
সরকারি আর্থিক ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে অর্থ বিভাগের অনুমোদন ছাড়া যেসব বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া যাবে না-সে বিষয়ে একটি সুস্পষ্ট তালিকা প্রকাশ করেছে সরকার। নতুন আর্থিক ক্ষমতা অর্পণ ও পুনঃঅর্পণ সংক্রান্ত অফিস স্মারকের সঙ্গে সংযুক্ত এই তালিকায় মোট ২৬টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত আদেশ জারি করা হয়। এতে ১৯ জানুয়ারি স্বাক্ষর করেন অর্থ সচিব ড. মোহাম্মদ খায়েরুজ্জামান মজুমদার। আদেশ অনুযায়ী, পরিচালন ও উন্নয়ন—উভয় বাজেটের আওতায় আর্থিক ক্ষমতা অর্পণ ও পুনঃঅর্পণের একটি হালনাগাদ কাঠামো নির্ধারণ করা হয়েছে। আদেশ জারির দিন থেকেই এটি কার্যকর হবে এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।
নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, পদ সৃষ্টি ও বিলুপ্তকরণ, তিন বছরের বেশি সময়ের জন্য অস্থায়ী পদ সংরক্ষণ, পদের বেতনক্রম, মর্যাদা ও পদবি পরিবর্তন এবং পদ স্থায়ীকরণ–সংক্রান্ত সব প্রস্তাব অর্থ বিভাগের অনুমোদন সাপেক্ষে কার্যকর হবে। পাশাপাশি মন্ত্রণালয় বা বিভাগের আওতাধীন সংযুক্ত অধিদপ্তর ও সংস্থার সাংগঠনিক কাঠামোয় যানবাহন, যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জাম অন্তর্ভুক্ত বা সংশোধন এবং যানবাহন ক্রয় ও প্রতিস্থাপনের প্রস্তাবও অর্থ বিভাগে পাঠাতে হবে।
সেবা ক্রয় ও শ্রমিক নিয়োগে অনুমোদন ওয়ার্কচার্জড ও কন্টিনজেন্ট কর্মচারী সংক্রান্ত বিষয়, আউটসোর্সিং নীতিমালার আওতায় সেবা ক্রয় এবং দৈনিক ভিত্তিতে সাময়িক শ্রমিক নিয়োগের প্রস্তাব অর্থ বিভাগের অনুমোদন ছাড়া বাস্তবায়ন করা যাবে না।
বাজেট, ব্যয় ও পুনঃউপযোজন বাজেট বরাদ্দের অতিরিক্ত ব্যয়, নির্দিষ্ট বরাদ্দ ছাড়া কোনো ব্যয় এবং সংযুক্ত তহবিলের দায়যুক্ত বা দায়বিহীন যেকোনো পুনঃউপযোজনের ক্ষেত্রে অর্থ বিভাগের অনুমোদন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। বিশেষ করে রাজস্ব ব্যয় থেকে মূলধন ব্যয়ে বা উল্টোভাবে পুনঃউপযোজন এবং বেতন–ভাতা খাত থেকে অন্য অর্থনৈতিক শ্রেণিতে অর্থ স্থানান্তরের ক্ষেত্রে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে।
আর্থিক অঙ্গীকার ও পুরোনো দাবি চলতি অর্থবছরের বাইরে যেকোনো আর্থিক অঙ্গীকার এবং প্রাক-স্বাধীনতাকালের আর্থিক দাবি অর্থ বিভাগের বিবেচনার জন্য পাঠাতে হবে।
সম্মানী ও চাকরির শর্ত কঠোর শ্রমসাধ্য বা কৃতিত্বপূর্ণ কাজের জন্য সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীকে ১৫ হাজার টাকার বেশি সম্মানী অথবা একই অর্থবছরে একাধিকবার সম্মানী দিতে হলে অর্থ বিভাগের অনুমোদন প্রয়োজন হবে। পাশাপাশি বেতন–ভাতা, ভ্রমণ ও বদলি ব্যয়, পেনশন ও আনুতোষিক সংক্রান্ত বিধি-বিধানের ব্যাখ্যা এবং চাকরির শর্ত পরিবর্তনের বিষয়গুলোও কেন্দ্রীয়ভাবে নিষ্পত্তি হবে।
