
চলতি অর্থবছরের ১১তম এবং বিএনপি সরকারের তৃতীয় জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠকে ৩৫ হাজার কোটি টাকার ‘পদ্মা ব্যারেজ’ প্রকল্প অনুমোদন পেয়েছে। এর মাধ্যমে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের কোটি মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত একটি প্রকল্প বাস্তবায়নের পথে বড় অগ্রগতি হলো।
বুধবার অনুষ্ঠিত একনেক বৈঠকে প্রকল্পটির অনুমোদন দেওয়া হয়। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এটি বাস্তবায়িত হলে দেশের অন্যতম বৃহৎ জলসম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রকল্প হিসেবে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।
প্রকল্পটি ঘিরে রাজবাড়ীসহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলায় আনন্দের আবহ তৈরি হয়েছে। স্থানীয়দের বিশ্বাস, পদ্মা ব্যারেজ শুধু একটি অবকাঠামো নয়, বরং কৃষি, মৎস্যসম্পদ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ হলে দক্ষিণাঞ্চলের কৃষি ও শিল্পায়নে নতুন সম্ভাবনার সৃষ্টি হবে। একইসঙ্গে জাতীয় অর্থনীতিতেও বড় ধরনের ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
কৃষি বিশেষজ্ঞরা জানান, ব্যারাজটি নির্মিত হলে প্রায় ৩০ লাখ হেক্টর জমি সেচ সুবিধার আওতায় আসবে। এতে বছরে কয়েক হাজার কোটি টাকার অতিরিক্ত কৃষিপণ্য উৎপাদন সম্ভব হতে পারে। দীর্ঘদিন ধরে শুষ্ক মৌসুমে পানির সংকটে ভোগা কৃষকরাও এতে স্বস্তি ফিরে পাওয়ার আশা করছেন।
এছাড়া নদীতে পানিপ্রবাহ বৃদ্ধি পেলে দেশীয় মাছের আবাসস্থল পুনরুদ্ধার হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এতে স্থানীয় মৎস্যজীবীদের জীবন-জীবিকায়ও ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দীর্ঘদিন ধরে পদ্মা ও এর শাখা নদীগুলো শুকিয়ে যাওয়ায় কৃষি ও পরিবেশ মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়েছে। ব্যারাজ নির্মিত হলে এলাকার নদ-নদীতে প্রাণ ফিরবে, কৃষি উৎপাদন বাড়বে এবং ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারিত হবে।
প্রকল্পের আওতায় ব্যারাজের সঙ্গে চার লেনের সড়ক নির্মাণের পরিকল্পনাও রয়েছে। এতে যোগাযোগব্যবস্থার উন্নতির পাশাপাশি পর্যটন শিল্পেও নতুন সম্ভাবনা তৈরি হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ফারাক্কা বাঁধের প্রভাবে পদ্মা ও এর শাখা নদীগুলোতে শুষ্ক মৌসুমে পানির প্রবাহ কমে যাওয়ায় দক্ষিণাঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকা বালুচরে পরিণত হয়েছে। ব্যারাজ নির্মিত হলে লবণাক্ততা নিয়ন্ত্রণ এবং সেচ সুবিধা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
উল্লেখ্য, ১৯৬০-এর দশক থেকেই পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণের দাবি উঠে আসছিল। ১৯৭৫ সালে ফারাক্কা বাঁধ চালুর পর বিষয়টি আরও গুরুত্ব পায়। ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে বিএনপি এ প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। সরকার গঠনের পর একনেকে অনুমোদনকে সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের বড় পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

চলতি অর্থবছরের ১১তম এবং বিএনপি সরকারের তৃতীয় জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠকে ৩৫ হাজার কোটি টাকার ‘পদ্মা ব্যারেজ’ প্রকল্প অনুমোদন পেয়েছে। এর মাধ্যমে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের কোটি মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত একটি প্রকল্প বাস্তবায়নের পথে বড় অগ্রগতি হলো।
বুধবার অনুষ্ঠিত একনেক বৈঠকে প্রকল্পটির অনুমোদন দেওয়া হয়। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এটি বাস্তবায়িত হলে দেশের অন্যতম বৃহৎ জলসম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রকল্প হিসেবে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।
প্রকল্পটি ঘিরে রাজবাড়ীসহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলায় আনন্দের আবহ তৈরি হয়েছে। স্থানীয়দের বিশ্বাস, পদ্মা ব্যারেজ শুধু একটি অবকাঠামো নয়, বরং কৃষি, মৎস্যসম্পদ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ হলে দক্ষিণাঞ্চলের কৃষি ও শিল্পায়নে নতুন সম্ভাবনার সৃষ্টি হবে। একইসঙ্গে জাতীয় অর্থনীতিতেও বড় ধরনের ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
