২০১৫ সালে বরিশালে ছাত্রদল ও জাসাসের দুই নেতাকে ‘ক্রসফায়ারে’ হত্যার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ ও বরিশালের সাবেক পুলিশ সুপার এ কে এম এহসানউল্লাহসহ চারজনের বিরুদ্ধে বিচার শুরুর আদেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
বুধবার (২০ মে) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। একই সঙ্গে আসামিদের অব্যাহতি চেয়ে করা আবেদন খারিজ করা হয়েছে।
মামলায় অভিযুক্ত চারজন হলেন-শেখ হাসিনার ফুফাতো ভাই ও সাবেক সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ, বরিশালের সাবেক পুলিশ সুপার এ কে এম এহসানউল্লাহ, উজিরপুর থানার সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক মাহাবুল ইসলাম এবং মো. জসিম উদ্দিন।
এর মধ্যে মাহাবুল ইসলাম ও জসিম উদ্দিন বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন। অপরদিকে আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ ও এ কে এম এহসানউল্লাহ পলাতক রয়েছেন।
ট্রাইব্যুনাল আগামী ১৭ জুন থেকে মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শুরুর দিন নির্ধারণ করেছেন। মামলায় মোট ২৮ জন সাক্ষী রয়েছেন।
এর আগে চলতি বছরের ৩১ মার্চ আসামিদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা হয়। পরে ট্রাইব্যুনাল অভিযোগ আমলে নিয়ে পলাতক দুই আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।
২০১৫ সালে বরিশালে ছাত্রদল ও জাসাসের দুই নেতাকে ‘ক্রসফায়ারে’ হত্যার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ ও বরিশালের সাবেক পুলিশ সুপার এ কে এম এহসানউল্লাহসহ চারজনের বিরুদ্ধে বিচার শুরুর আদেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
বুধবার (২০ মে) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। একই সঙ্গে আসামিদের অব্যাহতি চেয়ে করা আবেদন খারিজ করা হয়েছে।
মামলায় অভিযুক্ত চারজন হলেন-শেখ হাসিনার ফুফাতো ভাই ও সাবেক সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ, বরিশালের সাবেক পুলিশ সুপার এ কে এম এহসানউল্লাহ, উজিরপুর থানার সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক মাহাবুল ইসলাম এবং মো. জসিম উদ্দিন।
এর মধ্যে মাহাবুল ইসলাম ও জসিম উদ্দিন বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন। অপরদিকে আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ ও এ কে এম এহসানউল্লাহ পলাতক রয়েছেন।
ট্রাইব্যুনাল আগামী ১৭ জুন থেকে মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শুরুর দিন নির্ধারণ করেছেন। মামলায় মোট ২৮ জন সাক্ষী রয়েছেন।
এর আগে চলতি বছরের ৩১ মার্চ আসামিদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা হয়। পরে ট্রাইব্যুনাল অভিযোগ আমলে নিয়ে পলাতক দুই আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।
২০১৫ সালে বরিশালে ছাত্রদল ও জাসাসের দুই নেতাকে ‘ক্রসফায়ারে’ হত্যার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ ও বরিশালের সাবেক পুলিশ সুপার এ কে এম এহসানউল্লাহসহ চারজনের বিরুদ্ধে বিচার শুরুর আদেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
বুধবার (২০ মে) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। একই সঙ্গে আসামিদের অব্যাহতি চেয়ে করা আবেদন খারিজ করা হয়েছে।
মামলায় অভিযুক্ত চারজন হলেন-শেখ হাসিনার ফুফাতো ভাই ও সাবেক সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ, বরিশালের সাবেক পুলিশ সুপার এ কে এম এহসানউল্লাহ, উজিরপুর থানার সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক মাহাবুল ইসলাম এবং মো. জসিম উদ্দিন।
এর মধ্যে মাহাবুল ইসলাম ও জসিম উদ্দিন বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন। অপরদিকে আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ ও এ কে এম এহসানউল্লাহ পলাতক রয়েছেন।
ট্রাইব্যুনাল আগামী ১৭ জুন থেকে মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শুরুর দিন নির্ধারণ করেছেন। মামলায় মোট ২৮ জন সাক্ষী রয়েছেন।
এর আগে চলতি বছরের ৩১ মার্চ আসামিদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা হয়। পরে ট্রাইব্যুনাল অভিযোগ আমলে নিয়ে পলাতক দুই আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।
২০১৫ সালে বরিশালে ছাত্রদল ও জাসাসের দুই নেতাকে ‘ক্রসফায়ারে’ হত্যার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ ও বরিশালের সাবেক পুলিশ সুপার এ কে এম এহসানউল্লাহসহ চারজনের বিরুদ্ধে বিচার শুরুর আদেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
বুধবার (২০ মে) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। একই সঙ্গে আসামিদের অব্যাহতি চেয়ে করা আবেদন খারিজ করা হয়েছে।
মামলায় অভিযুক্ত চারজন হলেন-শেখ হাসিনার ফুফাতো ভাই ও সাবেক সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ, বরিশালের সাবেক পুলিশ সুপার এ কে এম এহসানউল্লাহ, উজিরপুর থানার সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক মাহাবুল ইসলাম এবং মো. জসিম উদ্দিন।
এর মধ্যে মাহাবুল ইসলাম ও জসিম উদ্দিন বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন। অপরদিকে আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ ও এ কে এম এহসানউল্লাহ পলাতক রয়েছেন।
ট্রাইব্যুনাল আগামী ১৭ জুন থেকে মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শুরুর দিন নির্ধারণ করেছেন। মামলায় মোট ২৮ জন সাক্ষী রয়েছেন।
এর আগে চলতি বছরের ৩১ মার্চ আসামিদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা হয়। পরে ট্রাইব্যুনাল অভিযোগ আমলে নিয়ে পলাতক দুই আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!