গত এপ্রিল মাসে সড়ক, নৌ ও রেলপথে মোট ৫০৪টি দুর্ঘটনায় ৪৩৪ জন নিহত এবং ৭৩৭ জন আহত হয়েছেন। রোড সেফটি ফাউন্ডেশন-এর এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
সংগঠনটি ৯টি জাতীয় দৈনিক, ১৭টি অনলাইন সংবাদমাধ্যম, বিভিন্ন ইলেকট্রনিক মিডিয়া ও নিজস্ব তথ্যের ভিত্তিতে এ প্রতিবেদন প্রস্তুত করেছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, এপ্রিল মাসে ১৪২টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ১১৩ জন নিহত হয়েছেন, যা মোট মৃত্যুর ২৭.৯৭ শতাংশ। মোট দুর্ঘটনার মধ্যে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার হার ৩০.৬৬ শতাংশ। এছাড়া ১০২ জন পথচারী নিহত হয়েছেন, যা মোট মৃত্যুর ২৫.২৪ শতাংশ। এ ছাড়া চালক ও তাদের সহকারীদের মধ্যে ৪৬ জন নিহত হয়েছেন, যা মোট মৃত্যুর ১১.৩৮ শতাংশ।
বিভাগভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, ঢাকা বিভাগে সবচেয়ে বেশি ২৩.৫৪ শতাংশ দুর্ঘটনা এবং ২৫.২৪ শতাংশ প্রাণহানি ঘটেছে। চট্টগ্রাম বিভাগে দুর্ঘটনা ২২.৪৬ শতাংশ ও প্রাণহানি ২৩.২৬ শতাংশ। রাজশাহী বিভাগে দুর্ঘটনা ১১ শতাংশ ও প্রাণহানি ১০.৩৯ শতাংশ, খুলনা বিভাগে দুর্ঘটনা ১৩.১৭ শতাংশ ও প্রাণহানি ১২.৩৭ শতাংশ। রংপুর বিভাগে দুর্ঘটনা ১২.৭৪ শতাংশ হলেও প্রাণহানি তুলনামূলক বেশি—১৫.০৯ শতাংশ।
অন্যদিকে বরিশাল বিভাগে দুর্ঘটনা ৬.৯১ শতাংশ ও প্রাণহানি ৫.৯৪ শতাংশ, ময়মনসিংহ বিভাগে দুর্ঘটনা ৫.৩৯ শতাংশ ও প্রাণহানি ৪.৭০ শতাংশ এবং সিলেট বিভাগে সবচেয়ে কম ২.৫৯ শতাংশ দুর্ঘটনায় ২.৯৭ শতাংশ প্রাণহানি হয়েছে।
ঢাকা বিভাগে সর্বোচ্চ ১০৯টি দুর্ঘটনায় ১০২ জন নিহত হয়েছেন। অন্যদিকে সিলেট বিভাগে সর্বনিম্ন ১২টি দুর্ঘটনায় ১২ জন নিহত হন।
রাজধানী ঢাকায় ৩৬টি দুর্ঘটনায় ২৪ জন নিহত এবং ৬৭ জন আহত হয়েছেন।
গত এপ্রিল মাসে সড়ক, নৌ ও রেলপথে মোট ৫০৪টি দুর্ঘটনায় ৪৩৪ জন নিহত এবং ৭৩৭ জন আহত হয়েছেন। রোড সেফটি ফাউন্ডেশন-এর এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
সংগঠনটি ৯টি জাতীয় দৈনিক, ১৭টি অনলাইন সংবাদমাধ্যম, বিভিন্ন ইলেকট্রনিক মিডিয়া ও নিজস্ব তথ্যের ভিত্তিতে এ প্রতিবেদন প্রস্তুত করেছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, এপ্রিল মাসে ১৪২টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ১১৩ জন নিহত হয়েছেন, যা মোট মৃত্যুর ২৭.৯৭ শতাংশ। মোট দুর্ঘটনার মধ্যে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার হার ৩০.৬৬ শতাংশ। এছাড়া ১০২ জন পথচারী নিহত হয়েছেন, যা মোট মৃত্যুর ২৫.২৪ শতাংশ। এ ছাড়া চালক ও তাদের সহকারীদের মধ্যে ৪৬ জন নিহত হয়েছেন, যা মোট মৃত্যুর ১১.৩৮ শতাংশ।
বিভাগভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, ঢাকা বিভাগে সবচেয়ে বেশি ২৩.৫৪ শতাংশ দুর্ঘটনা এবং ২৫.২৪ শতাংশ প্রাণহানি ঘটেছে। চট্টগ্রাম বিভাগে দুর্ঘটনা ২২.৪৬ শতাংশ ও প্রাণহানি ২৩.২৬ শতাংশ। রাজশাহী বিভাগে দুর্ঘটনা ১১ শতাংশ ও প্রাণহানি ১০.৩৯ শতাংশ, খুলনা বিভাগে দুর্ঘটনা ১৩.১৭ শতাংশ ও প্রাণহানি ১২.৩৭ শতাংশ। রংপুর বিভাগে দুর্ঘটনা ১২.৭৪ শতাংশ হলেও প্রাণহানি তুলনামূলক বেশি—১৫.০৯ শতাংশ।
অন্যদিকে বরিশাল বিভাগে দুর্ঘটনা ৬.৯১ শতাংশ ও প্রাণহানি ৫.৯৪ শতাংশ, ময়মনসিংহ বিভাগে দুর্ঘটনা ৫.৩৯ শতাংশ ও প্রাণহানি ৪.৭০ শতাংশ এবং সিলেট বিভাগে সবচেয়ে কম ২.৫৯ শতাংশ দুর্ঘটনায় ২.৯৭ শতাংশ প্রাণহানি হয়েছে।
ঢাকা বিভাগে সর্বোচ্চ ১০৯টি দুর্ঘটনায় ১০২ জন নিহত হয়েছেন। অন্যদিকে সিলেট বিভাগে সর্বনিম্ন ১২টি দুর্ঘটনায় ১২ জন নিহত হন।
রাজধানী ঢাকায় ৩৬টি দুর্ঘটনায় ২৪ জন নিহত এবং ৬৭ জন আহত হয়েছেন।
গত এপ্রিল মাসে সড়ক, নৌ ও রেলপথে মোট ৫০৪টি দুর্ঘটনায় ৪৩৪ জন নিহত এবং ৭৩৭ জন আহত হয়েছেন। রোড সেফটি ফাউন্ডেশন-এর এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
সংগঠনটি ৯টি জাতীয় দৈনিক, ১৭টি অনলাইন সংবাদমাধ্যম, বিভিন্ন ইলেকট্রনিক মিডিয়া ও নিজস্ব তথ্যের ভিত্তিতে এ প্রতিবেদন প্রস্তুত করেছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, এপ্রিল মাসে ১৪২টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ১১৩ জন নিহত হয়েছেন, যা মোট মৃত্যুর ২৭.৯৭ শতাংশ। মোট দুর্ঘটনার মধ্যে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার হার ৩০.৬৬ শতাংশ। এছাড়া ১০২ জন পথচারী নিহত হয়েছেন, যা মোট মৃত্যুর ২৫.২৪ শতাংশ। এ ছাড়া চালক ও তাদের সহকারীদের মধ্যে ৪৬ জন নিহত হয়েছেন, যা মোট মৃত্যুর ১১.৩৮ শতাংশ।
বিভাগভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, ঢাকা বিভাগে সবচেয়ে বেশি ২৩.৫৪ শতাংশ দুর্ঘটনা এবং ২৫.২৪ শতাংশ প্রাণহানি ঘটেছে। চট্টগ্রাম বিভাগে দুর্ঘটনা ২২.৪৬ শতাংশ ও প্রাণহানি ২৩.২৬ শতাংশ। রাজশাহী বিভাগে দুর্ঘটনা ১১ শতাংশ ও প্রাণহানি ১০.৩৯ শতাংশ, খুলনা বিভাগে দুর্ঘটনা ১৩.১৭ শতাংশ ও প্রাণহানি ১২.৩৭ শতাংশ। রংপুর বিভাগে দুর্ঘটনা ১২.৭৪ শতাংশ হলেও প্রাণহানি তুলনামূলক বেশি—১৫.০৯ শতাংশ।
