
দেশের বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় অতিরিক্ত পাঠ্যবই ও পরীক্ষানির্ভরতার সমালোচনা করেছেন শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. সি আর আবরার। শিক্ষার্থীদের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি এ বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং শিক্ষাদর্শন পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানান।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ‘জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ–২০২৬’-এর পুরস্কার বিতরণ ও সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, শিশু ও তরুণ শিক্ষার্থীদের কাঁধে অপ্রয়োজনীয়ভাবে অতিরিক্ত পাঠ্যবইয়ের বোঝা চাপানো হচ্ছে এবং মাসে মাসে তাদের লিখিত পরীক্ষার মুখোমুখি করা হচ্ছে। এর ফলে শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা, সামাজিকতা ও অন্যান্য গুণাবলি বিকাশের সুযোগ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। এমনকি অভিভাবকরাও অধিক পরীক্ষার প্রত্যাশা করেন—যা দুঃখজনক বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের মেধা মানে কেবল পরীক্ষার ফলাফল নয়। খেলাধুলা, বিতর্ক, সংস্কৃতি, সমাজকর্ম ও নেতৃত্বের মাধ্যমে মানুষের প্রকৃত মেধার বিকাশ ঘটে। তাই শিক্ষার লক্ষ্য শুধু বই ও পরীক্ষায় সীমাবদ্ধ না রেখে বহুমাত্রিক দক্ষতা গড়ে তোলার দিকে মনোযোগ দিতে হবে।
অধ্যাপক সি আর আবরার আরও বলেন, শিক্ষা কেবল স্কুল, কলেজ বা পাঠ্যসূচির মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। মানুষের ভেতরে থাকা প্রতিভা ও সম্ভাবনাকে বিকশিত করাই শিক্ষার প্রকৃত উদ্দেশ্য। শিক্ষাজীবন যেন বাস্তবধর্মী, জীবনঘনিষ্ঠ ও আনন্দময় হয়—সে পরিবেশ তৈরির দায়িত্ব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে শিক্ষার্থীদের কাছে আরও আকর্ষণীয় করে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, এমন পরিবেশ তৈরি করতে হবে যেখানে শিক্ষার্থীরা স্কুল বন্ধ থাকলে আক্ষেপ করবে। পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলা, সংস্কৃতি ও সামাজিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণের সুযোগ থাকতে হবে। শুধু কয়েকটি নয়, প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে ভালো মানের স্কুলে পরিণত করতে হবে, যাতে সব শিক্ষার্থী সমান সুযোগ পায়।
তিনি বলেন, দেশের প্রত্যন্ত ও গ্রামীণ অঞ্চল থেকেও প্রতিভাবান শিক্ষার্থী উঠে আসছে, যা প্রমাণ করে মেধা কোনো নির্দিষ্ট এলাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এখন প্রশ্ন হলো—জাতি হিসেবে আমরা সেই মেধাকে কতটা সঠিকভাবে লালন করতে পারছি।
অনুষ্ঠানে পুরস্কারপ্রাপ্তদের মধ্যে নারীদের উল্লেখযোগ্য অংশগ্রহণের কথা তুলে ধরে শিক্ষা উপদেষ্টা জানান, মোট পুরস্কারপ্রাপ্তদের মধ্যে ৫৭ শতাংশ নারী এবং ৪৩ শতাংশ পুরুষ। বাংলা ও ইংরেজি রচনা এবং ইংরেজি বক্তব্য বিভাগে নারীরা সংখ্যাগরিষ্ঠ। নারী শক্তির এই অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব রেহানা পারভীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালক (চলতি দায়িত্ব) অধ্যাপক বি এম আব্দুল হান্নান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম।

দেশের বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় অতিরিক্ত পাঠ্যবই ও পরীক্ষানির্ভরতার সমালোচনা করেছেন শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. সি আর আবরার। শিক্ষার্থীদের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি এ বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং শিক্ষাদর্শন পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানান।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ‘জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ–২০২৬’-এর পুরস্কার বিতরণ ও সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, শিশু ও তরুণ শিক্ষার্থীদের কাঁধে অপ্রয়োজনীয়ভাবে অতিরিক্ত পাঠ্যবইয়ের বোঝা চাপানো হচ্ছে এবং মাসে মাসে তাদের লিখিত পরীক্ষার মুখোমুখি করা হচ্ছে। এর ফলে শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা, সামাজিকতা ও অন্যান্য গুণাবলি বিকাশের সুযোগ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। এমনকি অভিভাবকরাও অধিক পরীক্ষার প্রত্যাশা করেন—যা দুঃখজনক বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের মেধা মানে কেবল পরীক্ষার ফলাফল নয়। খেলাধুলা, বিতর্ক, সংস্কৃতি, সমাজকর্ম ও নেতৃত্বের মাধ্যমে মানুষের প্রকৃত মেধার বিকাশ ঘটে। তাই শিক্ষার লক্ষ্য শুধু বই ও পরীক্ষায় সীমাবদ্ধ না রেখে বহুমাত্রিক দক্ষতা গড়ে তোলার দিকে মনোযোগ দিতে হবে।
