হাম আক্রান্ত হয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। হাসপাতালটিতে শিশুদের জন্য নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ) না থাকায় সংকট আরও তীব্র হয়েছে।
জানা যায়, গত ১২ দিনে হাসপাতালে ১০৬ জন শিশু ভর্তি হয়েছে এবং এ পর্যন্ত ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। বর্তমানে হাসপাতালে ৬৬ জন শিশু চিকিৎসাধীন রয়েছে।
চিকিৎসকরা বলছেন, হাসপাতালে নবজাতকদের জন্য এনআইসিইউ এবং প্রাপ্তবয়স্ক জটিল রোগীদের জন্য আইসিইউ থাকলেও শিশুদের জন্য আলাদা আইসিইউ না থাকায় গুরুতর রোগীদের যথাযথ চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।
এ কারণে অনেক মুমূর্ষু শিশু রোগীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় স্থানান্তর করা হচ্ছে।
মমেক হাসপাতালের সহকারী পরিচালক মো. মাইন উদ্দিন খান জানান, শিশু আইসিইউ চালুর জন্য একটি কক্ষ প্রস্তুত রাখা হয়েছে। তবে প্রয়োজনীয় জনবল ও যন্ত্রপাতি পাওয়া গেলে তা চালু করা সম্ভব হবে।
হাম মেডিকেল দলের ফোকাল পারসন গোলাম মাওলা বলেন, রোগীর চাপ বাড়ায় আইসোলেশন ওয়ার্ড সম্প্রসারণের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, ছোঁয়াচে রোগ হওয়ায় হাঁচি-কাশি ও সংস্পর্শের মাধ্যমে হাম দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। এর জটিলতায় নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া ও অন্যান্য শারীরিক সমস্যায় শিশুদের মৃত্যুঝুঁকি বাড়ছে।
স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক পর্যায়ের অনেকে শিশু আইসিইউ না থাকার বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং দ্রুত স্থায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
হাম আক্রান্ত হয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। হাসপাতালটিতে শিশুদের জন্য নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ) না থাকায় সংকট আরও তীব্র হয়েছে।
জানা যায়, গত ১২ দিনে হাসপাতালে ১০৬ জন শিশু ভর্তি হয়েছে এবং এ পর্যন্ত ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। বর্তমানে হাসপাতালে ৬৬ জন শিশু চিকিৎসাধীন রয়েছে।
চিকিৎসকরা বলছেন, হাসপাতালে নবজাতকদের জন্য এনআইসিইউ এবং প্রাপ্তবয়স্ক জটিল রোগীদের জন্য আইসিইউ থাকলেও শিশুদের জন্য আলাদা আইসিইউ না থাকায় গুরুতর রোগীদের যথাযথ চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।
এ কারণে অনেক মুমূর্ষু শিশু রোগীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় স্থানান্তর করা হচ্ছে।
মমেক হাসপাতালের সহকারী পরিচালক মো. মাইন উদ্দিন খান জানান, শিশু আইসিইউ চালুর জন্য একটি কক্ষ প্রস্তুত রাখা হয়েছে। তবে প্রয়োজনীয় জনবল ও যন্ত্রপাতি পাওয়া গেলে তা চালু করা সম্ভব হবে।
হাম মেডিকেল দলের ফোকাল পারসন গোলাম মাওলা বলেন, রোগীর চাপ বাড়ায় আইসোলেশন ওয়ার্ড সম্প্রসারণের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, ছোঁয়াচে রোগ হওয়ায় হাঁচি-কাশি ও সংস্পর্শের মাধ্যমে হাম দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। এর জটিলতায় নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া ও অন্যান্য শারীরিক সমস্যায় শিশুদের মৃত্যুঝুঁকি বাড়ছে।
স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক পর্যায়ের অনেকে শিশু আইসিইউ না থাকার বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং দ্রুত স্থায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
হাম আক্রান্ত হয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। হাসপাতালটিতে শিশুদের জন্য নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ) না থাকায় সংকট আরও তীব্র হয়েছে।
জানা যায়, গত ১২ দিনে হাসপাতালে ১০৬ জন শিশু ভর্তি হয়েছে এবং এ পর্যন্ত ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। বর্তমানে হাসপাতালে ৬৬ জন শিশু চিকিৎসাধীন রয়েছে।
চিকিৎসকরা বলছেন, হাসপাতালে নবজাতকদের জন্য এনআইসিইউ এবং প্রাপ্তবয়স্ক জটিল রোগীদের জন্য আইসিইউ থাকলেও শিশুদের জন্য আলাদা আইসিইউ না থাকায় গুরুতর রোগীদের যথাযথ চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।
এ কারণে অনেক মুমূর্ষু শিশু রোগীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় স্থানান্তর করা হচ্ছে।
মমেক হাসপাতালের সহকারী পরিচালক মো. মাইন উদ্দিন খান জানান, শিশু আইসিইউ চালুর জন্য একটি কক্ষ প্রস্তুত রাখা হয়েছে। তবে প্রয়োজনীয় জনবল ও যন্ত্রপাতি পাওয়া গেলে তা চালু করা সম্ভব হবে।
হাম মেডিকেল দলের ফোকাল পারসন গোলাম মাওলা বলেন, রোগীর চাপ বাড়ায় আইসোলেশন ওয়ার্ড সম্প্রসারণের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, ছোঁয়াচে রোগ হওয়ায় হাঁচি-কাশি ও সংস্পর্শের মাধ্যমে হাম দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। এর জটিলতায় নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া ও অন্যান্য শারীরিক সমস্যায় শিশুদের মৃত্যুঝুঁকি বাড়ছে।
স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক পর্যায়ের অনেকে শিশু আইসিইউ না থাকার বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং দ্রুত স্থায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
হাম আক্রান্ত হয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। হাসপাতালটিতে শিশুদের জন্য নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ) না থাকায় সংকট আরও তীব্র হয়েছে।
জানা যায়, গত ১২ দিনে হাসপাতালে ১০৬ জন শিশু ভর্তি হয়েছে এবং এ পর্যন্ত ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। বর্তমানে হাসপাতালে ৬৬ জন শিশু চিকিৎসাধীন রয়েছে।
চিকিৎসকরা বলছেন, হাসপাতালে নবজাতকদের জন্য এনআইসিইউ এবং প্রাপ্তবয়স্ক জটিল রোগীদের জন্য আইসিইউ থাকলেও শিশুদের জন্য আলাদা আইসিইউ না থাকায় গুরুতর রোগীদের যথাযথ চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।
এ কারণে অনেক মুমূর্ষু শিশু রোগীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় স্থানান্তর করা হচ্ছে।
মমেক হাসপাতালের সহকারী পরিচালক মো. মাইন উদ্দিন খান জানান, শিশু আইসিইউ চালুর জন্য একটি কক্ষ প্রস্তুত রাখা হয়েছে। তবে প্রয়োজনীয় জনবল ও যন্ত্রপাতি পাওয়া গেলে তা চালু করা সম্ভব হবে।
হাম মেডিকেল দলের ফোকাল পারসন গোলাম মাওলা বলেন, রোগীর চাপ বাড়ায় আইসোলেশন ওয়ার্ড সম্প্রসারণের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, ছোঁয়াচে রোগ হওয়ায় হাঁচি-কাশি ও সংস্পর্শের মাধ্যমে হাম দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। এর জটিলতায় নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া ও অন্যান্য শারীরিক সমস্যায় শিশুদের মৃত্যুঝুঁকি বাড়ছে।
স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক পর্যায়ের অনেকে শিশু আইসিইউ না থাকার বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং দ্রুত স্থায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!