
দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বর্তমানে ৩৪ দশমিক ৩১ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান রিজার্ভের হালনাগাদ তথ্য নিশ্চিত করেন।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ১৪ মে পর্যন্ত দেশের গ্রস বা মোট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩৪ হাজার ৩১৬ দশমিক ২৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। অর্থাৎ বাংলাদেশি মুদ্রায় যা প্রায় ৩৪ দশমিক ৩১ বিলিয়ন ডলার।
তবে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাব পদ্ধতি বিপিএম-৬ অনুযায়ী রিজার্ভের পরিমাণ কিছুটা কম। এই পদ্ধতিতে বর্তমানে দেশের রিজার্ভ রয়েছে ২৯ হাজার ৬৫৩ দশমিক ৮১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
এর আগে গত ১২ মে দেশের গ্রস রিজার্ভ ছিল ৩৪ হাজার ৩৩৬ দশমিক ৭১ মিলিয়ন ডলার। সে সময় বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ২৯ হাজার ৬৫১ দশমিক ৮৬ মিলিয়ন ডলার। ফলে কয়েক দিনের ব্যবধানে গ্রস রিজার্ভ সামান্য কমলেও বিপিএম-৬ অনুযায়ী রিজার্ভে খুব বেশি পরিবর্তন হয়নি।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বৈদেশিক মুদ্রার বাজার স্থিতিশীল রাখা, আমদানি ব্যয় পরিশোধ এবং অর্থনীতিতে আস্থা ধরে রাখতে রিজার্ভ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। এছাড়া আইএমএফের বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে মূলত স্বল্পমেয়াদি দায় বাদ দিয়ে প্রকৃত বা নিট রিজার্ভ হিসাব করা হয়।

দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বর্তমানে ৩৪ দশমিক ৩১ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান রিজার্ভের হালনাগাদ তথ্য নিশ্চিত করেন।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ১৪ মে পর্যন্ত দেশের গ্রস বা মোট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩৪ হাজার ৩১৬ দশমিক ২৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। অর্থাৎ বাংলাদেশি মুদ্রায় যা প্রায় ৩৪ দশমিক ৩১ বিলিয়ন ডলার।
তবে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাব পদ্ধতি বিপিএম-৬ অনুযায়ী রিজার্ভের পরিমাণ কিছুটা কম। এই পদ্ধতিতে বর্তমানে দেশের রিজার্ভ রয়েছে ২৯ হাজার ৬৫৩ দশমিক ৮১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
এর আগে গত ১২ মে দেশের গ্রস রিজার্ভ ছিল ৩৪ হাজার ৩৩৬ দশমিক ৭১ মিলিয়ন ডলার। সে সময় বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ২৯ হাজার ৬৫১ দশমিক ৮৬ মিলিয়ন ডলার। ফলে কয়েক দিনের ব্যবধানে গ্রস রিজার্ভ সামান্য কমলেও বিপিএম-৬ অনুযায়ী রিজার্ভে খুব বেশি পরিবর্তন হয়নি।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বৈদেশিক মুদ্রার বাজার স্থিতিশীল রাখা, আমদানি ব্যয় পরিশোধ এবং অর্থনীতিতে আস্থা ধরে রাখতে রিজার্ভ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। এছাড়া আইএমএফের বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে মূলত স্বল্পমেয়াদি দায় বাদ দিয়ে প্রকৃত বা নিট রিজার্ভ হিসাব করা হয়।

দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বর্তমানে ৩৪ দশমিক ৩১ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান রিজার্ভের হালনাগাদ তথ্য নিশ্চিত করেন।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ১৪ মে পর্যন্ত দেশের গ্রস বা মোট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩৪ হাজার ৩১৬ দশমিক ২৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। অর্থাৎ বাংলাদেশি মুদ্রায় যা প্রায় ৩৪ দশমিক ৩১ বিলিয়ন ডলার।
তবে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাব পদ্ধতি বিপিএম-৬ অনুযায়ী রিজার্ভের পরিমাণ কিছুটা কম। এই পদ্ধতিতে বর্তমানে দেশের রিজার্ভ রয়েছে ২৯ হাজার ৬৫৩ দশমিক ৮১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
এর আগে গত ১২ মে দেশের গ্রস রিজার্ভ ছিল ৩৪ হাজার ৩৩৬ দশমিক ৭১ মিলিয়ন ডলার। সে সময় বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ২৯ হাজার ৬৫১ দশমিক ৮৬ মিলিয়ন ডলার। ফলে কয়েক দিনের ব্যবধানে গ্রস রিজার্ভ সামান্য কমলেও বিপিএম-৬ অনুযায়ী রিজার্ভে খুব বেশি পরিবর্তন হয়নি।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বৈদেশিক মুদ্রার বাজার স্থিতিশীল রাখা, আমদানি ব্যয় পরিশোধ এবং অর্থনীতিতে আস্থা ধরে রাখতে রিজার্ভ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। এছাড়া আইএমএফের বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে মূলত স্বল্পমেয়াদি দায় বাদ দিয়ে প্রকৃত বা নিট রিজার্ভ হিসাব করা হয়।

দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বর্তমানে ৩৪ দশমিক ৩১ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান রিজার্ভের হালনাগাদ তথ্য নিশ্চিত করেন।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ১৪ মে পর্যন্ত দেশের গ্রস বা মোট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩৪ হাজার ৩১৬ দশমিক ২৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। অর্থাৎ বাংলাদেশি মুদ্রায় যা প্রায় ৩৪ দশমিক ৩১ বিলিয়ন ডলার।
তবে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাব পদ্ধতি বিপিএম-৬ অনুযায়ী রিজার্ভের পরিমাণ কিছুটা কম। এই পদ্ধতিতে বর্তমানে দেশের রিজার্ভ রয়েছে ২৯ হাজার ৬৫৩ দশমিক ৮১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
এর আগে গত ১২ মে দেশের গ্রস রিজার্ভ ছিল ৩৪ হাজার ৩৩৬ দশমিক ৭১ মিলিয়ন ডলার। সে সময় বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ২৯ হাজার ৬৫১ দশমিক ৮৬ মিলিয়ন ডলার। ফলে কয়েক দিনের ব্যবধানে গ্রস রিজার্ভ সামান্য কমলেও বিপিএম-৬ অনুযায়ী রিজার্ভে খুব বেশি পরিবর্তন হয়নি।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বৈদেশিক মুদ্রার বাজার স্থিতিশীল রাখা, আমদানি ব্যয় পরিশোধ এবং অর্থনীতিতে আস্থা ধরে রাখতে রিজার্ভ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। এছাড়া আইএমএফের বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে মূলত স্বল্পমেয়াদি দায় বাদ দিয়ে প্রকৃত বা নিট রিজার্ভ হিসাব করা হয়।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!