অ্যাননটেক্স গ্রুপের নামে প্রায় ৫৩১ কোটি টাকা আত্মসাতের মামলায় বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. আতিউর রহমানসহ ২৫ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। গত বৃহস্পতিবার ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র বিশেষ জজ মো. সাব্বির ফয়েজ এ পরোয়ানা জারি করেন।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, মামলার চার্জশিটভুক্ত ২৬ আসামির মধ্যে জনতা ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান ড. আবুল বারকাত গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে রয়েছেন। অপর ২৫ আসামি পলাতক থাকায় আদালত তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন।
গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হওয়া আসামিদের মধ্যে রয়েছেন-বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর আবু হেনা মোহাম্মদ রাজী হাসান, সাবেক সহকারী পরিচালক মোছাম্মৎ ইসমত আরা বেগম, জনতা ব্যাংকের সাবেক পরিচালক জামাল উদ্দিন আহমেদ, মো. ইমদাদুল হক, নাগিবুল ইসলাম দীপু, আর এম দেবনাথ, মো. আবু নাসের, সঙ্গীতা আহমেদ ও অধ্যাপক নিতাই চন্দ্র নাথ।
এছাড়া জনতা ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও আবদুছ ছালাম আজাদ, সাবেক উপমহাব্যবস্থাপক আজমুল হক, সাবেক এজিএম অজয় কুমার ঘোষ, সাবেক ম্যানেজার (শিল্প ঋণ-১) মো. গোলাম আজম, নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শাহজাহান, এসইও মো. এমদাদুল হক, সাবেক উপমহাব্যবস্থাপক মো. আবদুল জব্বার, সাবেক ডিএমডি মো. গোলাম ফারুক ও ওমর ফারুকের নাম রয়েছে তালিকায়।
অন্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন অ্যাননটেক্স গ্রুপের চেয়ারম্যান মো. ইউনুছ বাদল, মেসার্স সুপ্রভ স্পিনিং লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আনোয়ার হোসেন ও পরিচালক মো. আবু তালহা।
দুদক সূত্র জানায়, গত বছরের ২০ ফেব্রুয়ারি জনতা ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান ড. আবুল বারকাতসহ ২৩ জনের বিরুদ্ধে অ্যাননটেক্স গ্রুপের নামে ২৯৭ কোটি ৩৮ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে মামলা দায়ের করেন দুদকের উপপরিচালক নাজমুল হুসাইন। মামলায় অভিযোগ করা হয়, বাংলাদেশ ব্যাংকের তৎকালীন গভর্নর ড. আতিউর রহমান ও জনতা ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান ড. আবুল বারকাত পরস্পর যোগসাজশে জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে অ্যাননটেক্স গ্রুপের ২২টি প্রতিষ্ঠানের নামে ঋণ অনুমোদন ও বিতরণ করেন।
পরবর্তীতে গত বছরের ২০ অক্টোবর ড. আবুল বারকাতসহ ২৬ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করা হয়। চার্জশিটে বলা হয়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে প্রতারণা ও জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে মিথ্যা রেকর্ড তৈরি করে জনতা ব্যাংক পিএলসি থেকে প্রায় ৫৩১ কোটি ৪৪ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছেন। সুদ-আসলে যার পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ১ হাজার ১৩০ কোটি ১৯ লাখ টাকা।
অ্যাননটেক্স গ্রুপের নামে প্রায় ৫৩১ কোটি টাকা আত্মসাতের মামলায় বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. আতিউর রহমানসহ ২৫ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। গত বৃহস্পতিবার ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র বিশেষ জজ মো. সাব্বির ফয়েজ এ পরোয়ানা জারি করেন।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, মামলার চার্জশিটভুক্ত ২৬ আসামির মধ্যে জনতা ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান ড. আবুল বারকাত গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে রয়েছেন। অপর ২৫ আসামি পলাতক থাকায় আদালত তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন।
গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হওয়া আসামিদের মধ্যে রয়েছেন-বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর আবু হেনা মোহাম্মদ রাজী হাসান, সাবেক সহকারী পরিচালক মোছাম্মৎ ইসমত আরা বেগম, জনতা ব্যাংকের সাবেক পরিচালক জামাল উদ্দিন আহমেদ, মো. ইমদাদুল হক, নাগিবুল ইসলাম দীপু, আর এম দেবনাথ, মো. আবু নাসের, সঙ্গীতা আহমেদ ও অধ্যাপক নিতাই চন্দ্র নাথ।