রাজস্ব, কর ও অনুদান নন-এনবিআর কর, ফি, সেস আরোপসহ সরকারি প্রাপ্তির ওপর প্রভাব ফেলে—এমন যেকোনো প্রস্তাব অর্থ বিভাগে পাঠাতে হবে। বাজেট বরাদ্দের বাইরে অনুদান প্রদান বা প্রাথমিক নিয়োগে আগাম বর্ধিত বেতন অনুমোদনের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম প্রযোজ্য হবে।
অগ্রিম, ক্রয় ও আপ্যায়ন ব্যয় স্থায়ী অগ্রিম ছাড়া ১৫ লাখ টাকার বেশি অগ্রিম উত্তোলন, ৫ লাখ টাকার বেশি মনিহারি দ্রব্য স্থানীয়ভাবে ক্রয় এবং সভা, কনফারেন্স বা প্রশিক্ষণে নির্ধারিত সীমার অতিরিক্ত আপ্যায়ন ব্যয়ের ক্ষেত্রে অর্থ বিভাগের অনুমোদন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
অবলোপন ও বিদেশ সফর জালিয়াতি বা গাফিলতির কারণে ৫ লাখ টাকার বেশি অনাদেয় ক্ষতি, সরকারি কর্মচারীদের অনাদেয় ঋণ বা সুদ অবলোপনের ক্ষেত্রেও অর্থ বিভাগের অনুমোদন নিতে হবে। বিদেশ সফরে কেবিনেট মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও সচিব পর্যায়ের কর্মকর্তারা নির্ধারিত ডলারের সীমা অতিক্রম করলে তা অর্থ বিভাগের বিবেচনায় পাঠাতে হবে।
নীতি, ঋণ ও গ্যারান্টি দ্বিপাক্ষিক বা আন্তর্জাতিক চুক্তি, আমদানি-রপ্তানি, বিনিয়োগ, শ্রম ও শুল্কনীতি প্রণয়নসহ আর্থিক সংশ্লেষযুক্ত সব বিষয়ে অর্থ বিভাগের অনুমোদন প্রয়োজন হবে। পাশাপাশি ঋণ সংগ্রহ, সরকারি গ্যারান্টি প্রদান এবং বাজেট বহির্ভূত আর্থিক সংশ্লেষযুক্ত বিষয়গুলোও তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।
অর্থ বিভাগ জানিয়েছে, এই তালিকার মাধ্যমে কেন্দ্রীয় আর্থিক নিয়ন্ত্রণ প্রয়োজন—এমন বিষয়গুলো স্পষ্ট করা হয়েছে। এতে সরকারি অর্থ ব্যয়ে স্বচ্ছতা বাড়বে, অনিয়ন্ত্রিত সিদ্ধান্ত কমবে এবং সামগ্রিক আর্থিক শৃঙ্খলা আরও সুসংহত হবে।

সরকারি আর্থিক ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে অর্থ বিভাগের অনুমোদন ছাড়া যেসব বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া যাবে না-সে বিষয়ে একটি সুস্পষ্ট তালিকা প্রকাশ করেছে সরকার। নতুন আর্থিক ক্ষমতা অর্পণ ও পুনঃঅর্পণ সংক্রান্ত অফিস স্মারকের সঙ্গে সংযুক্ত এই তালিকায় মোট ২৬টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত আদেশ জারি করা হয়। এতে ১৯ জানুয়ারি স্বাক্ষর করেন অর্থ সচিব ড. মোহাম্মদ খায়েরুজ্জামান মজুমদার। আদেশ অনুযায়ী, পরিচালন ও উন্নয়ন—উভয় বাজেটের আওতায় আর্থিক ক্ষমতা অর্পণ ও পুনঃঅর্পণের একটি হালনাগাদ কাঠামো নির্ধারণ করা হয়েছে। আদেশ জারির দিন থেকেই এটি কার্যকর হবে এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।
নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, পদ সৃষ্টি ও বিলুপ্তকরণ, তিন বছরের বেশি সময়ের জন্য অস্থায়ী পদ সংরক্ষণ, পদের বেতনক্রম, মর্যাদা ও পদবি পরিবর্তন এবং পদ স্থায়ীকরণ–সংক্রান্ত সব প্রস্তাব অর্থ বিভাগের অনুমোদন সাপেক্ষে কার্যকর হবে। পাশাপাশি মন্ত্রণালয় বা বিভাগের আওতাধীন সংযুক্ত অধিদপ্তর ও সংস্থার সাংগঠনিক কাঠামোয় যানবাহন, যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জাম অন্তর্ভুক্ত বা সংশোধন এবং যানবাহন ক্রয় ও প্রতিস্থাপনের প্রস্তাবও অর্থ বিভাগে পাঠাতে হবে।
সেবা ক্রয় ও শ্রমিক নিয়োগে অনুমোদন ওয়ার্কচার্জড ও কন্টিনজেন্ট কর্মচারী সংক্রান্ত বিষয়, আউটসোর্সিং নীতিমালার আওতায় সেবা ক্রয় এবং দৈনিক ভিত্তিতে সাময়িক শ্রমিক নিয়োগের প্রস্তাব অর্থ বিভাগের অনুমোদন ছাড়া বাস্তবায়ন করা যাবে না।
বাজেট, ব্যয় ও পুনঃউপযোজন বাজেট বরাদ্দের অতিরিক্ত ব্যয়, নির্দিষ্ট বরাদ্দ ছাড়া কোনো ব্যয় এবং সংযুক্ত তহবিলের দায়যুক্ত বা দায়বিহীন যেকোনো পুনঃউপযোজনের ক্ষেত্রে অর্থ বিভাগের অনুমোদন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। বিশেষ করে রাজস্ব ব্যয় থেকে মূলধন ব্যয়ে বা উল্টোভাবে পুনঃউপযোজন এবং বেতন–ভাতা খাত থেকে অন্য অর্থনৈতিক শ্রেণিতে অর্থ স্থানান্তরের ক্ষেত্রে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে।
আর্থিক অঙ্গীকার ও পুরোনো দাবি চলতি অর্থবছরের বাইরে যেকোনো আর্থিক অঙ্গীকার এবং প্রাক-স্বাধীনতাকালের আর্থিক দাবি অর্থ বিভাগের বিবেচনার জন্য পাঠাতে হবে।
সম্মানী ও চাকরির শর্ত কঠোর শ্রমসাধ্য বা কৃতিত্বপূর্ণ কাজের জন্য সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীকে ১৫ হাজার টাকার বেশি সম্মানী অথবা একই অর্থবছরে একাধিকবার সম্মানী দিতে হলে অর্থ বিভাগের অনুমোদন প্রয়োজন হবে। পাশাপাশি বেতন–ভাতা, ভ্রমণ ও বদলি ব্যয়, পেনশন ও আনুতোষিক সংক্রান্ত বিধি-বিধানের ব্যাখ্যা এবং চাকরির শর্ত পরিবর্তনের বিষয়গুলোও কেন্দ্রীয়ভাবে নিষ্পত্তি হবে।
রাজস্ব, কর ও অনুদান নন-এনবিআর কর, ফি, সেস আরোপসহ সরকারি প্রাপ্তির ওপর প্রভাব ফেলে—এমন যেকোনো প্রস্তাব অর্থ বিভাগে পাঠাতে হবে। বাজেট বরাদ্দের বাইরে অনুদান প্রদান বা প্রাথমিক নিয়োগে আগাম বর্ধিত বেতন অনুমোদনের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম প্রযোজ্য হবে।
