
গভর্ন্যান্স ব্যর্থতা ও কার্যকর চেক অ্যান্ড ব্যালান্সের অভাবে দেশের ব্যাংক খাত থেকে প্রায় তিন লাখ কোটি টাকা পাচার হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ব্যাংকিং খাত: বর্তমান অবস্থা ও ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক লোকবক্তৃতায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতি ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগ যৌথভাবে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
গভর্নর বলেন, দেশের ব্যাংক খাতের সবচেয়ে বড় সংকট হলো গভর্ন্যান্স ফেইলিউর। সরকার ও প্রভাবশালী ব্যক্তি বা পরিবারের নির্দেশে অবৈধভাবে ঋণ দেওয়া হয়েছে। এতে ব্যাংক খাতের শৃঙ্খলা ভেঙে পড়ে। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংকসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের অবহেলা ছিল, যা অস্বীকার করার সুযোগ নেই।
তিনি বলেন, ব্যাংকগুলোর মালিকানা ও নিয়ন্ত্রণ ব্যক্তিবিশেষের হাতে কেন্দ্রীভূত ছিল। উদাহরণ হিসেবে তিনি বলেন, পাঁচটি ইসলামী ব্যাংক একত্র করা হলেও সেগুলো ছিল নির্দিষ্ট ব্যক্তিদের নিয়ন্ত্রণে। ব্যাংকিং ব্যবস্থায় পর্যাপ্ত চেক অ্যান্ড ব্যালান্স না থাকায় বিপুল পরিমাণ অর্থ দেশ থেকে পাচার হয়েছে।
ব্যাংকিং খাতের কাঠামো নিয়ে গভর্নর বলেন, বাস্তবে দেশে ১০ থেকে ১৫টি ব্যাংক থাকলেই যথেষ্ট হতো। কিন্তু বর্তমানে ব্যাংকের সংখ্যা ৬৪টি। অতিরিক্ত ব্যাংকের কারণে প্রশাসনিক জটিলতা ও ব্যয় বেড়েছে। ব্যাংকের সংখ্যা কমানো গেলে ব্যয় কমবে এবং লাভজনকতা বাড়বে।
তিনি আরও বলেন, বৈশ্বিকভাবে ব্যাংকিং খাত অর্থনীতির তৃতীয় গুরুত্বপূর্ণ খাত হলেও বাংলাদেশে এটি প্রথম স্থানে রয়েছে। ফলে অন্যান্য আর্থিক খাত ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। ব্যাংকিং খাতকে স্থিতিশীল করতে হলে অন্যান্য আর্থিক খাতকেও সমান গুরুত্ব দিতে হবে।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. রেজাউল করিম। তিনি বলেন, ধ্বংসপ্রাপ্ত ব্যাংকিং খাতকে পুনরুদ্ধারে বর্তমান গভর্নরের ভূমিকা প্রশংসনীয়। ব্যাংকিং খাত কতটা নাজুক অবস্থায় ছিল, তা এখন স্পষ্টভাবে বোঝা যাচ্ছে। ইতিবাচক যে পরিবর্তনের ধারা শুরু হয়েছে, তা অব্যাহত থাকবে-এমন প্রত্যাশা করেন তিনি।
লোকবক্তৃতায় আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্লাহ, সদস্যসচিব ড. মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিনসহ সংশ্লিষ্টরা।

গভর্ন্যান্স ব্যর্থতা ও কার্যকর চেক অ্যান্ড ব্যালান্সের অভাবে দেশের ব্যাংক খাত থেকে প্রায় তিন লাখ কোটি টাকা পাচার হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ব্যাংকিং খাত: বর্তমান অবস্থা ও ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক লোকবক্তৃতায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতি ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগ যৌথভাবে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
গভর্নর বলেন, দেশের ব্যাংক খাতের সবচেয়ে বড় সংকট হলো গভর্ন্যান্স ফেইলিউর। সরকার ও প্রভাবশালী ব্যক্তি বা পরিবারের নির্দেশে অবৈধভাবে ঋণ দেওয়া হয়েছে। এতে ব্যাংক খাতের শৃঙ্খলা ভেঙে পড়ে। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংকসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের অবহেলা ছিল, যা অস্বীকার করার সুযোগ নেই।
