জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বিশিষ্ট চিকিৎসক ও গণস্বাস্থ্য আন্দোলনের পথিকৃৎ ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী-কে এ বছর দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা মরণোত্তর ‘স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৬’ প্রদান করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি।
ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী দেশের স্বাস্থ্যসেবা খাতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে গেছেন। তিনি গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে স্বল্পমূল্যে চিকিৎসাসেবা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নেন। পাশাপাশি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় আহত মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিৎসাসেবায়ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
২০২৩ সালের ১১ এপ্রিল রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুতে দেশের চিকিৎসা ও জনস্বাস্থ্য আন্দোলনে এক শূন্যতা সৃষ্টি হয়েছে বলে বিভিন্ন মহল থেকে মন্তব্য করা হয়।
উল্লেখ্য, স্বাধীনতা পুরস্কার বাংলাদেশ সরকারের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের স্মরণে ১৯৭৭ সাল থেকে প্রতি বছর ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসে এই পদক প্রদান করা হয়ে আসছে।
জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বিশিষ্ট চিকিৎসক ও গণস্বাস্থ্য আন্দোলনের পথিকৃৎ ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী-কে এ বছর দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা মরণোত্তর ‘স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৬’ প্রদান করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি।
ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী দেশের স্বাস্থ্যসেবা খাতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে গেছেন। তিনি গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে স্বল্পমূল্যে চিকিৎসাসেবা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নেন। পাশাপাশি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় আহত মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিৎসাসেবায়ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
২০২৩ সালের ১১ এপ্রিল রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুতে দেশের চিকিৎসা ও জনস্বাস্থ্য আন্দোলনে এক শূন্যতা সৃষ্টি হয়েছে বলে বিভিন্ন মহল থেকে মন্তব্য করা হয়।
উল্লেখ্য, স্বাধীনতা পুরস্কার বাংলাদেশ সরকারের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের স্মরণে ১৯৭৭ সাল থেকে প্রতি বছর ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসে এই পদক প্রদান করা হয়ে আসছে।
জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বিশিষ্ট চিকিৎসক ও গণস্বাস্থ্য আন্দোলনের পথিকৃৎ ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী-কে এ বছর দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা মরণোত্তর ‘স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৬’ প্রদান করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি।
ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী দেশের স্বাস্থ্যসেবা খাতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে গেছেন। তিনি গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে স্বল্পমূল্যে চিকিৎসাসেবা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নেন। পাশাপাশি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় আহত মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিৎসাসেবায়ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
২০২৩ সালের ১১ এপ্রিল রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুতে দেশের চিকিৎসা ও জনস্বাস্থ্য আন্দোলনে এক শূন্যতা সৃষ্টি হয়েছে বলে বিভিন্ন মহল থেকে মন্তব্য করা হয়।
উল্লেখ্য, স্বাধীনতা পুরস্কার বাংলাদেশ সরকারের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের স্মরণে ১৯৭৭ সাল থেকে প্রতি বছর ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসে এই পদক প্রদান করা হয়ে আসছে।
জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বিশিষ্ট চিকিৎসক ও গণস্বাস্থ্য আন্দোলনের পথিকৃৎ ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী-কে এ বছর দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা মরণোত্তর ‘স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৬’ প্রদান করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি।
ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী দেশের স্বাস্থ্যসেবা খাতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে গেছেন। তিনি গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে স্বল্পমূল্যে চিকিৎসাসেবা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নেন। পাশাপাশি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় আহত মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিৎসাসেবায়ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
২০২৩ সালের ১১ এপ্রিল রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুতে দেশের চিকিৎসা ও জনস্বাস্থ্য আন্দোলনে এক শূন্যতা সৃষ্টি হয়েছে বলে বিভিন্ন মহল থেকে মন্তব্য করা হয়।
উল্লেখ্য, স্বাধীনতা পুরস্কার বাংলাদেশ সরকারের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের স্মরণে ১৯৭৭ সাল থেকে প্রতি বছর ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসে এই পদক প্রদান করা হয়ে আসছে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!