দেশের বৃহত্তম স্থলবন্দর বেনাপোল স্থলবন্দরে চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম আট মাসে রাজস্ব আদায়ে লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় বড় ধরনের ঘাটতি দেখা দিয়েছে। বেনাপোল কাস্টম হাউসের তথ্য অনুযায়ী, এ সময়ে ঘাটতি হয়েছে ১,৬৫০ কোটি টাকা।
তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের আট মাসে মোট ১২,৩৫,৫২১ মেট্রিক টন পণ্য আমদানি-রপ্তানি হয়েছে। এর মধ্যে আমদানি হয়েছে ১১,১০,৯০৩ মেট্রিক টন এবং রপ্তানি ১,২৪,৬১৮ মেট্রিক টন। গত অর্থবছরের একই সময়ে পণ্য পারাপার হয়েছিল ২৪,৩২,৯৮০ মেট্রিক টন, যা দেখায় এক বছরের ব্যবধানে বাণিজ্য প্রায় অর্ধেকে নেমেছে।
কাস্টমস ও বন্দর সূত্রে জানা গেছে, ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর ভারত ও বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক শীতল হয়ে যাওয়ায় এবং মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যে সরাসরি প্রভাব পড়েছে। আগে প্রতিদিন ৫০০–৫৫০টি পণ্যবাহী ট্রাক ভারত থেকে আসত, যা এখন কমে ২৫০–৩০০ ট্রাকে নেমেছে। একইভাবে প্রতিদিন ৩০০ ট্রাক পণ্য রপ্তানি হলেও এখন তা হয়েছে মাত্র ১৫০ ট্রাক।
বাণিজ্য সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের টানাপোড়েন, আমদানিকারকদের অনীহা এবং বন্দরের অভ্যন্তরীণ অব্যবস্থাপনা—এই তিনটি কারণেই বেনাপোলে গত এক দশকের মধ্যে সবচেয়ে বড় রাজস্ব সংকট তৈরি হয়েছে। আমদানিকারক বাবলু রহমান বলেন, ‘আমরা নিয়ম মেনে ব্যবসা করতে চাই, তবে দুই দেশের সরকারি সম্পর্কের উন্নতি ঘটলে ব্যবসায় আবার গতি ফিরবে।’
বেনাপোল কাস্টম হাউসের রাজস্ব কর্মকর্তা মনিবুর রহমান বলেন, ‘আমদানি কমে যাওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই রাজস্ব আয় কমেছে। তবে আমরা শুল্কায়ন প্রক্রিয়া সহজ করা এবং দ্রুত পণ্য খালাস নিশ্চিত করতে কাজ করছি। আশা করি পরিস্থিতির উন্নতি হবে এবং জুনের মধ্যে লক্ষ্যমাত্রা পূরণ সম্ভব হব।’
দেশের বৃহত্তম স্থলবন্দর বেনাপোল স্থলবন্দরে চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম আট মাসে রাজস্ব আদায়ে লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় বড় ধরনের ঘাটতি দেখা দিয়েছে। বেনাপোল কাস্টম হাউসের তথ্য অনুযায়ী, এ সময়ে ঘাটতি হয়েছে ১,৬৫০ কোটি টাকা।
তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের আট মাসে মোট ১২,৩৫,৫২১ মেট্রিক টন পণ্য আমদানি-রপ্তানি হয়েছে। এর মধ্যে আমদানি হয়েছে ১১,১০,৯০৩ মেট্রিক টন এবং রপ্তানি ১,২৪,৬১৮ মেট্রিক টন। গত অর্থবছরের একই সময়ে পণ্য পারাপার হয়েছিল ২৪,৩২,৯৮০ মেট্রিক টন, যা দেখায় এক বছরের ব্যবধানে বাণিজ্য প্রায় অর্ধেকে নেমেছে।
কাস্টমস ও বন্দর সূত্রে জানা গেছে, ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর ভারত ও বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক শীতল হয়ে যাওয়ায় এবং মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যে সরাসরি প্রভাব পড়েছে। আগে প্রতিদিন ৫০০–৫৫০টি পণ্যবাহী ট্রাক ভারত থেকে আসত, যা এখন কমে ২৫০–৩০০ ট্রাকে নেমেছে। একইভাবে প্রতিদিন ৩০০ ট্রাক পণ্য রপ্তানি হলেও এখন তা হয়েছে মাত্র ১৫০ ট্রাক।
বাণিজ্য সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের টানাপোড়েন, আমদানিকারকদের অনীহা এবং বন্দরের অভ্যন্তরীণ অব্যবস্থাপনা—এই তিনটি কারণেই বেনাপোলে গত এক দশকের মধ্যে সবচেয়ে বড় রাজস্ব সংকট তৈরি হয়েছে। আমদানিকারক বাবলু রহমান বলেন, ‘আমরা নিয়ম মেনে ব্যবসা করতে চাই, তবে দুই দেশের সরকারি সম্পর্কের উন্নতি ঘটলে ব্যবসায় আবার গতি ফিরবে।’
বেনাপোল কাস্টম হাউসের রাজস্ব কর্মকর্তা মনিবুর রহমান বলেন, ‘আমদানি কমে যাওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই রাজস্ব আয় কমেছে। তবে আমরা শুল্কায়ন প্রক্রিয়া সহজ করা এবং দ্রুত পণ্য খালাস নিশ্চিত করতে কাজ করছি। আশা করি পরিস্থিতির উন্নতি হবে এবং জুনের মধ্যে লক্ষ্যমাত্রা পূরণ সম্ভব হব।’