তিনি বলেন, ব্যাংকগুলোর মালিকানা ও নিয়ন্ত্রণ ব্যক্তিবিশেষের হাতে কেন্দ্রীভূত ছিল। উদাহরণ হিসেবে তিনি বলেন, পাঁচটি ইসলামী ব্যাংক একত্র করা হলেও সেগুলো ছিল নির্দিষ্ট ব্যক্তিদের নিয়ন্ত্রণে। ব্যাংকিং ব্যবস্থায় পর্যাপ্ত চেক অ্যান্ড ব্যালান্স না থাকায় বিপুল পরিমাণ অর্থ দেশ থেকে পাচার হয়েছে।
ব্যাংকিং খাতের কাঠামো নিয়ে গভর্নর বলেন, বাস্তবে দেশে ১০ থেকে ১৫টি ব্যাংক থাকলেই যথেষ্ট হতো। কিন্তু বর্তমানে ব্যাংকের সংখ্যা ৬৪টি। অতিরিক্ত ব্যাংকের কারণে প্রশাসনিক জটিলতা ও ব্যয় বেড়েছে। ব্যাংকের সংখ্যা কমানো গেলে ব্যয় কমবে এবং লাভজনকতা বাড়বে।
তিনি আরও বলেন, বৈশ্বিকভাবে ব্যাংকিং খাত অর্থনীতির তৃতীয় গুরুত্বপূর্ণ খাত হলেও বাংলাদেশে এটি প্রথম স্থানে রয়েছে। ফলে অন্যান্য আর্থিক খাত ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। ব্যাংকিং খাতকে স্থিতিশীল করতে হলে অন্যান্য আর্থিক খাতকেও সমান গুরুত্ব দিতে হবে।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. রেজাউল করিম। তিনি বলেন, ধ্বংসপ্রাপ্ত ব্যাংকিং খাতকে পুনরুদ্ধারে বর্তমান গভর্নরের ভূমিকা প্রশংসনীয়। ব্যাংকিং খাত কতটা নাজুক অবস্থায় ছিল, তা এখন স্পষ্টভাবে বোঝা যাচ্ছে। ইতিবাচক যে পরিবর্তনের ধারা শুরু হয়েছে, তা অব্যাহত থাকবে-এমন প্রত্যাশা করেন তিনি।
লোকবক্তৃতায় আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্লাহ, সদস্যসচিব ড. মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিনসহ সংশ্লিষ্টরা।

গভর্ন্যান্স ব্যর্থতা ও কার্যকর চেক অ্যান্ড ব্যালান্সের অভাবে দেশের ব্যাংক খাত থেকে প্রায় তিন লাখ কোটি টাকা পাচার হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ব্যাংকিং খাত: বর্তমান অবস্থা ও ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক লোকবক্তৃতায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতি ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগ যৌথভাবে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
গভর্নর বলেন, দেশের ব্যাংক খাতের সবচেয়ে বড় সংকট হলো গভর্ন্যান্স ফেইলিউর। সরকার ও প্রভাবশালী ব্যক্তি বা পরিবারের নির্দেশে অবৈধভাবে ঋণ দেওয়া হয়েছে। এতে ব্যাংক খাতের শৃঙ্খলা ভেঙে পড়ে। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংকসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের অবহেলা ছিল, যা অস্বীকার করার সুযোগ নেই।
তিনি বলেন, ব্যাংকগুলোর মালিকানা ও নিয়ন্ত্রণ ব্যক্তিবিশেষের হাতে কেন্দ্রীভূত ছিল। উদাহরণ হিসেবে তিনি বলেন, পাঁচটি ইসলামী ব্যাংক একত্র করা হলেও সেগুলো ছিল নির্দিষ্ট ব্যক্তিদের নিয়ন্ত্রণে। ব্যাংকিং ব্যবস্থায় পর্যাপ্ত চেক অ্যান্ড ব্যালান্স না থাকায় বিপুল পরিমাণ অর্থ দেশ থেকে পাচার হয়েছে।
ব্যাংকিং খাতের কাঠামো নিয়ে গভর্নর বলেন, বাস্তবে দেশে ১০ থেকে ১৫টি ব্যাংক থাকলেই যথেষ্ট হতো। কিন্তু বর্তমানে ব্যাংকের সংখ্যা ৬৪টি। অতিরিক্ত ব্যাংকের কারণে প্রশাসনিক জটিলতা ও ব্যয় বেড়েছে। ব্যাংকের সংখ্যা কমানো গেলে ব্যয় কমবে এবং লাভজনকতা বাড়বে।
