
বিশ্ব রাজনীতিতে সামরিক শক্তি, অর্থনৈতিক প্রভাব ও কূটনৈতিক অবস্থানের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক জনমত এখন একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। সাম্প্রতিক এক জরিপে সেই জনমতের বিচারে সবচেয়ে নেতিবাচক ভাবমূর্তির দেশ হিসেবে উঠে এসেছে ইসরায়েল। একই সঙ্গে বৈশ্বিক গ্রহণযোগ্যতায় বড় ধরনের পতন ঘটেছে যুক্তরাষ্ট্রেরও।
আন্তর্জাতিক গবেষণা ও ডেটা প্রতিষ্ঠান নাইরা ডেটা প্রকাশিত ‘গ্লোবাল কান্ট্রি পারসেপশনস ২০২৬’ শীর্ষক জরিপে এ তথ্য উঠে এসেছে। বিশ্বের ১২৯টি দেশ এবং তিনটি আন্তর্জাতিক সংস্থার ওপর পরিচালিত এই জরিপে অংশ নেন ৪৬ হাজার ৬৬৭ জন উত্তরদাতা।
জরিপ অনুযায়ী, সবচেয়ে নেতিবাচকভাবে দেখা পাঁচ দেশের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে ইসরায়েল। এরপর রয়েছে উত্তর কোরিয়া, আফগানিস্তান, ইরান এবং যুক্তরাষ্ট্র।
অন্যদিকে সবচেয়ে ইতিবাচক ভাবমূর্তির দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে সুইজারল্যান্ড, কানাডা, জাপান, সুইডেন ও ইতালি।
বিশ্লেষকদের মতে, গাজায় দীর্ঘদিন ধরে চলা সংঘাত, ফিলিস্তিনিদের বাস্তুচ্যুতি, খাদ্য সংকট এবং অধিকৃত পশ্চিম তীরে সহিংসতা বৃদ্ধির প্রভাব আন্তর্জাতিক জনমতে ইসরায়েলের প্রতি নেতিবাচক ধারণা বাড়িয়েছে।
জরিপে আরও দেখা গেছে, বৈশ্বিক গ্রহণযোগ্যতার দিক থেকে যুক্তরাষ্ট্রও বড় ধরনের সংকটে পড়েছে। মাত্র দুই বছরে দেশটির নেট রেটিং ২০২৪ সালের প্লাস ২২ শতাংশ থেকে কমে ২০২৬ সালে মাইনাস ১৬ শতাংশে নেমে এসেছে। অর্থাৎ, দুই বছরে ৩৮ পয়েন্টের পতন ঘটেছে।
বর্তমানে জনপ্রিয়তার বিচারে যুক্তরাষ্ট্র এখন রাশিয়া ও চীনেরও নিচে অবস্থান করছে বলে জরিপে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের ধারণা, যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পররাষ্ট্রনীতি ঘিরে বাড়তে থাকা বৈশ্বিক অসন্তোষ এই পরিস্থিতির অন্যতম কারণ। ন্যাটো মিত্রদের সঙ্গে টানাপোড়েন, আগ্রাসী শুল্কনীতি, গ্রিনল্যান্ড নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য, ইউক্রেনকে সহায়তা কমানো এবং মধ্যপ্রাচ্যে ওয়াশিংটনের ভূমিকা—সব মিলিয়ে আন্তর্জাতিক জনমতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।
জরিপের ফলাফলে বলা হয়েছে, সামরিক ও রাজনৈতিকভাবে শক্তিশালী অবস্থানে থাকলেও বিশ্বজুড়ে জনমতের বিচারে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র এখন কঠিন সময় পার করছে। বিশেষ করে গাজা যুদ্ধের পর দুই দেশের ভাবমূর্তিতে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

বিশ্ব রাজনীতিতে সামরিক শক্তি, অর্থনৈতিক প্রভাব ও কূটনৈতিক অবস্থানের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক জনমত এখন একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। সাম্প্রতিক এক জরিপে সেই জনমতের বিচারে সবচেয়ে নেতিবাচক ভাবমূর্তির দেশ হিসেবে উঠে এসেছে ইসরায়েল। একই সঙ্গে বৈশ্বিক গ্রহণযোগ্যতায় বড় ধরনের পতন ঘটেছে যুক্তরাষ্ট্রেরও।
আন্তর্জাতিক গবেষণা ও ডেটা প্রতিষ্ঠান নাইরা ডেটা প্রকাশিত ‘গ্লোবাল কান্ট্রি পারসেপশনস ২০২৬’ শীর্ষক জরিপে এ তথ্য উঠে এসেছে। বিশ্বের ১২৯টি দেশ এবং তিনটি আন্তর্জাতিক সংস্থার ওপর পরিচালিত এই জরিপে অংশ নেন ৪৬ হাজার ৬৬৭ জন উত্তরদাতা।
জরিপ অনুযায়ী, সবচেয়ে নেতিবাচকভাবে দেখা পাঁচ দেশের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে ইসরায়েল। এরপর রয়েছে উত্তর কোরিয়া, আফগানিস্তান, ইরান এবং যুক্তরাষ্ট্র।