অগ্রিম, ক্রয় ও আপ্যায়ন ব্যয় স্থায়ী অগ্রিম ছাড়া ১৫ লাখ টাকার বেশি অগ্রিম উত্তোলন, ৫ লাখ টাকার বেশি মনিহারি দ্রব্য স্থানীয়ভাবে ক্রয় এবং সভা, কনফারেন্স বা প্রশিক্ষণে নির্ধারিত সীমার অতিরিক্ত আপ্যায়ন ব্যয়ের ক্ষেত্রে অর্থ বিভাগের অনুমোদন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
অবলোপন ও বিদেশ সফর জালিয়াতি বা গাফিলতির কারণে ৫ লাখ টাকার বেশি অনাদেয় ক্ষতি, সরকারি কর্মচারীদের অনাদেয় ঋণ বা সুদ অবলোপনের ক্ষেত্রেও অর্থ বিভাগের অনুমোদন নিতে হবে। বিদেশ সফরে কেবিনেট মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও সচিব পর্যায়ের কর্মকর্তারা নির্ধারিত ডলারের সীমা অতিক্রম করলে তা অর্থ বিভাগের বিবেচনায় পাঠাতে হবে।
নীতি, ঋণ ও গ্যারান্টি দ্বিপাক্ষিক বা আন্তর্জাতিক চুক্তি, আমদানি-রপ্তানি, বিনিয়োগ, শ্রম ও শুল্কনীতি প্রণয়নসহ আর্থিক সংশ্লেষযুক্ত সব বিষয়ে অর্থ বিভাগের অনুমোদন প্রয়োজন হবে। পাশাপাশি ঋণ সংগ্রহ, সরকারি গ্যারান্টি প্রদান এবং বাজেট বহির্ভূত আর্থিক সংশ্লেষযুক্ত বিষয়গুলোও তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।
অর্থ বিভাগ জানিয়েছে, এই তালিকার মাধ্যমে কেন্দ্রীয় আর্থিক নিয়ন্ত্রণ প্রয়োজন—এমন বিষয়গুলো স্পষ্ট করা হয়েছে। এতে সরকারি অর্থ ব্যয়ে স্বচ্ছতা বাড়বে, অনিয়ন্ত্রিত সিদ্ধান্ত কমবে এবং সামগ্রিক আর্থিক শৃঙ্খলা আরও সুসংহত হবে।

সরকারি আর্থিক ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে অর্থ বিভাগের অনুমোদন ছাড়া যেসব বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া যাবে না-সে বিষয়ে একটি সুস্পষ্ট তালিকা প্রকাশ করেছে সরকার। নতুন আর্থিক ক্ষমতা অর্পণ ও পুনঃঅর্পণ সংক্রান্ত অফিস স্মারকের সঙ্গে সংযুক্ত এই তালিকায় মোট ২৬টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত আদেশ জারি করা হয়। এতে ১৯ জানুয়ারি স্বাক্ষর করেন অর্থ সচিব ড. মোহাম্মদ খায়েরুজ্জামান মজুমদার। আদেশ অনুযায়ী, পরিচালন ও উন্নয়ন—উভয় বাজেটের আওতায় আর্থিক ক্ষমতা অর্পণ ও পুনঃঅর্পণের একটি হালনাগাদ কাঠামো নির্ধারণ করা হয়েছে। আদেশ জারির দিন থেকেই এটি কার্যকর হবে এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।
নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, পদ সৃষ্টি ও বিলুপ্তকরণ, তিন বছরের বেশি সময়ের জন্য অস্থায়ী পদ সংরক্ষণ, পদের বেতনক্রম, মর্যাদা ও পদবি পরিবর্তন এবং পদ স্থায়ীকরণ–সংক্রান্ত সব প্রস্তাব অর্থ বিভাগের অনুমোদন সাপেক্ষে কার্যকর হবে। পাশাপাশি মন্ত্রণালয় বা বিভাগের আওতাধীন সংযুক্ত অধিদপ্তর ও সংস্থার সাংগঠনিক কাঠামোয় যানবাহন, যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জাম অন্তর্ভুক্ত বা সংশোধন এবং যানবাহন ক্রয় ও প্রতিস্থাপনের প্রস্তাবও অর্থ বিভাগে পাঠাতে হবে।
