বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, নির্বাচন কমিশনের (ইসি) একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনের সক্ষমতা রয়েছে, তবে সেই সক্ষমতা পুরোপুরি কাজে লাগাতে কিছু সমস্যার সমাধান জরুরি। তিনি অভিযোগ করেন, নির্বাচনি আচরণবিধি ভঙ্গ করে অনেক দল প্রচার কার্যক্রম চালাচ্ছে, যা নির্বাচন পরিবেশের জন্য উদ্বেগজনক।
রোববার (১৮ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন মির্জা ফখরুল।
তিনি বলেন, “আমরা মনে করি নির্বাচন কমিশন চাইলে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন করতে পারে। তবে মাঠপর্যায়ে কিছু সমস্যা রয়েছে, বিশেষ করে আচরণবিধি বাস্তবায়নে কঠোরতা না থাকায় অনিয়মের সুযোগ তৈরি হচ্ছে।”
এর আগে বিকেল ৪টা ৪৫ মিনিটে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে বিএনপির একটি প্রতিনিধি দল নির্বাচন কমিশনে পৌঁছায়। পরে তারা সিইসির সঙ্গে বৈঠকে অংশ নেন।
প্রতিনিধি দলে আরও ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ইসমাইল জবিউল্লাহ, নির্বাচন কমিশনের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সচিব মোহাম্মদ জাকারিয়া এবং সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল।
বৈঠকে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নির্বাচনি পরিবেশ, আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ এবং মাঠ প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা হয় বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।
মির্জা ফখরুল বলেন, নির্বাচন কমিশন যদি নিরপেক্ষভাবে আইন প্রয়োগ করে এবং আচরণবিধি ভঙ্গের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেয়, তাহলে জনগণের আস্থা ফিরে আসবে এবং একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্ভব হবে।
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, নির্বাচন কমিশনের (ইসি) একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনের সক্ষমতা রয়েছে, তবে সেই সক্ষমতা পুরোপুরি কাজে লাগাতে কিছু সমস্যার সমাধান জরুরি। তিনি অভিযোগ করেন, নির্বাচনি আচরণবিধি ভঙ্গ করে অনেক দল প্রচার কার্যক্রম চালাচ্ছে, যা নির্বাচন পরিবেশের জন্য উদ্বেগজনক।
রোববার (১৮ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন মির্জা ফখরুল।
তিনি বলেন, “আমরা মনে করি নির্বাচন কমিশন চাইলে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন করতে পারে। তবে মাঠপর্যায়ে কিছু সমস্যা রয়েছে, বিশেষ করে আচরণবিধি বাস্তবায়নে কঠোরতা না থাকায় অনিয়মের সুযোগ তৈরি হচ্ছে।”
এর আগে বিকেল ৪টা ৪৫ মিনিটে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে বিএনপির একটি প্রতিনিধি দল নির্বাচন কমিশনে পৌঁছায়। পরে তারা সিইসির সঙ্গে বৈঠকে অংশ নেন।
প্রতিনিধি দলে আরও ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ইসমাইল জবিউল্লাহ, নির্বাচন কমিশনের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সচিব মোহাম্মদ জাকারিয়া এবং সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল।
বৈঠকে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নির্বাচনি পরিবেশ, আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ এবং মাঠ প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা হয় বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।
মির্জা ফখরুল বলেন, নির্বাচন কমিশন যদি নিরপেক্ষভাবে আইন প্রয়োগ করে এবং আচরণবিধি ভঙ্গের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেয়, তাহলে জনগণের আস্থা ফিরে আসবে এবং একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্ভব হবে।
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, নির্বাচন কমিশনের (ইসি) একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনের সক্ষমতা রয়েছে, তবে সেই সক্ষমতা পুরোপুরি কাজে লাগাতে কিছু সমস্যার সমাধান জরুরি। তিনি অভিযোগ করেন, নির্বাচনি আচরণবিধি ভঙ্গ করে অনেক দল প্রচার কার্যক্রম চালাচ্ছে, যা নির্বাচন পরিবেশের জন্য উদ্বেগজনক।
রোববার (১৮ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন মির্জা ফখরুল।
তিনি বলেন, “আমরা মনে করি নির্বাচন কমিশন চাইলে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন করতে পারে। তবে মাঠপর্যায়ে কিছু সমস্যা রয়েছে, বিশেষ করে আচরণবিধি বাস্তবায়নে কঠোরতা না থাকায় অনিয়মের সুযোগ তৈরি হচ্ছে।”
এর আগে বিকেল ৪টা ৪৫ মিনিটে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে বিএনপির একটি প্রতিনিধি দল নির্বাচন কমিশনে পৌঁছায়। পরে তারা সিইসির সঙ্গে বৈঠকে অংশ নেন।
প্রতিনিধি দলে আরও ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ইসমাইল জবিউল্লাহ, নির্বাচন কমিশনের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সচিব মোহাম্মদ জাকারিয়া এবং সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল।
বৈঠকে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নির্বাচনি পরিবেশ, আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ এবং মাঠ প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা হয় বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।
মির্জা ফখরুল বলেন, নির্বাচন কমিশন যদি নিরপেক্ষভাবে আইন প্রয়োগ করে এবং আচরণবিধি ভঙ্গের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেয়, তাহলে জনগণের আস্থা ফিরে আসবে এবং একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্ভব হবে।
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, নির্বাচন কমিশনের (ইসি) একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনের সক্ষমতা রয়েছে, তবে সেই সক্ষমতা পুরোপুরি কাজে লাগাতে কিছু সমস্যার সমাধান জরুরি। তিনি অভিযোগ করেন, নির্বাচনি আচরণবিধি ভঙ্গ করে অনেক দল প্রচার কার্যক্রম চালাচ্ছে, যা নির্বাচন পরিবেশের জন্য উদ্বেগজনক।
রোববার (১৮ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন মির্জা ফখরুল।
তিনি বলেন, “আমরা মনে করি নির্বাচন কমিশন চাইলে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন করতে পারে। তবে মাঠপর্যায়ে কিছু সমস্যা রয়েছে, বিশেষ করে আচরণবিধি বাস্তবায়নে কঠোরতা না থাকায় অনিয়মের সুযোগ তৈরি হচ্ছে।”
এর আগে বিকেল ৪টা ৪৫ মিনিটে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে বিএনপির একটি প্রতিনিধি দল নির্বাচন কমিশনে পৌঁছায়। পরে তারা সিইসির সঙ্গে বৈঠকে অংশ নেন।
প্রতিনিধি দলে আরও ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ইসমাইল জবিউল্লাহ, নির্বাচন কমিশনের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সচিব মোহাম্মদ জাকারিয়া এবং সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল।
বৈঠকে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নির্বাচনি পরিবেশ, আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ এবং মাঠ প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা হয় বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।
মির্জা ফখরুল বলেন, নির্বাচন কমিশন যদি নিরপেক্ষভাবে আইন প্রয়োগ করে এবং আচরণবিধি ভঙ্গের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেয়, তাহলে জনগণের আস্থা ফিরে আসবে এবং একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্ভব হবে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!