এছাড়া জনতা ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও আবদুছ ছালাম আজাদ, সাবেক উপমহাব্যবস্থাপক আজমুল হক, সাবেক এজিএম অজয় কুমার ঘোষ, সাবেক ম্যানেজার (শিল্প ঋণ-১) মো. গোলাম আজম, নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শাহজাহান, এসইও মো. এমদাদুল হক, সাবেক উপমহাব্যবস্থাপক মো. আবদুল জব্বার, সাবেক ডিএমডি মো. গোলাম ফারুক ও ওমর ফারুকের নাম রয়েছে তালিকায়।
অন্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন অ্যাননটেক্স গ্রুপের চেয়ারম্যান মো. ইউনুছ বাদল, মেসার্স সুপ্রভ স্পিনিং লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আনোয়ার হোসেন ও পরিচালক মো. আবু তালহা।
দুদক সূত্র জানায়, গত বছরের ২০ ফেব্রুয়ারি জনতা ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান ড. আবুল বারকাতসহ ২৩ জনের বিরুদ্ধে অ্যাননটেক্স গ্রুপের নামে ২৯৭ কোটি ৩৮ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে মামলা দায়ের করেন দুদকের উপপরিচালক নাজমুল হুসাইন। মামলায় অভিযোগ করা হয়, বাংলাদেশ ব্যাংকের তৎকালীন গভর্নর ড. আতিউর রহমান ও জনতা ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান ড. আবুল বারকাত পরস্পর যোগসাজশে জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে অ্যাননটেক্স গ্রুপের ২২টি প্রতিষ্ঠানের নামে ঋণ অনুমোদন ও বিতরণ করেন।
পরবর্তীতে গত বছরের ২০ অক্টোবর ড. আবুল বারকাতসহ ২৬ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করা হয়। চার্জশিটে বলা হয়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে প্রতারণা ও জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে মিথ্যা রেকর্ড তৈরি করে জনতা ব্যাংক পিএলসি থেকে প্রায় ৫৩১ কোটি ৪৪ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছেন। সুদ-আসলে যার পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ১ হাজার ১৩০ কোটি ১৯ লাখ টাকা।
অ্যাননটেক্স গ্রুপের নামে প্রায় ৫৩১ কোটি টাকা আত্মসাতের মামলায় বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. আতিউর রহমানসহ ২৫ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। গত বৃহস্পতিবার ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র বিশেষ জজ মো. সাব্বির ফয়েজ এ পরোয়ানা জারি করেন।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, মামলার চার্জশিটভুক্ত ২৬ আসামির মধ্যে জনতা ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান ড. আবুল বারকাত গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে রয়েছেন। অপর ২৫ আসামি পলাতক থাকায় আদালত তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন।
গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হওয়া আসামিদের মধ্যে রয়েছেন-বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর আবু হেনা মোহাম্মদ রাজী হাসান, সাবেক সহকারী পরিচালক মোছাম্মৎ ইসমত আরা বেগম, জনতা ব্যাংকের সাবেক পরিচালক জামাল উদ্দিন আহমেদ, মো. ইমদাদুল হক, নাগিবুল ইসলাম দীপু, আর এম দেবনাথ, মো. আবু নাসের, সঙ্গীতা আহমেদ ও অধ্যাপক নিতাই চন্দ্র নাথ।
এছাড়া জনতা ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও আবদুছ ছালাম আজাদ, সাবেক উপমহাব্যবস্থাপক আজমুল হক, সাবেক এজিএম অজয় কুমার ঘোষ, সাবেক ম্যানেজার (শিল্প ঋণ-১) মো. গোলাম আজম, নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শাহজাহান, এসইও মো. এমদাদুল হক, সাবেক উপমহাব্যবস্থাপক মো. আবদুল জব্বার, সাবেক ডিএমডি মো. গোলাম ফারুক ও ওমর ফারুকের নাম রয়েছে তালিকায়।
অন্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন অ্যাননটেক্স গ্রুপের চেয়ারম্যান মো. ইউনুছ বাদল, মেসার্স সুপ্রভ স্পিনিং লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আনোয়ার হোসেন ও পরিচালক মো. আবু তালহা।