সেবা ক্রয় ও শ্রমিক নিয়োগে অনুমোদন ওয়ার্কচার্জড ও কন্টিনজেন্ট কর্মচারী সংক্রান্ত বিষয়, আউটসোর্সিং নীতিমালার আওতায় সেবা ক্রয় এবং দৈনিক ভিত্তিতে সাময়িক শ্রমিক নিয়োগের প্রস্তাব অর্থ বিভাগের অনুমোদন ছাড়া বাস্তবায়ন করা যাবে না।
বাজেট, ব্যয় ও পুনঃউপযোজন বাজেট বরাদ্দের অতিরিক্ত ব্যয়, নির্দিষ্ট বরাদ্দ ছাড়া কোনো ব্যয় এবং সংযুক্ত তহবিলের দায়যুক্ত বা দায়বিহীন যেকোনো পুনঃউপযোজনের ক্ষেত্রে অর্থ বিভাগের অনুমোদন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। বিশেষ করে রাজস্ব ব্যয় থেকে মূলধন ব্যয়ে বা উল্টোভাবে পুনঃউপযোজন এবং বেতন–ভাতা খাত থেকে অন্য অর্থনৈতিক শ্রেণিতে অর্থ স্থানান্তরের ক্ষেত্রে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে।
আর্থিক অঙ্গীকার ও পুরোনো দাবি চলতি অর্থবছরের বাইরে যেকোনো আর্থিক অঙ্গীকার এবং প্রাক-স্বাধীনতাকালের আর্থিক দাবি অর্থ বিভাগের বিবেচনার জন্য পাঠাতে হবে।
সম্মানী ও চাকরির শর্ত কঠোর শ্রমসাধ্য বা কৃতিত্বপূর্ণ কাজের জন্য সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীকে ১৫ হাজার টাকার বেশি সম্মানী অথবা একই অর্থবছরে একাধিকবার সম্মানী দিতে হলে অর্থ বিভাগের অনুমোদন প্রয়োজন হবে। পাশাপাশি বেতন–ভাতা, ভ্রমণ ও বদলি ব্যয়, পেনশন ও আনুতোষিক সংক্রান্ত বিধি-বিধানের ব্যাখ্যা এবং চাকরির শর্ত পরিবর্তনের বিষয়গুলোও কেন্দ্রীয়ভাবে নিষ্পত্তি হবে।
রাজস্ব, কর ও অনুদান নন-এনবিআর কর, ফি, সেস আরোপসহ সরকারি প্রাপ্তির ওপর প্রভাব ফেলে—এমন যেকোনো প্রস্তাব অর্থ বিভাগে পাঠাতে হবে। বাজেট বরাদ্দের বাইরে অনুদান প্রদান বা প্রাথমিক নিয়োগে আগাম বর্ধিত বেতন অনুমোদনের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম প্রযোজ্য হবে।
অগ্রিম, ক্রয় ও আপ্যায়ন ব্যয় স্থায়ী অগ্রিম ছাড়া ১৫ লাখ টাকার বেশি অগ্রিম উত্তোলন, ৫ লাখ টাকার বেশি মনিহারি দ্রব্য স্থানীয়ভাবে ক্রয় এবং সভা, কনফারেন্স বা প্রশিক্ষণে নির্ধারিত সীমার অতিরিক্ত আপ্যায়ন ব্যয়ের ক্ষেত্রে অর্থ বিভাগের অনুমোদন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
অবলোপন ও বিদেশ সফর জালিয়াতি বা গাফিলতির কারণে ৫ লাখ টাকার বেশি অনাদেয় ক্ষতি, সরকারি কর্মচারীদের অনাদেয় ঋণ বা সুদ অবলোপনের ক্ষেত্রেও অর্থ বিভাগের অনুমোদন নিতে হবে। বিদেশ সফরে কেবিনেট মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও সচিব পর্যায়ের কর্মকর্তারা নির্ধারিত ডলারের সীমা অতিক্রম করলে তা অর্থ বিভাগের বিবেচনায় পাঠাতে হবে।
