
সচিবালয়ের সাতটি মন্ত্রণালয়ে ঝটিকা পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অপচয় রোধ ও সাশ্রয়ী হওয়ার বিভিন্ন পরামর্শ দেন তিনি।
রোববার (২৯ মার্চ) সকালে প্রথম কর্মদিবসে সচিবালয়ে এসে তিনি এই পরিদর্শন করেন বলে জানিয়েছেন তার অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন। তিনি জানান, সকাল ৯টা ৫ মিনিটে সচিবালয়ে পৌঁছেই প্রধানমন্ত্রী প্রথমে ৬ নম্বর ভবনে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়ে যান। সেখানে বিভিন্ন কক্ষে প্রবেশ করে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং বিদ্যুৎ সাশ্রয়, অপচয় রোধসহ নানা বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেন।
প্রধানমন্ত্রী বিদ্যুতের অপচয় কমাতে লাইট ও এসির ব্যবহার সীমিত রাখা, দিনের আলো ব্যবহার বাড়ানোসহ সাশ্রয়ী হওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
এছাড়া সরকারি সম্পদের প্রতি যত্নবান হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘সরকারি সম্পদ মানেই দেশের সম্পদ—এটি সবার যত্নে রাখতে হবে।’
পরিদর্শনের অংশ হিসেবে তিনি পানি সম্পদ, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ, পরিবেশ ও বন, সমাজকল্যাণ, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় ঘুরে দেখেন।
হঠাৎ এ পরিদর্শনে অনেক কর্মকর্তা-কর্মচারী কিছুটা বিস্মিত হয়ে পড়েন এবং বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে তৎপরতা বাড়তে দেখা যায়।
পরিদর্শন শেষে প্রধানমন্ত্রী নিজের দপ্তরে ফিরে কৃষি কার্ড সংক্রান্ত বিশেষ কমিটির বৈঠকে অংশ নেন। বৈঠকে কৃষিমন্ত্রী আমিনুর রশিদ-সহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সচিবালয়ের সাতটি মন্ত্রণালয়ে ঝটিকা পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অপচয় রোধ ও সাশ্রয়ী হওয়ার বিভিন্ন পরামর্শ দেন তিনি।
রোববার (২৯ মার্চ) সকালে প্রথম কর্মদিবসে সচিবালয়ে এসে তিনি এই পরিদর্শন করেন বলে জানিয়েছেন তার অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন। তিনি জানান, সকাল ৯টা ৫ মিনিটে সচিবালয়ে পৌঁছেই প্রধানমন্ত্রী প্রথমে ৬ নম্বর ভবনে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়ে যান। সেখানে বিভিন্ন কক্ষে প্রবেশ করে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং বিদ্যুৎ সাশ্রয়, অপচয় রোধসহ নানা বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেন।
প্রধানমন্ত্রী বিদ্যুতের অপচয় কমাতে লাইট ও এসির ব্যবহার সীমিত রাখা, দিনের আলো ব্যবহার বাড়ানোসহ সাশ্রয়ী হওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
এছাড়া সরকারি সম্পদের প্রতি যত্নবান হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘সরকারি সম্পদ মানেই দেশের সম্পদ—এটি সবার যত্নে রাখতে হবে।’
পরিদর্শনের অংশ হিসেবে তিনি পানি সম্পদ, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ, পরিবেশ ও বন, সমাজকল্যাণ, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় ঘুরে দেখেন।
হঠাৎ এ পরিদর্শনে অনেক কর্মকর্তা-কর্মচারী কিছুটা বিস্মিত হয়ে পড়েন এবং বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে তৎপরতা বাড়তে দেখা যায়।
পরিদর্শন শেষে প্রধানমন্ত্রী নিজের দপ্তরে ফিরে কৃষি কার্ড সংক্রান্ত বিশেষ কমিটির বৈঠকে অংশ নেন। বৈঠকে কৃষিমন্ত্রী আমিনুর রশিদ-সহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সচিবালয়ের সাতটি মন্ত্রণালয়ে ঝটিকা পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অপচয় রোধ ও সাশ্রয়ী হওয়ার বিভিন্ন পরামর্শ দেন তিনি।
