ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ আমলে দেওয়া অস্ত্রের লাইসেন্সগুলো যাচাই-বাছাই করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহ উদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, ২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত রাজনৈতিক ও দলীয় বিবেচনায় অনেক অস্ত্রের লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে। এসব লাইসেন্স ফেরত না দিয়ে যাচাইয়ের জন্য ডিসিদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (৬ মে) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তন-এ জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) সঙ্গে মতবিনিময় শেষে তিনি এ তথ্য জানান।
তিনি আরও জানান, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে লাইসেন্সকৃত অস্ত্র জমা নেওয়া হয়েছিল, তবে এখনো অনেক অস্ত্র ফেরত দেওয়া হয়নি। দ্রুত সেগুলো ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্বাচনের আগে নির্দেশনা সত্ত্বেও প্রায় ১০ হাজার লাইসেন্সকৃত অস্ত্র জমা পড়েনি-সেগুলো উদ্ধারে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। একইসঙ্গে সংশ্লিষ্ট লাইসেন্সধারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর দায়ের হওয়া মামলাগুলো যাচাই করে এক মাসের মধ্যে তালিকা মন্ত্রণালয়ে পাঠাতে বলা হয়েছে। এসব মামলা সরাসরি নিষ্পত্তি না করে আইন মন্ত্রণালয়ের মতামতের ভিত্তিতে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ৫ আগস্টের পরে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বেশকিছু মামলা হয়েছে, যেগুলো গণহত্যার মামলা এবং আওয়ামী ফ্যাসিবাদী বিভিন্ন মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলা। আমরা তাদের (ডিসি) কাছে তালিকা চেয়েছি জেলা পর্যায়ে যে জেলাওয়ারি কতগুলো মামলা সে রকম দাখিল হয়েছে। এগুলো রিমোট ডিস্ট্রিক্টগুলোতে হয়তো কম, কিন্তু মহানগরগুলোতে সংখ্যা একটু বেশি। তাতে আমরা যাচাই-বাছাই করে দেখব যেন আপনারা সবাই জানেন অনেক মামলার মধ্যে হাজার হাজার লোককে আসামি করা হয়েছে। সেগুলো আমরা যাচাই-বাছাই করে দেখব প্রকৃত অর্থে প্রকৃত আসামি কারা, সেটা তদন্ত কর্মকর্তারা তদন্ত করে দেখবেন এবং যেন স্বল্প সময়ের ভেতরে ডিসপোজ অব (নিষ্পত্তি) করতে পারে।
তিনি বলেন, যাদের উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মামলায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে তাদের যেন নিষ্কৃতি দেয় সেই সুপারিশ আমরা করেছি। তবে এটা আইনানুগভাবেই হবে, আইনি প্রক্রিয়ায় হবে।
এছাড়া অনলাইন জুয়া ও মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে সড়ক ও মহাসড়কের পাশে পশুর হাট না বসানোর বিষয়েও কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ফেরিতে যানবাহন ওঠানামার সময় যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।
ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ আমলে দেওয়া অস্ত্রের লাইসেন্সগুলো যাচাই-বাছাই করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহ উদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, ২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত রাজনৈতিক ও দলীয় বিবেচনায় অনেক অস্ত্রের লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে। এসব লাইসেন্স ফেরত না দিয়ে যাচাইয়ের জন্য ডিসিদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (৬ মে) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তন-এ জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) সঙ্গে মতবিনিময় শেষে তিনি এ তথ্য জানান।