নীতি, ঋণ ও গ্যারান্টি দ্বিপাক্ষিক বা আন্তর্জাতিক চুক্তি, আমদানি-রপ্তানি, বিনিয়োগ, শ্রম ও শুল্কনীতি প্রণয়নসহ আর্থিক সংশ্লেষযুক্ত সব বিষয়ে অর্থ বিভাগের অনুমোদন প্রয়োজন হবে। পাশাপাশি ঋণ সংগ্রহ, সরকারি গ্যারান্টি প্রদান এবং বাজেট বহির্ভূত আর্থিক সংশ্লেষযুক্ত বিষয়গুলোও তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।
অর্থ বিভাগ জানিয়েছে, এই তালিকার মাধ্যমে কেন্দ্রীয় আর্থিক নিয়ন্ত্রণ প্রয়োজন—এমন বিষয়গুলো স্পষ্ট করা হয়েছে। এতে সরকারি অর্থ ব্যয়ে স্বচ্ছতা বাড়বে, অনিয়ন্ত্রিত সিদ্ধান্ত কমবে এবং সামগ্রিক আর্থিক শৃঙ্খলা আরও সুসংহত হবে।

সরকারি আর্থিক ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে অর্থ বিভাগের অনুমোদন ছাড়া যেসব বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া যাবে না-সে বিষয়ে একটি সুস্পষ্ট তালিকা প্রকাশ করেছে সরকার। নতুন আর্থিক ক্ষমতা অর্পণ ও পুনঃঅর্পণ সংক্রান্ত অফিস স্মারকের সঙ্গে সংযুক্ত এই তালিকায় মোট ২৬টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত আদেশ জারি করা হয়। এতে ১৯ জানুয়ারি স্বাক্ষর করেন অর্থ সচিব ড. মোহাম্মদ খায়েরুজ্জামান মজুমদার। আদেশ অনুযায়ী, পরিচালন ও উন্নয়ন—উভয় বাজেটের আওতায় আর্থিক ক্ষমতা অর্পণ ও পুনঃঅর্পণের একটি হালনাগাদ কাঠামো নির্ধারণ করা হয়েছে। আদেশ জারির দিন থেকেই এটি কার্যকর হবে এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।
নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, পদ সৃষ্টি ও বিলুপ্তকরণ, তিন বছরের বেশি সময়ের জন্য অস্থায়ী পদ সংরক্ষণ, পদের বেতনক্রম, মর্যাদা ও পদবি পরিবর্তন এবং পদ স্থায়ীকরণ–সংক্রান্ত সব প্রস্তাব অর্থ বিভাগের অনুমোদন সাপেক্ষে কার্যকর হবে। পাশাপাশি মন্ত্রণালয় বা বিভাগের আওতাধীন সংযুক্ত অধিদপ্তর ও সংস্থার সাংগঠনিক কাঠামোয় যানবাহন, যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জাম অন্তর্ভুক্ত বা সংশোধন এবং যানবাহন ক্রয় ও প্রতিস্থাপনের প্রস্তাবও অর্থ বিভাগে পাঠাতে হবে।
সেবা ক্রয় ও শ্রমিক নিয়োগে অনুমোদন ওয়ার্কচার্জড ও কন্টিনজেন্ট কর্মচারী সংক্রান্ত বিষয়, আউটসোর্সিং নীতিমালার আওতায় সেবা ক্রয় এবং দৈনিক ভিত্তিতে সাময়িক শ্রমিক নিয়োগের প্রস্তাব অর্থ বিভাগের অনুমোদন ছাড়া বাস্তবায়ন করা যাবে না।
বাজেট, ব্যয় ও পুনঃউপযোজন বাজেট বরাদ্দের অতিরিক্ত ব্যয়, নির্দিষ্ট বরাদ্দ ছাড়া কোনো ব্যয় এবং সংযুক্ত তহবিলের দায়যুক্ত বা দায়বিহীন যেকোনো পুনঃউপযোজনের ক্ষেত্রে অর্থ বিভাগের অনুমোদন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। বিশেষ করে রাজস্ব ব্যয় থেকে মূলধন ব্যয়ে বা উল্টোভাবে পুনঃউপযোজন এবং বেতন–ভাতা খাত থেকে অন্য অর্থনৈতিক শ্রেণিতে অর্থ স্থানান্তরের ক্ষেত্রে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে।
