
চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের বহুল আলোচিত শীর্ষ বৈঠক শুরু হয়েছে বেইজিংয়ে। বুধবার (১৩ মে) স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠকে বসেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বৈঠকের উদ্বোধনী বক্তব্যে দুই নেতা-ই সম্পর্কের নতুন অধ্যায় শুরুর প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
বৈঠকের শুরুতে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, শি জিনপিংয়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে পেরে তিনি সম্মানিত বোধ করছেন। অতীতে দুই দেশের মধ্যে সমস্যা দেখা দিলেও তা দ্রুত সমাধান করা সম্ভব হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। ট্রাম্প বলেন, ‘আমি আপনাকে ফোন করতাম, আপনি আমাকে ফোন করতেন, আর আমরা দ্রুত সমাধানে পৌঁছে যেতাম।’
চীনা প্রেসিডেন্টকে ‘মহান নেতা’ উল্লেখ করে ট্রাম্প জানান, এবারের সফরে তিনি বিশ্বের শীর্ষ ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে নিয়ে এসেছেন। তার ভাষায়, ‘আজ এখানে শুধু সেরারাই এসেছে আপনাকে সম্মান জানাতে।’
মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, অনেকেই এই বৈঠককে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় শীর্ষ সম্মেলন হিসেবে দেখছেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের সম্পর্ক আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় আরও ভালো হবে।
অন্যদিকে উদ্বোধনী বক্তব্যে শি জিনপিং বলেন, পুরো বিশ্ব এই বৈঠকের দিকে তাকিয়ে আছে। বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতিকে অস্থির ও পরিবর্তনশীল উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘চীন ও যুক্তরাষ্ট্র কি একসঙ্গে বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে বিশ্বকে আরও স্থিতিশীলতা দিতে পারবে-সেটিই এখন বড় প্রশ্ন।’
শি জিনপিং বলেন, ইতিহাস ও বিশ্বের জনগণ এখন দুই দেশের নেতৃত্বের দিকে তাকিয়ে আছে। তিনি মনে করেন, দুই দেশের মধ্যে মতপার্থক্যের চেয়ে অভিন্ন স্বার্থই বেশি।
চীনা প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘এক দেশের সাফল্য অন্য দেশের জন্যও সুযোগ হতে পারে। স্থিতিশীল চীন-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক পুরো বিশ্বের জন্য ইতিবাচক।’
তিনি আরও বলেন, চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের উচিত প্রতিদ্বন্দ্বী নয়, অংশীদার হিসেবে এগিয়ে যাওয়া। পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমেই দুই দেশ ও বিশ্ব উপকৃত হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
বৈঠকে বাণিজ্য, প্রযুক্তি, তাইওয়ান ইস্যু এবং মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিশেষ করে ইরান সংকট ও বৈশ্বিক ভূরাজনীতিতে চীনের ক্রমবর্ধমান ভূমিকা আলোচনায় গুরুত্ব পেতে পারে।
সূত্র: বিবিসি

চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের বহুল আলোচিত শীর্ষ বৈঠক শুরু হয়েছে বেইজিংয়ে। বুধবার (১৩ মে) স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠকে বসেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বৈঠকের উদ্বোধনী বক্তব্যে দুই নেতা-ই সম্পর্কের নতুন অধ্যায় শুরুর প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
বৈঠকের শুরুতে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, শি জিনপিংয়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে পেরে তিনি সম্মানিত বোধ করছেন। অতীতে দুই দেশের মধ্যে সমস্যা দেখা দিলেও তা দ্রুত সমাধান করা সম্ভব হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। ট্রাম্প বলেন, ‘আমি আপনাকে ফোন করতাম, আপনি আমাকে ফোন করতেন, আর আমরা দ্রুত সমাধানে পৌঁছে যেতাম।’
