
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) এলাকায় বাড়িভাড়া নির্ধারণে নতুন নির্দেশনা দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, মানসম্মত ভাড়া কার্যকর হওয়ার তারিখ থেকে পরবর্তী দুই বছর তা বলবৎ থাকবে এবং এই সময়ের আগে কোনো অবস্থাতেই বাড়িভাড়া বাড়ানো যাবে না।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) দুপুরে গুলশানে ডিএনসিসির নগর ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব নির্দেশনা ঘোষণা করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ডিএনসিসি প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ।
নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ভাড়া বৃদ্ধির সময় নির্ধারিত থাকবে জুন ও জুলাই মাসে। দুই বছর পর মানসম্মত ভাড়া বা বাড়িওয়ালা-ভাড়াটিয়ার দ্বিপাক্ষিক আলোচনার মাধ্যমে ভাড়া পুনর্নির্ধারণ করা যাবে।
ভাড়াটিয়া নির্দিষ্ট সময়ে ভাড়া পরিশোধে ব্যর্থ হলে প্রথমে বাড়িওয়ালা মৌখিকভাবে সতর্ক করবেন। এরপরও ভাড়া পরিশোধ না হলে সব বকেয়া পরিশোধের জন্য দুই মাস সময় দিয়ে লিখিত নোটিশ প্রদান করতে পারবেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বকেয়া পরিশোধ না হলে চুক্তি বাতিল করে ভাড়াটিয়াকে উচ্ছেদ করা যাবে।
আবাসিক ভবনের ক্ষেত্রে ভাড়া চুক্তি বাতিল করতে হলে উভয় পক্ষকে দুই মাসের নোটিশ দিতে হবে বলেও নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে।
ডিএনসিসি জানায়, মানসম্মত ভাড়ার বার্ষিক পরিমাণ সংশ্লিষ্ট বাড়িভাড়ার বাজারমূল্যের সর্বোচ্চ ১৫ শতাংশের বেশি হতে পারবে না। বাড়িওয়ালার সঙ্গে ভাড়াটিয়ার লিখিত চুক্তিতে ভাড়া বৃদ্ধি, অগ্রিম অর্থ, চুক্তির মেয়াদ এবং বাড়ি ছাড়ার শর্তাবলি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।
এছাড়া বাড়িভাড়া নেওয়ার সময় এক থেকে তিন মাসের বেশি অগ্রিম নেওয়া যাবে না। সিটি করপোরেশন এলাকায় ওয়ার্ডভিত্তিক বাড়িওয়ালা সমিতি ও ভাড়াটিয়া সমিতি গঠনের নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে। ভাড়াসংক্রান্ত কোনো বিরোধ দেখা দিলে প্রথমে ওয়ার্ড বা জোন পর্যায়ে উভয় পক্ষের প্রতিনিধিদের মাধ্যমে সালিশের মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করতে হবে। প্রয়োজনে সিটি করপোরেশনের আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে বিষয়টি জানানো যাবে।
ডিএনসিসি আরও জানায়, ভাড়াটিয়াদের অধিকার নিশ্চিত করতে বাড়িভাড়া নিয়ন্ত্রণ আইন, ১৯৯১ অনুযায়ী এই নির্দেশনা বাস্তবায়ন করা হবে। এ বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে জোনভিত্তিক মতবিনিময় ও আলোচনা সভা আয়োজন করা হবে।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) এলাকায় বাড়িভাড়া নির্ধারণে নতুন নির্দেশনা দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, মানসম্মত ভাড়া কার্যকর হওয়ার তারিখ থেকে পরবর্তী দুই বছর তা বলবৎ থাকবে এবং এই সময়ের আগে কোনো অবস্থাতেই বাড়িভাড়া বাড়ানো যাবে না।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) দুপুরে গুলশানে ডিএনসিসির নগর ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব নির্দেশনা ঘোষণা করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ডিএনসিসি প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ।
নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ভাড়া বৃদ্ধির সময় নির্ধারিত থাকবে জুন ও জুলাই মাসে। দুই বছর পর মানসম্মত ভাড়া বা বাড়িওয়ালা-ভাড়াটিয়ার দ্বিপাক্ষিক আলোচনার মাধ্যমে ভাড়া পুনর্নির্ধারণ করা যাবে।