অধ্যাপক সি আর আবরার আরও বলেন, শিক্ষা কেবল স্কুল, কলেজ বা পাঠ্যসূচির মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। মানুষের ভেতরে থাকা প্রতিভা ও সম্ভাবনাকে বিকশিত করাই শিক্ষার প্রকৃত উদ্দেশ্য। শিক্ষাজীবন যেন বাস্তবধর্মী, জীবনঘনিষ্ঠ ও আনন্দময় হয়—সে পরিবেশ তৈরির দায়িত্ব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে শিক্ষার্থীদের কাছে আরও আকর্ষণীয় করে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, এমন পরিবেশ তৈরি করতে হবে যেখানে শিক্ষার্থীরা স্কুল বন্ধ থাকলে আক্ষেপ করবে। পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলা, সংস্কৃতি ও সামাজিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণের সুযোগ থাকতে হবে। শুধু কয়েকটি নয়, প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে ভালো মানের স্কুলে পরিণত করতে হবে, যাতে সব শিক্ষার্থী সমান সুযোগ পায়।
তিনি বলেন, দেশের প্রত্যন্ত ও গ্রামীণ অঞ্চল থেকেও প্রতিভাবান শিক্ষার্থী উঠে আসছে, যা প্রমাণ করে মেধা কোনো নির্দিষ্ট এলাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এখন প্রশ্ন হলো—জাতি হিসেবে আমরা সেই মেধাকে কতটা সঠিকভাবে লালন করতে পারছি।
অনুষ্ঠানে পুরস্কারপ্রাপ্তদের মধ্যে নারীদের উল্লেখযোগ্য অংশগ্রহণের কথা তুলে ধরে শিক্ষা উপদেষ্টা জানান, মোট পুরস্কারপ্রাপ্তদের মধ্যে ৫৭ শতাংশ নারী এবং ৪৩ শতাংশ পুরুষ। বাংলা ও ইংরেজি রচনা এবং ইংরেজি বক্তব্য বিভাগে নারীরা সংখ্যাগরিষ্ঠ। নারী শক্তির এই অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব রেহানা পারভীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালক (চলতি দায়িত্ব) অধ্যাপক বি এম আব্দুল হান্নান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম।

দেশের বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় অতিরিক্ত পাঠ্যবই ও পরীক্ষানির্ভরতার সমালোচনা করেছেন শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. সি আর আবরার। শিক্ষার্থীদের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি এ বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং শিক্ষাদর্শন পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানান।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ‘জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ–২০২৬’-এর পুরস্কার বিতরণ ও সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, শিশু ও তরুণ শিক্ষার্থীদের কাঁধে অপ্রয়োজনীয়ভাবে অতিরিক্ত পাঠ্যবইয়ের বোঝা চাপানো হচ্ছে এবং মাসে মাসে তাদের লিখিত পরীক্ষার মুখোমুখি করা হচ্ছে। এর ফলে শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা, সামাজিকতা ও অন্যান্য গুণাবলি বিকাশের সুযোগ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। এমনকি অভিভাবকরাও অধিক পরীক্ষার প্রত্যাশা করেন—যা দুঃখজনক বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের মেধা মানে কেবল পরীক্ষার ফলাফল নয়। খেলাধুলা, বিতর্ক, সংস্কৃতি, সমাজকর্ম ও নেতৃত্বের মাধ্যমে মানুষের প্রকৃত মেধার বিকাশ ঘটে। তাই শিক্ষার লক্ষ্য শুধু বই ও পরীক্ষায় সীমাবদ্ধ না রেখে বহুমাত্রিক দক্ষতা গড়ে তোলার দিকে মনোযোগ দিতে হবে।
অধ্যাপক সি আর আবরার আরও বলেন, শিক্ষা কেবল স্কুল, কলেজ বা পাঠ্যসূচির মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। মানুষের ভেতরে থাকা প্রতিভা ও সম্ভাবনাকে বিকশিত করাই শিক্ষার প্রকৃত উদ্দেশ্য। শিক্ষাজীবন যেন বাস্তবধর্মী, জীবনঘনিষ্ঠ ও আনন্দময় হয়—সে পরিবেশ তৈরির দায়িত্ব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে শিক্ষার্থীদের কাছে আরও আকর্ষণীয় করে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, এমন পরিবেশ তৈরি করতে হবে যেখানে শিক্ষার্থীরা স্কুল বন্ধ থাকলে আক্ষেপ করবে। পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলা, সংস্কৃতি ও সামাজিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণের সুযোগ থাকতে হবে। শুধু কয়েকটি নয়, প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে ভালো মানের স্কুলে পরিণত করতে হবে, যাতে সব শিক্ষার্থী সমান সুযোগ পায়।
