মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে করা একটি মামলায় খালাস পেয়েছেন জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী আসিফ আকবর। সোমবার (৯ মার্চ) ঢাকার দ্বিতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আয়েশা আক্তার মৌসুমী এ রায় ঘোষণা করেন। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় আদালত তাকে খালাস দেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০১৮ সালের ৫ জুন রাতে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের এক মামলায় আসিফ আকবরকে গ্রেপ্তার করা হয়। সে সময় তার অফিস কক্ষে চার বোতল বিদেশি মদ পাওয়া যায়। পরে সেগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর–এ পাঠানো হয়।
লাইসেন্স ছাড়া বিদেশি মদ নিজের দখলে রাখার অভিযোগে ২০১৮ সালের ২৩ জুলাই অপরাধ তদন্ত বিভাগ–এর উপপরিদর্শক প্রশান্ত কুমার সিকদার তেজগাঁও থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করেন।
পরে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির উপপরিদর্শক জামাল হোসেন ২০১৯ সালের ১৩ নভেম্বর আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। দীর্ঘ প্রক্রিয়ার পর ২০২৪ সালের ২৫ নভেম্বর আসিফ আকবরের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত।
মামলার শুনানি শেষে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় আদালত কণ্ঠশিল্পী আসিফ আকবরকে খালাস দেন।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে করা একটি মামলায় খালাস পেয়েছেন জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী আসিফ আকবর। সোমবার (৯ মার্চ) ঢাকার দ্বিতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আয়েশা আক্তার মৌসুমী এ রায় ঘোষণা করেন। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় আদালত তাকে খালাস দেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০১৮ সালের ৫ জুন রাতে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের এক মামলায় আসিফ আকবরকে গ্রেপ্তার করা হয়। সে সময় তার অফিস কক্ষে চার বোতল বিদেশি মদ পাওয়া যায়। পরে সেগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর–এ পাঠানো হয়।
লাইসেন্স ছাড়া বিদেশি মদ নিজের দখলে রাখার অভিযোগে ২০১৮ সালের ২৩ জুলাই অপরাধ তদন্ত বিভাগ–এর উপপরিদর্শক প্রশান্ত কুমার সিকদার তেজগাঁও থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করেন।
পরে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির উপপরিদর্শক জামাল হোসেন ২০১৯ সালের ১৩ নভেম্বর আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। দীর্ঘ প্রক্রিয়ার পর ২০২৪ সালের ২৫ নভেম্বর আসিফ আকবরের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত।
মামলার শুনানি শেষে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় আদালত কণ্ঠশিল্পী আসিফ আকবরকে খালাস দেন।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে করা একটি মামলায় খালাস পেয়েছেন জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী আসিফ আকবর। সোমবার (৯ মার্চ) ঢাকার দ্বিতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আয়েশা আক্তার মৌসুমী এ রায় ঘোষণা করেন। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় আদালত তাকে খালাস দেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০১৮ সালের ৫ জুন রাতে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের এক মামলায় আসিফ আকবরকে গ্রেপ্তার করা হয়। সে সময় তার অফিস কক্ষে চার বোতল বিদেশি মদ পাওয়া যায়। পরে সেগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর–এ পাঠানো হয়।
লাইসেন্স ছাড়া বিদেশি মদ নিজের দখলে রাখার অভিযোগে ২০১৮ সালের ২৩ জুলাই অপরাধ তদন্ত বিভাগ–এর উপপরিদর্শক প্রশান্ত কুমার সিকদার তেজগাঁও থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করেন।
পরে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির উপপরিদর্শক জামাল হোসেন ২০১৯ সালের ১৩ নভেম্বর আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। দীর্ঘ প্রক্রিয়ার পর ২০২৪ সালের ২৫ নভেম্বর আসিফ আকবরের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত।
মামলার শুনানি শেষে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় আদালত কণ্ঠশিল্পী আসিফ আকবরকে খালাস দেন।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে করা একটি মামলায় খালাস পেয়েছেন জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী আসিফ আকবর। সোমবার (৯ মার্চ) ঢাকার দ্বিতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আয়েশা আক্তার মৌসুমী এ রায় ঘোষণা করেন। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় আদালত তাকে খালাস দেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০১৮ সালের ৫ জুন রাতে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের এক মামলায় আসিফ আকবরকে গ্রেপ্তার করা হয়। সে সময় তার অফিস কক্ষে চার বোতল বিদেশি মদ পাওয়া যায়। পরে সেগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর–এ পাঠানো হয়।
লাইসেন্স ছাড়া বিদেশি মদ নিজের দখলে রাখার অভিযোগে ২০১৮ সালের ২৩ জুলাই অপরাধ তদন্ত বিভাগ–এর উপপরিদর্শক প্রশান্ত কুমার সিকদার তেজগাঁও থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করেন।
পরে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির উপপরিদর্শক জামাল হোসেন ২০১৯ সালের ১৩ নভেম্বর আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। দীর্ঘ প্রক্রিয়ার পর ২০২৪ সালের ২৫ নভেম্বর আসিফ আকবরের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত।
মামলার শুনানি শেষে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় আদালত কণ্ঠশিল্পী আসিফ আকবরকে খালাস দেন।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!