
জ্বালানি তেল সংগ্রহে দেশজুড়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন গাড়িচালক ও সাধারণ মানুষ। কোথাও ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে তেল নিতে হচ্ছে, আবার অনেক পাম্পে মজুত শেষ হয়ে যাওয়ায় বিক্রি বন্ধ রয়েছে।
রোববার (৮ মার্চ) ময়মনসিংহ থেকে ঢাকাগামী একটি যাত্রীবাহী বাস তেল নিতে পথে কয়েকটি পাম্পে চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়। শেষ পর্যন্ত চালক সরাসরি ঢাকার মহাখালীতে পৌঁছানোর সিদ্ধান্ত নেন, যাতে পথে কোথাও তেল সংকটে গাড়ি আটকে না যায়।
গত কয়েক দিন ধরে দেশের বিভিন্ন এলাকায় একই ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। অনেক চালক তিন-চারটি পাম্প ঘুরে তেল সংগ্রহ করছেন। কোথাও আবার তেলের দীর্ঘ লাইনের কারণে যানজট তৈরি হচ্ছে। যদিও সরকার বলছে, দেশে জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে।
পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে কিছু পাম্প মালিক ও ডিলার তেল মজুত করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ অবস্থায় অবৈধ মজুত ও বেশি দামে বিক্রি ঠেকাতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা এবং ফিলিং স্টেশনে পুলিশি টহল জোরদারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে প্রধান প্রধান তেল ডিপোর নিরাপত্তা জোরদারে সেনা মোতায়েনের প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন।
জ্বালানি সচিব মো. সাইফুল ইসলাম জানিয়েছেন, এপ্রিল মাসের জন্য প্রায় তিন লাখ টন ডিজেল আমদানির চেষ্টা চলছে। প্রয়োজনে বিভিন্ন উৎস থেকে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে তেল সংগ্রহ করা হবে।
এদিকে রাজধানীর বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে রোববারও গাড়ির দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে। অনেক চালক জানিয়েছেন, কয়েক ঘণ্টা অপেক্ষার পরও সীমিত পরিমাণে তেল পাচ্ছেন।
চট্টগ্রাম, সিলেট, শেরপুর, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানসহ বিভিন্ন জেলাতেও একই চিত্র দেখা গেছে। কোথাও তেল শেষ হয়ে পাম্প বন্ধ রাখা হয়েছে, আবার কোথাও নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকার জ্বালানি তেল রেশনিং পদ্ধতিতে সরবরাহ শুরু করেছে। তবে এতে আতঙ্ক আরও বেড়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
বিদ্যুৎ ও জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি শেষ না হওয়া পর্যন্ত জ্বালানি তেল সাশ্রয় করে ব্যবহার করতে হবে। এজন্য আপাতত রেশনিং পদ্ধতি চালু রাখা হয়েছে। এদিকে অতিরিক্ত চাহিদা মেটাতে ভারত থেকে ডিজেল আমদানির পরিমাণ বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনে নুমালীগড় শোধনাগার থেকে অতিরিক্ত ৫০ হাজার টন ডিজেল আনার বিষয়েও আলোচনা চলছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

জ্বালানি তেল সংগ্রহে দেশজুড়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন গাড়িচালক ও সাধারণ মানুষ। কোথাও ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে তেল নিতে হচ্ছে, আবার অনেক পাম্পে মজুত শেষ হয়ে যাওয়ায় বিক্রি বন্ধ রয়েছে।
রোববার (৮ মার্চ) ময়মনসিংহ থেকে ঢাকাগামী একটি যাত্রীবাহী বাস তেল নিতে পথে কয়েকটি পাম্পে চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়। শেষ পর্যন্ত চালক সরাসরি ঢাকার মহাখালীতে পৌঁছানোর সিদ্ধান্ত নেন, যাতে পথে কোথাও তেল সংকটে গাড়ি আটকে না যায়।
গত কয়েক দিন ধরে দেশের বিভিন্ন এলাকায় একই ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। অনেক চালক তিন-চারটি পাম্প ঘুরে তেল সংগ্রহ করছেন। কোথাও আবার তেলের দীর্ঘ লাইনের কারণে যানজট তৈরি হচ্ছে। যদিও সরকার বলছে, দেশে জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে।
পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে কিছু পাম্প মালিক ও ডিলার তেল মজুত করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ অবস্থায় অবৈধ মজুত ও বেশি দামে বিক্রি ঠেকাতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা এবং ফিলিং স্টেশনে পুলিশি টহল জোরদারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে প্রধান প্রধান তেল ডিপোর নিরাপত্তা জোরদারে সেনা মোতায়েনের প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন।
জ্বালানি সচিব মো. সাইফুল ইসলাম জানিয়েছেন, এপ্রিল মাসের জন্য প্রায় তিন লাখ টন ডিজেল আমদানির চেষ্টা চলছে। প্রয়োজনে বিভিন্ন উৎস থেকে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে তেল সংগ্রহ করা হবে।
এদিকে রাজধানীর বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে রোববারও গাড়ির দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে। অনেক চালক জানিয়েছেন, কয়েক ঘণ্টা অপেক্ষার পরও সীমিত পরিমাণে তেল পাচ্ছেন।
চট্টগ্রাম, সিলেট, শেরপুর, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানসহ বিভিন্ন জেলাতেও একই চিত্র দেখা গেছে। কোথাও তেল শেষ হয়ে পাম্প বন্ধ রাখা হয়েছে, আবার কোথাও নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকার জ্বালানি তেল রেশনিং পদ্ধতিতে সরবরাহ শুরু করেছে। তবে এতে আতঙ্ক আরও বেড়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
বিদ্যুৎ ও জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি শেষ না হওয়া পর্যন্ত জ্বালানি তেল সাশ্রয় করে ব্যবহার করতে হবে। এজন্য আপাতত রেশনিং পদ্ধতি চালু রাখা হয়েছে। এদিকে অতিরিক্ত চাহিদা মেটাতে ভারত থেকে ডিজেল আমদানির পরিমাণ বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনে নুমালীগড় শোধনাগার থেকে অতিরিক্ত ৫০ হাজার টন ডিজেল আনার বিষয়েও আলোচনা চলছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

জ্বালানি তেল সংগ্রহে দেশজুড়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন গাড়িচালক ও সাধারণ মানুষ। কোথাও ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে তেল নিতে হচ্ছে, আবার অনেক পাম্পে মজুত শেষ হয়ে যাওয়ায় বিক্রি বন্ধ রয়েছে।
রোববার (৮ মার্চ) ময়মনসিংহ থেকে ঢাকাগামী একটি যাত্রীবাহী বাস তেল নিতে পথে কয়েকটি পাম্পে চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়। শেষ পর্যন্ত চালক সরাসরি ঢাকার মহাখালীতে পৌঁছানোর সিদ্ধান্ত নেন, যাতে পথে কোথাও তেল সংকটে গাড়ি আটকে না যায়।
গত কয়েক দিন ধরে দেশের বিভিন্ন এলাকায় একই ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। অনেক চালক তিন-চারটি পাম্প ঘুরে তেল সংগ্রহ করছেন। কোথাও আবার তেলের দীর্ঘ লাইনের কারণে যানজট তৈরি হচ্ছে। যদিও সরকার বলছে, দেশে জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে।
পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে কিছু পাম্প মালিক ও ডিলার তেল মজুত করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ অবস্থায় অবৈধ মজুত ও বেশি দামে বিক্রি ঠেকাতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা এবং ফিলিং স্টেশনে পুলিশি টহল জোরদারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে প্রধান প্রধান তেল ডিপোর নিরাপত্তা জোরদারে সেনা মোতায়েনের প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন।
জ্বালানি সচিব মো. সাইফুল ইসলাম জানিয়েছেন, এপ্রিল মাসের জন্য প্রায় তিন লাখ টন ডিজেল আমদানির চেষ্টা চলছে। প্রয়োজনে বিভিন্ন উৎস থেকে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে তেল সংগ্রহ করা হবে।
এদিকে রাজধানীর বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে রোববারও গাড়ির দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে। অনেক চালক জানিয়েছেন, কয়েক ঘণ্টা অপেক্ষার পরও সীমিত পরিমাণে তেল পাচ্ছেন।