তিনি আরও জানান, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে লাইসেন্সকৃত অস্ত্র জমা নেওয়া হয়েছিল, তবে এখনো অনেক অস্ত্র ফেরত দেওয়া হয়নি। দ্রুত সেগুলো ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্বাচনের আগে নির্দেশনা সত্ত্বেও প্রায় ১০ হাজার লাইসেন্সকৃত অস্ত্র জমা পড়েনি-সেগুলো উদ্ধারে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। একইসঙ্গে সংশ্লিষ্ট লাইসেন্সধারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর দায়ের হওয়া মামলাগুলো যাচাই করে এক মাসের মধ্যে তালিকা মন্ত্রণালয়ে পাঠাতে বলা হয়েছে। এসব মামলা সরাসরি নিষ্পত্তি না করে আইন মন্ত্রণালয়ের মতামতের ভিত্তিতে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ৫ আগস্টের পরে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বেশকিছু মামলা হয়েছে, যেগুলো গণহত্যার মামলা এবং আওয়ামী ফ্যাসিবাদী বিভিন্ন মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলা। আমরা তাদের (ডিসি) কাছে তালিকা চেয়েছি জেলা পর্যায়ে যে জেলাওয়ারি কতগুলো মামলা সে রকম দাখিল হয়েছে। এগুলো রিমোট ডিস্ট্রিক্টগুলোতে হয়তো কম, কিন্তু মহানগরগুলোতে সংখ্যা একটু বেশি। তাতে আমরা যাচাই-বাছাই করে দেখব যেন আপনারা সবাই জানেন অনেক মামলার মধ্যে হাজার হাজার লোককে আসামি করা হয়েছে। সেগুলো আমরা যাচাই-বাছাই করে দেখব প্রকৃত অর্থে প্রকৃত আসামি কারা, সেটা তদন্ত কর্মকর্তারা তদন্ত করে দেখবেন এবং যেন স্বল্প সময়ের ভেতরে ডিসপোজ অব (নিষ্পত্তি) করতে পারে।
তিনি বলেন, যাদের উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মামলায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে তাদের যেন নিষ্কৃতি দেয় সেই সুপারিশ আমরা করেছি। তবে এটা আইনানুগভাবেই হবে, আইনি প্রক্রিয়ায় হবে।
এছাড়া অনলাইন জুয়া ও মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে সড়ক ও মহাসড়কের পাশে পশুর হাট না বসানোর বিষয়েও কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ফেরিতে যানবাহন ওঠানামার সময় যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।
ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ আমলে দেওয়া অস্ত্রের লাইসেন্সগুলো যাচাই-বাছাই করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহ উদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, ২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত রাজনৈতিক ও দলীয় বিবেচনায় অনেক অস্ত্রের লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে। এসব লাইসেন্স ফেরত না দিয়ে যাচাইয়ের জন্য ডিসিদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (৬ মে) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তন-এ জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) সঙ্গে মতবিনিময় শেষে তিনি এ তথ্য জানান।
তিনি আরও জানান, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে লাইসেন্সকৃত অস্ত্র জমা নেওয়া হয়েছিল, তবে এখনো অনেক অস্ত্র ফেরত দেওয়া হয়নি। দ্রুত সেগুলো ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্বাচনের আগে নির্দেশনা সত্ত্বেও প্রায় ১০ হাজার লাইসেন্সকৃত অস্ত্র জমা পড়েনি-সেগুলো উদ্ধারে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। একইসঙ্গে সংশ্লিষ্ট লাইসেন্সধারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর দায়ের হওয়া মামলাগুলো যাচাই করে এক মাসের মধ্যে তালিকা মন্ত্রণালয়ে পাঠাতে বলা হয়েছে। এসব মামলা সরাসরি নিষ্পত্তি না করে আইন মন্ত্রণালয়ের মতামতের ভিত্তিতে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ৫ আগস্টের পরে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বেশকিছু মামলা হয়েছে, যেগুলো গণহত্যার মামলা এবং আওয়ামী ফ্যাসিবাদী বিভিন্ন মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলা। আমরা তাদের (ডিসি) কাছে তালিকা চেয়েছি জেলা পর্যায়ে যে জেলাওয়ারি কতগুলো মামলা সে রকম দাখিল হয়েছে। এগুলো রিমোট ডিস্ট্রিক্টগুলোতে হয়তো কম, কিন্তু মহানগরগুলোতে সংখ্যা একটু বেশি। তাতে আমরা যাচাই-বাছাই করে দেখব যেন আপনারা সবাই জানেন অনেক মামলার মধ্যে হাজার হাজার লোককে আসামি করা হয়েছে। সেগুলো আমরা যাচাই-বাছাই করে দেখব প্রকৃত অর্থে প্রকৃত আসামি কারা, সেটা তদন্ত কর্মকর্তারা তদন্ত করে দেখবেন এবং যেন স্বল্প সময়ের ভেতরে ডিসপোজ অব (নিষ্পত্তি) করতে পারে।
