপির অস্থায়ী কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।
আসিফ মাহমুদ বলেন, একটি সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজনের জন্য রাজনৈতিক দল ও জনগণের যে আস্থা অর্জনের কথা ছিল নির্বাচন কমিশনের, তা তারা হারিয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে নির্বাচন কার্যক্রম যেভাবে এগোচ্ছে, তাতে বাংলাদেশে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন বাস্তবায়ন করতে পারবে কি না-সে বিষয়ে আমরা গভীর শঙ্কা প্রকাশ করছি।
নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতমূলক আচরণের অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, দ্বৈত নাগরিকত্ব, ঋণখেলাপি কিংবা ঋণখেলাপির গ্যারান্টার থাকা সত্ত্বেও অনেক প্রার্থীকে ছাড় দেওয়া হয়েছে-এমন তথ্য বিভিন্ন মাধ্যমে পাওয়া যাচ্ছে।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, আপিল শুনানি শেষে নির্বাচন কমিশন একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের সঙ্গে প্রায় দেড় ঘণ্টা বৈঠক করে পরে রায় ঘোষণা করেছে, যা গণতন্ত্র ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য অশনি সংকেত।
এছাড়া নির্বাচন কমিশনের সামনে পরিকল্পিতভাবে মব সৃষ্টি করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন আসিফ মাহমুদ। তিনি বলেন, একটি সংগঠন উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ইসির ওপর চাপ সৃষ্টির চেষ্টা করেছে, যাতে ঋণখেলাপি ও বিদেশি নাগরিকদের মনোনয়ন বাতিল না করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির নেতারা বলেন, বর্তমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে দলীয় ফোরামে আলোচনা শেষে নির্বাচনে অংশগ্রহণের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) বিরুদ্ধে বিএনপির প্রতি পক্ষপাতের অভিযোগ তুলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র ও কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, এই নির্বাচনে এনসিপি অংশ নেবে কি না-সে বিষয়ে নতুন করে চিন্তা-ভাবনা করা হচ্ছে।
রোববার (৪ জানুয়ারি) রাজধানীর বাংলামোটরে এনসিপির অস্থায়ী কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।
আসিফ মাহমুদ বলেন, একটি সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজনের জন্য রাজনৈতিক দল ও জনগণের যে আস্থা অর্জনের কথা ছিল নির্বাচন কমিশনের, তা তারা হারিয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে নির্বাচন কার্যক্রম যেভাবে এগোচ্ছে, তাতে বাংলাদেশে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন বাস্তবায়ন করতে পারবে কি না-সে বিষয়ে আমরা গভীর শঙ্কা প্রকাশ করছি।
নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতমূলক আচরণের অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, দ্বৈত নাগরিকত্ব, ঋণখেলাপি কিংবা ঋণখেলাপির গ্যারান্টার থাকা সত্ত্বেও অনেক প্রার্থীকে ছাড় দেওয়া হয়েছে-এমন তথ্য বিভিন্ন মাধ্যমে পাওয়া যাচ্ছে।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, আপিল শুনানি শেষে নির্বাচন কমিশন একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের সঙ্গে প্রায় দেড় ঘণ্টা বৈঠক করে পরে রায় ঘোষণা করেছে, যা গণতন্ত্র ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য অশনি সংকেত।
এছাড়া নির্বাচন কমিশনের সামনে পরিকল্পিতভাবে মব সৃষ্টি করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন আসিফ মাহমুদ। তিনি বলেন, একটি সংগঠন উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ইসির ওপর চাপ সৃষ্টির চেষ্টা করেছে, যাতে ঋণখেলাপি ও বিদেশি নাগরিকদের মনোনয়ন বাতিল না করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির নেতারা বলেন, বর্তমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে দলীয় ফোরামে আলোচনা শেষে নির্বাচনে অংশগ্রহণের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) বিরুদ্ধে বিএনপির প্রতি পক্ষপাতের অভিযোগ তুলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র ও কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, এই নির্বাচনে এনসিপি অংশ নেবে কি না-সে বিষয়ে নতুন করে চিন্তা-ভাবনা করা হচ্ছে।