দেশের বৃহত্তম স্থলবন্দর বেনাপোল স্থলবন্দরে চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম আট মাসে রাজস্ব আদায়ে লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় বড় ধরনের ঘাটতি দেখা দিয়েছে। বেনাপোল কাস্টম হাউসের তথ্য অনুযায়ী, এ সময়ে ঘাটতি হয়েছে ১,৬৫০ কোটি টাকা।
তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের আট মাসে মোট ১২,৩৫,৫২১ মেট্রিক টন পণ্য আমদানি-রপ্তানি হয়েছে। এর মধ্যে আমদানি হয়েছে ১১,১০,৯০৩ মেট্রিক টন এবং রপ্তানি ১,২৪,৬১৮ মেট্রিক টন। গত অর্থবছরের একই সময়ে পণ্য পারাপার হয়েছিল ২৪,৩২,৯৮০ মেট্রিক টন, যা দেখায় এক বছরের ব্যবধানে বাণিজ্য প্রায় অর্ধেকে নেমেছে।
কাস্টমস ও বন্দর সূত্রে জানা গেছে, ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর ভারত ও বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক শীতল হয়ে যাওয়ায় এবং মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যে সরাসরি প্রভাব পড়েছে। আগে প্রতিদিন ৫০০–৫৫০টি পণ্যবাহী ট্রাক ভারত থেকে আসত, যা এখন কমে ২৫০–৩০০ ট্রাকে নেমেছে। একইভাবে প্রতিদিন ৩০০ ট্রাক পণ্য রপ্তানি হলেও এখন তা হয়েছে মাত্র ১৫০ ট্রাক।
বাণিজ্য সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের টানাপোড়েন, আমদানিকারকদের অনীহা এবং বন্দরের অভ্যন্তরীণ অব্যবস্থাপনা—এই তিনটি কারণেই বেনাপোলে গত এক দশকের মধ্যে সবচেয়ে বড় রাজস্ব সংকট তৈরি হয়েছে। আমদানিকারক বাবলু রহমান বলেন, ‘আমরা নিয়ম মেনে ব্যবসা করতে চাই, তবে দুই দেশের সরকারি সম্পর্কের উন্নতি ঘটলে ব্যবসায় আবার গতি ফিরবে।’
বেনাপোল কাস্টম হাউসের রাজস্ব কর্মকর্তা মনিবুর রহমান বলেন, ‘আমদানি কমে যাওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই রাজস্ব আয় কমেছে। তবে আমরা শুল্কায়ন প্রক্রিয়া সহজ করা এবং দ্রুত পণ্য খালাস নিশ্চিত করতে কাজ করছি। আশা করি পরিস্থিতির উন্নতি হবে এবং জুনের মধ্যে লক্ষ্যমাত্রা পূরণ সম্ভব হব।’
দেশের বৃহত্তম স্থলবন্দর বেনাপোল স্থলবন্দরে চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম আট মাসে রাজস্ব আদায়ে লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় বড় ধরনের ঘাটতি দেখা দিয়েছে। বেনাপোল কাস্টম হাউসের তথ্য অনুযায়ী, এ সময়ে ঘাটতি হয়েছে ১,৬৫০ কোটি টাকা।
তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের আট মাসে মোট ১২,৩৫,৫২১ মেট্রিক টন পণ্য আমদানি-রপ্তানি হয়েছে। এর মধ্যে আমদানি হয়েছে ১১,১০,৯০৩ মেট্রিক টন এবং রপ্তানি ১,২৪,৬১৮ মেট্রিক টন। গত অর্থবছরের একই সময়ে পণ্য পারাপার হয়েছিল ২৪,৩২,৯৮০ মেট্রিক টন, যা দেখায় এক বছরের ব্যবধানে বাণিজ্য প্রায় অর্ধেকে নেমেছে।
কাস্টমস ও বন্দর সূত্রে জানা গেছে, ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর ভারত ও বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক শীতল হয়ে যাওয়ায় এবং মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যে সরাসরি প্রভাব পড়েছে। আগে প্রতিদিন ৫০০–৫৫০টি পণ্যবাহী ট্রাক ভারত থেকে আসত, যা এখন কমে ২৫০–৩০০ ট্রাকে নেমেছে। একইভাবে প্রতিদিন ৩০০ ট্রাক পণ্য রপ্তানি হলেও এখন তা হয়েছে মাত্র ১৫০ ট্রাক।
বাণিজ্য সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের টানাপোড়েন, আমদানিকারকদের অনীহা এবং বন্দরের অভ্যন্তরীণ অব্যবস্থাপনা—এই তিনটি কারণেই বেনাপোলে গত এক দশকের মধ্যে সবচেয়ে বড় রাজস্ব সংকট তৈরি হয়েছে। আমদানিকারক বাবলু রহমান বলেন, ‘আমরা নিয়ম মেনে ব্যবসা করতে চাই, তবে দুই দেশের সরকারি সম্পর্কের উন্নতি ঘটলে ব্যবসায় আবার গতি ফিরবে।’
বেনাপোল কাস্টম হাউসের রাজস্ব কর্মকর্তা মনিবুর রহমান বলেন, ‘আমদানি কমে যাওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই রাজস্ব আয় কমেছে। তবে আমরা শুল্কায়ন প্রক্রিয়া সহজ করা এবং দ্রুত পণ্য খালাস নিশ্চিত করতে কাজ করছি। আশা করি পরিস্থিতির উন্নতি হবে এবং জুনের মধ্যে লক্ষ্যমাত্রা পূরণ সম্ভব হব।’
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!