তিনি বলেন, যাদের উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মামলায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে তাদের যেন নিষ্কৃতি দেয় সেই সুপারিশ আমরা করেছি। তবে এটা আইনানুগভাবেই হবে, আইনি প্রক্রিয়ায় হবে।
এছাড়া অনলাইন জুয়া ও মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে সড়ক ও মহাসড়কের পাশে পশুর হাট না বসানোর বিষয়েও কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ফেরিতে যানবাহন ওঠানামার সময় যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।
ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ আমলে দেওয়া অস্ত্রের লাইসেন্সগুলো যাচাই-বাছাই করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহ উদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, ২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত রাজনৈতিক ও দলীয় বিবেচনায় অনেক অস্ত্রের লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে। এসব লাইসেন্স ফেরত না দিয়ে যাচাইয়ের জন্য ডিসিদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (৬ মে) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তন-এ জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) সঙ্গে মতবিনিময় শেষে তিনি এ তথ্য জানান।
তিনি আরও জানান, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে লাইসেন্সকৃত অস্ত্র জমা নেওয়া হয়েছিল, তবে এখনো অনেক অস্ত্র ফেরত দেওয়া হয়নি। দ্রুত সেগুলো ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্বাচনের আগে নির্দেশনা সত্ত্বেও প্রায় ১০ হাজার লাইসেন্সকৃত অস্ত্র জমা পড়েনি-সেগুলো উদ্ধারে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। একইসঙ্গে সংশ্লিষ্ট লাইসেন্সধারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর দায়ের হওয়া মামলাগুলো যাচাই করে এক মাসের মধ্যে তালিকা মন্ত্রণালয়ে পাঠাতে বলা হয়েছে। এসব মামলা সরাসরি নিষ্পত্তি না করে আইন মন্ত্রণালয়ের মতামতের ভিত্তিতে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ৫ আগস্টের পরে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বেশকিছু মামলা হয়েছে, যেগুলো গণহত্যার মামলা এবং আওয়ামী ফ্যাসিবাদী বিভিন্ন মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলা। আমরা তাদের (ডিসি) কাছে তালিকা চেয়েছি জেলা পর্যায়ে যে জেলাওয়ারি কতগুলো মামলা সে রকম দাখিল হয়েছে। এগুলো রিমোট ডিস্ট্রিক্টগুলোতে হয়তো কম, কিন্তু মহানগরগুলোতে সংখ্যা একটু বেশি। তাতে আমরা যাচাই-বাছাই করে দেখব যেন আপনারা সবাই জানেন অনেক মামলার মধ্যে হাজার হাজার লোককে আসামি করা হয়েছে। সেগুলো আমরা যাচাই-বাছাই করে দেখব প্রকৃত অর্থে প্রকৃত আসামি কারা, সেটা তদন্ত কর্মকর্তারা তদন্ত করে দেখবেন এবং যেন স্বল্প সময়ের ভেতরে ডিসপোজ অব (নিষ্পত্তি) করতে পারে।
তিনি বলেন, যাদের উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মামলায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে তাদের যেন নিষ্কৃতি দেয় সেই সুপারিশ আমরা করেছি। তবে এটা আইনানুগভাবেই হবে, আইনি প্রক্রিয়ায় হবে।
এছাড়া অনলাইন জুয়া ও মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে সড়ক ও মহাসড়কের পাশে পশুর হাট না বসানোর বিষয়েও কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ফেরিতে যানবাহন ওঠানামার সময় যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!