
গাজায় ইসরায়েলি সামরিক অভিযানের ধ্বংসযজ্ঞ ও মানবিক সংকটের চিত্র তুলে ধরে চলতি বছরের সম্মানজনক পুলিৎজার পুরস্কার জিতেছেন ফিলিস্তিনি আলোকচিত্রী সাহের আলঘোরা।
সোমবার (৫ মে) ‘সাংবাদিকতার নোবেল’ হিসেবে পরিচিত এই পুরস্কারের বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়। মার্কিন গণমাধ্যম দ্য নিউইয়র্ক টাইমস-এ কর্মরত সাহের ‘ব্রেকিং নিউজ’ বিভাগে পুরস্কার অর্জন করেন। তার তোলা ছবিতে যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজার ভয়াবহতা ও সাধারণ মানুষের মানবেতর জীবন সংবেদনশীলভাবে ফুটে উঠেছে।
গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসন শুরুর পর দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে চলা সংঘাতে অঞ্চলটি ব্যাপকভাবে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। সাহেরের পুরস্কারজয়ী প্রতিবেদনের শিরোনাম ছিল ‘Trapped in Gaza: Between Fire and Famine’—যেখানে হামলা ও দুর্ভিক্ষের মধ্যে আটকে পড়া বেসামরিক মানুষের করুণ বাস্তবতা তুলে ধরা হয়েছে।
পুলিৎজার বোর্ডের প্রশাসক মারজোরি মিলার সাহেরের কাজকে ‘মর্মান্তিক’ ও ‘সাহসী’ বলে উল্লেখ করেন।
এ বছর গাজা ইস্যু ছাড়াও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে প্রতিবেদন করে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলো পুলিৎজার জিতেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প-এর রাজনৈতিক প্রতিশোধমূলক কর্মকাণ্ড নিয়ে প্রতিবেদন করে রয়টার্স ‘ন্যাশনাল রিপোর্টিং’ বিভাগে পুরস্কার পায়। এছাড়া কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক চ্যাটবটের শিশু-কিশোরদের ওপর ক্ষতিকর প্রভাব নিয়ে অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের জন্যও একই সংস্থা ‘বিট রিপোর্টিং’ বিভাগে পুরস্কৃত হয়েছে।
চলতি বছর দ্য নিউইয়র্ক টাইমস মোট তিনটি বিভাগে পুলিৎজার জয় করে। এছাড়া ওয়াশিংটন পোস্ট ও অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসসহ আরও কয়েকটি প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম বিভিন্ন বিভাগে এ সম্মাননা লাভ করে।
উল্লেখ্য, ১৯১৭ সাল থেকে কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়-এর একটি বোর্ড সাংবাদিকতা, সাহিত্য, সংগীত ও নাটকে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে প্রতিবছর এই পুরস্কার প্রদান করে আসছে।
পুরস্কার ঘোষণা করতে গিয়ে মারজোরি মিলার বৈশ্বিক নানা বাধার মধ্যেও সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব দেন। তিনি বলেন, প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও সাহের আলঘোরার মতো সাংবাদিকদের বস্তুনিষ্ঠ কাজ বিশ্ব সাংবাদিকতায় অনন্য দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

গাজায় ইসরায়েলি সামরিক অভিযানের ধ্বংসযজ্ঞ ও মানবিক সংকটের চিত্র তুলে ধরে চলতি বছরের সম্মানজনক পুলিৎজার পুরস্কার জিতেছেন ফিলিস্তিনি আলোকচিত্রী সাহের আলঘোরা।
সোমবার (৫ মে) ‘সাংবাদিকতার নোবেল’ হিসেবে পরিচিত এই পুরস্কারের বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়। মার্কিন গণমাধ্যম দ্য নিউইয়র্ক টাইমস-এ কর্মরত সাহের ‘ব্রেকিং নিউজ’ বিভাগে পুরস্কার অর্জন করেন। তার তোলা ছবিতে যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজার ভয়াবহতা ও সাধারণ মানুষের মানবেতর জীবন সংবেদনশীলভাবে ফুটে উঠেছে।
গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসন শুরুর পর দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে চলা সংঘাতে অঞ্চলটি ব্যাপকভাবে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। সাহেরের পুরস্কারজয়ী প্রতিবেদনের শিরোনাম ছিল ‘Trapped in Gaza: Between Fire and Famine’—যেখানে হামলা ও দুর্ভিক্ষের মধ্যে আটকে পড়া বেসামরিক মানুষের করুণ বাস্তবতা তুলে ধরা হয়েছে।
পুলিৎজার বোর্ডের প্রশাসক মারজোরি মিলার সাহেরের কাজকে ‘মর্মান্তিক’ ও ‘সাহসী’ বলে উল্লেখ করেন।
এ বছর গাজা ইস্যু ছাড়াও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে প্রতিবেদন করে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলো পুলিৎজার জিতেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প-এর রাজনৈতিক প্রতিশোধমূলক কর্মকাণ্ড নিয়ে প্রতিবেদন করে রয়টার্স ‘ন্যাশনাল রিপোর্টিং’ বিভাগে পুরস্কার পায়। এছাড়া কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক চ্যাটবটের শিশু-কিশোরদের ওপর ক্ষতিকর প্রভাব নিয়ে অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের জন্যও একই সংস্থা ‘বিট রিপোর্টিং’ বিভাগে পুরস্কৃত হয়েছে।
চলতি বছর দ্য নিউইয়র্ক টাইমস মোট তিনটি বিভাগে পুলিৎজার জয় করে। এছাড়া ওয়াশিংটন পোস্ট ও অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসসহ আরও কয়েকটি প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম বিভিন্ন বিভাগে এ সম্মাননা লাভ করে।
উল্লেখ্য, ১৯১৭ সাল থেকে কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়-এর একটি বোর্ড সাংবাদিকতা, সাহিত্য, সংগীত ও নাটকে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে প্রতিবছর এই পুরস্কার প্রদান করে আসছে।
পুরস্কার ঘোষণা করতে গিয়ে মারজোরি মিলার বৈশ্বিক নানা বাধার মধ্যেও সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব দেন। তিনি বলেন, প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও সাহের আলঘোরার মতো সাংবাদিকদের বস্তুনিষ্ঠ কাজ বিশ্ব সাংবাদিকতায় অনন্য দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