অন্যদিকে সবচেয়ে ইতিবাচক ভাবমূর্তির দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে সুইজারল্যান্ড, কানাডা, জাপান, সুইডেন ও ইতালি।
বিশ্লেষকদের মতে, গাজায় দীর্ঘদিন ধরে চলা সংঘাত, ফিলিস্তিনিদের বাস্তুচ্যুতি, খাদ্য সংকট এবং অধিকৃত পশ্চিম তীরে সহিংসতা বৃদ্ধির প্রভাব আন্তর্জাতিক জনমতে ইসরায়েলের প্রতি নেতিবাচক ধারণা বাড়িয়েছে।
জরিপে আরও দেখা গেছে, বৈশ্বিক গ্রহণযোগ্যতার দিক থেকে যুক্তরাষ্ট্রও বড় ধরনের সংকটে পড়েছে। মাত্র দুই বছরে দেশটির নেট রেটিং ২০২৪ সালের প্লাস ২২ শতাংশ থেকে কমে ২০২৬ সালে মাইনাস ১৬ শতাংশে নেমে এসেছে। অর্থাৎ, দুই বছরে ৩৮ পয়েন্টের পতন ঘটেছে।
বর্তমানে জনপ্রিয়তার বিচারে যুক্তরাষ্ট্র এখন রাশিয়া ও চীনেরও নিচে অবস্থান করছে বলে জরিপে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের ধারণা, যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পররাষ্ট্রনীতি ঘিরে বাড়তে থাকা বৈশ্বিক অসন্তোষ এই পরিস্থিতির অন্যতম কারণ। ন্যাটো মিত্রদের সঙ্গে টানাপোড়েন, আগ্রাসী শুল্কনীতি, গ্রিনল্যান্ড নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য, ইউক্রেনকে সহায়তা কমানো এবং মধ্যপ্রাচ্যে ওয়াশিংটনের ভূমিকা—সব মিলিয়ে আন্তর্জাতিক জনমতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।
জরিপের ফলাফলে বলা হয়েছে, সামরিক ও রাজনৈতিকভাবে শক্তিশালী অবস্থানে থাকলেও বিশ্বজুড়ে জনমতের বিচারে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র এখন কঠিন সময় পার করছে। বিশেষ করে গাজা যুদ্ধের পর দুই দেশের ভাবমূর্তিতে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

বিশ্ব রাজনীতিতে সামরিক শক্তি, অর্থনৈতিক প্রভাব ও কূটনৈতিক অবস্থানের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক জনমত এখন একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। সাম্প্রতিক এক জরিপে সেই জনমতের বিচারে সবচেয়ে নেতিবাচক ভাবমূর্তির দেশ হিসেবে উঠে এসেছে ইসরায়েল। একই সঙ্গে বৈশ্বিক গ্রহণযোগ্যতায় বড় ধরনের পতন ঘটেছে যুক্তরাষ্ট্রেরও।
আন্তর্জাতিক গবেষণা ও ডেটা প্রতিষ্ঠান নাইরা ডেটা প্রকাশিত ‘গ্লোবাল কান্ট্রি পারসেপশনস ২০২৬’ শীর্ষক জরিপে এ তথ্য উঠে এসেছে। বিশ্বের ১২৯টি দেশ এবং তিনটি আন্তর্জাতিক সংস্থার ওপর পরিচালিত এই জরিপে অংশ নেন ৪৬ হাজার ৬৬৭ জন উত্তরদাতা।
জরিপ অনুযায়ী, সবচেয়ে নেতিবাচকভাবে দেখা পাঁচ দেশের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে ইসরায়েল। এরপর রয়েছে উত্তর কোরিয়া, আফগানিস্তান, ইরান এবং যুক্তরাষ্ট্র।
অন্যদিকে সবচেয়ে ইতিবাচক ভাবমূর্তির দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে সুইজারল্যান্ড, কানাডা, জাপান, সুইডেন ও ইতালি।
বিশ্লেষকদের মতে, গাজায় দীর্ঘদিন ধরে চলা সংঘাত, ফিলিস্তিনিদের বাস্তুচ্যুতি, খাদ্য সংকট এবং অধিকৃত পশ্চিম তীরে সহিংসতা বৃদ্ধির প্রভাব আন্তর্জাতিক জনমতে ইসরায়েলের প্রতি নেতিবাচক ধারণা বাড়িয়েছে।
জরিপে আরও দেখা গেছে, বৈশ্বিক গ্রহণযোগ্যতার দিক থেকে যুক্তরাষ্ট্রও বড় ধরনের সংকটে পড়েছে। মাত্র দুই বছরে দেশটির নেট রেটিং ২০২৪ সালের প্লাস ২২ শতাংশ থেকে কমে ২০২৬ সালে মাইনাস ১৬ শতাংশে নেমে এসেছে। অর্থাৎ, দুই বছরে ৩৮ পয়েন্টের পতন ঘটেছে।
