
রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে ২০১৩ সালের ৫ মে হেফাজতে ইসলামের মহাসমাবেশে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের মামলায় রাজসাক্ষী হতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন সাবেক ডিআইজি আবদুল জলিল মণ্ডল। একই সঙ্গে তিনি আদালতে জামিন আবেদনও করেন।
বুধবার (৬ মে) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চে এ বিষয়ে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানি শেষে আদালত তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন।
মামলার নথি অনুযায়ী, গত বছরের ৫ মে এ ঘটনায় আবদুল জলিল মণ্ডলসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। এ মামলায় তিনি দুই নম্বর আসামি।
জানা যায়, আবদুল জলিল মণ্ডল বাংলাদেশ পুলিশে দায়িত্ব পালনকালে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে ছিলেন। তিনি একসময় চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ-এর কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া শাপলা চত্বরের ঘটনার সময় তিনি ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন। পাশাপাশি তিনি র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন-এর অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।

রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে ২০১৩ সালের ৫ মে হেফাজতে ইসলামের মহাসমাবেশে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের মামলায় রাজসাক্ষী হতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন সাবেক ডিআইজি আবদুল জলিল মণ্ডল। একই সঙ্গে তিনি আদালতে জামিন আবেদনও করেন।
বুধবার (৬ মে) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চে এ বিষয়ে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানি শেষে আদালত তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন।
মামলার নথি অনুযায়ী, গত বছরের ৫ মে এ ঘটনায় আবদুল জলিল মণ্ডলসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। এ মামলায় তিনি দুই নম্বর আসামি।
জানা যায়, আবদুল জলিল মণ্ডল বাংলাদেশ পুলিশে দায়িত্ব পালনকালে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে ছিলেন। তিনি একসময় চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ-এর কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া শাপলা চত্বরের ঘটনার সময় তিনি ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন। পাশাপাশি তিনি র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন-এর অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।

রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে ২০১৩ সালের ৫ মে হেফাজতে ইসলামের মহাসমাবেশে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের মামলায় রাজসাক্ষী হতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন সাবেক ডিআইজি আবদুল জলিল মণ্ডল। একই সঙ্গে তিনি আদালতে জামিন আবেদনও করেন।
বুধবার (৬ মে) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চে এ বিষয়ে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানি শেষে আদালত তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন।
মামলার নথি অনুযায়ী, গত বছরের ৫ মে এ ঘটনায় আবদুল জলিল মণ্ডলসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। এ মামলায় তিনি দুই নম্বর আসামি।
জানা যায়, আবদুল জলিল মণ্ডল বাংলাদেশ পুলিশে দায়িত্ব পালনকালে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে ছিলেন। তিনি একসময় চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ-এর কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া শাপলা চত্বরের ঘটনার সময় তিনি ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন। পাশাপাশি তিনি র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন-এর অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।

রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে ২০১৩ সালের ৫ মে হেফাজতে ইসলামের মহাসমাবেশে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের মামলায় রাজসাক্ষী হতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন সাবেক ডিআইজি আবদুল জলিল মণ্ডল। একই সঙ্গে তিনি আদালতে জামিন আবেদনও করেন।
বুধবার (৬ মে) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চে এ বিষয়ে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানি শেষে আদালত তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন।
মামলার নথি অনুযায়ী, গত বছরের ৫ মে এ ঘটনায় আবদুল জলিল মণ্ডলসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। এ মামলায় তিনি দুই নম্বর আসামি।
জানা যায়, আবদুল জলিল মণ্ডল বাংলাদেশ পুলিশে দায়িত্ব পালনকালে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে ছিলেন। তিনি একসময় চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ-এর কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া শাপলা চত্বরের ঘটনার সময় তিনি ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন। পাশাপাশি তিনি র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন-এর অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!