
দুর্দান্ত লড়াইয়ের পর সিলেটের পাঁচ দিনের ম্যাচে পাকিস্তানকে ৭৮ রানে হারিয়ে ইতিহাস গড়েছে বাংলাদেশ। এই জয়ে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ ২-০ ব্যবধানে জিতে পাকিস্তানকে ধবলধোলাই করলো টাইগাররা।
ঘরের মাঠে পাকিস্তানের বিপক্ষে এটিই বাংলাদেশের প্রথম টেস্ট সিরিজে ধবলধোলাইয়ের কীর্তি। এর আগে পাকিস্তানের মাটিতেও তাদের হোয়াইটওয়াশ করেছিল বাংলাদেশ।
৪৩৭ রানের কঠিন লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে পঞ্চম দিনে ৭ উইকেটে ৩১৬ রান নিয়ে ব্যাটিং শুরু করে পাকিস্তান। সকালে মোহাম্মদ রিজওয়ান ও সাজিদ খান দ্রুত রান তুলতে থাকায় কিছুটা চাপে পড়ে বাংলাদেশ। তবে স্পিনার তাইজুল ইসলাম জুটি ভেঙে ম্যাচে ফেরান স্বাগতিকদের।
২৮ রান করা সাজিদ খানকে স্লিপে ক্যাচ বানানোর পর পরের ওভারে শরিফুল ইসলাম ফিরিয়ে দেন ৯৪ রান করা মোহাম্মদ রিজওয়ানকে। এরপর আর ম্যাচে ফিরতে পারেনি পাকিস্তান।
শেষ পর্যন্ত ৩৫৮ রানে অলআউট হয় সফরকারীরা। ইনিংসে ৬ উইকেট নেন তাইজুল ইসলাম।
এর আগে পাকিস্তানের দ্বিতীয় ইনিংসে ৭১ রান করা অধিনায়ক শান মাসুদ ও ৪৭ রান করা বাবর আজম কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারায় দলটি। নাহিদ রানা ও তাইজুলের দারুণ বোলিংয়ে চাপে পড়ে পাকিস্তান।
ম্যাচে বাংলাদেশের জয়ের ভিত গড়ে দেন মুশফিকুর রহিম। তার অনবদ্য সেঞ্চুরিতে দ্বিতীয় ইনিংসে ৩৯০ রান তোলে বাংলাদেশ। ফলে পাকিস্তানের সামনে ৪৩৭ রানের লক্ষ্য দাঁড়ায়।
এই জয়ে টেস্ট ক্রিকেটে আরেকটি স্মরণীয় অধ্যায় যোগ করলো বাংলাদেশ।

দুর্দান্ত লড়াইয়ের পর সিলেটের পাঁচ দিনের ম্যাচে পাকিস্তানকে ৭৮ রানে হারিয়ে ইতিহাস গড়েছে বাংলাদেশ। এই জয়ে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ ২-০ ব্যবধানে জিতে পাকিস্তানকে ধবলধোলাই করলো টাইগাররা।
ঘরের মাঠে পাকিস্তানের বিপক্ষে এটিই বাংলাদেশের প্রথম টেস্ট সিরিজে ধবলধোলাইয়ের কীর্তি। এর আগে পাকিস্তানের মাটিতেও তাদের হোয়াইটওয়াশ করেছিল বাংলাদেশ।
৪৩৭ রানের কঠিন লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে পঞ্চম দিনে ৭ উইকেটে ৩১৬ রান নিয়ে ব্যাটিং শুরু করে পাকিস্তান। সকালে মোহাম্মদ রিজওয়ান ও সাজিদ খান দ্রুত রান তুলতে থাকায় কিছুটা চাপে পড়ে বাংলাদেশ। তবে স্পিনার তাইজুল ইসলাম জুটি ভেঙে ম্যাচে ফেরান স্বাগতিকদের।
২৮ রান করা সাজিদ খানকে স্লিপে ক্যাচ বানানোর পর পরের ওভারে শরিফুল ইসলাম ফিরিয়ে দেন ৯৪ রান করা মোহাম্মদ রিজওয়ানকে। এরপর আর ম্যাচে ফিরতে পারেনি পাকিস্তান।
শেষ পর্যন্ত ৩৫৮ রানে অলআউট হয় সফরকারীরা। ইনিংসে ৬ উইকেট নেন তাইজুল ইসলাম।
এর আগে পাকিস্তানের দ্বিতীয় ইনিংসে ৭১ রান করা অধিনায়ক শান মাসুদ ও ৪৭ রান করা বাবর আজম কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারায় দলটি। নাহিদ রানা ও তাইজুলের দারুণ বোলিংয়ে চাপে পড়ে পাকিস্তান।
ম্যাচে বাংলাদেশের জয়ের ভিত গড়ে দেন মুশফিকুর রহিম। তার অনবদ্য সেঞ্চুরিতে দ্বিতীয় ইনিংসে ৩৯০ রান তোলে বাংলাদেশ। ফলে পাকিস্তানের সামনে ৪৩৭ রানের লক্ষ্য দাঁড়ায়।
এই জয়ে টেস্ট ক্রিকেটে আরেকটি স্মরণীয় অধ্যায় যোগ করলো বাংলাদেশ।