ভাড়াটিয়া নির্দিষ্ট সময়ে ভাড়া পরিশোধে ব্যর্থ হলে প্রথমে বাড়িওয়ালা মৌখিকভাবে সতর্ক করবেন। এরপরও ভাড়া পরিশোধ না হলে সব বকেয়া পরিশোধের জন্য দুই মাস সময় দিয়ে লিখিত নোটিশ প্রদান করতে পারবেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বকেয়া পরিশোধ না হলে চুক্তি বাতিল করে ভাড়াটিয়াকে উচ্ছেদ করা যাবে।
আবাসিক ভবনের ক্ষেত্রে ভাড়া চুক্তি বাতিল করতে হলে উভয় পক্ষকে দুই মাসের নোটিশ দিতে হবে বলেও নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে।
ডিএনসিসি জানায়, মানসম্মত ভাড়ার বার্ষিক পরিমাণ সংশ্লিষ্ট বাড়িভাড়ার বাজারমূল্যের সর্বোচ্চ ১৫ শতাংশের বেশি হতে পারবে না। বাড়িওয়ালার সঙ্গে ভাড়াটিয়ার লিখিত চুক্তিতে ভাড়া বৃদ্ধি, অগ্রিম অর্থ, চুক্তির মেয়াদ এবং বাড়ি ছাড়ার শর্তাবলি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।
এছাড়া বাড়িভাড়া নেওয়ার সময় এক থেকে তিন মাসের বেশি অগ্রিম নেওয়া যাবে না। সিটি করপোরেশন এলাকায় ওয়ার্ডভিত্তিক বাড়িওয়ালা সমিতি ও ভাড়াটিয়া সমিতি গঠনের নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে। ভাড়াসংক্রান্ত কোনো বিরোধ দেখা দিলে প্রথমে ওয়ার্ড বা জোন পর্যায়ে উভয় পক্ষের প্রতিনিধিদের মাধ্যমে সালিশের মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করতে হবে। প্রয়োজনে সিটি করপোরেশনের আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে বিষয়টি জানানো যাবে।
ডিএনসিসি আরও জানায়, ভাড়াটিয়াদের অধিকার নিশ্চিত করতে বাড়িভাড়া নিয়ন্ত্রণ আইন, ১৯৯১ অনুযায়ী এই নির্দেশনা বাস্তবায়ন করা হবে। এ বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে জোনভিত্তিক মতবিনিময় ও আলোচনা সভা আয়োজন করা হবে।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) এলাকায় বাড়িভাড়া নির্ধারণে নতুন নির্দেশনা দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, মানসম্মত ভাড়া কার্যকর হওয়ার তারিখ থেকে পরবর্তী দুই বছর তা বলবৎ থাকবে এবং এই সময়ের আগে কোনো অবস্থাতেই বাড়িভাড়া বাড়ানো যাবে না।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) দুপুরে গুলশানে ডিএনসিসির নগর ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব নির্দেশনা ঘোষণা করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ডিএনসিসি প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ।
নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ভাড়া বৃদ্ধির সময় নির্ধারিত থাকবে জুন ও জুলাই মাসে। দুই বছর পর মানসম্মত ভাড়া বা বাড়িওয়ালা-ভাড়াটিয়ার দ্বিপাক্ষিক আলোচনার মাধ্যমে ভাড়া পুনর্নির্ধারণ করা যাবে।
ভাড়াটিয়া নির্দিষ্ট সময়ে ভাড়া পরিশোধে ব্যর্থ হলে প্রথমে বাড়িওয়ালা মৌখিকভাবে সতর্ক করবেন। এরপরও ভাড়া পরিশোধ না হলে সব বকেয়া পরিশোধের জন্য দুই মাস সময় দিয়ে লিখিত নোটিশ প্রদান করতে পারবেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বকেয়া পরিশোধ না হলে চুক্তি বাতিল করে ভাড়াটিয়াকে উচ্ছেদ করা যাবে।
আবাসিক ভবনের ক্ষেত্রে ভাড়া চুক্তি বাতিল করতে হলে উভয় পক্ষকে দুই মাসের নোটিশ দিতে হবে বলেও নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে।
ডিএনসিসি জানায়, মানসম্মত ভাড়ার বার্ষিক পরিমাণ সংশ্লিষ্ট বাড়িভাড়ার বাজারমূল্যের সর্বোচ্চ ১৫ শতাংশের বেশি হতে পারবে না। বাড়িওয়ালার সঙ্গে ভাড়াটিয়ার লিখিত চুক্তিতে ভাড়া বৃদ্ধি, অগ্রিম অর্থ, চুক্তির মেয়াদ এবং বাড়ি ছাড়ার শর্তাবলি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।
