রাজধানীর মুগদায় সৌদি প্রবাসী মোকাররমকে হত্যা করে মরদেহ আট টুকরো করার ঘটনায় পলাতক প্রধান অভিযুক্ত তাসলিমা আক্তার ওরফে হাসনাকে (৩১) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বুধবার (২০ মে) নরসিংদী থেকে কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট (সিটিটিসি) ও মুগদা থানা পুলিশের যৌথ অভিযানে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মুগদা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আহসান উল্লাহ। তিনি জানান, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাসলিমাকে আটক করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
এর আগে গত ১৮ মে এ ঘটনায় হেলেনা বেগম (৪০) ও তার ১৩ বছর বয়সী মেয়েকে গ্রেপ্তার করে র্যাব-৩। তবে ঘটনার পর থেকেই পলাতক ছিলেন তাসলিমা।
র্যাব জানায়, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাসিন্দা সৌদি প্রবাসী মোকাররমের সঙ্গে একই গ্রামের আরেক প্রবাসী সুমনের সুসম্পর্ক ছিল। সেই সূত্রে সুমনের স্ত্রী তাসলিমা আক্তার ওরফে হাসনার সঙ্গে মোকাররমের পরিচয় হয়। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে পরকীয়ার সম্পর্ক গড়ে ওঠে।
তদন্তে জানা গেছে, মোকাররম প্রবাসে থাকাকালে বিভিন্ন সময়ে তাসলিমাকে প্রায় পাঁচ লাখ টাকা দেন। গত ১৩ মে সৌদি আরব থেকে দেশে ফিরে পরিবারের কাউকে না জানিয়ে তিনি ঢাকার মুগদার মান্ডা এলাকায় তাসলিমার বান্ধবী হেলেনা আক্তারের ভাড়া বাসায় যান।
র্যাবের ভাষ্য অনুযায়ী, ওই বাসায় অবস্থানকালে মোকাররম ও তাসলিমার মধ্যে বিয়ে ও অর্থ লেনদেন নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে তাসলিমাকে দেওয়া টাকা ফেরত চান মোকাররম। এছাড়া আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও ফাঁসের হুমকিকেও কেন্দ্র করে উত্তেজনা বাড়তে থাকে।
র্যাব জানায়, পরদিন সকালে নাশতার সঙ্গে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে মোকাররমকে অচেতন করার চেষ্টা করা হয়। পরে বালিশচাপা, হাতুড়ি ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে তাকে হত্যা করা হয়। হত্যার পর মরদেহ বাথরুমে নিয়ে আট টুকরো করা হয়। পরে টুকরোগুলো পলিথিন ও বস্তায় ভরে বিভিন্ন স্থানে ফেলে দেওয়া হয়।
ঘটনার পরদিন অভিযুক্তরা বাইরে ঘুরতে যান, হোটেলে খাবার খান এবং বাসার ছাদে পার্টিও করেন বলে জানিয়েছে র্যাব। গত ১৭ মে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়রা ৯৯৯-এ ফোন করেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহের টুকরো উদ্ধার করে। ফিঙ্গারপ্রিন্টের মাধ্যমে নিহতের পরিচয় শনাক্ত করা হয়।
রাজধানীর মুগদায় সৌদি প্রবাসী মোকাররমকে হত্যা করে মরদেহ আট টুকরো করার ঘটনায় পলাতক প্রধান অভিযুক্ত তাসলিমা আক্তার ওরফে হাসনাকে (৩১) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বুধবার (২০ মে) নরসিংদী থেকে কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট (সিটিটিসি) ও মুগদা থানা পুলিশের যৌথ অভিযানে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মুগদা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আহসান উল্লাহ। তিনি জানান, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাসলিমাকে আটক করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
এর আগে গত ১৮ মে এ ঘটনায় হেলেনা বেগম (৪০) ও তার ১৩ বছর বয়সী মেয়েকে গ্রেপ্তার করে র্যাব-৩। তবে ঘটনার পর থেকেই পলাতক ছিলেন তাসলিমা।