অন্যদিকে বরিশাল বিভাগে দুর্ঘটনা ৬.৯১ শতাংশ ও প্রাণহানি ৫.৯৪ শতাংশ, ময়মনসিংহ বিভাগে দুর্ঘটনা ৫.৩৯ শতাংশ ও প্রাণহানি ৪.৭০ শতাংশ এবং সিলেট বিভাগে সবচেয়ে কম ২.৫৯ শতাংশ দুর্ঘটনায় ২.৯৭ শতাংশ প্রাণহানি হয়েছে।
ঢাকা বিভাগে সর্বোচ্চ ১০৯টি দুর্ঘটনায় ১০২ জন নিহত হয়েছেন। অন্যদিকে সিলেট বিভাগে সর্বনিম্ন ১২টি দুর্ঘটনায় ১২ জন নিহত হন।
রাজধানী ঢাকায় ৩৬টি দুর্ঘটনায় ২৪ জন নিহত এবং ৬৭ জন আহত হয়েছেন।
গত এপ্রিল মাসে সড়ক, নৌ ও রেলপথে মোট ৫০৪টি দুর্ঘটনায় ৪৩৪ জন নিহত এবং ৭৩৭ জন আহত হয়েছেন। রোড সেফটি ফাউন্ডেশন-এর এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
সংগঠনটি ৯টি জাতীয় দৈনিক, ১৭টি অনলাইন সংবাদমাধ্যম, বিভিন্ন ইলেকট্রনিক মিডিয়া ও নিজস্ব তথ্যের ভিত্তিতে এ প্রতিবেদন প্রস্তুত করেছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, এপ্রিল মাসে ১৪২টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ১১৩ জন নিহত হয়েছেন, যা মোট মৃত্যুর ২৭.৯৭ শতাংশ। মোট দুর্ঘটনার মধ্যে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার হার ৩০.৬৬ শতাংশ। এছাড়া ১০২ জন পথচারী নিহত হয়েছেন, যা মোট মৃত্যুর ২৫.২৪ শতাংশ। এ ছাড়া চালক ও তাদের সহকারীদের মধ্যে ৪৬ জন নিহত হয়েছেন, যা মোট মৃত্যুর ১১.৩৮ শতাংশ।
বিভাগভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, ঢাকা বিভাগে সবচেয়ে বেশি ২৩.৫৪ শতাংশ দুর্ঘটনা এবং ২৫.২৪ শতাংশ প্রাণহানি ঘটেছে। চট্টগ্রাম বিভাগে দুর্ঘটনা ২২.৪৬ শতাংশ ও প্রাণহানি ২৩.২৬ শতাংশ। রাজশাহী বিভাগে দুর্ঘটনা ১১ শতাংশ ও প্রাণহানি ১০.৩৯ শতাংশ, খুলনা বিভাগে দুর্ঘটনা ১৩.১৭ শতাংশ ও প্রাণহানি ১২.৩৭ শতাংশ। রংপুর বিভাগে দুর্ঘটনা ১২.৭৪ শতাংশ হলেও প্রাণহানি তুলনামূলক বেশি—১৫.০৯ শতাংশ।
অন্যদিকে বরিশাল বিভাগে দুর্ঘটনা ৬.৯১ শতাংশ ও প্রাণহানি ৫.৯৪ শতাংশ, ময়মনসিংহ বিভাগে দুর্ঘটনা ৫.৩৯ শতাংশ ও প্রাণহানি ৪.৭০ শতাংশ এবং সিলেট বিভাগে সবচেয়ে কম ২.৫৯ শতাংশ দুর্ঘটনায় ২.৯৭ শতাংশ প্রাণহানি হয়েছে।
ঢাকা বিভাগে সর্বোচ্চ ১০৯টি দুর্ঘটনায় ১০২ জন নিহত হয়েছেন। অন্যদিকে সিলেট বিভাগে সর্বনিম্ন ১২টি দুর্ঘটনায় ১২ জন নিহত হন।
রাজধানী ঢাকায় ৩৬টি দুর্ঘটনায় ২৪ জন নিহত এবং ৬৭ জন আহত হয়েছেন।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!