
বাজারে ভোজ্যতেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে এবং তেলের দাম বাড়ার কোনো আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। সোমবার (৯ মার্চ) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে আমদানিকারক ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী জানান, সাম্প্রতিক সময়ে বাজারে যে সংকটের কথা শোনা যাচ্ছে, তার মূল কারণ কিছু ভোক্তার আতঙ্কিত হয়ে অতিরিক্ত কেনাকাটা করা। এতে কিছু এলাকায় সাময়িকভাবে সরবরাহের ওপর চাপ তৈরি হয়েছে।
তিনি বলেন, বিভিন্ন গণমাধ্যমে কোথাও কোথাও ভোজ্যতেলের সংকট বা প্রতি লিটারে দুই টাকা বেশি দামে বিক্রির খবর প্রকাশিত হওয়ায় পরিস্থিতি পর্যালোচনার জন্য এই বৈঠক করা হয়। আমদানিকারক ও রিফাইনারি মালিকদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী বাজারে ভোজ্যতেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে।
মন্ত্রী আরও বলেন, কোথাও কোথাও ভোক্তারা একসঙ্গে বেশি পরিমাণে তেল কিনে নেওয়ায় কিছু দোকানে সাময়িকভাবে মজুত শেষ হয়ে যেতে পারে। তবে সার্বিকভাবে বাজারে সরবরাহে কোনো ঘাটতি নেই।
নিজের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, রাজধানীর একটি বাজারে গিয়ে তিনি দেখেছেন রাস্তার পাশের বড় দোকানগুলোতে পর্যাপ্ত ভোজ্যতেল রয়েছে এবং বোতলের গায়ে নির্ধারিত দামই লেখা আছে। তবে বাজারের ভেতরের একটি দোকানে সীমিত মজুত রেখে প্রতি লিটারে দুই থেকে তিন টাকা বেশি দামে বিক্রির চেষ্টা করা হচ্ছিল।
ভোক্তাদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, আতঙ্কিত হয়ে অতিরিক্ত কেনাকাটার কোনো প্রয়োজন নেই। বাজারে পণ্যের পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকায় অযথা প্রতিযোগিতা তৈরি করলে অসাধু ব্যবসায়ীরা সুযোগ নিতে পারে।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, জ্বালানি তেলের মতো ভোজ্যতেলের ক্ষেত্রেও কোনো সংকট নেই। জ্বালানি তেল, গ্যাস বা ভোজ্যতেল—কোনোটিতেই ঘাটতি নেই। তাই এসব পণ্যের সঙ্গে ‘সংকট’ শব্দটি যুক্ত করে অযথা বিভ্রান্তি তৈরি না করার আহ্বান জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, বাজার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে তদারকি কার্যক্রম জোরদার করা হবে। এ কাজে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর নিয়মিত বাজার তদারকি করছে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী জেলা প্রশাসনও অভিযান পরিচালনা করবে।
তেলের দাম বাড়ার আশঙ্কা আছে কি না-এমন প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, তেলের দাম একফোঁটাও বাড়বে না। ভোক্তারা নিশ্চিন্তে বাজার করতে পারেন।

বাজারে ভোজ্যতেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে এবং তেলের দাম বাড়ার কোনো আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। সোমবার (৯ মার্চ) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে আমদানিকারক ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী জানান, সাম্প্রতিক সময়ে বাজারে যে সংকটের কথা শোনা যাচ্ছে, তার মূল কারণ কিছু ভোক্তার আতঙ্কিত হয়ে অতিরিক্ত কেনাকাটা করা। এতে কিছু এলাকায় সাময়িকভাবে সরবরাহের ওপর চাপ তৈরি হয়েছে।
তিনি বলেন, বিভিন্ন গণমাধ্যমে কোথাও কোথাও ভোজ্যতেলের সংকট বা প্রতি লিটারে দুই টাকা বেশি দামে বিক্রির খবর প্রকাশিত হওয়ায় পরিস্থিতি পর্যালোচনার জন্য এই বৈঠক করা হয়। আমদানিকারক ও রিফাইনারি মালিকদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী বাজারে ভোজ্যতেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে।