র্যাব জানায়, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাসিন্দা সৌদি প্রবাসী মোকাররমের সঙ্গে একই গ্রামের আরেক প্রবাসী সুমনের সুসম্পর্ক ছিল। সেই সূত্রে সুমনের স্ত্রী তাসলিমা আক্তার ওরফে হাসনার সঙ্গে মোকাররমের পরিচয় হয়। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে পরকীয়ার সম্পর্ক গড়ে ওঠে।
তদন্তে জানা গেছে, মোকাররম প্রবাসে থাকাকালে বিভিন্ন সময়ে তাসলিমাকে প্রায় পাঁচ লাখ টাকা দেন। গত ১৩ মে সৌদি আরব থেকে দেশে ফিরে পরিবারের কাউকে না জানিয়ে তিনি ঢাকার মুগদার মান্ডা এলাকায় তাসলিমার বান্ধবী হেলেনা আক্তারের ভাড়া বাসায় যান।
র্যাবের ভাষ্য অনুযায়ী, ওই বাসায় অবস্থানকালে মোকাররম ও তাসলিমার মধ্যে বিয়ে ও অর্থ লেনদেন নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে তাসলিমাকে দেওয়া টাকা ফেরত চান মোকাররম। এছাড়া আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও ফাঁসের হুমকিকেও কেন্দ্র করে উত্তেজনা বাড়তে থাকে।
র্যাব জানায়, পরদিন সকালে নাশতার সঙ্গে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে মোকাররমকে অচেতন করার চেষ্টা করা হয়। পরে বালিশচাপা, হাতুড়ি ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে তাকে হত্যা করা হয়। হত্যার পর মরদেহ বাথরুমে নিয়ে আট টুকরো করা হয়। পরে টুকরোগুলো পলিথিন ও বস্তায় ভরে বিভিন্ন স্থানে ফেলে দেওয়া হয়।
ঘটনার পরদিন অভিযুক্তরা বাইরে ঘুরতে যান, হোটেলে খাবার খান এবং বাসার ছাদে পার্টিও করেন বলে জানিয়েছে র্যাব। গত ১৭ মে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়রা ৯৯৯-এ ফোন করেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহের টুকরো উদ্ধার করে। ফিঙ্গারপ্রিন্টের মাধ্যমে নিহতের পরিচয় শনাক্ত করা হয়।
রাজধানীর মুগদায় সৌদি প্রবাসী মোকাররমকে হত্যা করে মরদেহ আট টুকরো করার ঘটনায় পলাতক প্রধান অভিযুক্ত তাসলিমা আক্তার ওরফে হাসনাকে (৩১) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বুধবার (২০ মে) নরসিংদী থেকে কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট (সিটিটিসি) ও মুগদা থানা পুলিশের যৌথ অভিযানে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মুগদা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আহসান উল্লাহ। তিনি জানান, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাসলিমাকে আটক করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
এর আগে গত ১৮ মে এ ঘটনায় হেলেনা বেগম (৪০) ও তার ১৩ বছর বয়সী মেয়েকে গ্রেপ্তার করে র্যাব-৩। তবে ঘটনার পর থেকেই পলাতক ছিলেন তাসলিমা।
র্যাব জানায়, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাসিন্দা সৌদি প্রবাসী মোকাররমের সঙ্গে একই গ্রামের আরেক প্রবাসী সুমনের সুসম্পর্ক ছিল। সেই সূত্রে সুমনের স্ত্রী তাসলিমা আক্তার ওরফে হাসনার সঙ্গে মোকাররমের পরিচয় হয়। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে পরকীয়ার সম্পর্ক গড়ে ওঠে।
তদন্তে জানা গেছে, মোকাররম প্রবাসে থাকাকালে বিভিন্ন সময়ে তাসলিমাকে প্রায় পাঁচ লাখ টাকা দেন। গত ১৩ মে সৌদি আরব থেকে দেশে ফিরে পরিবারের কাউকে না জানিয়ে তিনি ঢাকার মুগদার মান্ডা এলাকায় তাসলিমার বান্ধবী হেলেনা আক্তারের ভাড়া বাসায় যান।
র্যাবের ভাষ্য অনুযায়ী, ওই বাসায় অবস্থানকালে মোকাররম ও তাসলিমার মধ্যে বিয়ে ও অর্থ লেনদেন নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে তাসলিমাকে দেওয়া টাকা ফেরত চান মোকাররম। এছাড়া আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও ফাঁসের হুমকিকেও কেন্দ্র করে উত্তেজনা বাড়তে থাকে।
