দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার উল্লেখ করে পুলিশের সংস্কার ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে ফ্রান্সের সহযোগিতা চেয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
রোববার (৩০ মার্চ) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত জ্যঁ-মার্ক সেরে-শার্লে-এর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে তিনি এ আহ্বান জানান।
বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে আইনশৃঙ্খলা, নিরাপত্তা, মব নিয়ন্ত্রণ, সন্ত্রাসবাদ দমন, পুলিশের সংস্কার, র্যাবের পুনর্গঠন, ফরেনসিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং পারস্পরিক আইনগত সহায়তা চুক্তিসহ বিভিন্ন বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘পুলিশ সংস্কার একটি চলমান প্রক্রিয়া। স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার মাধ্যমে একটি জনবান্ধব পুলিশ বাহিনী গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে সরকার কাজ করছে।’ তিনি আরও বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় মব নিয়ন্ত্রণে সীমাবদ্ধতা থাকলেও বর্তমান সরকারের সময় বড় ধরনের কোনো মব পরিস্থিতি দেখা যায়নি। সরকার কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলাকে প্রশ্রয় দিচ্ছে না।
র্যাব প্রসঙ্গে মন্ত্রী জানান, একটি এলিট ফোর্স হিসেবে বাহিনীটির প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। আইনি পর্যালোচনার মাধ্যমে নাম ও কাঠামোগত পরিবর্তন এনে এটিকে কার্যকর রাখা হবে।
ফরাসি রাষ্ট্রদূত বলেন, ফ্রান্স বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরও উচ্চতায় নিতে আগ্রহী। সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র চিহ্নিত করে দুই দেশের সম্পর্ক আরও জোরদার হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
তিনি জানান, ফ্রান্স ইতোমধ্যে সিআইডির ফরেনসিক ল্যাবের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে কাজ শুরু করেছে।
এ সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দাঙ্গা প্রতিরোধে ‘অ্যান্টি রায়ট ট্রুপ’-এর সক্ষমতা বাড়াতে ফ্রান্সের কারিগরি সহযোগিতা চান। পাশাপাশি পুলিশের অ্যান্টি টেররিজম ইউনিট (এটিইউ) এবং কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট-কে ফ্রান্স দূতাবাসের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করার নির্দেশ দেন।
বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব রেবেকা খান, ফ্রান্স দূতাবাসের ডেপুটি হোমল্যান্ড সিকিউরিটি অ্যাটাচে ক্রিস্টেল ফন্টেইন এবং পলিটিক্যাল কাউন্সেলর ক্রিশ্চিয়ান বেক।
দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার উল্লেখ করে পুলিশের সংস্কার ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে ফ্রান্সের সহযোগিতা চেয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
রোববার (৩০ মার্চ) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত জ্যঁ-মার্ক সেরে-শার্লে-এর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে তিনি এ আহ্বান জানান।
বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে আইনশৃঙ্খলা, নিরাপত্তা, মব নিয়ন্ত্রণ, সন্ত্রাসবাদ দমন, পুলিশের সংস্কার, র্যাবের পুনর্গঠন, ফরেনসিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং পারস্পরিক আইনগত সহায়তা চুক্তিসহ বিভিন্ন বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘পুলিশ সংস্কার একটি চলমান প্রক্রিয়া। স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার মাধ্যমে একটি জনবান্ধব পুলিশ বাহিনী গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে সরকার কাজ করছে।’ তিনি আরও বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় মব নিয়ন্ত্রণে সীমাবদ্ধতা থাকলেও বর্তমান সরকারের সময় বড় ধরনের কোনো মব পরিস্থিতি দেখা যায়নি। সরকার কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলাকে প্রশ্রয় দিচ্ছে না।
র্যাব প্রসঙ্গে মন্ত্রী জানান, একটি এলিট ফোর্স হিসেবে বাহিনীটির প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। আইনি পর্যালোচনার মাধ্যমে নাম ও কাঠামোগত পরিবর্তন এনে এটিকে কার্যকর রাখা হবে।
ফরাসি রাষ্ট্রদূত বলেন, ফ্রান্স বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরও উচ্চতায় নিতে আগ্রহী। সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র চিহ্নিত করে দুই দেশের সম্পর্ক আরও জোরদার হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
তিনি জানান, ফ্রান্স ইতোমধ্যে সিআইডির ফরেনসিক ল্যাবের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে কাজ শুরু করেছে।
এ সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দাঙ্গা প্রতিরোধে ‘অ্যান্টি রায়ট ট্রুপ’-এর সক্ষমতা বাড়াতে ফ্রান্সের কারিগরি সহযোগিতা চান। পাশাপাশি পুলিশের অ্যান্টি টেররিজম ইউনিট (এটিইউ) এবং কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট-কে ফ্রান্স দূতাবাসের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করার নির্দেশ দেন।
বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব রেবেকা খান, ফ্রান্স দূতাবাসের ডেপুটি হোমল্যান্ড সিকিউরিটি অ্যাটাচে ক্রিস্টেল ফন্টেইন এবং পলিটিক্যাল কাউন্সেলর ক্রিশ্চিয়ান বেক।
দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার উল্লেখ করে পুলিশের সংস্কার ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে ফ্রান্সের সহযোগিতা চেয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
রোববার (৩০ মার্চ) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত জ্যঁ-মার্ক সেরে-শার্লে-এর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে তিনি এ আহ্বান জানান।
বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে আইনশৃঙ্খলা, নিরাপত্তা, মব নিয়ন্ত্রণ, সন্ত্রাসবাদ দমন, পুলিশের সংস্কার, র্যাবের পুনর্গঠন, ফরেনসিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং পারস্পরিক আইনগত সহায়তা চুক্তিসহ বিভিন্ন বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘পুলিশ সংস্কার একটি চলমান প্রক্রিয়া। স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার মাধ্যমে একটি জনবান্ধব পুলিশ বাহিনী গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে সরকার কাজ করছে।’ তিনি আরও বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় মব নিয়ন্ত্রণে সীমাবদ্ধতা থাকলেও বর্তমান সরকারের সময় বড় ধরনের কোনো মব পরিস্থিতি দেখা যায়নি। সরকার কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলাকে প্রশ্রয় দিচ্ছে না।
র্যাব প্রসঙ্গে মন্ত্রী জানান, একটি এলিট ফোর্স হিসেবে বাহিনীটির প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। আইনি পর্যালোচনার মাধ্যমে নাম ও কাঠামোগত পরিবর্তন এনে এটিকে কার্যকর রাখা হবে।
ফরাসি রাষ্ট্রদূত বলেন, ফ্রান্স বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরও উচ্চতায় নিতে আগ্রহী। সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র চিহ্নিত করে দুই দেশের সম্পর্ক আরও জোরদার হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
তিনি জানান, ফ্রান্স ইতোমধ্যে সিআইডির ফরেনসিক ল্যাবের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে কাজ শুরু করেছে।
এ সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দাঙ্গা প্রতিরোধে ‘অ্যান্টি রায়ট ট্রুপ’-এর সক্ষমতা বাড়াতে ফ্রান্সের কারিগরি সহযোগিতা চান। পাশাপাশি পুলিশের অ্যান্টি টেররিজম ইউনিট (এটিইউ) এবং কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট-কে ফ্রান্স দূতাবাসের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করার নির্দেশ দেন।
বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব রেবেকা খান, ফ্রান্স দূতাবাসের ডেপুটি হোমল্যান্ড সিকিউরিটি অ্যাটাচে ক্রিস্টেল ফন্টেইন এবং পলিটিক্যাল কাউন্সেলর ক্রিশ্চিয়ান বেক।
দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার উল্লেখ করে পুলিশের সংস্কার ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে ফ্রান্সের সহযোগিতা চেয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
রোববার (৩০ মার্চ) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত জ্যঁ-মার্ক সেরে-শার্লে-এর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে তিনি এ আহ্বান জানান।
বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে আইনশৃঙ্খলা, নিরাপত্তা, মব নিয়ন্ত্রণ, সন্ত্রাসবাদ দমন, পুলিশের সংস্কার, র্যাবের পুনর্গঠন, ফরেনসিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং পারস্পরিক আইনগত সহায়তা চুক্তিসহ বিভিন্ন বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘পুলিশ সংস্কার একটি চলমান প্রক্রিয়া। স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার মাধ্যমে একটি জনবান্ধব পুলিশ বাহিনী গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে সরকার কাজ করছে।’ তিনি আরও বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় মব নিয়ন্ত্রণে সীমাবদ্ধতা থাকলেও বর্তমান সরকারের সময় বড় ধরনের কোনো মব পরিস্থিতি দেখা যায়নি। সরকার কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলাকে প্রশ্রয় দিচ্ছে না।
র্যাব প্রসঙ্গে মন্ত্রী জানান, একটি এলিট ফোর্স হিসেবে বাহিনীটির প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। আইনি পর্যালোচনার মাধ্যমে নাম ও কাঠামোগত পরিবর্তন এনে এটিকে কার্যকর রাখা হবে।
ফরাসি রাষ্ট্রদূত বলেন, ফ্রান্স বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরও উচ্চতায় নিতে আগ্রহী। সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র চিহ্নিত করে দুই দেশের সম্পর্ক আরও জোরদার হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
তিনি জানান, ফ্রান্স ইতোমধ্যে সিআইডির ফরেনসিক ল্যাবের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে কাজ শুরু করেছে।
এ সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দাঙ্গা প্রতিরোধে ‘অ্যান্টি রায়ট ট্রুপ’-এর সক্ষমতা বাড়াতে ফ্রান্সের কারিগরি সহযোগিতা চান। পাশাপাশি পুলিশের অ্যান্টি টেররিজম ইউনিট (এটিইউ) এবং কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট-কে ফ্রান্স দূতাবাসের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করার নির্দেশ দেন।
বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব রেবেকা খান, ফ্রান্স দূতাবাসের ডেপুটি হোমল্যান্ড সিকিউরিটি অ্যাটাচে ক্রিস্টেল ফন্টেইন এবং পলিটিক্যাল কাউন্সেলর ক্রিশ্চিয়ান বেক।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!