
দেশের সব সরকারি অফিসে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ের লক্ষ্যে নতুন ১১ দফা নির্দেশনা জারি করেছে সরকার। এসব নির্দেশনার মধ্যে অফিসে অপ্রয়োজনীয় আলোকসজ্জা পরিহার এবং বিদ্যুৎ ব্যবহারে সংযমের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ নির্দেশনা সংবলিত চিঠি সব সিনিয়র সচিব/সচিব, বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকদের কাছে পাঠানো হয়েছে।
চিঠিতে বলা হয়েছে, বর্তমান বৈশ্বিক সংকটের প্রেক্ষাপটে জাতীয় পর্যায়ে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয় করা জরুরি। তাই সব সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, সংবিধিবদ্ধ সংস্থা ও কর্পোরেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী ও দায়িত্বশীল আচরণ নিশ্চিত করতে হবে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জারি করা ১১টি নির্দেশনা হলো—
১. দিনের বেলায় পর্যাপ্ত প্রাকৃতিক আলো থাকলে বৈদ্যুতিক বাতি ব্যবহার না করে জানালা, দরজা বা ব্লাইন্ড খুলে প্রাকৃতিক আলো ব্যবহার করতে হবে। ২. ব্যবহৃত আলোর অর্ধেক ব্যবহার করতে হবে এবং প্রয়োজনের অতিরিক্ত লাইট ব্যবহার করা যাবে না। ৩. অফিস চলাকালে অপ্রয়োজনীয় লাইট, ফ্যান, এয়ার কন্ডিশনারসহ অন্যান্য বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি বন্ধ রাখতে হবে। ৪. এয়ার কন্ডিশনারের তাপমাত্রা ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তার বেশি রাখতে হবে। ৫. অফিস কক্ষ ত্যাগের সময় বাতি, ফ্যান, এয়ার কন্ডিশনারসহ সব বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম বন্ধ করতে হবে। ৬. করিডোর, সিঁড়ি ও ওয়াশরুমে অপ্রয়োজনীয় বাতি ব্যবহার বন্ধ রাখতে হবে। ৭. বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী যন্ত্রপাতি ব্যবহারে উৎসাহিত হতে হবে। ৮. অফিস সময় শেষে লাইট, ফ্যান, কম্পিউটার, প্রিন্টার, স্ক্যানার, এয়ার কন্ডিশনারসহ সব বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি বন্ধ রাখতে হবে। ৯. সব ধরনের আলোকসজ্জা পরিহার করতে হবে। ১০. সরকারি গাড়ির ব্যবহার সীমিত করতে হবে। ১১. জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী হতে হবে।
এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট সব দপ্তর ও সংস্থাকে নির্দেশনা দিতে অনুরোধ জানানো হয়েছে চিঠিতে।

দেশের সব সরকারি অফিসে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ের লক্ষ্যে নতুন ১১ দফা নির্দেশনা জারি করেছে সরকার। এসব নির্দেশনার মধ্যে অফিসে অপ্রয়োজনীয় আলোকসজ্জা পরিহার এবং বিদ্যুৎ ব্যবহারে সংযমের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ নির্দেশনা সংবলিত চিঠি সব সিনিয়র সচিব/সচিব, বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকদের কাছে পাঠানো হয়েছে।
চিঠিতে বলা হয়েছে, বর্তমান বৈশ্বিক সংকটের প্রেক্ষাপটে জাতীয় পর্যায়ে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয় করা জরুরি। তাই সব সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, সংবিধিবদ্ধ সংস্থা ও কর্পোরেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী ও দায়িত্বশীল আচরণ নিশ্চিত করতে হবে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জারি করা ১১টি নির্দেশনা হলো—
১. দিনের বেলায় পর্যাপ্ত প্রাকৃতিক আলো থাকলে বৈদ্যুতিক বাতি ব্যবহার না করে জানালা, দরজা বা ব্লাইন্ড খুলে প্রাকৃতিক আলো ব্যবহার করতে হবে। ২. ব্যবহৃত আলোর অর্ধেক ব্যবহার করতে হবে এবং প্রয়োজনের অতিরিক্ত লাইট ব্যবহার করা যাবে না। ৩. অফিস চলাকালে অপ্রয়োজনীয় লাইট, ফ্যান, এয়ার কন্ডিশনারসহ অন্যান্য বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি বন্ধ রাখতে হবে। ৪. এয়ার কন্ডিশনারের তাপমাত্রা ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তার বেশি রাখতে হবে। ৫. অফিস কক্ষ ত্যাগের সময় বাতি, ফ্যান, এয়ার কন্ডিশনারসহ সব বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম বন্ধ করতে হবে। ৬. করিডোর, সিঁড়ি ও ওয়াশরুমে অপ্রয়োজনীয় বাতি ব্যবহার বন্ধ রাখতে হবে। ৭. বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী যন্ত্রপাতি ব্যবহারে উৎসাহিত হতে হবে। ৮. অফিস সময় শেষে লাইট, ফ্যান, কম্পিউটার, প্রিন্টার, স্ক্যানার, এয়ার কন্ডিশনারসহ সব বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি বন্ধ রাখতে হবে। ৯. সব ধরনের আলোকসজ্জা পরিহার করতে হবে। ১০. সরকারি গাড়ির ব্যবহার সীমিত করতে হবে। ১১. জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী হতে হবে।
এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট সব দপ্তর ও সংস্থাকে নির্দেশনা দিতে অনুরোধ জানানো হয়েছে চিঠিতে।

