এবারের ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ঘরমুখো মানুষের যাত্রা ও কর্মস্থলে ফেরা মোটামুটি ‘স্মুথ’ হয়েছে বলে দাবি করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। মন্ত্রী বলেন, ‘দুটি বড় দুর্ঘটনা ছাড়া বড় ধরনের কোনো ভোগান্তি হয়নি। আগে মানুষ ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানজটে আটকে থাকত বা যানবাহনের অভাবে বাড়ি যেতে পারত না। এবার আমরা মনে করি, দেড় কোটি মানুষ স্বস্তিতে ও নিরাপদে বাড়ি ফিরেছে।’
রোববার (২৯ মার্চ) সচিবালয়ে সড়ক নিরাপত্তা সংক্রান্ত এক উচ্চপর্যায়ের সভা শেষে সাংবাদিকদের কাছে তিনি এ মন্তব্য করেন।
তিনি আরও বলেন, কয়েকটি দুর্ঘটনা জাতিকে ব্যথিত করেছে এবং কোনো প্রাণহানি কাম্য নয়।
দুর্ঘটনার দায় প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, কাউকে নির্দিষ্টভাবে দায়ী না করলেও তদন্তের মাধ্যমে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। ইতোমধ্যে কিছু ক্ষেত্রে বিভাগীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থাও নেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রী জানান, রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে বাস ডুবে যাওয়ার ঘটনায় সংশ্লিষ্ট পরিবহনের কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে। সন্তোষজনক জবাব না পেলে ওই কোম্পানির সব বাসের রুট পারমিট বাতিল করা হতে পারে।
সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা নিয়ে বেসরকারি সংস্থার পরিসংখ্যানের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করে তিনি বলেন, সরকারি হিসাবে এবার সড়ক, নৌ ও রেলপথ মিলিয়ে ১৭০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে মহাসড়কে ৪৭ জন, নৌপথে ২৮ জন এবং রেলপথে ১৭ জন নিহত হয়েছেন।
গত বছর ঈদে ১১ দিনে ১৮৭ জন নিহত হওয়ার তথ্য উল্লেখ করে তিনি বলেন, “আমরা তুলনা করতে চাই না, কারণ কোনো মৃত্যুই কাম্য নয়। তবে আগের চেয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং ভবিষ্যতে আরও উন্নতি করা হবে।”
এবারের ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ঘরমুখো মানুষের যাত্রা ও কর্মস্থলে ফেরা মোটামুটি ‘স্মুথ’ হয়েছে বলে দাবি করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। মন্ত্রী বলেন, ‘দুটি বড় দুর্ঘটনা ছাড়া বড় ধরনের কোনো ভোগান্তি হয়নি। আগে মানুষ ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানজটে আটকে থাকত বা যানবাহনের অভাবে বাড়ি যেতে পারত না। এবার আমরা মনে করি, দেড় কোটি মানুষ স্বস্তিতে ও নিরাপদে বাড়ি ফিরেছে।’
রোববার (২৯ মার্চ) সচিবালয়ে সড়ক নিরাপত্তা সংক্রান্ত এক উচ্চপর্যায়ের সভা শেষে সাংবাদিকদের কাছে তিনি এ মন্তব্য করেন।
তিনি আরও বলেন, কয়েকটি দুর্ঘটনা জাতিকে ব্যথিত করেছে এবং কোনো প্রাণহানি কাম্য নয়।
দুর্ঘটনার দায় প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, কাউকে নির্দিষ্টভাবে দায়ী না করলেও তদন্তের মাধ্যমে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। ইতোমধ্যে কিছু ক্ষেত্রে বিভাগীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থাও নেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রী জানান, রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে বাস ডুবে যাওয়ার ঘটনায় সংশ্লিষ্ট পরিবহনের কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে। সন্তোষজনক জবাব না পেলে ওই কোম্পানির সব বাসের রুট পারমিট বাতিল করা হতে পারে।
সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা নিয়ে বেসরকারি সংস্থার পরিসংখ্যানের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করে তিনি বলেন, সরকারি হিসাবে এবার সড়ক, নৌ ও রেলপথ মিলিয়ে ১৭০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে মহাসড়কে ৪৭ জন, নৌপথে ২৮ জন এবং রেলপথে ১৭ জন নিহত হয়েছেন।
গত বছর ঈদে ১১ দিনে ১৮৭ জন নিহত হওয়ার তথ্য উল্লেখ করে তিনি বলেন, “আমরা তুলনা করতে চাই না, কারণ কোনো মৃত্যুই কাম্য নয়। তবে আগের চেয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং ভবিষ্যতে আরও উন্নতি করা হবে।”