তিনি আরও বলেন, বৈশ্বিকভাবে ব্যাংকিং খাত অর্থনীতির তৃতীয় গুরুত্বপূর্ণ খাত হলেও বাংলাদেশে এটি প্রথম স্থানে রয়েছে। ফলে অন্যান্য আর্থিক খাত ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। ব্যাংকিং খাতকে স্থিতিশীল করতে হলে অন্যান্য আর্থিক খাতকেও সমান গুরুত্ব দিতে হবে।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. রেজাউল করিম। তিনি বলেন, ধ্বংসপ্রাপ্ত ব্যাংকিং খাতকে পুনরুদ্ধারে বর্তমান গভর্নরের ভূমিকা প্রশংসনীয়। ব্যাংকিং খাত কতটা নাজুক অবস্থায় ছিল, তা এখন স্পষ্টভাবে বোঝা যাচ্ছে। ইতিবাচক যে পরিবর্তনের ধারা শুরু হয়েছে, তা অব্যাহত থাকবে-এমন প্রত্যাশা করেন তিনি।
লোকবক্তৃতায় আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্লাহ, সদস্যসচিব ড. মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিনসহ সংশ্লিষ্টরা।

গভর্ন্যান্স ব্যর্থতা ও কার্যকর চেক অ্যান্ড ব্যালান্সের অভাবে দেশের ব্যাংক খাত থেকে প্রায় তিন লাখ কোটি টাকা পাচার হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ব্যাংকিং খাত: বর্তমান অবস্থা ও ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক লোকবক্তৃতায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতি ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগ যৌথভাবে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
গভর্নর বলেন, দেশের ব্যাংক খাতের সবচেয়ে বড় সংকট হলো গভর্ন্যান্স ফেইলিউর। সরকার ও প্রভাবশালী ব্যক্তি বা পরিবারের নির্দেশে অবৈধভাবে ঋণ দেওয়া হয়েছে। এতে ব্যাংক খাতের শৃঙ্খলা ভেঙে পড়ে। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংকসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের অবহেলা ছিল, যা অস্বীকার করার সুযোগ নেই।
তিনি বলেন, ব্যাংকগুলোর মালিকানা ও নিয়ন্ত্রণ ব্যক্তিবিশেষের হাতে কেন্দ্রীভূত ছিল। উদাহরণ হিসেবে তিনি বলেন, পাঁচটি ইসলামী ব্যাংক একত্র করা হলেও সেগুলো ছিল নির্দিষ্ট ব্যক্তিদের নিয়ন্ত্রণে। ব্যাংকিং ব্যবস্থায় পর্যাপ্ত চেক অ্যান্ড ব্যালান্স না থাকায় বিপুল পরিমাণ অর্থ দেশ থেকে পাচার হয়েছে।
ব্যাংকিং খাতের কাঠামো নিয়ে গভর্নর বলেন, বাস্তবে দেশে ১০ থেকে ১৫টি ব্যাংক থাকলেই যথেষ্ট হতো। কিন্তু বর্তমানে ব্যাংকের সংখ্যা ৬৪টি। অতিরিক্ত ব্যাংকের কারণে প্রশাসনিক জটিলতা ও ব্যয় বেড়েছে। ব্যাংকের সংখ্যা কমানো গেলে ব্যয় কমবে এবং লাভজনকতা বাড়বে।
তিনি আরও বলেন, বৈশ্বিকভাবে ব্যাংকিং খাত অর্থনীতির তৃতীয় গুরুত্বপূর্ণ খাত হলেও বাংলাদেশে এটি প্রথম স্থানে রয়েছে। ফলে অন্যান্য আর্থিক খাত ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। ব্যাংকিং খাতকে স্থিতিশীল করতে হলে অন্যান্য আর্থিক খাতকেও সমান গুরুত্ব দিতে হবে।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. রেজাউল করিম। তিনি বলেন, ধ্বংসপ্রাপ্ত ব্যাংকিং খাতকে পুনরুদ্ধারে বর্তমান গভর্নরের ভূমিকা প্রশংসনীয়। ব্যাংকিং খাত কতটা নাজুক অবস্থায় ছিল, তা এখন স্পষ্টভাবে বোঝা যাচ্ছে। ইতিবাচক যে পরিবর্তনের ধারা শুরু হয়েছে, তা অব্যাহত থাকবে-এমন প্রত্যাশা করেন তিনি।
লোকবক্তৃতায় আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্লাহ, সদস্যসচিব ড. মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিনসহ সংশ্লিষ্টরা।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!