
নেত্রকোণার মদন উপজেলায় ১১ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণ ও অন্তঃসত্ত্বা করার ঘটনায় অভিযুক্ত মাদ্রাসাশিক্ষক আমানুল্লাহ মাহমুদী সাগরকে আটক করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন।
বুধবার (৬ মে) ময়মনসিংহের গৌরীপুর এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।
মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম বলেন, র্যাব-১৪-এর একটি দল সাগর (৩০)-কে আটক করেছে। তবে এখনো তাকে থানায় হস্তান্তর করা হয়নি; সন্ধ্যার মধ্যে পুলিশের কাছে হস্তান্তরের কথা রয়েছে।
র্যাব-১৪-এর অধিনায়ক নাইমুল হাসান জানিয়েছেন, এ বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে দুপুরে ময়মনসিংহে সংবাদ সম্মেলন করা হবে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত শিক্ষক প্রায় চার বছর আগে একটি মহিলা কওমি মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেন। ভুক্তভোগী শিশুটি নানার বাড়িতে থেকে সেখানে পড়াশোনা করত। পারিবারিক সংকটের কারণে তার মা সিলেটে গৃহকর্মীর কাজ করতেন।
সম্প্রতি শিশুটির শারীরিক পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেলে বিষয়টি পরিবারকে জানানো হয়। পরে গত ১৮ এপ্রিল মদন উপজেলার একটি ক্লিনিকে পরীক্ষার পর চিকিৎসক তাকে অন্তঃসত্ত্বা বলে নিশ্চিত করেন। এ ঘটনায় শিশুটির মা থানায় মামলা দায়ের করলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করে।
এদিকে, অভিযুক্ত সাগর গতকাল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লাইভে এসে নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন এবং অনাগত সন্তানের পিতৃত্ব শনাক্তে ডিএনএ পরীক্ষার দাবি জানান।

নেত্রকোণার মদন উপজেলায় ১১ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণ ও অন্তঃসত্ত্বা করার ঘটনায় অভিযুক্ত মাদ্রাসাশিক্ষক আমানুল্লাহ মাহমুদী সাগরকে আটক করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন।
বুধবার (৬ মে) ময়মনসিংহের গৌরীপুর এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।
মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম বলেন, র্যাব-১৪-এর একটি দল সাগর (৩০)-কে আটক করেছে। তবে এখনো তাকে থানায় হস্তান্তর করা হয়নি; সন্ধ্যার মধ্যে পুলিশের কাছে হস্তান্তরের কথা রয়েছে।
র্যাব-১৪-এর অধিনায়ক নাইমুল হাসান জানিয়েছেন, এ বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে দুপুরে ময়মনসিংহে সংবাদ সম্মেলন করা হবে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত শিক্ষক প্রায় চার বছর আগে একটি মহিলা কওমি মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেন। ভুক্তভোগী শিশুটি নানার বাড়িতে থেকে সেখানে পড়াশোনা করত। পারিবারিক সংকটের কারণে তার মা সিলেটে গৃহকর্মীর কাজ করতেন।
সম্প্রতি শিশুটির শারীরিক পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেলে বিষয়টি পরিবারকে জানানো হয়। পরে গত ১৮ এপ্রিল মদন উপজেলার একটি ক্লিনিকে পরীক্ষার পর চিকিৎসক তাকে অন্তঃসত্ত্বা বলে নিশ্চিত করেন। এ ঘটনায় শিশুটির মা থানায় মামলা দায়ের করলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করে।
এদিকে, অভিযুক্ত সাগর গতকাল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লাইভে এসে নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন এবং অনাগত সন্তানের পিতৃত্ব শনাক্তে ডিএনএ পরীক্ষার দাবি জানান।

নেত্রকোণার মদন উপজেলায় ১১ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণ ও অন্তঃসত্ত্বা করার ঘটনায় অভিযুক্ত মাদ্রাসাশিক্ষক আমানুল্লাহ মাহমুদী সাগরকে আটক করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন।
বুধবার (৬ মে) ময়মনসিংহের গৌরীপুর এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।
মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম বলেন, র্যাব-১৪-এর একটি দল সাগর (৩০)-কে আটক করেছে। তবে এখনো তাকে থানায় হস্তান্তর করা হয়নি; সন্ধ্যার মধ্যে পুলিশের কাছে হস্তান্তরের কথা রয়েছে।
র্যাব-১৪-এর অধিনায়ক নাইমুল হাসান জানিয়েছেন, এ বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে দুপুরে ময়মনসিংহে সংবাদ সম্মেলন করা হবে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত শিক্ষক প্রায় চার বছর আগে একটি মহিলা কওমি মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেন। ভুক্তভোগী শিশুটি নানার বাড়িতে থেকে সেখানে পড়াশোনা করত। পারিবারিক সংকটের কারণে তার মা সিলেটে গৃহকর্মীর কাজ করতেন।
সম্প্রতি শিশুটির শারীরিক পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেলে বিষয়টি পরিবারকে জানানো হয়। পরে গত ১৮ এপ্রিল মদন উপজেলার একটি ক্লিনিকে পরীক্ষার পর চিকিৎসক তাকে অন্তঃসত্ত্বা বলে নিশ্চিত করেন। এ ঘটনায় শিশুটির মা থানায় মামলা দায়ের করলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করে।
এদিকে, অভিযুক্ত সাগর গতকাল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লাইভে এসে নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন এবং অনাগত সন্তানের পিতৃত্ব শনাক্তে ডিএনএ পরীক্ষার দাবি জানান।

নেত্রকোণার মদন উপজেলায় ১১ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণ ও অন্তঃসত্ত্বা করার ঘটনায় অভিযুক্ত মাদ্রাসাশিক্ষক আমানুল্লাহ মাহমুদী সাগরকে আটক করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন।
বুধবার (৬ মে) ময়মনসিংহের গৌরীপুর এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।
মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম বলেন, র্যাব-১৪-এর একটি দল সাগর (৩০)-কে আটক করেছে। তবে এখনো তাকে থানায় হস্তান্তর করা হয়নি; সন্ধ্যার মধ্যে পুলিশের কাছে হস্তান্তরের কথা রয়েছে।
র্যাব-১৪-এর অধিনায়ক নাইমুল হাসান জানিয়েছেন, এ বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে দুপুরে ময়মনসিংহে সংবাদ সম্মেলন করা হবে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত শিক্ষক প্রায় চার বছর আগে একটি মহিলা কওমি মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেন। ভুক্তভোগী শিশুটি নানার বাড়িতে থেকে সেখানে পড়াশোনা করত। পারিবারিক সংকটের কারণে তার মা সিলেটে গৃহকর্মীর কাজ করতেন।
সম্প্রতি শিশুটির শারীরিক পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেলে বিষয়টি পরিবারকে জানানো হয়। পরে গত ১৮ এপ্রিল মদন উপজেলার একটি ক্লিনিকে পরীক্ষার পর চিকিৎসক তাকে অন্তঃসত্ত্বা বলে নিশ্চিত করেন। এ ঘটনায় শিশুটির মা থানায় মামলা দায়ের করলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করে।
এদিকে, অভিযুক্ত সাগর গতকাল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লাইভে এসে নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন এবং অনাগত সন্তানের পিতৃত্ব শনাক্তে ডিএনএ পরীক্ষার দাবি জানান।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!