পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর পদত্যাগ নিয়ে শুরু হওয়া জল্পনা-কল্পনার স্পষ্ট জবাব দিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা ব্যনার্জী। তিনি দৃঢ় কণ্ঠে জানিয়েছেন, নির্বাচনে তিনি বা তার দল পরাজিত হয়নি এবং এ অবস্থায় পদত্যাগের কোনো প্রশ্নই ওঠে না।
মঙ্গলবার বিকেলে কলকাতার কালীঘাটে নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মমতা বলেন, ‘কেন পদত্যাগ করব? আমরা তো হারিনি। ইস্তফা দেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না।’ এ সময় তার পাশে ছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়সহ দলের শীর্ষ নেতারা।
নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তার অভিযোগ, কমিশনের প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় ১০০টির বেশি আসনে কারচুপি বা ‘লুট’ হয়েছে। তিনি বলেন, ‘ওরা যদি স্বাভাবিকভাবে জিতত, তাহলে আমার কোনো আপত্তি থাকত না। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় হার-জিত থাকেই। কিন্তু যা হয়েছে, তা স্বাভাবিক নয়। আমরা হারিনি, ভোট লুট হয়েছে।’
মমতা আরও অভিযোগ করেন, নির্বাচন কমিশন পুরো প্রক্রিয়ায় পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ করেছে। তার দাবি, ভোটের আগে বিভিন্ন জায়গায় অভিযান পরিচালনা, প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের ব্যাপক বদলি এবং নির্বাচনী ব্যবস্থাপনায় হস্তক্ষেপের মাধ্যমে একটি ‘কালো অধ্যায়’ রচিত হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন এখানে ভিলেনের ভূমিকা পালন করেছে। তারা মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নিয়েছে। ভোটের আগে সর্বত্র অভিযান চালানো হয়েছে, কর্মকর্তাদের বদলি করা হয়েছে। বিজেপি এবং নির্বাচন কমিশনের মধ্যে সমঝোতা হয়েছে বলে মনে হয়। এমনকি দেশের প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সম্পৃক্ততার বিষয়েও প্রশ্ন উঠেছে।’
নির্বাচনের ফলাফল প্রত্যাখ্যান করে রাজপথে নামার ঘোষণাও দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, ‘আমরা রাস্তায় নামব, রাস্তাতেই থাকব এবং ঘুরে দাঁড়াব। এই লড়াই চলবে।’
তবে দলের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক কৌশল সম্পর্কে এখনই বিস্তারিত কিছু জানাতে চান না তিনি। মমতা বলেন, ‘দলের পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে, তা এই মুহূর্তে প্রকাশ করতে চাই না। সময় হলে সব জানানো হবে।’ এদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা দলের সঙ্গেই আছেন বলে দাবি করেছেন মমতা। তিনি জানান, দল ঐক্যবদ্ধ রয়েছে এবং এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় তারা প্রস্তুত।
উল্লেখ্য, পশ্চিমবঙ্গের সাম্প্রতিক বিধানসভা নির্বাচনে ফলাফল নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র উত্তেজনা বিরাজ করছে। অভিযোগ-প্রতিআভিযোগের মধ্যেই পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। সূত্র: আনন্দবাজার
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর পদত্যাগ নিয়ে শুরু হওয়া জল্পনা-কল্পনার স্পষ্ট জবাব দিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা ব্যনার্জী। তিনি দৃঢ় কণ্ঠে জানিয়েছেন, নির্বাচনে তিনি বা তার দল পরাজিত হয়নি এবং এ অবস্থায় পদত্যাগের কোনো প্রশ্নই ওঠে না।
মঙ্গলবার বিকেলে কলকাতার কালীঘাটে নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মমতা বলেন, ‘কেন পদত্যাগ করব? আমরা তো হারিনি। ইস্তফা দেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না।’ এ সময় তার পাশে ছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়সহ দলের শীর্ষ নেতারা।
নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তার অভিযোগ, কমিশনের প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় ১০০টির বেশি আসনে কারচুপি বা ‘লুট’ হয়েছে। তিনি বলেন, ‘ওরা যদি স্বাভাবিকভাবে জিতত, তাহলে আমার কোনো আপত্তি থাকত না। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় হার-জিত থাকেই। কিন্তু যা হয়েছে, তা স্বাভাবিক নয়। আমরা হারিনি, ভোট লুট হয়েছে।’