মন্ত্রী আরও বলেন, কোথাও কোথাও ভোক্তারা একসঙ্গে বেশি পরিমাণে তেল কিনে নেওয়ায় কিছু দোকানে সাময়িকভাবে মজুত শেষ হয়ে যেতে পারে। তবে সার্বিকভাবে বাজারে সরবরাহে কোনো ঘাটতি নেই।
নিজের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, রাজধানীর একটি বাজারে গিয়ে তিনি দেখেছেন রাস্তার পাশের বড় দোকানগুলোতে পর্যাপ্ত ভোজ্যতেল রয়েছে এবং বোতলের গায়ে নির্ধারিত দামই লেখা আছে। তবে বাজারের ভেতরের একটি দোকানে সীমিত মজুত রেখে প্রতি লিটারে দুই থেকে তিন টাকা বেশি দামে বিক্রির চেষ্টা করা হচ্ছিল।
ভোক্তাদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, আতঙ্কিত হয়ে অতিরিক্ত কেনাকাটার কোনো প্রয়োজন নেই। বাজারে পণ্যের পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকায় অযথা প্রতিযোগিতা তৈরি করলে অসাধু ব্যবসায়ীরা সুযোগ নিতে পারে।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, জ্বালানি তেলের মতো ভোজ্যতেলের ক্ষেত্রেও কোনো সংকট নেই। জ্বালানি তেল, গ্যাস বা ভোজ্যতেল—কোনোটিতেই ঘাটতি নেই। তাই এসব পণ্যের সঙ্গে ‘সংকট’ শব্দটি যুক্ত করে অযথা বিভ্রান্তি তৈরি না করার আহ্বান জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, বাজার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে তদারকি কার্যক্রম জোরদার করা হবে। এ কাজে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর নিয়মিত বাজার তদারকি করছে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী জেলা প্রশাসনও অভিযান পরিচালনা করবে।
তেলের দাম বাড়ার আশঙ্কা আছে কি না-এমন প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, তেলের দাম একফোঁটাও বাড়বে না। ভোক্তারা নিশ্চিন্তে বাজার করতে পারেন।

বাজারে ভোজ্যতেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে এবং তেলের দাম বাড়ার কোনো আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। সোমবার (৯ মার্চ) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে আমদানিকারক ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী জানান, সাম্প্রতিক সময়ে বাজারে যে সংকটের কথা শোনা যাচ্ছে, তার মূল কারণ কিছু ভোক্তার আতঙ্কিত হয়ে অতিরিক্ত কেনাকাটা করা। এতে কিছু এলাকায় সাময়িকভাবে সরবরাহের ওপর চাপ তৈরি হয়েছে।
তিনি বলেন, বিভিন্ন গণমাধ্যমে কোথাও কোথাও ভোজ্যতেলের সংকট বা প্রতি লিটারে দুই টাকা বেশি দামে বিক্রির খবর প্রকাশিত হওয়ায় পরিস্থিতি পর্যালোচনার জন্য এই বৈঠক করা হয়। আমদানিকারক ও রিফাইনারি মালিকদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী বাজারে ভোজ্যতেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে।
মন্ত্রী আরও বলেন, কোথাও কোথাও ভোক্তারা একসঙ্গে বেশি পরিমাণে তেল কিনে নেওয়ায় কিছু দোকানে সাময়িকভাবে মজুত শেষ হয়ে যেতে পারে। তবে সার্বিকভাবে বাজারে সরবরাহে কোনো ঘাটতি নেই।
নিজের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, রাজধানীর একটি বাজারে গিয়ে তিনি দেখেছেন রাস্তার পাশের বড় দোকানগুলোতে পর্যাপ্ত ভোজ্যতেল রয়েছে এবং বোতলের গায়ে নির্ধারিত দামই লেখা আছে। তবে বাজারের ভেতরের একটি দোকানে সীমিত মজুত রেখে প্রতি লিটারে দুই থেকে তিন টাকা বেশি দামে বিক্রির চেষ্টা করা হচ্ছিল।