চট্টগ্রাম, সিলেট, শেরপুর, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানসহ বিভিন্ন জেলাতেও একই চিত্র দেখা গেছে। কোথাও তেল শেষ হয়ে পাম্প বন্ধ রাখা হয়েছে, আবার কোথাও নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকার জ্বালানি তেল রেশনিং পদ্ধতিতে সরবরাহ শুরু করেছে। তবে এতে আতঙ্ক আরও বেড়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
বিদ্যুৎ ও জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি শেষ না হওয়া পর্যন্ত জ্বালানি তেল সাশ্রয় করে ব্যবহার করতে হবে। এজন্য আপাতত রেশনিং পদ্ধতি চালু রাখা হয়েছে। এদিকে অতিরিক্ত চাহিদা মেটাতে ভারত থেকে ডিজেল আমদানির পরিমাণ বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনে নুমালীগড় শোধনাগার থেকে অতিরিক্ত ৫০ হাজার টন ডিজেল আনার বিষয়েও আলোচনা চলছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

জ্বালানি তেল সংগ্রহে দেশজুড়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন গাড়িচালক ও সাধারণ মানুষ। কোথাও ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে তেল নিতে হচ্ছে, আবার অনেক পাম্পে মজুত শেষ হয়ে যাওয়ায় বিক্রি বন্ধ রয়েছে।
রোববার (৮ মার্চ) ময়মনসিংহ থেকে ঢাকাগামী একটি যাত্রীবাহী বাস তেল নিতে পথে কয়েকটি পাম্পে চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়। শেষ পর্যন্ত চালক সরাসরি ঢাকার মহাখালীতে পৌঁছানোর সিদ্ধান্ত নেন, যাতে পথে কোথাও তেল সংকটে গাড়ি আটকে না যায়।
গত কয়েক দিন ধরে দেশের বিভিন্ন এলাকায় একই ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। অনেক চালক তিন-চারটি পাম্প ঘুরে তেল সংগ্রহ করছেন। কোথাও আবার তেলের দীর্ঘ লাইনের কারণে যানজট তৈরি হচ্ছে। যদিও সরকার বলছে, দেশে জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে।
পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে কিছু পাম্প মালিক ও ডিলার তেল মজুত করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ অবস্থায় অবৈধ মজুত ও বেশি দামে বিক্রি ঠেকাতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা এবং ফিলিং স্টেশনে পুলিশি টহল জোরদারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে প্রধান প্রধান তেল ডিপোর নিরাপত্তা জোরদারে সেনা মোতায়েনের প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন।
জ্বালানি সচিব মো. সাইফুল ইসলাম জানিয়েছেন, এপ্রিল মাসের জন্য প্রায় তিন লাখ টন ডিজেল আমদানির চেষ্টা চলছে। প্রয়োজনে বিভিন্ন উৎস থেকে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে তেল সংগ্রহ করা হবে।
এদিকে রাজধানীর বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে রোববারও গাড়ির দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে। অনেক চালক জানিয়েছেন, কয়েক ঘণ্টা অপেক্ষার পরও সীমিত পরিমাণে তেল পাচ্ছেন।
চট্টগ্রাম, সিলেট, শেরপুর, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানসহ বিভিন্ন জেলাতেও একই চিত্র দেখা গেছে। কোথাও তেল শেষ হয়ে পাম্প বন্ধ রাখা হয়েছে, আবার কোথাও নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকার জ্বালানি তেল রেশনিং পদ্ধতিতে সরবরাহ শুরু করেছে। তবে এতে আতঙ্ক আরও বেড়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
বিদ্যুৎ ও জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি শেষ না হওয়া পর্যন্ত জ্বালানি তেল সাশ্রয় করে ব্যবহার করতে হবে। এজন্য আপাতত রেশনিং পদ্ধতি চালু রাখা হয়েছে। এদিকে অতিরিক্ত চাহিদা মেটাতে ভারত থেকে ডিজেল আমদানির পরিমাণ বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনে নুমালীগড় শোধনাগার থেকে অতিরিক্ত ৫০ হাজার টন ডিজেল আনার বিষয়েও আলোচনা চলছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!