
দেশের সব জেলা পর্যায়ের স্টেডিয়াম ও সুইমিং কমপ্লেক্স সংস্কারের মাধ্যমে আবারও সচল করার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। তিনি বলেছেন, দীর্ঘদিন ব্যবহার না হওয়া এবং অকার্যকারিতার কারণে এসব ক্রীড়া অবকাঠামোতে যে সংস্কার প্রয়োজন, সরকার তা বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে।
তিনি স্পষ্ট করে বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে এসব স্টেডিয়াম কোনো ধরনের মেলা বা অন্য উদ্দেশ্যে ব্যবহারের জন্য অনুমোদন দেয়া হয়নি। ভবিষ্যতেও ক্রীড়া অবকাঠামোতে কোনো মেলা বসতে দেয়া হবে না বলে তিনি জানান।
বুধবার (৬ মে) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনের চতুর্থ দিনের প্রথম অধিবেশন শেষে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী জানান, জেলা পর্যায়ের অনেক স্টেডিয়াম ও সুইমিং কমপ্লেক্স দীর্ঘদিন ধরে যথাযথভাবে ব্যবহার হয়নি। ফলে সেগুলো পুনরায় ব্যবহার উপযোগী করতে সংস্কারের কাজ করা হবে। সরকারের লক্ষ্য হলো এসব ক্রীড়া স্থাপনা কার্যকর করে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে প্রতিভাবান খেলোয়াড় খুঁজে বের করা এবং তাদের বিকাশের সুযোগ তৈরি করা।
তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকার যুব ও খেলাধুলা খাতে একাধিক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এর মধ্যে যুবকদের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে ফ্রিল্যান্সিং, মোবাইল সার্ভিসিংসহ বিভিন্ন দক্ষতা উন্নয়নমূলক কার্যক্রম চালু রয়েছে। একই সঙ্গে বেশ কিছু প্রকল্প ইতোমধ্যে বাস্তবায়নাধীন রয়েছে এবং সেগুলোর দ্রুত ও সঠিক বাস্তবায়নে জেলা প্রশাসকদের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

দেশের সব জেলা পর্যায়ের স্টেডিয়াম ও সুইমিং কমপ্লেক্স সংস্কারের মাধ্যমে আবারও সচল করার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। তিনি বলেছেন, দীর্ঘদিন ব্যবহার না হওয়া এবং অকার্যকারিতার কারণে এসব ক্রীড়া অবকাঠামোতে যে সংস্কার প্রয়োজন, সরকার তা বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে।
তিনি স্পষ্ট করে বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে এসব স্টেডিয়াম কোনো ধরনের মেলা বা অন্য উদ্দেশ্যে ব্যবহারের জন্য অনুমোদন দেয়া হয়নি। ভবিষ্যতেও ক্রীড়া অবকাঠামোতে কোনো মেলা বসতে দেয়া হবে না বলে তিনি জানান।
বুধবার (৬ মে) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনের চতুর্থ দিনের প্রথম অধিবেশন শেষে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী জানান, জেলা পর্যায়ের অনেক স্টেডিয়াম ও সুইমিং কমপ্লেক্স দীর্ঘদিন ধরে যথাযথভাবে ব্যবহার হয়নি। ফলে সেগুলো পুনরায় ব্যবহার উপযোগী করতে সংস্কারের কাজ করা হবে। সরকারের লক্ষ্য হলো এসব ক্রীড়া স্থাপনা কার্যকর করে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে প্রতিভাবান খেলোয়াড় খুঁজে বের করা এবং তাদের বিকাশের সুযোগ তৈরি করা।
তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকার যুব ও খেলাধুলা খাতে একাধিক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এর মধ্যে যুবকদের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে ফ্রিল্যান্সিং, মোবাইল সার্ভিসিংসহ বিভিন্ন দক্ষতা উন্নয়নমূলক কার্যক্রম চালু রয়েছে। একই সঙ্গে বেশ কিছু প্রকল্প ইতোমধ্যে বাস্তবায়নাধীন রয়েছে এবং সেগুলোর দ্রুত ও সঠিক বাস্তবায়নে জেলা প্রশাসকদের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

