
সরকারি দল দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে ‘উল্টাপাল্টা করছে’ বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।
শুক্রবার (১৫ মে) বিকেলে রংপুর জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় যোগ দেওয়ার আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘আপনারা দেখেছেন বহু জায়গায় সরকারি দল অনেক উল্টাপাল্টা করছে। তারা গণভোটকে অগ্রাহ্য করেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর পরিবর্তন করে অত্যন্ত দুর্বল-বিতর্কিত একজনকে সেখানে বসিয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘৪২টি জেলায় প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। একটি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মধ্যে কেন প্রশাসক নিয়োগ দিতে হবে? দলীয় লোকদের কেন বসানো হচ্ছে? বিভিন্ন জায়গায় যারা নির্বাচনে হেরে গেছে, তাদের আবার বড় বড় পদে বসানো হচ্ছে—এটা কি জনগণের সঙ্গে তামাশা নয়?’
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নিয়েও সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘ভিসি, প্রো-ভিসি, প্রক্টর, প্রভোস্টসহ গুরুত্বপূর্ণ পদে দলীয় অনুগত লোকদের নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। এগুলোর কোনো জবাব নেই।’
তিনি বলেন, ‘মনে রাখবেন, আপনাদের পরিকল্পনাই ফাইনাল না, আল্লাহ তায়ালার মহাপরিকল্পনা ফাইনাল। এটা যদি ফাইনাল হতো, অতীতের সরকার সাড়ে ১৫ বছরে খুব সুন্দর করে সবকিছু সাজিয়েছিল। কিন্তু না, দুই দিনের মাথায় সবকিছু তছনছ হয়ে গিয়েছে।’
রংপুর অঞ্চলের বিষয়ে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘এই অঞ্চলের উন্নয়নের জন্য আমরা বলেছিলাম, কৃষির রাজধানী হিসেবে এটাকে ঘোষণা করবো। এটা কথার কথা নয়, মুখের কথা নয়; বাস্তবেই কৃষির রাজধানী হিসেবে এটাকে রূপান্তর করার জন্য যত কর্মসূচি নেওয়া দরকার, রাষ্ট্র সব কর্মসূচি নেবে। হয় রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে হবে, না হয় বেসরকারি উদ্যোগে হবে, না হয় যৌথ উদ্যোগে হবে। হয় দেশীয় উদ্যোগে হবে, না হয় আন্তর্জাতিক উদ্যোগে হবে। কিন্তু এর চেহারা বদলাবে ইনশাআল্লাহ।’
এর আগে একদিনের সফরে সকালে রংপুরে পৌঁছান তিনি। পরে বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেন এবং জুমার নামাজ শেষে একটি মসজিদ উদ্বোধন করেন।

সরকারি দল দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে ‘উল্টাপাল্টা করছে’ বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।
শুক্রবার (১৫ মে) বিকেলে রংপুর জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় যোগ দেওয়ার আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘আপনারা দেখেছেন বহু জায়গায় সরকারি দল অনেক উল্টাপাল্টা করছে। তারা গণভোটকে অগ্রাহ্য করেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর পরিবর্তন করে অত্যন্ত দুর্বল-বিতর্কিত একজনকে সেখানে বসিয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘৪২টি জেলায় প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। একটি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মধ্যে কেন প্রশাসক নিয়োগ দিতে হবে? দলীয় লোকদের কেন বসানো হচ্ছে? বিভিন্ন জায়গায় যারা নির্বাচনে হেরে গেছে, তাদের আবার বড় বড় পদে বসানো হচ্ছে—এটা কি জনগণের সঙ্গে তামাশা নয়?’
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নিয়েও সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘ভিসি, প্রো-ভিসি, প্রক্টর, প্রভোস্টসহ গুরুত্বপূর্ণ পদে দলীয় অনুগত লোকদের নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। এগুলোর কোনো জবাব নেই।’
তিনি বলেন, ‘মনে রাখবেন, আপনাদের পরিকল্পনাই ফাইনাল না, আল্লাহ তায়ালার মহাপরিকল্পনা ফাইনাল। এটা যদি ফাইনাল হতো, অতীতের সরকার সাড়ে ১৫ বছরে খুব সুন্দর করে সবকিছু সাজিয়েছিল। কিন্তু না, দুই দিনের মাথায় সবকিছু তছনছ হয়ে গিয়েছে।’
রংপুর অঞ্চলের বিষয়ে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘এই অঞ্চলের উন্নয়নের জন্য আমরা বলেছিলাম, কৃষির রাজধানী হিসেবে এটাকে ঘোষণা করবো। এটা কথার কথা নয়, মুখের কথা নয়; বাস্তবেই কৃষির রাজধানী হিসেবে এটাকে রূপান্তর করার জন্য যত কর্মসূচি নেওয়া দরকার, রাষ্ট্র সব কর্মসূচি নেবে। হয় রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে হবে, না হয় বেসরকারি উদ্যোগে হবে, না হয় যৌথ উদ্যোগে হবে। হয় দেশীয় উদ্যোগে হবে, না হয় আন্তর্জাতিক উদ্যোগে হবে। কিন্তু এর চেহারা বদলাবে ইনশাআল্লাহ।’
এর আগে একদিনের সফরে সকালে রংপুরে পৌঁছান তিনি। পরে বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেন এবং জুমার নামাজ শেষে একটি মসজিদ উদ্বোধন করেন।

