
রাজধানীর পল্লবীতে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর গলাকেটে হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার সোহেল রানা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। জবানবন্দিতে তিনি জানিয়েছেন, ঘটনার আগে ইয়াবা সেবন করেছিলেন।
বুধবার (২০ মে) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন সোহেল। পরে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
জবানবন্দিতে সোহেল জানান, গত ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে রামিসা ঘর থেকে বের হলে তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার শিশুটিকে তাদের কক্ষে নিয়ে যায়। পরে বাথরুমে নিয়ে রামিসাকে ধর্ষণ করেন তিনি। এতে শিশুটি অজ্ঞান হয়ে পড়ে। এ সময় বাইরে থেকে রামিসার মা দরজায় ধাক্কা দিতে থাকলে আতঙ্কিত হয়ে শিশুটির গলা কেটে হত্যা করেন সোহেল।
জবানবন্দিতে আরও বলা হয়, মরদেহ গুম করার উদ্দেশ্যে ধারালো ছুরি দিয়ে শিশুটির মাথা শরীর থেকে আলাদা করা হয়। দুই হাতও আংশিক বিচ্ছিন্ন করা হয়। পরে মরদেহ খাটের নিচে লুকিয়ে রাখা হয়। ঘটনার সময় সোহেলের স্ত্রী একই কক্ষে ছিলেন। পরে জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে যান সোহেল।
আদালতকে সোহেল জানান, ভুক্তভোগী পরিবারের সঙ্গে তার পূর্ব কোনো বিরোধ ছিল না।
এ ঘটনায় রামিসার বাবা আবদুল হান্নান মোল্লা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় সোহেল রানা, তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার এবং অজ্ঞাত আরও একজনকে আসামি করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের পর স্বপ্নাকে আটক করে পুলিশ। পরে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকা থেকে সোহেলকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, মামলার আরেক অজ্ঞাত আসামিকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
এর আগে সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে রামিসার মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

রাজধানীর পল্লবীতে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর গলাকেটে হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার সোহেল রানা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। জবানবন্দিতে তিনি জানিয়েছেন, ঘটনার আগে ইয়াবা সেবন করেছিলেন।
বুধবার (২০ মে) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন সোহেল। পরে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
জবানবন্দিতে সোহেল জানান, গত ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে রামিসা ঘর থেকে বের হলে তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার শিশুটিকে তাদের কক্ষে নিয়ে যায়। পরে বাথরুমে নিয়ে রামিসাকে ধর্ষণ করেন তিনি। এতে শিশুটি অজ্ঞান হয়ে পড়ে। এ সময় বাইরে থেকে রামিসার মা দরজায় ধাক্কা দিতে থাকলে আতঙ্কিত হয়ে শিশুটির গলা কেটে হত্যা করেন সোহেল।
জবানবন্দিতে আরও বলা হয়, মরদেহ গুম করার উদ্দেশ্যে ধারালো ছুরি দিয়ে শিশুটির মাথা শরীর থেকে আলাদা করা হয়। দুই হাতও আংশিক বিচ্ছিন্ন করা হয়। পরে মরদেহ খাটের নিচে লুকিয়ে রাখা হয়। ঘটনার সময় সোহেলের স্ত্রী একই কক্ষে ছিলেন। পরে জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে যান সোহেল।
আদালতকে সোহেল জানান, ভুক্তভোগী পরিবারের সঙ্গে তার পূর্ব কোনো বিরোধ ছিল না।
এ ঘটনায় রামিসার বাবা আবদুল হান্নান মোল্লা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় সোহেল রানা, তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার এবং অজ্ঞাত আরও একজনকে আসামি করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের পর স্বপ্নাকে আটক করে পুলিশ। পরে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকা থেকে সোহেলকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, মামলার আরেক অজ্ঞাত আসামিকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
এর আগে সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে রামিসার মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

রাজধানীর পল্লবীতে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর গলাকেটে হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার সোহেল রানা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। জবানবন্দিতে তিনি জানিয়েছেন, ঘটনার আগে ইয়াবা সেবন করেছিলেন।
বুধবার (২০ মে) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন সোহেল। পরে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
জবানবন্দিতে সোহেল জানান, গত ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে রামিসা ঘর থেকে বের হলে তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার শিশুটিকে তাদের কক্ষে নিয়ে যায়। পরে বাথরুমে নিয়ে রামিসাকে ধর্ষণ করেন তিনি। এতে শিশুটি অজ্ঞান হয়ে পড়ে। এ সময় বাইরে থেকে রামিসার মা দরজায় ধাক্কা দিতে থাকলে আতঙ্কিত হয়ে শিশুটির গলা কেটে হত্যা করেন সোহেল।
জবানবন্দিতে আরও বলা হয়, মরদেহ গুম করার উদ্দেশ্যে ধারালো ছুরি দিয়ে শিশুটির মাথা শরীর থেকে আলাদা করা হয়। দুই হাতও আংশিক বিচ্ছিন্ন করা হয়। পরে মরদেহ খাটের নিচে লুকিয়ে রাখা হয়। ঘটনার সময় সোহেলের স্ত্রী একই কক্ষে ছিলেন। পরে জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে যান সোহেল।
আদালতকে সোহেল জানান, ভুক্তভোগী পরিবারের সঙ্গে তার পূর্ব কোনো বিরোধ ছিল না।
এ ঘটনায় রামিসার বাবা আবদুল হান্নান মোল্লা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় সোহেল রানা, তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার এবং অজ্ঞাত আরও একজনকে আসামি করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের পর স্বপ্নাকে আটক করে পুলিশ। পরে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকা থেকে সোহেলকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, মামলার আরেক অজ্ঞাত আসামিকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
এর আগে সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে রামিসার মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

রাজধানীর পল্লবীতে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর গলাকেটে হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার সোহেল রানা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। জবানবন্দিতে তিনি জানিয়েছেন, ঘটনার আগে ইয়াবা সেবন করেছিলেন।
বুধবার (২০ মে) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন সোহেল। পরে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
জবানবন্দিতে সোহেল জানান, গত ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে রামিসা ঘর থেকে বের হলে তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার শিশুটিকে তাদের কক্ষে নিয়ে যায়। পরে বাথরুমে নিয়ে রামিসাকে ধর্ষণ করেন তিনি। এতে শিশুটি অজ্ঞান হয়ে পড়ে। এ সময় বাইরে থেকে রামিসার মা দরজায় ধাক্কা দিতে থাকলে আতঙ্কিত হয়ে শিশুটির গলা কেটে হত্যা করেন সোহেল।
জবানবন্দিতে আরও বলা হয়, মরদেহ গুম করার উদ্দেশ্যে ধারালো ছুরি দিয়ে শিশুটির মাথা শরীর থেকে আলাদা করা হয়। দুই হাতও আংশিক বিচ্ছিন্ন করা হয়। পরে মরদেহ খাটের নিচে লুকিয়ে রাখা হয়। ঘটনার সময় সোহেলের স্ত্রী একই কক্ষে ছিলেন। পরে জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে যান সোহেল।
আদালতকে সোহেল জানান, ভুক্তভোগী পরিবারের সঙ্গে তার পূর্ব কোনো বিরোধ ছিল না।
এ ঘটনায় রামিসার বাবা আবদুল হান্নান মোল্লা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় সোহেল রানা, তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার এবং অজ্ঞাত আরও একজনকে আসামি করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের পর স্বপ্নাকে আটক করে পুলিশ। পরে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকা থেকে সোহেলকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, মামলার আরেক অজ্ঞাত আসামিকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
এর আগে সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে রামিসার মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!