মমতা আরও অভিযোগ করেন, নির্বাচন কমিশন পুরো প্রক্রিয়ায় পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ করেছে। তার দাবি, ভোটের আগে বিভিন্ন জায়গায় অভিযান পরিচালনা, প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের ব্যাপক বদলি এবং নির্বাচনী ব্যবস্থাপনায় হস্তক্ষেপের মাধ্যমে একটি ‘কালো অধ্যায়’ রচিত হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন এখানে ভিলেনের ভূমিকা পালন করেছে। তারা মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নিয়েছে। ভোটের আগে সর্বত্র অভিযান চালানো হয়েছে, কর্মকর্তাদের বদলি করা হয়েছে। বিজেপি এবং নির্বাচন কমিশনের মধ্যে সমঝোতা হয়েছে বলে মনে হয়। এমনকি দেশের প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সম্পৃক্ততার বিষয়েও প্রশ্ন উঠেছে।’
নির্বাচনের ফলাফল প্রত্যাখ্যান করে রাজপথে নামার ঘোষণাও দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, ‘আমরা রাস্তায় নামব, রাস্তাতেই থাকব এবং ঘুরে দাঁড়াব। এই লড়াই চলবে।’
তবে দলের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক কৌশল সম্পর্কে এখনই বিস্তারিত কিছু জানাতে চান না তিনি। মমতা বলেন, ‘দলের পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে, তা এই মুহূর্তে প্রকাশ করতে চাই না। সময় হলে সব জানানো হবে।’ এদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা দলের সঙ্গেই আছেন বলে দাবি করেছেন মমতা। তিনি জানান, দল ঐক্যবদ্ধ রয়েছে এবং এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় তারা প্রস্তুত।
উল্লেখ্য, পশ্চিমবঙ্গের সাম্প্রতিক বিধানসভা নির্বাচনে ফলাফল নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র উত্তেজনা বিরাজ করছে। অভিযোগ-প্রতিআভিযোগের মধ্যেই পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। সূত্র: আনন্দবাজার
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর পদত্যাগ নিয়ে শুরু হওয়া জল্পনা-কল্পনার স্পষ্ট জবাব দিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা ব্যনার্জী। তিনি দৃঢ় কণ্ঠে জানিয়েছেন, নির্বাচনে তিনি বা তার দল পরাজিত হয়নি এবং এ অবস্থায় পদত্যাগের কোনো প্রশ্নই ওঠে না।
মঙ্গলবার বিকেলে কলকাতার কালীঘাটে নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মমতা বলেন, ‘কেন পদত্যাগ করব? আমরা তো হারিনি। ইস্তফা দেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না।’ এ সময় তার পাশে ছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়সহ দলের শীর্ষ নেতারা।
নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তার অভিযোগ, কমিশনের প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় ১০০টির বেশি আসনে কারচুপি বা ‘লুট’ হয়েছে। তিনি বলেন, ‘ওরা যদি স্বাভাবিকভাবে জিতত, তাহলে আমার কোনো আপত্তি থাকত না। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় হার-জিত থাকেই। কিন্তু যা হয়েছে, তা স্বাভাবিক নয়। আমরা হারিনি, ভোট লুট হয়েছে।’
মমতা আরও অভিযোগ করেন, নির্বাচন কমিশন পুরো প্রক্রিয়ায় পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ করেছে। তার দাবি, ভোটের আগে বিভিন্ন জায়গায় অভিযান পরিচালনা, প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের ব্যাপক বদলি এবং নির্বাচনী ব্যবস্থাপনায় হস্তক্ষেপের মাধ্যমে একটি ‘কালো অধ্যায়’ রচিত হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন এখানে ভিলেনের ভূমিকা পালন করেছে। তারা মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নিয়েছে। ভোটের আগে সর্বত্র অভিযান চালানো হয়েছে, কর্মকর্তাদের বদলি করা হয়েছে। বিজেপি এবং নির্বাচন কমিশনের মধ্যে সমঝোতা হয়েছে বলে মনে হয়। এমনকি দেশের প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সম্পৃক্ততার বিষয়েও প্রশ্ন উঠেছে।’