সরকারি দল দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে ‘উল্টাপাল্টা করছে’ বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।
শুক্রবার (১৫ মে) বিকেলে রংপুর জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় যোগ দেওয়ার আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘আপনারা দেখেছেন বহু জায়গায় সরকারি দল অনেক উল্টাপাল্টা করছে। তারা গণভোটকে অগ্রাহ্য করেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর পরিবর্তন করে অত্যন্ত দুর্বল-বিতর্কিত একজনকে সেখানে বসিয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘৪২টি জেলায় প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। একটি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মধ্যে কেন প্রশাসক নিয়োগ দিতে হবে? দলীয় লোকদের কেন বসানো হচ্ছে? বিভিন্ন জায়গায় যারা নির্বাচনে হেরে গেছে, তাদের আবার বড় বড় পদে বসানো হচ্ছে—এটা কি জনগণের সঙ্গে তামাশা নয়?’
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নিয়েও সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘ভিসি, প্রো-ভিসি, প্রক্টর, প্রভোস্টসহ গুরুত্বপূর্ণ পদে দলীয় অনুগত লোকদের নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। এগুলোর কোনো জবাব নেই।’
তিনি বলেন, ‘মনে রাখবেন, আপনাদের পরিকল্পনাই ফাইনাল না, আল্লাহ তায়ালার মহাপরিকল্পনা ফাইনাল। এটা যদি ফাইনাল হতো, অতীতের সরকার সাড়ে ১৫ বছরে খুব সুন্দর করে সবকিছু সাজিয়েছিল। কিন্তু না, দুই দিনের মাথায় সবকিছু তছনছ হয়ে গিয়েছে।’
রংপুর অঞ্চলের বিষয়ে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘এই অঞ্চলের উন্নয়নের জন্য আমরা বলেছিলাম, কৃষির রাজধানী হিসেবে এটাকে ঘোষণা করবো। এটা কথার কথা নয়, মুখের কথা নয়; বাস্তবেই কৃষির রাজধানী হিসেবে এটাকে রূপান্তর করার জন্য যত কর্মসূচি নেওয়া দরকার, রাষ্ট্র সব কর্মসূচি নেবে। হয় রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে হবে, না হয় বেসরকারি উদ্যোগে হবে, না হয় যৌথ উদ্যোগে হবে। হয় দেশীয় উদ্যোগে হবে, না হয় আন্তর্জাতিক উদ্যোগে হবে। কিন্তু এর চেহারা বদলাবে ইনশাআল্লাহ।’
এর আগে একদিনের সফরে সকালে রংপুরে পৌঁছান তিনি। পরে বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেন এবং জুমার নামাজ শেষে একটি মসজিদ উদ্বোধন করেন।

সরকারি দল দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে ‘উল্টাপাল্টা করছে’ বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।
শুক্রবার (১৫ মে) বিকেলে রংপুর জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় যোগ দেওয়ার আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘আপনারা দেখেছেন বহু জায়গায় সরকারি দল অনেক উল্টাপাল্টা করছে। তারা গণভোটকে অগ্রাহ্য করেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর পরিবর্তন করে অত্যন্ত দুর্বল-বিতর্কিত একজনকে সেখানে বসিয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘৪২টি জেলায় প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। একটি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মধ্যে কেন প্রশাসক নিয়োগ দিতে হবে? দলীয় লোকদের কেন বসানো হচ্ছে? বিভিন্ন জায়গায় যারা নির্বাচনে হেরে গেছে, তাদের আবার বড় বড় পদে বসানো হচ্ছে—এটা কি জনগণের সঙ্গে তামাশা নয়?’
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নিয়েও সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘ভিসি, প্রো-ভিসি, প্রক্টর, প্রভোস্টসহ গুরুত্বপূর্ণ পদে দলীয় অনুগত লোকদের নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। এগুলোর কোনো জবাব নেই।’
তিনি বলেন, ‘মনে রাখবেন, আপনাদের পরিকল্পনাই ফাইনাল না, আল্লাহ তায়ালার মহাপরিকল্পনা ফাইনাল। এটা যদি ফাইনাল হতো, অতীতের সরকার সাড়ে ১৫ বছরে খুব সুন্দর করে সবকিছু সাজিয়েছিল। কিন্তু না, দুই দিনের মাথায় সবকিছু তছনছ হয়ে গিয়েছে।’
রংপুর অঞ্চলের বিষয়ে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘এই অঞ্চলের উন্নয়নের জন্য আমরা বলেছিলাম, কৃষির রাজধানী হিসেবে এটাকে ঘোষণা করবো। এটা কথার কথা নয়, মুখের কথা নয়; বাস্তবেই কৃষির রাজধানী হিসেবে এটাকে রূপান্তর করার জন্য যত কর্মসূচি নেওয়া দরকার, রাষ্ট্র সব কর্মসূচি নেবে। হয় রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে হবে, না হয় বেসরকারি উদ্যোগে হবে, না হয় যৌথ উদ্যোগে হবে। হয় দেশীয় উদ্যোগে হবে, না হয় আন্তর্জাতিক উদ্যোগে হবে। কিন্তু এর চেহারা বদলাবে ইনশাআল্লাহ।’
এর আগে একদিনের সফরে সকালে রংপুরে পৌঁছান তিনি। পরে বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেন এবং জুমার নামাজ শেষে একটি মসজিদ উদ্বোধন করেন।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!