চীনা প্রেসিডেন্টকে ‘মহান নেতা’ উল্লেখ করে ট্রাম্প জানান, এবারের সফরে তিনি বিশ্বের শীর্ষ ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে নিয়ে এসেছেন। তার ভাষায়, ‘আজ এখানে শুধু সেরারাই এসেছে আপনাকে সম্মান জানাতে।’
মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, অনেকেই এই বৈঠককে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় শীর্ষ সম্মেলন হিসেবে দেখছেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের সম্পর্ক আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় আরও ভালো হবে।
অন্যদিকে উদ্বোধনী বক্তব্যে শি জিনপিং বলেন, পুরো বিশ্ব এই বৈঠকের দিকে তাকিয়ে আছে। বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতিকে অস্থির ও পরিবর্তনশীল উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘চীন ও যুক্তরাষ্ট্র কি একসঙ্গে বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে বিশ্বকে আরও স্থিতিশীলতা দিতে পারবে-সেটিই এখন বড় প্রশ্ন।’
শি জিনপিং বলেন, ইতিহাস ও বিশ্বের জনগণ এখন দুই দেশের নেতৃত্বের দিকে তাকিয়ে আছে। তিনি মনে করেন, দুই দেশের মধ্যে মতপার্থক্যের চেয়ে অভিন্ন স্বার্থই বেশি।
চীনা প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘এক দেশের সাফল্য অন্য দেশের জন্যও সুযোগ হতে পারে। স্থিতিশীল চীন-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক পুরো বিশ্বের জন্য ইতিবাচক।’
তিনি আরও বলেন, চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের উচিত প্রতিদ্বন্দ্বী নয়, অংশীদার হিসেবে এগিয়ে যাওয়া। পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমেই দুই দেশ ও বিশ্ব উপকৃত হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
বৈঠকে বাণিজ্য, প্রযুক্তি, তাইওয়ান ইস্যু এবং মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিশেষ করে ইরান সংকট ও বৈশ্বিক ভূরাজনীতিতে চীনের ক্রমবর্ধমান ভূমিকা আলোচনায় গুরুত্ব পেতে পারে।
সূত্র: বিবিসি

চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের বহুল আলোচিত শীর্ষ বৈঠক শুরু হয়েছে বেইজিংয়ে। বুধবার (১৩ মে) স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠকে বসেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বৈঠকের উদ্বোধনী বক্তব্যে দুই নেতা-ই সম্পর্কের নতুন অধ্যায় শুরুর প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
বৈঠকের শুরুতে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, শি জিনপিংয়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে পেরে তিনি সম্মানিত বোধ করছেন। অতীতে দুই দেশের মধ্যে সমস্যা দেখা দিলেও তা দ্রুত সমাধান করা সম্ভব হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। ট্রাম্প বলেন, ‘আমি আপনাকে ফোন করতাম, আপনি আমাকে ফোন করতেন, আর আমরা দ্রুত সমাধানে পৌঁছে যেতাম।’
চীনা প্রেসিডেন্টকে ‘মহান নেতা’ উল্লেখ করে ট্রাম্প জানান, এবারের সফরে তিনি বিশ্বের শীর্ষ ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে নিয়ে এসেছেন। তার ভাষায়, ‘আজ এখানে শুধু সেরারাই এসেছে আপনাকে সম্মান জানাতে।’
মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, অনেকেই এই বৈঠককে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় শীর্ষ সম্মেলন হিসেবে দেখছেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের সম্পর্ক আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় আরও ভালো হবে।
অন্যদিকে উদ্বোধনী বক্তব্যে শি জিনপিং বলেন, পুরো বিশ্ব এই বৈঠকের দিকে তাকিয়ে আছে। বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতিকে অস্থির ও পরিবর্তনশীল উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘চীন ও যুক্তরাষ্ট্র কি একসঙ্গে বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে বিশ্বকে আরও স্থিতিশীলতা দিতে পারবে-সেটিই এখন বড় প্রশ্ন।’