নির্বাচনের ফলাফল প্রত্যাখ্যান করে রাজপথে নামার ঘোষণাও দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, ‘আমরা রাস্তায় নামব, রাস্তাতেই থাকব এবং ঘুরে দাঁড়াব। এই লড়াই চলবে।’
তবে দলের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক কৌশল সম্পর্কে এখনই বিস্তারিত কিছু জানাতে চান না তিনি। মমতা বলেন, ‘দলের পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে, তা এই মুহূর্তে প্রকাশ করতে চাই না। সময় হলে সব জানানো হবে।’ এদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা দলের সঙ্গেই আছেন বলে দাবি করেছেন মমতা। তিনি জানান, দল ঐক্যবদ্ধ রয়েছে এবং এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় তারা প্রস্তুত।
উল্লেখ্য, পশ্চিমবঙ্গের সাম্প্রতিক বিধানসভা নির্বাচনে ফলাফল নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র উত্তেজনা বিরাজ করছে। অভিযোগ-প্রতিআভিযোগের মধ্যেই পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। সূত্র: আনন্দবাজার
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর পদত্যাগ নিয়ে শুরু হওয়া জল্পনা-কল্পনার স্পষ্ট জবাব দিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা ব্যনার্জী। তিনি দৃঢ় কণ্ঠে জানিয়েছেন, নির্বাচনে তিনি বা তার দল পরাজিত হয়নি এবং এ অবস্থায় পদত্যাগের কোনো প্রশ্নই ওঠে না।
মঙ্গলবার বিকেলে কলকাতার কালীঘাটে নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মমতা বলেন, ‘কেন পদত্যাগ করব? আমরা তো হারিনি। ইস্তফা দেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না।’ এ সময় তার পাশে ছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়সহ দলের শীর্ষ নেতারা।
নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তার অভিযোগ, কমিশনের প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় ১০০টির বেশি আসনে কারচুপি বা ‘লুট’ হয়েছে। তিনি বলেন, ‘ওরা যদি স্বাভাবিকভাবে জিতত, তাহলে আমার কোনো আপত্তি থাকত না। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় হার-জিত থাকেই। কিন্তু যা হয়েছে, তা স্বাভাবিক নয়। আমরা হারিনি, ভোট লুট হয়েছে।’
মমতা আরও অভিযোগ করেন, নির্বাচন কমিশন পুরো প্রক্রিয়ায় পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ করেছে। তার দাবি, ভোটের আগে বিভিন্ন জায়গায় অভিযান পরিচালনা, প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের ব্যাপক বদলি এবং নির্বাচনী ব্যবস্থাপনায় হস্তক্ষেপের মাধ্যমে একটি ‘কালো অধ্যায়’ রচিত হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন এখানে ভিলেনের ভূমিকা পালন করেছে। তারা মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নিয়েছে। ভোটের আগে সর্বত্র অভিযান চালানো হয়েছে, কর্মকর্তাদের বদলি করা হয়েছে। বিজেপি এবং নির্বাচন কমিশনের মধ্যে সমঝোতা হয়েছে বলে মনে হয়। এমনকি দেশের প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সম্পৃক্ততার বিষয়েও প্রশ্ন উঠেছে।’
নির্বাচনের ফলাফল প্রত্যাখ্যান করে রাজপথে নামার ঘোষণাও দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, ‘আমরা রাস্তায় নামব, রাস্তাতেই থাকব এবং ঘুরে দাঁড়াব। এই লড়াই চলবে।’
তবে দলের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক কৌশল সম্পর্কে এখনই বিস্তারিত কিছু জানাতে চান না তিনি। মমতা বলেন, ‘দলের পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে, তা এই মুহূর্তে প্রকাশ করতে চাই না। সময় হলে সব জানানো হবে।’ এদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা দলের সঙ্গেই আছেন বলে দাবি করেছেন মমতা। তিনি জানান, দল ঐক্যবদ্ধ রয়েছে এবং এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় তারা প্রস্তুত।
উল্লেখ্য, পশ্চিমবঙ্গের সাম্প্রতিক বিধানসভা নির্বাচনে ফলাফল নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র উত্তেজনা বিরাজ করছে। অভিযোগ-প্রতিআভিযোগের মধ্যেই পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। সূত্র: আনন্দবাজার
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!