রোববার (৪ জানুয়ারি) রাজধানীর বাংলামোটরে এনসিপির অস্থায়ী কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।
আসিফ মাহমুদ বলেন, একটি সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজনের জন্য রাজনৈতিক দল ও জনগণের যে আস্থা অর্জনের কথা ছিল নির্বাচন কমিশনের, তা তারা হারিয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে নির্বাচন কার্যক্রম যেভাবে এগোচ্ছে, তাতে বাংলাদেশে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন বাস্তবায়ন করতে পারবে কি না-সে বিষয়ে আমরা গভীর শঙ্কা প্রকাশ করছি।
নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতমূলক আচরণের অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, দ্বৈত নাগরিকত্ব, ঋণখেলাপি কিংবা ঋণখেলাপির গ্যারান্টার থাকা সত্ত্বেও অনেক প্রার্থীকে ছাড় দেওয়া হয়েছে-এমন তথ্য বিভিন্ন মাধ্যমে পাওয়া যাচ্ছে।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, আপিল শুনানি শেষে নির্বাচন কমিশন একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের সঙ্গে প্রায় দেড় ঘণ্টা বৈঠক করে পরে রায় ঘোষণা করেছে, যা গণতন্ত্র ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য অশনি সংকেত।
এছাড়া নির্বাচন কমিশনের সামনে পরিকল্পিতভাবে মব সৃষ্টি করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন আসিফ মাহমুদ। তিনি বলেন, একটি সংগঠন উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ইসির ওপর চাপ সৃষ্টির চেষ্টা করেছে, যাতে ঋণখেলাপি ও বিদেশি নাগরিকদের মনোনয়ন বাতিল না করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির নেতারা বলেন, বর্তমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে দলীয় ফোরামে আলোচনা শেষে নির্বাচনে অংশগ্রহণের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) বিরুদ্ধে বিএনপির প্রতি পক্ষপাতের অভিযোগ তুলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র ও কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, এই নির্বাচনে এনসিপি অংশ নেবে কি না-সে বিষয়ে নতুন করে চিন্তা-ভাবনা করা হচ্ছে।
রোববার (৪ জানুয়ারি) রাজধানীর বাংলামোটরে এনসিপির অস্থায়ী কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।
আসিফ মাহমুদ বলেন, একটি সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজনের জন্য রাজনৈতিক দল ও জনগণের যে আস্থা অর্জনের কথা ছিল নির্বাচন কমিশনের, তা তারা হারিয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে নির্বাচন কার্যক্রম যেভাবে এগোচ্ছে, তাতে বাংলাদেশে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন বাস্তবায়ন করতে পারবে কি না-সে বিষয়ে আমরা গভীর শঙ্কা প্রকাশ করছি।
নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতমূলক আচরণের অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, দ্বৈত নাগরিকত্ব, ঋণখেলাপি কিংবা ঋণখেলাপির গ্যারান্টার থাকা সত্ত্বেও অনেক প্রার্থীকে ছাড় দেওয়া হয়েছে-এমন তথ্য বিভিন্ন মাধ্যমে পাওয়া যাচ্ছে।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, আপিল শুনানি শেষে নির্বাচন কমিশন একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের সঙ্গে প্রায় দেড় ঘণ্টা বৈঠক করে পরে রায় ঘোষণা করেছে, যা গণতন্ত্র ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য অশনি সংকেত।
এছাড়া নির্বাচন কমিশনের সামনে পরিকল্পিতভাবে মব সৃষ্টি করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন আসিফ মাহমুদ। তিনি বলেন, একটি সংগঠন উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ইসির ওপর চাপ সৃষ্টির চেষ্টা করেছে, যাতে ঋণখেলাপি ও বিদেশি নাগরিকদের মনোনয়ন বাতিল না করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির নেতারা বলেন, বর্তমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে দলীয় ফোরামে আলোচনা শেষে নির্বাচনে অংশগ্রহণের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!