
বৈষম্য বিরোধী আন্দোলন কেন্দ্রিক রাজধানীর গুলশান থানার হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর আর এস ফাহিম চৌধুরীকে আদালতে আনা হয়েছে। হাজতখানা থেকে আদালতের এজলাসে তোলা হলে তাকে অঝোরে কাঁদতে দেখা যায়।
সোমবার (৩০ মার্চ) দুপুরে তাকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে হাজির করে পুলিশ। এসময় তাকে সিএমএম আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়। এদিন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ছুটিতে থাকায় গুলশান থানার অফিসার ইনচার্জ আসামিকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। শুনানির জন্য বিকেল ৩টা ২০ মিনিটের দিকে তাকে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালতে তোলা হয়। কড়া পুলিশি নিরাপত্তায় মাথায় হেলমেট ও বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট পরিয়ে তাকে আনা হয়। কাঠগড়ায় তোলা হলে তাকে অঝোরে কাঁদতে দেখা যায়। এসময় তার আইনজীবীরা তাকে কান্না থামাতে বলেন। তাকে শান্ত থাকার জন্য আশ্বস্ত করা হয়।
এর আগে রোববার (২৯ মার্চ) বিকেলে রাজধানীর মিরপুর চিড়িয়াখানা এলাকা থেকে তাকে আটক করে জনতা ও একদল শিক্ষার্থী। এরপর রাজধানীর শাহ আলী থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করে তারা। পরে তাকে গুলশান থানায় হস্তান্তর করা হয়।
মামলায় বলা হয়েছে, বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের সময় ১৯ জুলাই গুলশানের শাহজাদপুর সুবাস্তু মার্কেটের সামনে হাজারো ছাত্র-জনতা মিছিল করছিল। তৎকালীন সরকার ও ক্ষমতাসীন দলের শীর্ষ নেতাদের নির্দেশনায় আন্দোলন দমনে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা আন্দোলনকারীদের ওপর নির্বিচারে গুলি বর্ষণ করেন।
এ সময় ভিক্টিম মো. ইমরান (৩০) কর্মস্থল থেকে বাসায় ফেরার পথে আন্দোলনরতদের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে স্লোগান দিলে অজ্ঞাত আসামিদের গুলিতে গুরুতর আহত হন। পরে তাকে গুলশানের ইউনাইটেড হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সেদিন সন্ধ্যা ৭টা ৫ মিনিটে তার মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় ২০২৫ সালের এপ্রিলে গুলশান থানায় মামলা দায়ের করা হয়।

বৈষম্য বিরোধী আন্দোলন কেন্দ্রিক রাজধানীর গুলশান থানার হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর আর এস ফাহিম চৌধুরীকে আদালতে আনা হয়েছে। হাজতখানা থেকে আদালতের এজলাসে তোলা হলে তাকে অঝোরে কাঁদতে দেখা যায়।
সোমবার (৩০ মার্চ) দুপুরে তাকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে হাজির করে পুলিশ। এসময় তাকে সিএমএম আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়। এদিন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ছুটিতে থাকায় গুলশান থানার অফিসার ইনচার্জ আসামিকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। শুনানির জন্য বিকেল ৩টা ২০ মিনিটের দিকে তাকে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালতে তোলা হয়। কড়া পুলিশি নিরাপত্তায় মাথায় হেলমেট ও বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট পরিয়ে তাকে আনা হয়। কাঠগড়ায় তোলা হলে তাকে অঝোরে কাঁদতে দেখা যায়। এসময় তার আইনজীবীরা তাকে কান্না থামাতে বলেন। তাকে শান্ত থাকার জন্য আশ্বস্ত করা হয়।
এর আগে রোববার (২৯ মার্চ) বিকেলে রাজধানীর মিরপুর চিড়িয়াখানা এলাকা থেকে তাকে আটক করে জনতা ও একদল শিক্ষার্থী। এরপর রাজধানীর শাহ আলী থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করে তারা। পরে তাকে গুলশান থানায় হস্তান্তর করা হয়।
মামলায় বলা হয়েছে, বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের সময় ১৯ জুলাই গুলশানের শাহজাদপুর সুবাস্তু মার্কেটের সামনে হাজারো ছাত্র-জনতা মিছিল করছিল। তৎকালীন সরকার ও ক্ষমতাসীন দলের শীর্ষ নেতাদের নির্দেশনায় আন্দোলন দমনে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা আন্দোলনকারীদের ওপর নির্বিচারে গুলি বর্ষণ করেন।
এ সময় ভিক্টিম মো. ইমরান (৩০) কর্মস্থল থেকে বাসায় ফেরার পথে আন্দোলনরতদের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে স্লোগান দিলে অজ্ঞাত আসামিদের গুলিতে গুরুতর আহত হন। পরে তাকে গুলশানের ইউনাইটেড হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সেদিন সন্ধ্যা ৭টা ৫ মিনিটে তার মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় ২০২৫ সালের এপ্রিলে গুলশান থানায় মামলা দায়ের করা হয়।