শি জিনপিং বলেন, ইতিহাস ও বিশ্বের জনগণ এখন দুই দেশের নেতৃত্বের দিকে তাকিয়ে আছে। তিনি মনে করেন, দুই দেশের মধ্যে মতপার্থক্যের চেয়ে অভিন্ন স্বার্থই বেশি।
চীনা প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘এক দেশের সাফল্য অন্য দেশের জন্যও সুযোগ হতে পারে। স্থিতিশীল চীন-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক পুরো বিশ্বের জন্য ইতিবাচক।’
তিনি আরও বলেন, চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের উচিত প্রতিদ্বন্দ্বী নয়, অংশীদার হিসেবে এগিয়ে যাওয়া। পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমেই দুই দেশ ও বিশ্ব উপকৃত হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
বৈঠকে বাণিজ্য, প্রযুক্তি, তাইওয়ান ইস্যু এবং মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিশেষ করে ইরান সংকট ও বৈশ্বিক ভূরাজনীতিতে চীনের ক্রমবর্ধমান ভূমিকা আলোচনায় গুরুত্ব পেতে পারে।
সূত্র: বিবিসি

চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের বহুল আলোচিত শীর্ষ বৈঠক শুরু হয়েছে বেইজিংয়ে। বুধবার (১৩ মে) স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠকে বসেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বৈঠকের উদ্বোধনী বক্তব্যে দুই নেতা-ই সম্পর্কের নতুন অধ্যায় শুরুর প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
বৈঠকের শুরুতে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, শি জিনপিংয়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে পেরে তিনি সম্মানিত বোধ করছেন। অতীতে দুই দেশের মধ্যে সমস্যা দেখা দিলেও তা দ্রুত সমাধান করা সম্ভব হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। ট্রাম্প বলেন, ‘আমি আপনাকে ফোন করতাম, আপনি আমাকে ফোন করতেন, আর আমরা দ্রুত সমাধানে পৌঁছে যেতাম।’
চীনা প্রেসিডেন্টকে ‘মহান নেতা’ উল্লেখ করে ট্রাম্প জানান, এবারের সফরে তিনি বিশ্বের শীর্ষ ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে নিয়ে এসেছেন। তার ভাষায়, ‘আজ এখানে শুধু সেরারাই এসেছে আপনাকে সম্মান জানাতে।’
মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, অনেকেই এই বৈঠককে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় শীর্ষ সম্মেলন হিসেবে দেখছেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের সম্পর্ক আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় আরও ভালো হবে।
অন্যদিকে উদ্বোধনী বক্তব্যে শি জিনপিং বলেন, পুরো বিশ্ব এই বৈঠকের দিকে তাকিয়ে আছে। বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতিকে অস্থির ও পরিবর্তনশীল উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘চীন ও যুক্তরাষ্ট্র কি একসঙ্গে বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে বিশ্বকে আরও স্থিতিশীলতা দিতে পারবে-সেটিই এখন বড় প্রশ্ন।’
শি জিনপিং বলেন, ইতিহাস ও বিশ্বের জনগণ এখন দুই দেশের নেতৃত্বের দিকে তাকিয়ে আছে। তিনি মনে করেন, দুই দেশের মধ্যে মতপার্থক্যের চেয়ে অভিন্ন স্বার্থই বেশি।
চীনা প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘এক দেশের সাফল্য অন্য দেশের জন্যও সুযোগ হতে পারে। স্থিতিশীল চীন-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক পুরো বিশ্বের জন্য ইতিবাচক।’
তিনি আরও বলেন, চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের উচিত প্রতিদ্বন্দ্বী নয়, অংশীদার হিসেবে এগিয়ে যাওয়া। পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমেই দুই দেশ ও বিশ্ব উপকৃত হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
বৈঠকে বাণিজ্য, প্রযুক্তি, তাইওয়ান ইস্যু এবং মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিশেষ করে ইরান সংকট ও বৈশ্বিক ভূরাজনীতিতে চীনের ক্রমবর্ধমান ভূমিকা আলোচনায় গুরুত্ব পেতে পারে।
সূত্র: বিবিসি
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!