কৃষি বিশেষজ্ঞরা জানান, ব্যারাজটি নির্মিত হলে প্রায় ৩০ লাখ হেক্টর জমি সেচ সুবিধার আওতায় আসবে। এতে বছরে কয়েক হাজার কোটি টাকার অতিরিক্ত কৃষিপণ্য উৎপাদন সম্ভব হতে পারে। দীর্ঘদিন ধরে শুষ্ক মৌসুমে পানির সংকটে ভোগা কৃষকরাও এতে স্বস্তি ফিরে পাওয়ার আশা করছেন।
এছাড়া নদীতে পানিপ্রবাহ বৃদ্ধি পেলে দেশীয় মাছের আবাসস্থল পুনরুদ্ধার হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এতে স্থানীয় মৎস্যজীবীদের জীবন-জীবিকায়ও ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দীর্ঘদিন ধরে পদ্মা ও এর শাখা নদীগুলো শুকিয়ে যাওয়ায় কৃষি ও পরিবেশ মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়েছে। ব্যারাজ নির্মিত হলে এলাকার নদ-নদীতে প্রাণ ফিরবে, কৃষি উৎপাদন বাড়বে এবং ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারিত হবে।
প্রকল্পের আওতায় ব্যারাজের সঙ্গে চার লেনের সড়ক নির্মাণের পরিকল্পনাও রয়েছে। এতে যোগাযোগব্যবস্থার উন্নতির পাশাপাশি পর্যটন শিল্পেও নতুন সম্ভাবনা তৈরি হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ফারাক্কা বাঁধের প্রভাবে পদ্মা ও এর শাখা নদীগুলোতে শুষ্ক মৌসুমে পানির প্রবাহ কমে যাওয়ায় দক্ষিণাঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকা বালুচরে পরিণত হয়েছে। ব্যারাজ নির্মিত হলে লবণাক্ততা নিয়ন্ত্রণ এবং সেচ সুবিধা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
উল্লেখ্য, ১৯৬০-এর দশক থেকেই পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণের দাবি উঠে আসছিল। ১৯৭৫ সালে ফারাক্কা বাঁধ চালুর পর বিষয়টি আরও গুরুত্ব পায়। ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে বিএনপি এ প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। সরকার গঠনের পর একনেকে অনুমোদনকে সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের বড় পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

চলতি অর্থবছরের ১১তম এবং বিএনপি সরকারের তৃতীয় জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠকে ৩৫ হাজার কোটি টাকার ‘পদ্মা ব্যারেজ’ প্রকল্প অনুমোদন পেয়েছে। এর মাধ্যমে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের কোটি মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত একটি প্রকল্প বাস্তবায়নের পথে বড় অগ্রগতি হলো।
বুধবার অনুষ্ঠিত একনেক বৈঠকে প্রকল্পটির অনুমোদন দেওয়া হয়। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এটি বাস্তবায়িত হলে দেশের অন্যতম বৃহৎ জলসম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রকল্প হিসেবে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।
প্রকল্পটি ঘিরে রাজবাড়ীসহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলায় আনন্দের আবহ তৈরি হয়েছে। স্থানীয়দের বিশ্বাস, পদ্মা ব্যারেজ শুধু একটি অবকাঠামো নয়, বরং কৃষি, মৎস্যসম্পদ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ হলে দক্ষিণাঞ্চলের কৃষি ও শিল্পায়নে নতুন সম্ভাবনার সৃষ্টি হবে। একইসঙ্গে জাতীয় অর্থনীতিতেও বড় ধরনের ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
কৃষি বিশেষজ্ঞরা জানান, ব্যারাজটি নির্মিত হলে প্রায় ৩০ লাখ হেক্টর জমি সেচ সুবিধার আওতায় আসবে। এতে বছরে কয়েক হাজার কোটি টাকার অতিরিক্ত কৃষিপণ্য উৎপাদন সম্ভব হতে পারে। দীর্ঘদিন ধরে শুষ্ক মৌসুমে পানির সংকটে ভোগা কৃষকরাও এতে স্বস্তি ফিরে পাওয়ার আশা করছেন।
এছাড়া নদীতে পানিপ্রবাহ বৃদ্ধি পেলে দেশীয় মাছের আবাসস্থল পুনরুদ্ধার হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এতে স্থানীয় মৎস্যজীবীদের জীবন-জীবিকায়ও ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দীর্ঘদিন ধরে পদ্মা ও এর শাখা নদীগুলো শুকিয়ে যাওয়ায় কৃষি ও পরিবেশ মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়েছে। ব্যারাজ নির্মিত হলে এলাকার নদ-নদীতে প্রাণ ফিরবে, কৃষি উৎপাদন বাড়বে এবং ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারিত হবে।