দেশের সব জেলা পর্যায়ের স্টেডিয়াম ও সুইমিং কমপ্লেক্স সংস্কারের মাধ্যমে আবারও সচল করার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। তিনি বলেছেন, দীর্ঘদিন ব্যবহার না হওয়া এবং অকার্যকারিতার কারণে এসব ক্রীড়া অবকাঠামোতে যে সংস্কার প্রয়োজন, সরকার তা বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে।
তিনি স্পষ্ট করে বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে এসব স্টেডিয়াম কোনো ধরনের মেলা বা অন্য উদ্দেশ্যে ব্যবহারের জন্য অনুমোদন দেয়া হয়নি। ভবিষ্যতেও ক্রীড়া অবকাঠামোতে কোনো মেলা বসতে দেয়া হবে না বলে তিনি জানান।
বুধবার (৬ মে) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনের চতুর্থ দিনের প্রথম অধিবেশন শেষে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী জানান, জেলা পর্যায়ের অনেক স্টেডিয়াম ও সুইমিং কমপ্লেক্স দীর্ঘদিন ধরে যথাযথভাবে ব্যবহার হয়নি। ফলে সেগুলো পুনরায় ব্যবহার উপযোগী করতে সংস্কারের কাজ করা হবে। সরকারের লক্ষ্য হলো এসব ক্রীড়া স্থাপনা কার্যকর করে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে প্রতিভাবান খেলোয়াড় খুঁজে বের করা এবং তাদের বিকাশের সুযোগ তৈরি করা।
তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকার যুব ও খেলাধুলা খাতে একাধিক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এর মধ্যে যুবকদের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে ফ্রিল্যান্সিং, মোবাইল সার্ভিসিংসহ বিভিন্ন দক্ষতা উন্নয়নমূলক কার্যক্রম চালু রয়েছে। একই সঙ্গে বেশ কিছু প্রকল্প ইতোমধ্যে বাস্তবায়নাধীন রয়েছে এবং সেগুলোর দ্রুত ও সঠিক বাস্তবায়নে জেলা প্রশাসকদের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

দেশের সব জেলা পর্যায়ের স্টেডিয়াম ও সুইমিং কমপ্লেক্স সংস্কারের মাধ্যমে আবারও সচল করার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। তিনি বলেছেন, দীর্ঘদিন ব্যবহার না হওয়া এবং অকার্যকারিতার কারণে এসব ক্রীড়া অবকাঠামোতে যে সংস্কার প্রয়োজন, সরকার তা বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে।
তিনি স্পষ্ট করে বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে এসব স্টেডিয়াম কোনো ধরনের মেলা বা অন্য উদ্দেশ্যে ব্যবহারের জন্য অনুমোদন দেয়া হয়নি। ভবিষ্যতেও ক্রীড়া অবকাঠামোতে কোনো মেলা বসতে দেয়া হবে না বলে তিনি জানান।
বুধবার (৬ মে) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনের চতুর্থ দিনের প্রথম অধিবেশন শেষে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী জানান, জেলা পর্যায়ের অনেক স্টেডিয়াম ও সুইমিং কমপ্লেক্স দীর্ঘদিন ধরে যথাযথভাবে ব্যবহার হয়নি। ফলে সেগুলো পুনরায় ব্যবহার উপযোগী করতে সংস্কারের কাজ করা হবে। সরকারের লক্ষ্য হলো এসব ক্রীড়া স্থাপনা কার্যকর করে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে প্রতিভাবান খেলোয়াড় খুঁজে বের করা এবং তাদের বিকাশের সুযোগ তৈরি করা।
তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকার যুব ও খেলাধুলা খাতে একাধিক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এর মধ্যে যুবকদের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে ফ্রিল্যান্সিং, মোবাইল সার্ভিসিংসহ বিভিন্ন দক্ষতা উন্নয়নমূলক কার্যক্রম চালু রয়েছে। একই সঙ্গে বেশ কিছু প্রকল্প ইতোমধ্যে বাস্তবায়নাধীন রয়েছে এবং সেগুলোর দ্রুত ও সঠিক বাস্তবায়নে জেলা প্রশাসকদের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!