দেশের সব সরকারি অফিসে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ের লক্ষ্যে নতুন ১১ দফা নির্দেশনা জারি করেছে সরকার। এসব নির্দেশনার মধ্যে অফিসে অপ্রয়োজনীয় আলোকসজ্জা পরিহার এবং বিদ্যুৎ ব্যবহারে সংযমের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ নির্দেশনা সংবলিত চিঠি সব সিনিয়র সচিব/সচিব, বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকদের কাছে পাঠানো হয়েছে।
চিঠিতে বলা হয়েছে, বর্তমান বৈশ্বিক সংকটের প্রেক্ষাপটে জাতীয় পর্যায়ে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয় করা জরুরি। তাই সব সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, সংবিধিবদ্ধ সংস্থা ও কর্পোরেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী ও দায়িত্বশীল আচরণ নিশ্চিত করতে হবে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জারি করা ১১টি নির্দেশনা হলো—
১. দিনের বেলায় পর্যাপ্ত প্রাকৃতিক আলো থাকলে বৈদ্যুতিক বাতি ব্যবহার না করে জানালা, দরজা বা ব্লাইন্ড খুলে প্রাকৃতিক আলো ব্যবহার করতে হবে। ২. ব্যবহৃত আলোর অর্ধেক ব্যবহার করতে হবে এবং প্রয়োজনের অতিরিক্ত লাইট ব্যবহার করা যাবে না। ৩. অফিস চলাকালে অপ্রয়োজনীয় লাইট, ফ্যান, এয়ার কন্ডিশনারসহ অন্যান্য বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি বন্ধ রাখতে হবে। ৪. এয়ার কন্ডিশনারের তাপমাত্রা ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তার বেশি রাখতে হবে। ৫. অফিস কক্ষ ত্যাগের সময় বাতি, ফ্যান, এয়ার কন্ডিশনারসহ সব বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম বন্ধ করতে হবে। ৬. করিডোর, সিঁড়ি ও ওয়াশরুমে অপ্রয়োজনীয় বাতি ব্যবহার বন্ধ রাখতে হবে। ৭. বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী যন্ত্রপাতি ব্যবহারে উৎসাহিত হতে হবে। ৮. অফিস সময় শেষে লাইট, ফ্যান, কম্পিউটার, প্রিন্টার, স্ক্যানার, এয়ার কন্ডিশনারসহ সব বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি বন্ধ রাখতে হবে। ৯. সব ধরনের আলোকসজ্জা পরিহার করতে হবে। ১০. সরকারি গাড়ির ব্যবহার সীমিত করতে হবে। ১১. জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী হতে হবে।
এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট সব দপ্তর ও সংস্থাকে নির্দেশনা দিতে অনুরোধ জানানো হয়েছে চিঠিতে।

দেশের সব সরকারি অফিসে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ের লক্ষ্যে নতুন ১১ দফা নির্দেশনা জারি করেছে সরকার। এসব নির্দেশনার মধ্যে অফিসে অপ্রয়োজনীয় আলোকসজ্জা পরিহার এবং বিদ্যুৎ ব্যবহারে সংযমের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ নির্দেশনা সংবলিত চিঠি সব সিনিয়র সচিব/সচিব, বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকদের কাছে পাঠানো হয়েছে।
চিঠিতে বলা হয়েছে, বর্তমান বৈশ্বিক সংকটের প্রেক্ষাপটে জাতীয় পর্যায়ে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয় করা জরুরি। তাই সব সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, সংবিধিবদ্ধ সংস্থা ও কর্পোরেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী ও দায়িত্বশীল আচরণ নিশ্চিত করতে হবে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জারি করা ১১টি নির্দেশনা হলো—
১. দিনের বেলায় পর্যাপ্ত প্রাকৃতিক আলো থাকলে বৈদ্যুতিক বাতি ব্যবহার না করে জানালা, দরজা বা ব্লাইন্ড খুলে প্রাকৃতিক আলো ব্যবহার করতে হবে। ২. ব্যবহৃত আলোর অর্ধেক ব্যবহার করতে হবে এবং প্রয়োজনের অতিরিক্ত লাইট ব্যবহার করা যাবে না। ৩. অফিস চলাকালে অপ্রয়োজনীয় লাইট, ফ্যান, এয়ার কন্ডিশনারসহ অন্যান্য বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি বন্ধ রাখতে হবে। ৪. এয়ার কন্ডিশনারের তাপমাত্রা ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তার বেশি রাখতে হবে। ৫. অফিস কক্ষ ত্যাগের সময় বাতি, ফ্যান, এয়ার কন্ডিশনারসহ সব বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম বন্ধ করতে হবে। ৬. করিডোর, সিঁড়ি ও ওয়াশরুমে অপ্রয়োজনীয় বাতি ব্যবহার বন্ধ রাখতে হবে। ৭. বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী যন্ত্রপাতি ব্যবহারে উৎসাহিত হতে হবে। ৮. অফিস সময় শেষে লাইট, ফ্যান, কম্পিউটার, প্রিন্টার, স্ক্যানার, এয়ার কন্ডিশনারসহ সব বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি বন্ধ রাখতে হবে। ৯. সব ধরনের আলোকসজ্জা পরিহার করতে হবে। ১০. সরকারি গাড়ির ব্যবহার সীমিত করতে হবে। ১১. জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী হতে হবে।
এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট সব দপ্তর ও সংস্থাকে নির্দেশনা দিতে অনুরোধ জানানো হয়েছে চিঠিতে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!