বিদ্যুৎ ও জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে নিয়ে আপত্তিকর ও মানহানিকর মন্তব্য করার অভিযোগে ইসলামি বক্তা ও সংসদ সদস্য মাওলানা আমির হামজার বিরুদ্ধে সিরাজগঞ্জে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
সোমবার (৩০ মার্চ) দুপুরে সিরাজগঞ্জ সদর আমলী আদালতে বিচারক সুমন কুমার কর্মকারের আদালতে মামলাটি দায়ের করেন সদর উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট নাজমুল ইসলাম।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, মামলার শুনানি শেষে বিষয়টি আদেশের জন্য অপেক্ষমাণ রাখা হয়েছে। অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট হামিদুল ইসলাম দুলাল ও অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবীর কর্নেল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, গত ২৭ মার্চ কুষ্টিয়ার হাফসাই হরিপুর বড় মসজিদে জুমার নামাজের আগে আলোচনার সময় আমির হামজা ইচ্ছাকৃতভাবে জ্বালানিমন্ত্রীর বিরুদ্ধে বিদ্বেষমূলক বক্তব্য দেন। তিনি তাকে ‘নাস্তিক’ ও ‘আপাদমস্তক ইসলাম বিদ্বেষী’ বলে উল্লেখ করেন।
অভিযোগে আরও বলা হয়, একজন সংসদ সদস্য ও জনপ্রিয় বক্তা হিসেবে তার এ বক্তব্য দ্রুত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেশ-বিদেশে ছড়িয়ে পড়ে। এতে ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর পারিবারিক ঐতিহ্য ও সামাজিক মর্যাদা ক্ষুণ্ণ হয়েছে এবং তার অপূরণীয় মানহানি হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
এ ঘটনায় দণ্ডবিধির ৫০০ ধারায় অপরাধ আমলে নিয়ে আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আবেদন করা হয়েছে। মামলায় ১০০ কোটি টাকার সম্মানহানির অভিযোগও উল্লেখ করা হয়েছে।
বিদ্যুৎ ও জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে নিয়ে আপত্তিকর ও মানহানিকর মন্তব্য করার অভিযোগে ইসলামি বক্তা ও সংসদ সদস্য মাওলানা আমির হামজার বিরুদ্ধে সিরাজগঞ্জে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
সোমবার (৩০ মার্চ) দুপুরে সিরাজগঞ্জ সদর আমলী আদালতে বিচারক সুমন কুমার কর্মকারের আদালতে মামলাটি দায়ের করেন সদর উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট নাজমুল ইসলাম।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, মামলার শুনানি শেষে বিষয়টি আদেশের জন্য অপেক্ষমাণ রাখা হয়েছে। অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট হামিদুল ইসলাম দুলাল ও অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবীর কর্নেল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, গত ২৭ মার্চ কুষ্টিয়ার হাফসাই হরিপুর বড় মসজিদে জুমার নামাজের আগে আলোচনার সময় আমির হামজা ইচ্ছাকৃতভাবে জ্বালানিমন্ত্রীর বিরুদ্ধে বিদ্বেষমূলক বক্তব্য দেন। তিনি তাকে ‘নাস্তিক’ ও ‘আপাদমস্তক ইসলাম বিদ্বেষী’ বলে উল্লেখ করেন।
অভিযোগে আরও বলা হয়, একজন সংসদ সদস্য ও জনপ্রিয় বক্তা হিসেবে তার এ বক্তব্য দ্রুত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেশ-বিদেশে ছড়িয়ে পড়ে। এতে ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর পারিবারিক ঐতিহ্য ও সামাজিক মর্যাদা ক্ষুণ্ণ হয়েছে এবং তার অপূরণীয় মানহানি হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
এ ঘটনায় দণ্ডবিধির ৫০০ ধারায় অপরাধ আমলে নিয়ে আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আবেদন করা হয়েছে। মামলায় ১০০ কোটি টাকার সম্মানহানির অভিযোগও উল্লেখ করা হয়েছে।
