জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এ বছর ২০ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে ‘স্বাধীনতা পুরস্কার–২০২৬’ প্রদানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ-এর অতিরিক্ত সচিব (কমিটি ও অর্থনৈতিক) হুমায়ুন কবিরের সই করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তালিকা প্রকাশ করা হয়।
এবারের পুরস্কারপ্রাপ্তদের তালিকায় আলোচিত নামগুলোর মধ্যে রয়েছেন উত্তরা মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় প্রাণ হারানো বীর শিক্ষিকা মাহেরীন চৌধুরী এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া। তারা দুজনই মরণোত্তর এই সম্মাননায় ভূষিত হচ্ছেন।
২০২৫ সালের জুলাইয়ে উত্তরার মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে ক্লাস চলাকালে একটি প্রশিক্ষণ বিমান ভবনে আছড়ে পড়ে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। সেই সংকটময় মুহূর্তে নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে শিক্ষার্থীদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে গিয়ে অগ্নিদগ্ধ হন শিক্ষিকা মাহেরীন চৌধুরী। পরে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট-এ চিকিৎসাধীন অবস্থায় সেদিন রাতেই তার মৃত্যু হয়।
নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার বগুলাগাড়ি চৌধুরীপাড়ার এই কৃতি সন্তানকে তার অসামান্য ত্যাগ ও মানবিকতার স্বীকৃতিস্বরূপ সমাজসেবা বা জনসেবা ক্ষেত্রে দেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা দেওয়া হচ্ছে।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, এ বছর ১৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও ৫টি প্রতিষ্ঠানকে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য মনোনীত করা হয়েছে। স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র রক্ষাসহ দেশগঠনে অবদানের জন্য খালেদা জিয়াকে মরণোত্তর সম্মাননা দেওয়া হচ্ছে। মুক্তিযুদ্ধ ক্ষেত্রে অবদানের জন্য মরণোত্তর সম্মাননা পাচ্ছেন মেজর মোহাম্মদ আবুল জলিল এবং প্রতিষ্ঠান হিসেবে ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে ড. জহুরুল করিম এবং চিকিৎসাবিদ্যায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-কে মনোনীত করা হয়েছে। সংস্কৃতিতে হানিফ সংকেত এবং মরণোত্তর সম্মাননায় কণ্ঠশিল্পী বশির আহমেদ নির্বাচিত হয়েছেন। সাহিত্যে ড. আশরাফ সিদ্দিকী (মরণোত্তর) এবং ক্রীড়ায় টেবিল টেনিস কিংবদন্তি জোবেরা রহমান লিনু এ পদক পাচ্ছেন।
সমাজসেবা ও জনসেবায় মাহেরীন চৌধুরীর পাশাপাশি মরণোত্তর সম্মাননা পাচ্ছেন ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী। এছাড়া রয়েছেন মো. সাইদুল হক, এস ও এস চিলড্রেনস ভিলেজ ইন্টারন্যাশনাল ইন বাংলাদেশ এবং গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র।
গবেষণা ও প্রশিক্ষণে অবদানের জন্য মোহাম্মদ আবদুল বাকী, ড. এম এ রহিম এবং ড. সুকোমল বড়ুয়া-কে মনোনীত করা হয়েছে। জনপ্রশাসনে মরণোত্তর সম্মাননা পাচ্ছেন কাজী ফজলুর রহমান। পল্লী উন্নয়নে পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন এবং পরিবেশ সংরক্ষণে আবদুল মুকিত মজুমদার (মুকিত মজুমদার বাবু) মনোনীত হয়েছেন।
উল্লেখ্য, স্বাধীনতা পুরস্কার বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক রাষ্ট্রীয় সম্মাননা। প্রতি বছর ২৬ মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে এই পদক প্রদান করা হয়। পুরস্কারপ্রাপ্তদের সাধারণত একটি স্বর্ণপদক, সম্মাননা সনদ এবং নগদ অর্থ প্রদান করা হয়।
জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এ বছর ২০ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে ‘স্বাধীনতা পুরস্কার–২০২৬’ প্রদানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ-এর অতিরিক্ত সচিব (কমিটি ও অর্থনৈতিক) হুমায়ুন কবিরের সই করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তালিকা প্রকাশ করা হয়।
এবারের পুরস্কারপ্রাপ্তদের তালিকায় আলোচিত নামগুলোর মধ্যে রয়েছেন উত্তরা মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় প্রাণ হারানো বীর শিক্ষিকা মাহেরীন চৌধুরী এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া। তারা দুজনই মরণোত্তর এই সম্মাননায় ভূষিত হচ্ছেন।
২০২৫ সালের জুলাইয়ে উত্তরার মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে ক্লাস চলাকালে একটি প্রশিক্ষণ বিমান ভবনে আছড়ে পড়ে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। সেই সংকটময় মুহূর্তে নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে শিক্ষার্থীদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে গিয়ে অগ্নিদগ্ধ হন শিক্ষিকা মাহেরীন চৌধুরী। পরে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট-এ চিকিৎসাধীন অবস্থায় সেদিন রাতেই তার মৃত্যু হয়।
নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার বগুলাগাড়ি চৌধুরীপাড়ার এই কৃতি সন্তানকে তার অসামান্য ত্যাগ ও মানবিকতার স্বীকৃতিস্বরূপ সমাজসেবা বা জনসেবা ক্ষেত্রে দেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা দেওয়া হচ্ছে।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, এ বছর ১৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও ৫টি প্রতিষ্ঠানকে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য মনোনীত করা হয়েছে। স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র রক্ষাসহ দেশগঠনে অবদানের জন্য খালেদা জিয়াকে মরণোত্তর সম্মাননা দেওয়া হচ্ছে। মুক্তিযুদ্ধ ক্ষেত্রে অবদানের জন্য মরণোত্তর সম্মাননা পাচ্ছেন মেজর মোহাম্মদ আবুল জলিল এবং প্রতিষ্ঠান হিসেবে ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে ড. জহুরুল করিম এবং চিকিৎসাবিদ্যায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-কে মনোনীত করা হয়েছে। সংস্কৃতিতে হানিফ সংকেত এবং মরণোত্তর সম্মাননায় কণ্ঠশিল্পী বশির আহমেদ নির্বাচিত হয়েছেন। সাহিত্যে ড. আশরাফ সিদ্দিকী (মরণোত্তর) এবং ক্রীড়ায় টেবিল টেনিস কিংবদন্তি জোবেরা রহমান লিনু এ পদক পাচ্ছেন।
সমাজসেবা ও জনসেবায় মাহেরীন চৌধুরীর পাশাপাশি মরণোত্তর সম্মাননা পাচ্ছেন ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী। এছাড়া রয়েছেন মো. সাইদুল হক, এস ও এস চিলড্রেনস ভিলেজ ইন্টারন্যাশনাল ইন বাংলাদেশ এবং গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র।
গবেষণা ও প্রশিক্ষণে অবদানের জন্য মোহাম্মদ আবদুল বাকী, ড. এম এ রহিম এবং ড. সুকোমল বড়ুয়া-কে মনোনীত করা হয়েছে। জনপ্রশাসনে মরণোত্তর সম্মাননা পাচ্ছেন কাজী ফজলুর রহমান। পল্লী উন্নয়নে পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন এবং পরিবেশ সংরক্ষণে আবদুল মুকিত মজুমদার (মুকিত মজুমদার বাবু) মনোনীত হয়েছেন।
উল্লেখ্য, স্বাধীনতা পুরস্কার বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক রাষ্ট্রীয় সম্মাননা। প্রতি বছর ২৬ মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে এই পদক প্রদান করা হয়। পুরস্কারপ্রাপ্তদের সাধারণত একটি স্বর্ণপদক, সম্মাননা সনদ এবং নগদ অর্থ প্রদান করা হয়।
জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এ বছর ২০ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে ‘স্বাধীনতা পুরস্কার–২০২৬’ প্রদানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ-এর অতিরিক্ত সচিব (কমিটি ও অর্থনৈতিক) হুমায়ুন কবিরের সই করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তালিকা প্রকাশ করা হয়।
এবারের পুরস্কারপ্রাপ্তদের তালিকায় আলোচিত নামগুলোর মধ্যে রয়েছেন উত্তরা মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় প্রাণ হারানো বীর শিক্ষিকা মাহেরীন চৌধুরী এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া। তারা দুজনই মরণোত্তর এই সম্মাননায় ভূষিত হচ্ছেন।
২০২৫ সালের জুলাইয়ে উত্তরার মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে ক্লাস চলাকালে একটি প্রশিক্ষণ বিমান ভবনে আছড়ে পড়ে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। সেই সংকটময় মুহূর্তে নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে শিক্ষার্থীদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে গিয়ে অগ্নিদগ্ধ হন শিক্ষিকা মাহেরীন চৌধুরী। পরে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট-এ চিকিৎসাধীন অবস্থায় সেদিন রাতেই তার মৃত্যু হয়।
নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার বগুলাগাড়ি চৌধুরীপাড়ার এই কৃতি সন্তানকে তার অসামান্য ত্যাগ ও মানবিকতার স্বীকৃতিস্বরূপ সমাজসেবা বা জনসেবা ক্ষেত্রে দেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা দেওয়া হচ্ছে।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, এ বছর ১৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও ৫টি প্রতিষ্ঠানকে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য মনোনীত করা হয়েছে। স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র রক্ষাসহ দেশগঠনে অবদানের জন্য খালেদা জিয়াকে মরণোত্তর সম্মাননা দেওয়া হচ্ছে। মুক্তিযুদ্ধ ক্ষেত্রে অবদানের জন্য মরণোত্তর সম্মাননা পাচ্ছেন মেজর মোহাম্মদ আবুল জলিল এবং প্রতিষ্ঠান হিসেবে ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে ড. জহুরুল করিম এবং চিকিৎসাবিদ্যায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-কে মনোনীত করা হয়েছে। সংস্কৃতিতে হানিফ সংকেত এবং মরণোত্তর সম্মাননায় কণ্ঠশিল্পী বশির আহমেদ নির্বাচিত হয়েছেন। সাহিত্যে ড. আশরাফ সিদ্দিকী (মরণোত্তর) এবং ক্রীড়ায় টেবিল টেনিস কিংবদন্তি জোবেরা রহমান লিনু এ পদক পাচ্ছেন।
সমাজসেবা ও জনসেবায় মাহেরীন চৌধুরীর পাশাপাশি মরণোত্তর সম্মাননা পাচ্ছেন ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী। এছাড়া রয়েছেন মো. সাইদুল হক, এস ও এস চিলড্রেনস ভিলেজ ইন্টারন্যাশনাল ইন বাংলাদেশ এবং গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র।
গবেষণা ও প্রশিক্ষণে অবদানের জন্য মোহাম্মদ আবদুল বাকী, ড. এম এ রহিম এবং ড. সুকোমল বড়ুয়া-কে মনোনীত করা হয়েছে। জনপ্রশাসনে মরণোত্তর সম্মাননা পাচ্ছেন কাজী ফজলুর রহমান। পল্লী উন্নয়নে পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন এবং পরিবেশ সংরক্ষণে আবদুল মুকিত মজুমদার (মুকিত মজুমদার বাবু) মনোনীত হয়েছেন।
উল্লেখ্য, স্বাধীনতা পুরস্কার বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক রাষ্ট্রীয় সম্মাননা। প্রতি বছর ২৬ মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে এই পদক প্রদান করা হয়। পুরস্কারপ্রাপ্তদের সাধারণত একটি স্বর্ণপদক, সম্মাননা সনদ এবং নগদ অর্থ প্রদান করা হয়।
জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এ বছর ২০ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে ‘স্বাধীনতা পুরস্কার–২০২৬’ প্রদানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ-এর অতিরিক্ত সচিব (কমিটি ও অর্থনৈতিক) হুমায়ুন কবিরের সই করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তালিকা প্রকাশ করা হয়।
এবারের পুরস্কারপ্রাপ্তদের তালিকায় আলোচিত নামগুলোর মধ্যে রয়েছেন উত্তরা মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় প্রাণ হারানো বীর শিক্ষিকা মাহেরীন চৌধুরী এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া। তারা দুজনই মরণোত্তর এই সম্মাননায় ভূষিত হচ্ছেন।
২০২৫ সালের জুলাইয়ে উত্তরার মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে ক্লাস চলাকালে একটি প্রশিক্ষণ বিমান ভবনে আছড়ে পড়ে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। সেই সংকটময় মুহূর্তে নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে শিক্ষার্থীদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে গিয়ে অগ্নিদগ্ধ হন শিক্ষিকা মাহেরীন চৌধুরী। পরে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট-এ চিকিৎসাধীন অবস্থায় সেদিন রাতেই তার মৃত্যু হয়।
নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার বগুলাগাড়ি চৌধুরীপাড়ার এই কৃতি সন্তানকে তার অসামান্য ত্যাগ ও মানবিকতার স্বীকৃতিস্বরূপ সমাজসেবা বা জনসেবা ক্ষেত্রে দেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা দেওয়া হচ্ছে।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, এ বছর ১৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও ৫টি প্রতিষ্ঠানকে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য মনোনীত করা হয়েছে। স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র রক্ষাসহ দেশগঠনে অবদানের জন্য খালেদা জিয়াকে মরণোত্তর সম্মাননা দেওয়া হচ্ছে। মুক্তিযুদ্ধ ক্ষেত্রে অবদানের জন্য মরণোত্তর সম্মাননা পাচ্ছেন মেজর মোহাম্মদ আবুল জলিল এবং প্রতিষ্ঠান হিসেবে ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে ড. জহুরুল করিম এবং চিকিৎসাবিদ্যায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-কে মনোনীত করা হয়েছে। সংস্কৃতিতে হানিফ সংকেত এবং মরণোত্তর সম্মাননায় কণ্ঠশিল্পী বশির আহমেদ নির্বাচিত হয়েছেন। সাহিত্যে ড. আশরাফ সিদ্দিকী (মরণোত্তর) এবং ক্রীড়ায় টেবিল টেনিস কিংবদন্তি জোবেরা রহমান লিনু এ পদক পাচ্ছেন।
সমাজসেবা ও জনসেবায় মাহেরীন চৌধুরীর পাশাপাশি মরণোত্তর সম্মাননা পাচ্ছেন ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী। এছাড়া রয়েছেন মো. সাইদুল হক, এস ও এস চিলড্রেনস ভিলেজ ইন্টারন্যাশনাল ইন বাংলাদেশ এবং গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র।
গবেষণা ও প্রশিক্ষণে অবদানের জন্য মোহাম্মদ আবদুল বাকী, ড. এম এ রহিম এবং ড. সুকোমল বড়ুয়া-কে মনোনীত করা হয়েছে। জনপ্রশাসনে মরণোত্তর সম্মাননা পাচ্ছেন কাজী ফজলুর রহমান। পল্লী উন্নয়নে পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন এবং পরিবেশ সংরক্ষণে আবদুল মুকিত মজুমদার (মুকিত মজুমদার বাবু) মনোনীত হয়েছেন।
উল্লেখ্য, স্বাধীনতা পুরস্কার বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক রাষ্ট্রীয় সম্মাননা। প্রতি বছর ২৬ মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে এই পদক প্রদান করা হয়। পুরস্কারপ্রাপ্তদের সাধারণত একটি স্বর্ণপদক, সম্মাননা সনদ এবং নগদ অর্থ প্রদান করা হয়।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!