দুদক সূত্র জানায়, গত বছরের ২০ ফেব্রুয়ারি জনতা ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান ড. আবুল বারকাতসহ ২৩ জনের বিরুদ্ধে অ্যাননটেক্স গ্রুপের নামে ২৯৭ কোটি ৩৮ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে মামলা দায়ের করেন দুদকের উপপরিচালক নাজমুল হুসাইন। মামলায় অভিযোগ করা হয়, বাংলাদেশ ব্যাংকের তৎকালীন গভর্নর ড. আতিউর রহমান ও জনতা ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান ড. আবুল বারকাত পরস্পর যোগসাজশে জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে অ্যাননটেক্স গ্রুপের ২২টি প্রতিষ্ঠানের নামে ঋণ অনুমোদন ও বিতরণ করেন।
পরবর্তীতে গত বছরের ২০ অক্টোবর ড. আবুল বারকাতসহ ২৬ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করা হয়। চার্জশিটে বলা হয়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে প্রতারণা ও জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে মিথ্যা রেকর্ড তৈরি করে জনতা ব্যাংক পিএলসি থেকে প্রায় ৫৩১ কোটি ৪৪ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছেন। সুদ-আসলে যার পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ১ হাজার ১৩০ কোটি ১৯ লাখ টাকা।
অ্যাননটেক্স গ্রুপের নামে প্রায় ৫৩১ কোটি টাকা আত্মসাতের মামলায় বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. আতিউর রহমানসহ ২৫ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। গত বৃহস্পতিবার ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র বিশেষ জজ মো. সাব্বির ফয়েজ এ পরোয়ানা জারি করেন।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, মামলার চার্জশিটভুক্ত ২৬ আসামির মধ্যে জনতা ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান ড. আবুল বারকাত গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে রয়েছেন। অপর ২৫ আসামি পলাতক থাকায় আদালত তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন।
গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হওয়া আসামিদের মধ্যে রয়েছেন-বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর আবু হেনা মোহাম্মদ রাজী হাসান, সাবেক সহকারী পরিচালক মোছাম্মৎ ইসমত আরা বেগম, জনতা ব্যাংকের সাবেক পরিচালক জামাল উদ্দিন আহমেদ, মো. ইমদাদুল হক, নাগিবুল ইসলাম দীপু, আর এম দেবনাথ, মো. আবু নাসের, সঙ্গীতা আহমেদ ও অধ্যাপক নিতাই চন্দ্র নাথ।
এছাড়া জনতা ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও আবদুছ ছালাম আজাদ, সাবেক উপমহাব্যবস্থাপক আজমুল হক, সাবেক এজিএম অজয় কুমার ঘোষ, সাবেক ম্যানেজার (শিল্প ঋণ-১) মো. গোলাম আজম, নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শাহজাহান, এসইও মো. এমদাদুল হক, সাবেক উপমহাব্যবস্থাপক মো. আবদুল জব্বার, সাবেক ডিএমডি মো. গোলাম ফারুক ও ওমর ফারুকের নাম রয়েছে তালিকায়।
অন্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন অ্যাননটেক্স গ্রুপের চেয়ারম্যান মো. ইউনুছ বাদল, মেসার্স সুপ্রভ স্পিনিং লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আনোয়ার হোসেন ও পরিচালক মো. আবু তালহা।
দুদক সূত্র জানায়, গত বছরের ২০ ফেব্রুয়ারি জনতা ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান ড. আবুল বারকাতসহ ২৩ জনের বিরুদ্ধে অ্যাননটেক্স গ্রুপের নামে ২৯৭ কোটি ৩৮ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে মামলা দায়ের করেন দুদকের উপপরিচালক নাজমুল হুসাইন। মামলায় অভিযোগ করা হয়, বাংলাদেশ ব্যাংকের তৎকালীন গভর্নর ড. আতিউর রহমান ও জনতা ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান ড. আবুল বারকাত পরস্পর যোগসাজশে জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে অ্যাননটেক্স গ্রুপের ২২টি প্রতিষ্ঠানের নামে ঋণ অনুমোদন ও বিতরণ করেন।
পরবর্তীতে গত বছরের ২০ অক্টোবর ড. আবুল বারকাতসহ ২৬ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করা হয়। চার্জশিটে বলা হয়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে প্রতারণা ও জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে মিথ্যা রেকর্ড তৈরি করে জনতা ব্যাংক পিএলসি থেকে প্রায় ৫৩১ কোটি ৪৪ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছেন। সুদ-আসলে যার পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ১ হাজার ১৩০ কোটি ১৯ লাখ টাকা।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!