তিনি বলেন, দেশের প্রত্যন্ত ও গ্রামীণ অঞ্চল থেকেও প্রতিভাবান শিক্ষার্থী উঠে আসছে, যা প্রমাণ করে মেধা কোনো নির্দিষ্ট এলাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এখন প্রশ্ন হলো—জাতি হিসেবে আমরা সেই মেধাকে কতটা সঠিকভাবে লালন করতে পারছি।
অনুষ্ঠানে পুরস্কারপ্রাপ্তদের মধ্যে নারীদের উল্লেখযোগ্য অংশগ্রহণের কথা তুলে ধরে শিক্ষা উপদেষ্টা জানান, মোট পুরস্কারপ্রাপ্তদের মধ্যে ৫৭ শতাংশ নারী এবং ৪৩ শতাংশ পুরুষ। বাংলা ও ইংরেজি রচনা এবং ইংরেজি বক্তব্য বিভাগে নারীরা সংখ্যাগরিষ্ঠ। নারী শক্তির এই অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব রেহানা পারভীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালক (চলতি দায়িত্ব) অধ্যাপক বি এম আব্দুল হান্নান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম।

দেশের বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় অতিরিক্ত পাঠ্যবই ও পরীক্ষানির্ভরতার সমালোচনা করেছেন শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. সি আর আবরার। শিক্ষার্থীদের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি এ বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং শিক্ষাদর্শন পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানান।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ‘জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ–২০২৬’-এর পুরস্কার বিতরণ ও সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, শিশু ও তরুণ শিক্ষার্থীদের কাঁধে অপ্রয়োজনীয়ভাবে অতিরিক্ত পাঠ্যবইয়ের বোঝা চাপানো হচ্ছে এবং মাসে মাসে তাদের লিখিত পরীক্ষার মুখোমুখি করা হচ্ছে। এর ফলে শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা, সামাজিকতা ও অন্যান্য গুণাবলি বিকাশের সুযোগ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। এমনকি অভিভাবকরাও অধিক পরীক্ষার প্রত্যাশা করেন—যা দুঃখজনক বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের মেধা মানে কেবল পরীক্ষার ফলাফল নয়। খেলাধুলা, বিতর্ক, সংস্কৃতি, সমাজকর্ম ও নেতৃত্বের মাধ্যমে মানুষের প্রকৃত মেধার বিকাশ ঘটে। তাই শিক্ষার লক্ষ্য শুধু বই ও পরীক্ষায় সীমাবদ্ধ না রেখে বহুমাত্রিক দক্ষতা গড়ে তোলার দিকে মনোযোগ দিতে হবে।
অধ্যাপক সি আর আবরার আরও বলেন, শিক্ষা কেবল স্কুল, কলেজ বা পাঠ্যসূচির মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। মানুষের ভেতরে থাকা প্রতিভা ও সম্ভাবনাকে বিকশিত করাই শিক্ষার প্রকৃত উদ্দেশ্য। শিক্ষাজীবন যেন বাস্তবধর্মী, জীবনঘনিষ্ঠ ও আনন্দময় হয়—সে পরিবেশ তৈরির দায়িত্ব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে শিক্ষার্থীদের কাছে আরও আকর্ষণীয় করে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, এমন পরিবেশ তৈরি করতে হবে যেখানে শিক্ষার্থীরা স্কুল বন্ধ থাকলে আক্ষেপ করবে। পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলা, সংস্কৃতি ও সামাজিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণের সুযোগ থাকতে হবে। শুধু কয়েকটি নয়, প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে ভালো মানের স্কুলে পরিণত করতে হবে, যাতে সব শিক্ষার্থী সমান সুযোগ পায়।
তিনি বলেন, দেশের প্রত্যন্ত ও গ্রামীণ অঞ্চল থেকেও প্রতিভাবান শিক্ষার্থী উঠে আসছে, যা প্রমাণ করে মেধা কোনো নির্দিষ্ট এলাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এখন প্রশ্ন হলো—জাতি হিসেবে আমরা সেই মেধাকে কতটা সঠিকভাবে লালন করতে পারছি।
অনুষ্ঠানে পুরস্কারপ্রাপ্তদের মধ্যে নারীদের উল্লেখযোগ্য অংশগ্রহণের কথা তুলে ধরে শিক্ষা উপদেষ্টা জানান, মোট পুরস্কারপ্রাপ্তদের মধ্যে ৫৭ শতাংশ নারী এবং ৪৩ শতাংশ পুরুষ। বাংলা ও ইংরেজি রচনা এবং ইংরেজি বক্তব্য বিভাগে নারীরা সংখ্যাগরিষ্ঠ। নারী শক্তির এই অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব রেহানা পারভীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালক (চলতি দায়িত্ব) অধ্যাপক বি এম আব্দুল হান্নান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!