বর্তমানে জনপ্রিয়তার বিচারে যুক্তরাষ্ট্র এখন রাশিয়া ও চীনেরও নিচে অবস্থান করছে বলে জরিপে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের ধারণা, যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পররাষ্ট্রনীতি ঘিরে বাড়তে থাকা বৈশ্বিক অসন্তোষ এই পরিস্থিতির অন্যতম কারণ। ন্যাটো মিত্রদের সঙ্গে টানাপোড়েন, আগ্রাসী শুল্কনীতি, গ্রিনল্যান্ড নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য, ইউক্রেনকে সহায়তা কমানো এবং মধ্যপ্রাচ্যে ওয়াশিংটনের ভূমিকা—সব মিলিয়ে আন্তর্জাতিক জনমতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।
জরিপের ফলাফলে বলা হয়েছে, সামরিক ও রাজনৈতিকভাবে শক্তিশালী অবস্থানে থাকলেও বিশ্বজুড়ে জনমতের বিচারে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র এখন কঠিন সময় পার করছে। বিশেষ করে গাজা যুদ্ধের পর দুই দেশের ভাবমূর্তিতে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

বিশ্ব রাজনীতিতে সামরিক শক্তি, অর্থনৈতিক প্রভাব ও কূটনৈতিক অবস্থানের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক জনমত এখন একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। সাম্প্রতিক এক জরিপে সেই জনমতের বিচারে সবচেয়ে নেতিবাচক ভাবমূর্তির দেশ হিসেবে উঠে এসেছে ইসরায়েল। একই সঙ্গে বৈশ্বিক গ্রহণযোগ্যতায় বড় ধরনের পতন ঘটেছে যুক্তরাষ্ট্রেরও।
আন্তর্জাতিক গবেষণা ও ডেটা প্রতিষ্ঠান নাইরা ডেটা প্রকাশিত ‘গ্লোবাল কান্ট্রি পারসেপশনস ২০২৬’ শীর্ষক জরিপে এ তথ্য উঠে এসেছে। বিশ্বের ১২৯টি দেশ এবং তিনটি আন্তর্জাতিক সংস্থার ওপর পরিচালিত এই জরিপে অংশ নেন ৪৬ হাজার ৬৬৭ জন উত্তরদাতা।
জরিপ অনুযায়ী, সবচেয়ে নেতিবাচকভাবে দেখা পাঁচ দেশের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে ইসরায়েল। এরপর রয়েছে উত্তর কোরিয়া, আফগানিস্তান, ইরান এবং যুক্তরাষ্ট্র।
অন্যদিকে সবচেয়ে ইতিবাচক ভাবমূর্তির দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে সুইজারল্যান্ড, কানাডা, জাপান, সুইডেন ও ইতালি।
বিশ্লেষকদের মতে, গাজায় দীর্ঘদিন ধরে চলা সংঘাত, ফিলিস্তিনিদের বাস্তুচ্যুতি, খাদ্য সংকট এবং অধিকৃত পশ্চিম তীরে সহিংসতা বৃদ্ধির প্রভাব আন্তর্জাতিক জনমতে ইসরায়েলের প্রতি নেতিবাচক ধারণা বাড়িয়েছে।
জরিপে আরও দেখা গেছে, বৈশ্বিক গ্রহণযোগ্যতার দিক থেকে যুক্তরাষ্ট্রও বড় ধরনের সংকটে পড়েছে। মাত্র দুই বছরে দেশটির নেট রেটিং ২০২৪ সালের প্লাস ২২ শতাংশ থেকে কমে ২০২৬ সালে মাইনাস ১৬ শতাংশে নেমে এসেছে। অর্থাৎ, দুই বছরে ৩৮ পয়েন্টের পতন ঘটেছে।
বর্তমানে জনপ্রিয়তার বিচারে যুক্তরাষ্ট্র এখন রাশিয়া ও চীনেরও নিচে অবস্থান করছে বলে জরিপে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের ধারণা, যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পররাষ্ট্রনীতি ঘিরে বাড়তে থাকা বৈশ্বিক অসন্তোষ এই পরিস্থিতির অন্যতম কারণ। ন্যাটো মিত্রদের সঙ্গে টানাপোড়েন, আগ্রাসী শুল্কনীতি, গ্রিনল্যান্ড নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য, ইউক্রেনকে সহায়তা কমানো এবং মধ্যপ্রাচ্যে ওয়াশিংটনের ভূমিকা—সব মিলিয়ে আন্তর্জাতিক জনমতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।
জরিপের ফলাফলে বলা হয়েছে, সামরিক ও রাজনৈতিকভাবে শক্তিশালী অবস্থানে থাকলেও বিশ্বজুড়ে জনমতের বিচারে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র এখন কঠিন সময় পার করছে। বিশেষ করে গাজা যুদ্ধের পর দুই দেশের ভাবমূর্তিতে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!