ভোক্তাদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, আতঙ্কিত হয়ে অতিরিক্ত কেনাকাটার কোনো প্রয়োজন নেই। বাজারে পণ্যের পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকায় অযথা প্রতিযোগিতা তৈরি করলে অসাধু ব্যবসায়ীরা সুযোগ নিতে পারে।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, জ্বালানি তেলের মতো ভোজ্যতেলের ক্ষেত্রেও কোনো সংকট নেই। জ্বালানি তেল, গ্যাস বা ভোজ্যতেল—কোনোটিতেই ঘাটতি নেই। তাই এসব পণ্যের সঙ্গে ‘সংকট’ শব্দটি যুক্ত করে অযথা বিভ্রান্তি তৈরি না করার আহ্বান জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, বাজার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে তদারকি কার্যক্রম জোরদার করা হবে। এ কাজে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর নিয়মিত বাজার তদারকি করছে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী জেলা প্রশাসনও অভিযান পরিচালনা করবে।
তেলের দাম বাড়ার আশঙ্কা আছে কি না-এমন প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, তেলের দাম একফোঁটাও বাড়বে না। ভোক্তারা নিশ্চিন্তে বাজার করতে পারেন।

বাজারে ভোজ্যতেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে এবং তেলের দাম বাড়ার কোনো আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। সোমবার (৯ মার্চ) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে আমদানিকারক ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী জানান, সাম্প্রতিক সময়ে বাজারে যে সংকটের কথা শোনা যাচ্ছে, তার মূল কারণ কিছু ভোক্তার আতঙ্কিত হয়ে অতিরিক্ত কেনাকাটা করা। এতে কিছু এলাকায় সাময়িকভাবে সরবরাহের ওপর চাপ তৈরি হয়েছে।
তিনি বলেন, বিভিন্ন গণমাধ্যমে কোথাও কোথাও ভোজ্যতেলের সংকট বা প্রতি লিটারে দুই টাকা বেশি দামে বিক্রির খবর প্রকাশিত হওয়ায় পরিস্থিতি পর্যালোচনার জন্য এই বৈঠক করা হয়। আমদানিকারক ও রিফাইনারি মালিকদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী বাজারে ভোজ্যতেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে।
মন্ত্রী আরও বলেন, কোথাও কোথাও ভোক্তারা একসঙ্গে বেশি পরিমাণে তেল কিনে নেওয়ায় কিছু দোকানে সাময়িকভাবে মজুত শেষ হয়ে যেতে পারে। তবে সার্বিকভাবে বাজারে সরবরাহে কোনো ঘাটতি নেই।
নিজের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, রাজধানীর একটি বাজারে গিয়ে তিনি দেখেছেন রাস্তার পাশের বড় দোকানগুলোতে পর্যাপ্ত ভোজ্যতেল রয়েছে এবং বোতলের গায়ে নির্ধারিত দামই লেখা আছে। তবে বাজারের ভেতরের একটি দোকানে সীমিত মজুত রেখে প্রতি লিটারে দুই থেকে তিন টাকা বেশি দামে বিক্রির চেষ্টা করা হচ্ছিল।
ভোক্তাদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, আতঙ্কিত হয়ে অতিরিক্ত কেনাকাটার কোনো প্রয়োজন নেই। বাজারে পণ্যের পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকায় অযথা প্রতিযোগিতা তৈরি করলে অসাধু ব্যবসায়ীরা সুযোগ নিতে পারে।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, জ্বালানি তেলের মতো ভোজ্যতেলের ক্ষেত্রেও কোনো সংকট নেই। জ্বালানি তেল, গ্যাস বা ভোজ্যতেল—কোনোটিতেই ঘাটতি নেই। তাই এসব পণ্যের সঙ্গে ‘সংকট’ শব্দটি যুক্ত করে অযথা বিভ্রান্তি তৈরি না করার আহ্বান জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, বাজার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে তদারকি কার্যক্রম জোরদার করা হবে। এ কাজে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর নিয়মিত বাজার তদারকি করছে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী জেলা প্রশাসনও অভিযান পরিচালনা করবে।
তেলের দাম বাড়ার আশঙ্কা আছে কি না-এমন প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, তেলের দাম একফোঁটাও বাড়বে না। ভোক্তারা নিশ্চিন্তে বাজার করতে পারেন।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!