এছাড়া বাড়িভাড়া নেওয়ার সময় এক থেকে তিন মাসের বেশি অগ্রিম নেওয়া যাবে না। সিটি করপোরেশন এলাকায় ওয়ার্ডভিত্তিক বাড়িওয়ালা সমিতি ও ভাড়াটিয়া সমিতি গঠনের নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে। ভাড়াসংক্রান্ত কোনো বিরোধ দেখা দিলে প্রথমে ওয়ার্ড বা জোন পর্যায়ে উভয় পক্ষের প্রতিনিধিদের মাধ্যমে সালিশের মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করতে হবে। প্রয়োজনে সিটি করপোরেশনের আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে বিষয়টি জানানো যাবে।
ডিএনসিসি আরও জানায়, ভাড়াটিয়াদের অধিকার নিশ্চিত করতে বাড়িভাড়া নিয়ন্ত্রণ আইন, ১৯৯১ অনুযায়ী এই নির্দেশনা বাস্তবায়ন করা হবে। এ বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে জোনভিত্তিক মতবিনিময় ও আলোচনা সভা আয়োজন করা হবে।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) এলাকায় বাড়িভাড়া নির্ধারণে নতুন নির্দেশনা দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, মানসম্মত ভাড়া কার্যকর হওয়ার তারিখ থেকে পরবর্তী দুই বছর তা বলবৎ থাকবে এবং এই সময়ের আগে কোনো অবস্থাতেই বাড়িভাড়া বাড়ানো যাবে না।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) দুপুরে গুলশানে ডিএনসিসির নগর ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব নির্দেশনা ঘোষণা করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ডিএনসিসি প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ।
নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ভাড়া বৃদ্ধির সময় নির্ধারিত থাকবে জুন ও জুলাই মাসে। দুই বছর পর মানসম্মত ভাড়া বা বাড়িওয়ালা-ভাড়াটিয়ার দ্বিপাক্ষিক আলোচনার মাধ্যমে ভাড়া পুনর্নির্ধারণ করা যাবে।
ভাড়াটিয়া নির্দিষ্ট সময়ে ভাড়া পরিশোধে ব্যর্থ হলে প্রথমে বাড়িওয়ালা মৌখিকভাবে সতর্ক করবেন। এরপরও ভাড়া পরিশোধ না হলে সব বকেয়া পরিশোধের জন্য দুই মাস সময় দিয়ে লিখিত নোটিশ প্রদান করতে পারবেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বকেয়া পরিশোধ না হলে চুক্তি বাতিল করে ভাড়াটিয়াকে উচ্ছেদ করা যাবে।
আবাসিক ভবনের ক্ষেত্রে ভাড়া চুক্তি বাতিল করতে হলে উভয় পক্ষকে দুই মাসের নোটিশ দিতে হবে বলেও নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে।
ডিএনসিসি জানায়, মানসম্মত ভাড়ার বার্ষিক পরিমাণ সংশ্লিষ্ট বাড়িভাড়ার বাজারমূল্যের সর্বোচ্চ ১৫ শতাংশের বেশি হতে পারবে না। বাড়িওয়ালার সঙ্গে ভাড়াটিয়ার লিখিত চুক্তিতে ভাড়া বৃদ্ধি, অগ্রিম অর্থ, চুক্তির মেয়াদ এবং বাড়ি ছাড়ার শর্তাবলি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।
এছাড়া বাড়িভাড়া নেওয়ার সময় এক থেকে তিন মাসের বেশি অগ্রিম নেওয়া যাবে না। সিটি করপোরেশন এলাকায় ওয়ার্ডভিত্তিক বাড়িওয়ালা সমিতি ও ভাড়াটিয়া সমিতি গঠনের নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে। ভাড়াসংক্রান্ত কোনো বিরোধ দেখা দিলে প্রথমে ওয়ার্ড বা জোন পর্যায়ে উভয় পক্ষের প্রতিনিধিদের মাধ্যমে সালিশের মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করতে হবে। প্রয়োজনে সিটি করপোরেশনের আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে বিষয়টি জানানো যাবে।
ডিএনসিসি আরও জানায়, ভাড়াটিয়াদের অধিকার নিশ্চিত করতে বাড়িভাড়া নিয়ন্ত্রণ আইন, ১৯৯১ অনুযায়ী এই নির্দেশনা বাস্তবায়ন করা হবে। এ বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে জোনভিত্তিক মতবিনিময় ও আলোচনা সভা আয়োজন করা হবে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!