এবারের ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ঘরমুখো মানুষের যাত্রা ও কর্মস্থলে ফেরা মোটামুটি ‘স্মুথ’ হয়েছে বলে দাবি করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। মন্ত্রী বলেন, ‘দুটি বড় দুর্ঘটনা ছাড়া বড় ধরনের কোনো ভোগান্তি হয়নি। আগে মানুষ ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানজটে আটকে থাকত বা যানবাহনের অভাবে বাড়ি যেতে পারত না। এবার আমরা মনে করি, দেড় কোটি মানুষ স্বস্তিতে ও নিরাপদে বাড়ি ফিরেছে।’
রোববার (২৯ মার্চ) সচিবালয়ে সড়ক নিরাপত্তা সংক্রান্ত এক উচ্চপর্যায়ের সভা শেষে সাংবাদিকদের কাছে তিনি এ মন্তব্য করেন।
তিনি আরও বলেন, কয়েকটি দুর্ঘটনা জাতিকে ব্যথিত করেছে এবং কোনো প্রাণহানি কাম্য নয়।
দুর্ঘটনার দায় প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, কাউকে নির্দিষ্টভাবে দায়ী না করলেও তদন্তের মাধ্যমে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। ইতোমধ্যে কিছু ক্ষেত্রে বিভাগীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থাও নেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রী জানান, রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে বাস ডুবে যাওয়ার ঘটনায় সংশ্লিষ্ট পরিবহনের কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে। সন্তোষজনক জবাব না পেলে ওই কোম্পানির সব বাসের রুট পারমিট বাতিল করা হতে পারে।
সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা নিয়ে বেসরকারি সংস্থার পরিসংখ্যানের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করে তিনি বলেন, সরকারি হিসাবে এবার সড়ক, নৌ ও রেলপথ মিলিয়ে ১৭০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে মহাসড়কে ৪৭ জন, নৌপথে ২৮ জন এবং রেলপথে ১৭ জন নিহত হয়েছেন।
গত বছর ঈদে ১১ দিনে ১৮৭ জন নিহত হওয়ার তথ্য উল্লেখ করে তিনি বলেন, “আমরা তুলনা করতে চাই না, কারণ কোনো মৃত্যুই কাম্য নয়। তবে আগের চেয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং ভবিষ্যতে আরও উন্নতি করা হবে।”
এবারের ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ঘরমুখো মানুষের যাত্রা ও কর্মস্থলে ফেরা মোটামুটি ‘স্মুথ’ হয়েছে বলে দাবি করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। মন্ত্রী বলেন, ‘দুটি বড় দুর্ঘটনা ছাড়া বড় ধরনের কোনো ভোগান্তি হয়নি। আগে মানুষ ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানজটে আটকে থাকত বা যানবাহনের অভাবে বাড়ি যেতে পারত না। এবার আমরা মনে করি, দেড় কোটি মানুষ স্বস্তিতে ও নিরাপদে বাড়ি ফিরেছে।’
রোববার (২৯ মার্চ) সচিবালয়ে সড়ক নিরাপত্তা সংক্রান্ত এক উচ্চপর্যায়ের সভা শেষে সাংবাদিকদের কাছে তিনি এ মন্তব্য করেন।
তিনি আরও বলেন, কয়েকটি দুর্ঘটনা জাতিকে ব্যথিত করেছে এবং কোনো প্রাণহানি কাম্য নয়।
দুর্ঘটনার দায় প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, কাউকে নির্দিষ্টভাবে দায়ী না করলেও তদন্তের মাধ্যমে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। ইতোমধ্যে কিছু ক্ষেত্রে বিভাগীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থাও নেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রী জানান, রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে বাস ডুবে যাওয়ার ঘটনায় সংশ্লিষ্ট পরিবহনের কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে। সন্তোষজনক জবাব না পেলে ওই কোম্পানির সব বাসের রুট পারমিট বাতিল করা হতে পারে।
সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা নিয়ে বেসরকারি সংস্থার পরিসংখ্যানের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করে তিনি বলেন, সরকারি হিসাবে এবার সড়ক, নৌ ও রেলপথ মিলিয়ে ১৭০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে মহাসড়কে ৪৭ জন, নৌপথে ২৮ জন এবং রেলপথে ১৭ জন নিহত হয়েছেন।
গত বছর ঈদে ১১ দিনে ১৮৭ জন নিহত হওয়ার তথ্য উল্লেখ করে তিনি বলেন, “আমরা তুলনা করতে চাই না, কারণ কোনো মৃত্যুই কাম্য নয়। তবে আগের চেয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং ভবিষ্যতে আরও উন্নতি করা হবে।”
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!