
নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দুই প্রার্থীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। তারা হলেন—ঢাকা-১১ আসনের প্রার্থী নাহিদ ইসলাম এবং ঢাকা-৮ আসনের প্রার্থী মুহাম্মাদ নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।
রোববার (১৮ জানুয়ারি) ঢাকার বিভাগীয় কমিশনার ও রিটার্নিং কর্মকর্তা শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী পৃথক নোটিশে তাদের শোকজ করেন।
নাহিদ ইসলামকে দেওয়া নোটিশে বলা হয়, ঢাকা-১১ আসনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে তার নিজের বিশাল আকৃতির রঙিন ছবি সংবলিত বিলবোর্ডে ‘দেশ সংস্কারের গণভোট, হ্যাঁ এর পক্ষে থাকুন’ স্লোগান ব্যবহার করা হয়েছে, যা জাতীয় সংসদ নির্বাচন আচরণবিধিমালার পরিপন্থি।
নোটিশে আরও উল্লেখ করা হয়, সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণবিধিমালা, ২০২৫-এর বিধি ১৮ অনুযায়ী ভোটগ্রহণের নির্ধারিত দিনের তিন সপ্তাহ আগে কোনো ধরনের নির্বাচনি প্রচার চালানো নিষিদ্ধ। সে অনুযায়ী আগামী ১৯ জানুয়ারি সকাল সাড়ে ৯টার মধ্যে সব বিলবোর্ড অপসারণের নির্দেশ দেওয়া হয়।
একই সঙ্গে আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে তার বিরুদ্ধে কেন আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, সে বিষয়ে সোমবার (১৯ জানুয়ারি) বেলা ১১টার মধ্যে নিজে বা প্রতিনিধির মাধ্যমে লিখিত ব্যাখ্যা জমা দিতে বলা হয়েছে।
অন্যদিকে, ঢাকা-৮ আসনের প্রার্থী মুহাম্মাদ নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে দেওয়া নোটিশে বলা হয়, ওই আসনের বিভিন্ন স্থানে তার ছবি সম্বলিত ‘ঢাকা-৮ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী’ ও ‘গণভোটকে হ্যাঁ বলি’ স্লোগানযুক্ত বিলবোর্ড আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছে।
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকেও ১৯ জানুয়ারি সকাল সাড়ে ৯টার মধ্যে সব বিলবোর্ড অপসারণ এবং একইদিন বেলা ১১টার মধ্যে লিখিত জবাব দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, নির্বাচনি তফসিল অনুযায়ী আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে।

নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দুই প্রার্থীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। তারা হলেন—ঢাকা-১১ আসনের প্রার্থী নাহিদ ইসলাম এবং ঢাকা-৮ আসনের প্রার্থী মুহাম্মাদ নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।
রোববার (১৮ জানুয়ারি) ঢাকার বিভাগীয় কমিশনার ও রিটার্নিং কর্মকর্তা শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী পৃথক নোটিশে তাদের শোকজ করেন।
নাহিদ ইসলামকে দেওয়া নোটিশে বলা হয়, ঢাকা-১১ আসনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে তার নিজের বিশাল আকৃতির রঙিন ছবি সংবলিত বিলবোর্ডে ‘দেশ সংস্কারের গণভোট, হ্যাঁ এর পক্ষে থাকুন’ স্লোগান ব্যবহার করা হয়েছে, যা জাতীয় সংসদ নির্বাচন আচরণবিধিমালার পরিপন্থি।
নোটিশে আরও উল্লেখ করা হয়, সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণবিধিমালা, ২০২৫-এর বিধি ১৮ অনুযায়ী ভোটগ্রহণের নির্ধারিত দিনের তিন সপ্তাহ আগে কোনো ধরনের নির্বাচনি প্রচার চালানো নিষিদ্ধ। সে অনুযায়ী আগামী ১৯ জানুয়ারি সকাল সাড়ে ৯টার মধ্যে সব বিলবোর্ড অপসারণের নির্দেশ দেওয়া হয়।
একই সঙ্গে আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে তার বিরুদ্ধে কেন আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, সে বিষয়ে সোমবার (১৯ জানুয়ারি) বেলা ১১টার মধ্যে নিজে বা প্রতিনিধির মাধ্যমে লিখিত ব্যাখ্যা জমা দিতে বলা হয়েছে।
অন্যদিকে, ঢাকা-৮ আসনের প্রার্থী মুহাম্মাদ নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে দেওয়া নোটিশে বলা হয়, ওই আসনের বিভিন্ন স্থানে তার ছবি সম্বলিত ‘ঢাকা-৮ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী’ ও ‘গণভোটকে হ্যাঁ বলি’ স্লোগানযুক্ত বিলবোর্ড আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছে।
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকেও ১৯ জানুয়ারি সকাল সাড়ে ৯টার মধ্যে সব বিলবোর্ড অপসারণ এবং একইদিন বেলা ১১টার মধ্যে লিখিত জবাব দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, নির্বাচনি তফসিল অনুযায়ী আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে।

নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দুই প্রার্থীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। তারা হলেন—ঢাকা-১১ আসনের প্রার্থী নাহিদ ইসলাম এবং ঢাকা-৮ আসনের প্রার্থী মুহাম্মাদ নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।
রোববার (১৮ জানুয়ারি) ঢাকার বিভাগীয় কমিশনার ও রিটার্নিং কর্মকর্তা শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী পৃথক নোটিশে তাদের শোকজ করেন।
নাহিদ ইসলামকে দেওয়া নোটিশে বলা হয়, ঢাকা-১১ আসনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে তার নিজের বিশাল আকৃতির রঙিন ছবি সংবলিত বিলবোর্ডে ‘দেশ সংস্কারের গণভোট, হ্যাঁ এর পক্ষে থাকুন’ স্লোগান ব্যবহার করা হয়েছে, যা জাতীয় সংসদ নির্বাচন আচরণবিধিমালার পরিপন্থি।
নোটিশে আরও উল্লেখ করা হয়, সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণবিধিমালা, ২০২৫-এর বিধি ১৮ অনুযায়ী ভোটগ্রহণের নির্ধারিত দিনের তিন সপ্তাহ আগে কোনো ধরনের নির্বাচনি প্রচার চালানো নিষিদ্ধ। সে অনুযায়ী আগামী ১৯ জানুয়ারি সকাল সাড়ে ৯টার মধ্যে সব বিলবোর্ড অপসারণের নির্দেশ দেওয়া হয়।
একই সঙ্গে আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে তার বিরুদ্ধে কেন আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, সে বিষয়ে সোমবার (১৯ জানুয়ারি) বেলা ১১টার মধ্যে নিজে বা প্রতিনিধির মাধ্যমে লিখিত ব্যাখ্যা জমা দিতে বলা হয়েছে।
অন্যদিকে, ঢাকা-৮ আসনের প্রার্থী মুহাম্মাদ নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে দেওয়া নোটিশে বলা হয়, ওই আসনের বিভিন্ন স্থানে তার ছবি সম্বলিত ‘ঢাকা-৮ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী’ ও ‘গণভোটকে হ্যাঁ বলি’ স্লোগানযুক্ত বিলবোর্ড আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছে।
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকেও ১৯ জানুয়ারি সকাল সাড়ে ৯টার মধ্যে সব বিলবোর্ড অপসারণ এবং একইদিন বেলা ১১টার মধ্যে লিখিত জবাব দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, নির্বাচনি তফসিল অনুযায়ী আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে।

নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দুই প্রার্থীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। তারা হলেন—ঢাকা-১১ আসনের প্রার্থী নাহিদ ইসলাম এবং ঢাকা-৮ আসনের প্রার্থী মুহাম্মাদ নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।
রোববার (১৮ জানুয়ারি) ঢাকার বিভাগীয় কমিশনার ও রিটার্নিং কর্মকর্তা শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী পৃথক নোটিশে তাদের শোকজ করেন।
নাহিদ ইসলামকে দেওয়া নোটিশে বলা হয়, ঢাকা-১১ আসনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে তার নিজের বিশাল আকৃতির রঙিন ছবি সংবলিত বিলবোর্ডে ‘দেশ সংস্কারের গণভোট, হ্যাঁ এর পক্ষে থাকুন’ স্লোগান ব্যবহার করা হয়েছে, যা জাতীয় সংসদ নির্বাচন আচরণবিধিমালার পরিপন্থি।
নোটিশে আরও উল্লেখ করা হয়, সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণবিধিমালা, ২০২৫-এর বিধি ১৮ অনুযায়ী ভোটগ্রহণের নির্ধারিত দিনের তিন সপ্তাহ আগে কোনো ধরনের নির্বাচনি প্রচার চালানো নিষিদ্ধ। সে অনুযায়ী আগামী ১৯ জানুয়ারি সকাল সাড়ে ৯টার মধ্যে সব বিলবোর্ড অপসারণের নির্দেশ দেওয়া হয়।
একই সঙ্গে আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে তার বিরুদ্ধে কেন আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, সে বিষয়ে সোমবার (১৯ জানুয়ারি) বেলা ১১টার মধ্যে নিজে বা প্রতিনিধির মাধ্যমে লিখিত ব্যাখ্যা জমা দিতে বলা হয়েছে।
অন্যদিকে, ঢাকা-৮ আসনের প্রার্থী মুহাম্মাদ নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে দেওয়া নোটিশে বলা হয়, ওই আসনের বিভিন্ন স্থানে তার ছবি সম্বলিত ‘ঢাকা-৮ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী’ ও ‘গণভোটকে হ্যাঁ বলি’ স্লোগানযুক্ত বিলবোর্ড আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছে।
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকেও ১৯ জানুয়ারি সকাল সাড়ে ৯টার মধ্যে সব বিলবোর্ড অপসারণ এবং একইদিন বেলা ১১টার মধ্যে লিখিত জবাব দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, নির্বাচনি তফসিল অনুযায়ী আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!