রোববার (২৯ মার্চ) সকালে প্রথম কর্মদিবসে সচিবালয়ে এসে তিনি এই পরিদর্শন করেন বলে জানিয়েছেন তার অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন। তিনি জানান, সকাল ৯টা ৫ মিনিটে সচিবালয়ে পৌঁছেই প্রধানমন্ত্রী প্রথমে ৬ নম্বর ভবনে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়ে যান। সেখানে বিভিন্ন কক্ষে প্রবেশ করে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং বিদ্যুৎ সাশ্রয়, অপচয় রোধসহ নানা বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেন।
প্রধানমন্ত্রী বিদ্যুতের অপচয় কমাতে লাইট ও এসির ব্যবহার সীমিত রাখা, দিনের আলো ব্যবহার বাড়ানোসহ সাশ্রয়ী হওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
এছাড়া সরকারি সম্পদের প্রতি যত্নবান হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘সরকারি সম্পদ মানেই দেশের সম্পদ—এটি সবার যত্নে রাখতে হবে।’
পরিদর্শনের অংশ হিসেবে তিনি পানি সম্পদ, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ, পরিবেশ ও বন, সমাজকল্যাণ, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় ঘুরে দেখেন।
হঠাৎ এ পরিদর্শনে অনেক কর্মকর্তা-কর্মচারী কিছুটা বিস্মিত হয়ে পড়েন এবং বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে তৎপরতা বাড়তে দেখা যায়।
পরিদর্শন শেষে প্রধানমন্ত্রী নিজের দপ্তরে ফিরে কৃষি কার্ড সংক্রান্ত বিশেষ কমিটির বৈঠকে অংশ নেন। বৈঠকে কৃষিমন্ত্রী আমিনুর রশিদ-সহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সচিবালয়ের সাতটি মন্ত্রণালয়ে ঝটিকা পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অপচয় রোধ ও সাশ্রয়ী হওয়ার বিভিন্ন পরামর্শ দেন তিনি।
রোববার (২৯ মার্চ) সকালে প্রথম কর্মদিবসে সচিবালয়ে এসে তিনি এই পরিদর্শন করেন বলে জানিয়েছেন তার অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন। তিনি জানান, সকাল ৯টা ৫ মিনিটে সচিবালয়ে পৌঁছেই প্রধানমন্ত্রী প্রথমে ৬ নম্বর ভবনে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়ে যান। সেখানে বিভিন্ন কক্ষে প্রবেশ করে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং বিদ্যুৎ সাশ্রয়, অপচয় রোধসহ নানা বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেন।
প্রধানমন্ত্রী বিদ্যুতের অপচয় কমাতে লাইট ও এসির ব্যবহার সীমিত রাখা, দিনের আলো ব্যবহার বাড়ানোসহ সাশ্রয়ী হওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
এছাড়া সরকারি সম্পদের প্রতি যত্নবান হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘সরকারি সম্পদ মানেই দেশের সম্পদ—এটি সবার যত্নে রাখতে হবে।’
পরিদর্শনের অংশ হিসেবে তিনি পানি সম্পদ, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ, পরিবেশ ও বন, সমাজকল্যাণ, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় ঘুরে দেখেন।
হঠাৎ এ পরিদর্শনে অনেক কর্মকর্তা-কর্মচারী কিছুটা বিস্মিত হয়ে পড়েন এবং বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে তৎপরতা বাড়তে দেখা যায়।
পরিদর্শন শেষে প্রধানমন্ত্রী নিজের দপ্তরে ফিরে কৃষি কার্ড সংক্রান্ত বিশেষ কমিটির বৈঠকে অংশ নেন। বৈঠকে কৃষিমন্ত্রী আমিনুর রশিদ-সহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!