বৈষম্য বিরোধী আন্দোলন কেন্দ্রিক রাজধানীর গুলশান থানার হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর আর এস ফাহিম চৌধুরীকে আদালতে আনা হয়েছে। হাজতখানা থেকে আদালতের এজলাসে তোলা হলে তাকে অঝোরে কাঁদতে দেখা যায়।
সোমবার (৩০ মার্চ) দুপুরে তাকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে হাজির করে পুলিশ। এসময় তাকে সিএমএম আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়। এদিন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ছুটিতে থাকায় গুলশান থানার অফিসার ইনচার্জ আসামিকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। শুনানির জন্য বিকেল ৩টা ২০ মিনিটের দিকে তাকে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালতে তোলা হয়। কড়া পুলিশি নিরাপত্তায় মাথায় হেলমেট ও বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট পরিয়ে তাকে আনা হয়। কাঠগড়ায় তোলা হলে তাকে অঝোরে কাঁদতে দেখা যায়। এসময় তার আইনজীবীরা তাকে কান্না থামাতে বলেন। তাকে শান্ত থাকার জন্য আশ্বস্ত করা হয়।
এর আগে রোববার (২৯ মার্চ) বিকেলে রাজধানীর মিরপুর চিড়িয়াখানা এলাকা থেকে তাকে আটক করে জনতা ও একদল শিক্ষার্থী। এরপর রাজধানীর শাহ আলী থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করে তারা। পরে তাকে গুলশান থানায় হস্তান্তর করা হয়।
মামলায় বলা হয়েছে, বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের সময় ১৯ জুলাই গুলশানের শাহজাদপুর সুবাস্তু মার্কেটের সামনে হাজারো ছাত্র-জনতা মিছিল করছিল। তৎকালীন সরকার ও ক্ষমতাসীন দলের শীর্ষ নেতাদের নির্দেশনায় আন্দোলন দমনে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা আন্দোলনকারীদের ওপর নির্বিচারে গুলি বর্ষণ করেন।
এ সময় ভিক্টিম মো. ইমরান (৩০) কর্মস্থল থেকে বাসায় ফেরার পথে আন্দোলনরতদের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে স্লোগান দিলে অজ্ঞাত আসামিদের গুলিতে গুরুতর আহত হন। পরে তাকে গুলশানের ইউনাইটেড হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সেদিন সন্ধ্যা ৭টা ৫ মিনিটে তার মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় ২০২৫ সালের এপ্রিলে গুলশান থানায় মামলা দায়ের করা হয়।

বৈষম্য বিরোধী আন্দোলন কেন্দ্রিক রাজধানীর গুলশান থানার হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর আর এস ফাহিম চৌধুরীকে আদালতে আনা হয়েছে। হাজতখানা থেকে আদালতের এজলাসে তোলা হলে তাকে অঝোরে কাঁদতে দেখা যায়।
সোমবার (৩০ মার্চ) দুপুরে তাকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে হাজির করে পুলিশ। এসময় তাকে সিএমএম আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়। এদিন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ছুটিতে থাকায় গুলশান থানার অফিসার ইনচার্জ আসামিকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। শুনানির জন্য বিকেল ৩টা ২০ মিনিটের দিকে তাকে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালতে তোলা হয়। কড়া পুলিশি নিরাপত্তায় মাথায় হেলমেট ও বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট পরিয়ে তাকে আনা হয়। কাঠগড়ায় তোলা হলে তাকে অঝোরে কাঁদতে দেখা যায়। এসময় তার আইনজীবীরা তাকে কান্না থামাতে বলেন। তাকে শান্ত থাকার জন্য আশ্বস্ত করা হয়।
এর আগে রোববার (২৯ মার্চ) বিকেলে রাজধানীর মিরপুর চিড়িয়াখানা এলাকা থেকে তাকে আটক করে জনতা ও একদল শিক্ষার্থী। এরপর রাজধানীর শাহ আলী থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করে তারা। পরে তাকে গুলশান থানায় হস্তান্তর করা হয়।
মামলায় বলা হয়েছে, বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের সময় ১৯ জুলাই গুলশানের শাহজাদপুর সুবাস্তু মার্কেটের সামনে হাজারো ছাত্র-জনতা মিছিল করছিল। তৎকালীন সরকার ও ক্ষমতাসীন দলের শীর্ষ নেতাদের নির্দেশনায় আন্দোলন দমনে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা আন্দোলনকারীদের ওপর নির্বিচারে গুলি বর্ষণ করেন।
এ সময় ভিক্টিম মো. ইমরান (৩০) কর্মস্থল থেকে বাসায় ফেরার পথে আন্দোলনরতদের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে স্লোগান দিলে অজ্ঞাত আসামিদের গুলিতে গুরুতর আহত হন। পরে তাকে গুলশানের ইউনাইটেড হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সেদিন সন্ধ্যা ৭টা ৫ মিনিটে তার মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় ২০২৫ সালের এপ্রিলে গুলশান থানায় মামলা দায়ের করা হয়।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!