
বৈশ্বিক যোগাযোগ ব্যবস্থায় বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটলে ‘ডিজিটাল মহামারি’ তৈরি হতে পারে-এমন সতর্কবার্তা দিয়েছে জাতিসংঘ। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় সব দেশকে ডিজিটাল অবকাঠামোর স্থিতিশীলতা জোরদারের আহ্বান জানানো হয়েছে।
মঙ্গলবার (৫ মে) প্রকাশিত জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থার যৌথ প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
প্রতিবেদনে স্থল, সমুদ্র ও মহাকাশ-সব ক্ষেত্রেই ডিজিটাল সিস্টেমের দুর্বলতা চিহ্নিত করা হয়েছে এবং সম্ভাব্য ঝুঁকি মোকাবিলায় করণীয় তুলে ধরা হয়েছে। এতে কয়েকটি বড় ঝুঁকির কথা উল্লেখ করা হয়-
শক্তিশালী সৌরঝড়ে স্যাটেলাইট বিকল হয়ে যোগাযোগ, নেভিগেশন ও বিদ্যুৎ গ্রিডে দীর্ঘমেয়াদি বিপর্যয়, চরম তাপমাত্রায় ডাটা সেন্টার অচল হয়ে মোবাইল সেবা, স্বাস্থ্যব্যবস্থা ও আর্থিক লেনদেনে বিঘ্ন, ভূমিকম্প বা প্রাকৃতিক দুর্যোগে ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে দীর্ঘ সময় দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থা অচল হয়ে পড়া,
প্রতিবেদন বলছে, আধুনিক বিশ্ব ডিজিটাল ব্যবস্থার ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে, অথচ কার্যকর বিকল্প (অফলাইন) ব্যবস্থা এখনো যথেষ্ট গড়ে ওঠেনি-যা বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করছে।
আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ খাতের মহাসচিব ডোরেন বোগদান মার্টিন বলেন, প্রযুক্তির সঙ্গে সঙ্গে এর স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করাও জরুরি। অন্যদিকে দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস–সংক্রান্ত সংস্থার প্রধান কামাল কিশোর সতর্ক করে বলেন, ডিজিটাল নির্ভরতা যত বাড়ছে, ততই ঝুঁকিও বহুগুণে বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা সীমান্ত পেরিয়ে বৈশ্বিক বিপর্যয়ে রূপ নিতে পারে।
স্বাস্থ্য, অর্থনীতি ও জরুরি সেবাসহ গুরুত্বপূর্ণ খাত সুরক্ষায় দেশগুলোর মধ্যে সমন্বিত উদ্যোগ জোরদারের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা। সূত্র: সিজিটিএন

বৈশ্বিক যোগাযোগ ব্যবস্থায় বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটলে ‘ডিজিটাল মহামারি’ তৈরি হতে পারে-এমন সতর্কবার্তা দিয়েছে জাতিসংঘ। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় সব দেশকে ডিজিটাল অবকাঠামোর স্থিতিশীলতা জোরদারের আহ্বান জানানো হয়েছে।
মঙ্গলবার (৫ মে) প্রকাশিত জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থার যৌথ প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
প্রতিবেদনে স্থল, সমুদ্র ও মহাকাশ-সব ক্ষেত্রেই ডিজিটাল সিস্টেমের দুর্বলতা চিহ্নিত করা হয়েছে এবং সম্ভাব্য ঝুঁকি মোকাবিলায় করণীয় তুলে ধরা হয়েছে। এতে কয়েকটি বড় ঝুঁকির কথা উল্লেখ করা হয়-
শক্তিশালী সৌরঝড়ে স্যাটেলাইট বিকল হয়ে যোগাযোগ, নেভিগেশন ও বিদ্যুৎ গ্রিডে দীর্ঘমেয়াদি বিপর্যয়, চরম তাপমাত্রায় ডাটা সেন্টার অচল হয়ে মোবাইল সেবা, স্বাস্থ্যব্যবস্থা ও আর্থিক লেনদেনে বিঘ্ন, ভূমিকম্প বা প্রাকৃতিক দুর্যোগে ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে দীর্ঘ সময় দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থা অচল হয়ে পড়া,
প্রতিবেদন বলছে, আধুনিক বিশ্ব ডিজিটাল ব্যবস্থার ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে, অথচ কার্যকর বিকল্প (অফলাইন) ব্যবস্থা এখনো যথেষ্ট গড়ে ওঠেনি-যা বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করছে।
আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ খাতের মহাসচিব ডোরেন বোগদান মার্টিন বলেন, প্রযুক্তির সঙ্গে সঙ্গে এর স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করাও জরুরি। অন্যদিকে দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস–সংক্রান্ত সংস্থার প্রধান কামাল কিশোর সতর্ক করে বলেন, ডিজিটাল নির্ভরতা যত বাড়ছে, ততই ঝুঁকিও বহুগুণে বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা সীমান্ত পেরিয়ে বৈশ্বিক বিপর্যয়ে রূপ নিতে পারে।
স্বাস্থ্য, অর্থনীতি ও জরুরি সেবাসহ গুরুত্বপূর্ণ খাত সুরক্ষায় দেশগুলোর মধ্যে সমন্বিত উদ্যোগ জোরদারের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা। সূত্র: সিজিটিএন