আর্থিক অঙ্গীকার ও পুরোনো দাবি চলতি অর্থবছরের বাইরে যেকোনো আর্থিক অঙ্গীকার এবং প্রাক-স্বাধীনতাকালের আর্থিক দাবি অর্থ বিভাগের বিবেচনার জন্য পাঠাতে হবে।
সম্মানী ও চাকরির শর্ত কঠোর শ্রমসাধ্য বা কৃতিত্বপূর্ণ কাজের জন্য সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীকে ১৫ হাজার টাকার বেশি সম্মানী অথবা একই অর্থবছরে একাধিকবার সম্মানী দিতে হলে অর্থ বিভাগের অনুমোদন প্রয়োজন হবে। পাশাপাশি বেতন–ভাতা, ভ্রমণ ও বদলি ব্যয়, পেনশন ও আনুতোষিক সংক্রান্ত বিধি-বিধানের ব্যাখ্যা এবং চাকরির শর্ত পরিবর্তনের বিষয়গুলোও কেন্দ্রীয়ভাবে নিষ্পত্তি হবে।
রাজস্ব, কর ও অনুদান নন-এনবিআর কর, ফি, সেস আরোপসহ সরকারি প্রাপ্তির ওপর প্রভাব ফেলে—এমন যেকোনো প্রস্তাব অর্থ বিভাগে পাঠাতে হবে। বাজেট বরাদ্দের বাইরে অনুদান প্রদান বা প্রাথমিক নিয়োগে আগাম বর্ধিত বেতন অনুমোদনের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম প্রযোজ্য হবে।
অগ্রিম, ক্রয় ও আপ্যায়ন ব্যয় স্থায়ী অগ্রিম ছাড়া ১৫ লাখ টাকার বেশি অগ্রিম উত্তোলন, ৫ লাখ টাকার বেশি মনিহারি দ্রব্য স্থানীয়ভাবে ক্রয় এবং সভা, কনফারেন্স বা প্রশিক্ষণে নির্ধারিত সীমার অতিরিক্ত আপ্যায়ন ব্যয়ের ক্ষেত্রে অর্থ বিভাগের অনুমোদন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
অবলোপন ও বিদেশ সফর জালিয়াতি বা গাফিলতির কারণে ৫ লাখ টাকার বেশি অনাদেয় ক্ষতি, সরকারি কর্মচারীদের অনাদেয় ঋণ বা সুদ অবলোপনের ক্ষেত্রেও অর্থ বিভাগের অনুমোদন নিতে হবে। বিদেশ সফরে কেবিনেট মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও সচিব পর্যায়ের কর্মকর্তারা নির্ধারিত ডলারের সীমা অতিক্রম করলে তা অর্থ বিভাগের বিবেচনায় পাঠাতে হবে।
নীতি, ঋণ ও গ্যারান্টি দ্বিপাক্ষিক বা আন্তর্জাতিক চুক্তি, আমদানি-রপ্তানি, বিনিয়োগ, শ্রম ও শুল্কনীতি প্রণয়নসহ আর্থিক সংশ্লেষযুক্ত সব বিষয়ে অর্থ বিভাগের অনুমোদন প্রয়োজন হবে। পাশাপাশি ঋণ সংগ্রহ, সরকারি গ্যারান্টি প্রদান এবং বাজেট বহির্ভূত আর্থিক সংশ্লেষযুক্ত বিষয়গুলোও তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।
অর্থ বিভাগ জানিয়েছে, এই তালিকার মাধ্যমে কেন্দ্রীয় আর্থিক নিয়ন্ত্রণ প্রয়োজন—এমন বিষয়গুলো স্পষ্ট করা হয়েছে। এতে সরকারি অর্থ ব্যয়ে স্বচ্ছতা বাড়বে, অনিয়ন্ত্রিত সিদ্ধান্ত কমবে এবং সামগ্রিক আর্থিক শৃঙ্খলা আরও সুসংহত হবে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!