র্যাব জানায়, পরদিন সকালে নাশতার সঙ্গে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে মোকাররমকে অচেতন করার চেষ্টা করা হয়। পরে বালিশচাপা, হাতুড়ি ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে তাকে হত্যা করা হয়। হত্যার পর মরদেহ বাথরুমে নিয়ে আট টুকরো করা হয়। পরে টুকরোগুলো পলিথিন ও বস্তায় ভরে বিভিন্ন স্থানে ফেলে দেওয়া হয়।
ঘটনার পরদিন অভিযুক্তরা বাইরে ঘুরতে যান, হোটেলে খাবার খান এবং বাসার ছাদে পার্টিও করেন বলে জানিয়েছে র্যাব। গত ১৭ মে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়রা ৯৯৯-এ ফোন করেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহের টুকরো উদ্ধার করে। ফিঙ্গারপ্রিন্টের মাধ্যমে নিহতের পরিচয় শনাক্ত করা হয়।
রাজধানীর মুগদায় সৌদি প্রবাসী মোকাররমকে হত্যা করে মরদেহ আট টুকরো করার ঘটনায় পলাতক প্রধান অভিযুক্ত তাসলিমা আক্তার ওরফে হাসনাকে (৩১) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বুধবার (২০ মে) নরসিংদী থেকে কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট (সিটিটিসি) ও মুগদা থানা পুলিশের যৌথ অভিযানে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মুগদা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আহসান উল্লাহ। তিনি জানান, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাসলিমাকে আটক করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
এর আগে গত ১৮ মে এ ঘটনায় হেলেনা বেগম (৪০) ও তার ১৩ বছর বয়সী মেয়েকে গ্রেপ্তার করে র্যাব-৩। তবে ঘটনার পর থেকেই পলাতক ছিলেন তাসলিমা।
র্যাব জানায়, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাসিন্দা সৌদি প্রবাসী মোকাররমের সঙ্গে একই গ্রামের আরেক প্রবাসী সুমনের সুসম্পর্ক ছিল। সেই সূত্রে সুমনের স্ত্রী তাসলিমা আক্তার ওরফে হাসনার সঙ্গে মোকাররমের পরিচয় হয়। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে পরকীয়ার সম্পর্ক গড়ে ওঠে।
তদন্তে জানা গেছে, মোকাররম প্রবাসে থাকাকালে বিভিন্ন সময়ে তাসলিমাকে প্রায় পাঁচ লাখ টাকা দেন। গত ১৩ মে সৌদি আরব থেকে দেশে ফিরে পরিবারের কাউকে না জানিয়ে তিনি ঢাকার মুগদার মান্ডা এলাকায় তাসলিমার বান্ধবী হেলেনা আক্তারের ভাড়া বাসায় যান।
র্যাবের ভাষ্য অনুযায়ী, ওই বাসায় অবস্থানকালে মোকাররম ও তাসলিমার মধ্যে বিয়ে ও অর্থ লেনদেন নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে তাসলিমাকে দেওয়া টাকা ফেরত চান মোকাররম। এছাড়া আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও ফাঁসের হুমকিকেও কেন্দ্র করে উত্তেজনা বাড়তে থাকে।
র্যাব জানায়, পরদিন সকালে নাশতার সঙ্গে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে মোকাররমকে অচেতন করার চেষ্টা করা হয়। পরে বালিশচাপা, হাতুড়ি ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে তাকে হত্যা করা হয়। হত্যার পর মরদেহ বাথরুমে নিয়ে আট টুকরো করা হয়। পরে টুকরোগুলো পলিথিন ও বস্তায় ভরে বিভিন্ন স্থানে ফেলে দেওয়া হয়।
ঘটনার পরদিন অভিযুক্তরা বাইরে ঘুরতে যান, হোটেলে খাবার খান এবং বাসার ছাদে পার্টিও করেন বলে জানিয়েছে র্যাব। গত ১৭ মে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়রা ৯৯৯-এ ফোন করেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহের টুকরো উদ্ধার করে। ফিঙ্গারপ্রিন্টের মাধ্যমে নিহতের পরিচয় শনাক্ত করা হয়।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!