বৈশ্বিক যোগাযোগ ব্যবস্থায় বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটলে ‘ডিজিটাল মহামারি’ তৈরি হতে পারে-এমন সতর্কবার্তা দিয়েছে জাতিসংঘ। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় সব দেশকে ডিজিটাল অবকাঠামোর স্থিতিশীলতা জোরদারের আহ্বান জানানো হয়েছে।
মঙ্গলবার (৫ মে) প্রকাশিত জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থার যৌথ প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
প্রতিবেদনে স্থল, সমুদ্র ও মহাকাশ-সব ক্ষেত্রেই ডিজিটাল সিস্টেমের দুর্বলতা চিহ্নিত করা হয়েছে এবং সম্ভাব্য ঝুঁকি মোকাবিলায় করণীয় তুলে ধরা হয়েছে। এতে কয়েকটি বড় ঝুঁকির কথা উল্লেখ করা হয়-
শক্তিশালী সৌরঝড়ে স্যাটেলাইট বিকল হয়ে যোগাযোগ, নেভিগেশন ও বিদ্যুৎ গ্রিডে দীর্ঘমেয়াদি বিপর্যয়, চরম তাপমাত্রায় ডাটা সেন্টার অচল হয়ে মোবাইল সেবা, স্বাস্থ্যব্যবস্থা ও আর্থিক লেনদেনে বিঘ্ন, ভূমিকম্প বা প্রাকৃতিক দুর্যোগে ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে দীর্ঘ সময় দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থা অচল হয়ে পড়া,
প্রতিবেদন বলছে, আধুনিক বিশ্ব ডিজিটাল ব্যবস্থার ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে, অথচ কার্যকর বিকল্প (অফলাইন) ব্যবস্থা এখনো যথেষ্ট গড়ে ওঠেনি-যা বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করছে।
আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ খাতের মহাসচিব ডোরেন বোগদান মার্টিন বলেন, প্রযুক্তির সঙ্গে সঙ্গে এর স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করাও জরুরি। অন্যদিকে দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস–সংক্রান্ত সংস্থার প্রধান কামাল কিশোর সতর্ক করে বলেন, ডিজিটাল নির্ভরতা যত বাড়ছে, ততই ঝুঁকিও বহুগুণে বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা সীমান্ত পেরিয়ে বৈশ্বিক বিপর্যয়ে রূপ নিতে পারে।
স্বাস্থ্য, অর্থনীতি ও জরুরি সেবাসহ গুরুত্বপূর্ণ খাত সুরক্ষায় দেশগুলোর মধ্যে সমন্বিত উদ্যোগ জোরদারের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা। সূত্র: সিজিটিএন

বৈশ্বিক যোগাযোগ ব্যবস্থায় বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটলে ‘ডিজিটাল মহামারি’ তৈরি হতে পারে-এমন সতর্কবার্তা দিয়েছে জাতিসংঘ। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় সব দেশকে ডিজিটাল অবকাঠামোর স্থিতিশীলতা জোরদারের আহ্বান জানানো হয়েছে।
মঙ্গলবার (৫ মে) প্রকাশিত জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থার যৌথ প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
প্রতিবেদনে স্থল, সমুদ্র ও মহাকাশ-সব ক্ষেত্রেই ডিজিটাল সিস্টেমের দুর্বলতা চিহ্নিত করা হয়েছে এবং সম্ভাব্য ঝুঁকি মোকাবিলায় করণীয় তুলে ধরা হয়েছে। এতে কয়েকটি বড় ঝুঁকির কথা উল্লেখ করা হয়-
শক্তিশালী সৌরঝড়ে স্যাটেলাইট বিকল হয়ে যোগাযোগ, নেভিগেশন ও বিদ্যুৎ গ্রিডে দীর্ঘমেয়াদি বিপর্যয়, চরম তাপমাত্রায় ডাটা সেন্টার অচল হয়ে মোবাইল সেবা, স্বাস্থ্যব্যবস্থা ও আর্থিক লেনদেনে বিঘ্ন, ভূমিকম্প বা প্রাকৃতিক দুর্যোগে ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে দীর্ঘ সময় দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থা অচল হয়ে পড়া,
প্রতিবেদন বলছে, আধুনিক বিশ্ব ডিজিটাল ব্যবস্থার ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে, অথচ কার্যকর বিকল্প (অফলাইন) ব্যবস্থা এখনো যথেষ্ট গড়ে ওঠেনি-যা বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করছে।
আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ খাতের মহাসচিব ডোরেন বোগদান মার্টিন বলেন, প্রযুক্তির সঙ্গে সঙ্গে এর স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করাও জরুরি। অন্যদিকে দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস–সংক্রান্ত সংস্থার প্রধান কামাল কিশোর সতর্ক করে বলেন, ডিজিটাল নির্ভরতা যত বাড়ছে, ততই ঝুঁকিও বহুগুণে বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা সীমান্ত পেরিয়ে বৈশ্বিক বিপর্যয়ে রূপ নিতে পারে।
স্বাস্থ্য, অর্থনীতি ও জরুরি সেবাসহ গুরুত্বপূর্ণ খাত সুরক্ষায় দেশগুলোর মধ্যে সমন্বিত উদ্যোগ জোরদারের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা। সূত্র: সিজিটিএন
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!