প্রকল্পের আওতায় ব্যারাজের সঙ্গে চার লেনের সড়ক নির্মাণের পরিকল্পনাও রয়েছে। এতে যোগাযোগব্যবস্থার উন্নতির পাশাপাশি পর্যটন শিল্পেও নতুন সম্ভাবনা তৈরি হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ফারাক্কা বাঁধের প্রভাবে পদ্মা ও এর শাখা নদীগুলোতে শুষ্ক মৌসুমে পানির প্রবাহ কমে যাওয়ায় দক্ষিণাঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকা বালুচরে পরিণত হয়েছে। ব্যারাজ নির্মিত হলে লবণাক্ততা নিয়ন্ত্রণ এবং সেচ সুবিধা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
উল্লেখ্য, ১৯৬০-এর দশক থেকেই পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণের দাবি উঠে আসছিল। ১৯৭৫ সালে ফারাক্কা বাঁধ চালুর পর বিষয়টি আরও গুরুত্ব পায়। ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে বিএনপি এ প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। সরকার গঠনের পর একনেকে অনুমোদনকে সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের বড় পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

চলতি অর্থবছরের ১১তম এবং বিএনপি সরকারের তৃতীয় জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠকে ৩৫ হাজার কোটি টাকার ‘পদ্মা ব্যারেজ’ প্রকল্প অনুমোদন পেয়েছে। এর মাধ্যমে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের কোটি মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত একটি প্রকল্প বাস্তবায়নের পথে বড় অগ্রগতি হলো।
বুধবার অনুষ্ঠিত একনেক বৈঠকে প্রকল্পটির অনুমোদন দেওয়া হয়। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এটি বাস্তবায়িত হলে দেশের অন্যতম বৃহৎ জলসম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রকল্প হিসেবে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।
প্রকল্পটি ঘিরে রাজবাড়ীসহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলায় আনন্দের আবহ তৈরি হয়েছে। স্থানীয়দের বিশ্বাস, পদ্মা ব্যারেজ শুধু একটি অবকাঠামো নয়, বরং কৃষি, মৎস্যসম্পদ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ হলে দক্ষিণাঞ্চলের কৃষি ও শিল্পায়নে নতুন সম্ভাবনার সৃষ্টি হবে। একইসঙ্গে জাতীয় অর্থনীতিতেও বড় ধরনের ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
কৃষি বিশেষজ্ঞরা জানান, ব্যারাজটি নির্মিত হলে প্রায় ৩০ লাখ হেক্টর জমি সেচ সুবিধার আওতায় আসবে। এতে বছরে কয়েক হাজার কোটি টাকার অতিরিক্ত কৃষিপণ্য উৎপাদন সম্ভব হতে পারে। দীর্ঘদিন ধরে শুষ্ক মৌসুমে পানির সংকটে ভোগা কৃষকরাও এতে স্বস্তি ফিরে পাওয়ার আশা করছেন।
এছাড়া নদীতে পানিপ্রবাহ বৃদ্ধি পেলে দেশীয় মাছের আবাসস্থল পুনরুদ্ধার হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এতে স্থানীয় মৎস্যজীবীদের জীবন-জীবিকায়ও ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দীর্ঘদিন ধরে পদ্মা ও এর শাখা নদীগুলো শুকিয়ে যাওয়ায় কৃষি ও পরিবেশ মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়েছে। ব্যারাজ নির্মিত হলে এলাকার নদ-নদীতে প্রাণ ফিরবে, কৃষি উৎপাদন বাড়বে এবং ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারিত হবে।
প্রকল্পের আওতায় ব্যারাজের সঙ্গে চার লেনের সড়ক নির্মাণের পরিকল্পনাও রয়েছে। এতে যোগাযোগব্যবস্থার উন্নতির পাশাপাশি পর্যটন শিল্পেও নতুন সম্ভাবনা তৈরি হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ফারাক্কা বাঁধের প্রভাবে পদ্মা ও এর শাখা নদীগুলোতে শুষ্ক মৌসুমে পানির প্রবাহ কমে যাওয়ায় দক্ষিণাঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকা বালুচরে পরিণত হয়েছে। ব্যারাজ নির্মিত হলে লবণাক্ততা নিয়ন্ত্রণ এবং সেচ সুবিধা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
উল্লেখ্য, ১৯৬০-এর দশক থেকেই পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণের দাবি উঠে আসছিল। ১৯৭৫ সালে ফারাক্কা বাঁধ চালুর পর বিষয়টি আরও গুরুত্ব পায়। ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে বিএনপি এ প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। সরকার গঠনের পর একনেকে অনুমোদনকে সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের বড় পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!