দুর্দান্ত লড়াইয়ের পর সিলেটের পাঁচ দিনের ম্যাচে পাকিস্তানকে ৭৮ রানে হারিয়ে ইতিহাস গড়েছে বাংলাদেশ। এই জয়ে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ ২-০ ব্যবধানে জিতে পাকিস্তানকে ধবলধোলাই করলো টাইগাররা।
ঘরের মাঠে পাকিস্তানের বিপক্ষে এটিই বাংলাদেশের প্রথম টেস্ট সিরিজে ধবলধোলাইয়ের কীর্তি। এর আগে পাকিস্তানের মাটিতেও তাদের হোয়াইটওয়াশ করেছিল বাংলাদেশ।
৪৩৭ রানের কঠিন লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে পঞ্চম দিনে ৭ উইকেটে ৩১৬ রান নিয়ে ব্যাটিং শুরু করে পাকিস্তান। সকালে মোহাম্মদ রিজওয়ান ও সাজিদ খান দ্রুত রান তুলতে থাকায় কিছুটা চাপে পড়ে বাংলাদেশ। তবে স্পিনার তাইজুল ইসলাম জুটি ভেঙে ম্যাচে ফেরান স্বাগতিকদের।
২৮ রান করা সাজিদ খানকে স্লিপে ক্যাচ বানানোর পর পরের ওভারে শরিফুল ইসলাম ফিরিয়ে দেন ৯৪ রান করা মোহাম্মদ রিজওয়ানকে। এরপর আর ম্যাচে ফিরতে পারেনি পাকিস্তান।
শেষ পর্যন্ত ৩৫৮ রানে অলআউট হয় সফরকারীরা। ইনিংসে ৬ উইকেট নেন তাইজুল ইসলাম।
এর আগে পাকিস্তানের দ্বিতীয় ইনিংসে ৭১ রান করা অধিনায়ক শান মাসুদ ও ৪৭ রান করা বাবর আজম কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারায় দলটি। নাহিদ রানা ও তাইজুলের দারুণ বোলিংয়ে চাপে পড়ে পাকিস্তান।
ম্যাচে বাংলাদেশের জয়ের ভিত গড়ে দেন মুশফিকুর রহিম। তার অনবদ্য সেঞ্চুরিতে দ্বিতীয় ইনিংসে ৩৯০ রান তোলে বাংলাদেশ। ফলে পাকিস্তানের সামনে ৪৩৭ রানের লক্ষ্য দাঁড়ায়।
এই জয়ে টেস্ট ক্রিকেটে আরেকটি স্মরণীয় অধ্যায় যোগ করলো বাংলাদেশ।

দুর্দান্ত লড়াইয়ের পর সিলেটের পাঁচ দিনের ম্যাচে পাকিস্তানকে ৭৮ রানে হারিয়ে ইতিহাস গড়েছে বাংলাদেশ। এই জয়ে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ ২-০ ব্যবধানে জিতে পাকিস্তানকে ধবলধোলাই করলো টাইগাররা।
ঘরের মাঠে পাকিস্তানের বিপক্ষে এটিই বাংলাদেশের প্রথম টেস্ট সিরিজে ধবলধোলাইয়ের কীর্তি। এর আগে পাকিস্তানের মাটিতেও তাদের হোয়াইটওয়াশ করেছিল বাংলাদেশ।
৪৩৭ রানের কঠিন লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে পঞ্চম দিনে ৭ উইকেটে ৩১৬ রান নিয়ে ব্যাটিং শুরু করে পাকিস্তান। সকালে মোহাম্মদ রিজওয়ান ও সাজিদ খান দ্রুত রান তুলতে থাকায় কিছুটা চাপে পড়ে বাংলাদেশ। তবে স্পিনার তাইজুল ইসলাম জুটি ভেঙে ম্যাচে ফেরান স্বাগতিকদের।
২৮ রান করা সাজিদ খানকে স্লিপে ক্যাচ বানানোর পর পরের ওভারে শরিফুল ইসলাম ফিরিয়ে দেন ৯৪ রান করা মোহাম্মদ রিজওয়ানকে। এরপর আর ম্যাচে ফিরতে পারেনি পাকিস্তান।
শেষ পর্যন্ত ৩৫৮ রানে অলআউট হয় সফরকারীরা। ইনিংসে ৬ উইকেট নেন তাইজুল ইসলাম।
এর আগে পাকিস্তানের দ্বিতীয় ইনিংসে ৭১ রান করা অধিনায়ক শান মাসুদ ও ৪৭ রান করা বাবর আজম কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারায় দলটি। নাহিদ রানা ও তাইজুলের দারুণ বোলিংয়ে চাপে পড়ে পাকিস্তান।
ম্যাচে বাংলাদেশের জয়ের ভিত গড়ে দেন মুশফিকুর রহিম। তার অনবদ্য সেঞ্চুরিতে দ্বিতীয় ইনিংসে ৩৯০ রান তোলে বাংলাদেশ। ফলে পাকিস্তানের সামনে ৪৩৭ রানের লক্ষ্য দাঁড়ায়।
এই জয়ে টেস্ট ক্রিকেটে আরেকটি স্মরণীয় অধ্যায় যোগ করলো বাংলাদেশ।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!