বিদ্যুৎ ও জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে নিয়ে আপত্তিকর ও মানহানিকর মন্তব্য করার অভিযোগে ইসলামি বক্তা ও সংসদ সদস্য মাওলানা আমির হামজার বিরুদ্ধে সিরাজগঞ্জে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
সোমবার (৩০ মার্চ) দুপুরে সিরাজগঞ্জ সদর আমলী আদালতে বিচারক সুমন কুমার কর্মকারের আদালতে মামলাটি দায়ের করেন সদর উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট নাজমুল ইসলাম।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, মামলার শুনানি শেষে বিষয়টি আদেশের জন্য অপেক্ষমাণ রাখা হয়েছে। অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট হামিদুল ইসলাম দুলাল ও অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবীর কর্নেল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, গত ২৭ মার্চ কুষ্টিয়ার হাফসাই হরিপুর বড় মসজিদে জুমার নামাজের আগে আলোচনার সময় আমির হামজা ইচ্ছাকৃতভাবে জ্বালানিমন্ত্রীর বিরুদ্ধে বিদ্বেষমূলক বক্তব্য দেন। তিনি তাকে ‘নাস্তিক’ ও ‘আপাদমস্তক ইসলাম বিদ্বেষী’ বলে উল্লেখ করেন।
অভিযোগে আরও বলা হয়, একজন সংসদ সদস্য ও জনপ্রিয় বক্তা হিসেবে তার এ বক্তব্য দ্রুত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেশ-বিদেশে ছড়িয়ে পড়ে। এতে ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর পারিবারিক ঐতিহ্য ও সামাজিক মর্যাদা ক্ষুণ্ণ হয়েছে এবং তার অপূরণীয় মানহানি হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
এ ঘটনায় দণ্ডবিধির ৫০০ ধারায় অপরাধ আমলে নিয়ে আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আবেদন করা হয়েছে। মামলায় ১০০ কোটি টাকার সম্মানহানির অভিযোগও উল্লেখ করা হয়েছে।
বিদ্যুৎ ও জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে নিয়ে আপত্তিকর ও মানহানিকর মন্তব্য করার অভিযোগে ইসলামি বক্তা ও সংসদ সদস্য মাওলানা আমির হামজার বিরুদ্ধে সিরাজগঞ্জে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
সোমবার (৩০ মার্চ) দুপুরে সিরাজগঞ্জ সদর আমলী আদালতে বিচারক সুমন কুমার কর্মকারের আদালতে মামলাটি দায়ের করেন সদর উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট নাজমুল ইসলাম।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, মামলার শুনানি শেষে বিষয়টি আদেশের জন্য অপেক্ষমাণ রাখা হয়েছে। অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট হামিদুল ইসলাম দুলাল ও অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবীর কর্নেল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, গত ২৭ মার্চ কুষ্টিয়ার হাফসাই হরিপুর বড় মসজিদে জুমার নামাজের আগে আলোচনার সময় আমির হামজা ইচ্ছাকৃতভাবে জ্বালানিমন্ত্রীর বিরুদ্ধে বিদ্বেষমূলক বক্তব্য দেন। তিনি তাকে ‘নাস্তিক’ ও ‘আপাদমস্তক ইসলাম বিদ্বেষী’ বলে উল্লেখ করেন।
অভিযোগে আরও বলা হয়, একজন সংসদ সদস্য ও জনপ্রিয় বক্তা হিসেবে তার এ বক্তব্য দ্রুত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেশ-বিদেশে ছড়িয়ে পড়ে। এতে ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর পারিবারিক ঐতিহ্য ও সামাজিক মর্যাদা ক্ষুণ্ণ হয়েছে এবং তার অপূরণীয় মানহানি হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
এ ঘটনায় দণ্ডবিধির ৫০০ ধারায় অপরাধ আমলে নিয়ে আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আবেদন করা হয়েছে। মামলায় ১০০ কোটি টাকার সম্মানহানির অভিযোগও উল্লেখ করা হয়েছে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!