গাজায় ইসরায়েলি সামরিক অভিযানের ধ্বংসযজ্ঞ ও মানবিক সংকটের চিত্র তুলে ধরে চলতি বছরের সম্মানজনক পুলিৎজার পুরস্কার জিতেছেন ফিলিস্তিনি আলোকচিত্রী সাহের আলঘোরা।
সোমবার (৫ মে) ‘সাংবাদিকতার নোবেল’ হিসেবে পরিচিত এই পুরস্কারের বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়। মার্কিন গণমাধ্যম দ্য নিউইয়র্ক টাইমস-এ কর্মরত সাহের ‘ব্রেকিং নিউজ’ বিভাগে পুরস্কার অর্জন করেন। তার তোলা ছবিতে যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজার ভয়াবহতা ও সাধারণ মানুষের মানবেতর জীবন সংবেদনশীলভাবে ফুটে উঠেছে।
গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসন শুরুর পর দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে চলা সংঘাতে অঞ্চলটি ব্যাপকভাবে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। সাহেরের পুরস্কারজয়ী প্রতিবেদনের শিরোনাম ছিল ‘Trapped in Gaza: Between Fire and Famine’—যেখানে হামলা ও দুর্ভিক্ষের মধ্যে আটকে পড়া বেসামরিক মানুষের করুণ বাস্তবতা তুলে ধরা হয়েছে।
পুলিৎজার বোর্ডের প্রশাসক মারজোরি মিলার সাহেরের কাজকে ‘মর্মান্তিক’ ও ‘সাহসী’ বলে উল্লেখ করেন।
এ বছর গাজা ইস্যু ছাড়াও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে প্রতিবেদন করে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলো পুলিৎজার জিতেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প-এর রাজনৈতিক প্রতিশোধমূলক কর্মকাণ্ড নিয়ে প্রতিবেদন করে রয়টার্স ‘ন্যাশনাল রিপোর্টিং’ বিভাগে পুরস্কার পায়। এছাড়া কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক চ্যাটবটের শিশু-কিশোরদের ওপর ক্ষতিকর প্রভাব নিয়ে অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের জন্যও একই সংস্থা ‘বিট রিপোর্টিং’ বিভাগে পুরস্কৃত হয়েছে।
চলতি বছর দ্য নিউইয়র্ক টাইমস মোট তিনটি বিভাগে পুলিৎজার জয় করে। এছাড়া ওয়াশিংটন পোস্ট ও অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসসহ আরও কয়েকটি প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম বিভিন্ন বিভাগে এ সম্মাননা লাভ করে।
উল্লেখ্য, ১৯১৭ সাল থেকে কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়-এর একটি বোর্ড সাংবাদিকতা, সাহিত্য, সংগীত ও নাটকে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে প্রতিবছর এই পুরস্কার প্রদান করে আসছে।
পুরস্কার ঘোষণা করতে গিয়ে মারজোরি মিলার বৈশ্বিক নানা বাধার মধ্যেও সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব দেন। তিনি বলেন, প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও সাহের আলঘোরার মতো সাংবাদিকদের বস্তুনিষ্ঠ কাজ বিশ্ব সাংবাদিকতায় অনন্য দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

গাজায় ইসরায়েলি সামরিক অভিযানের ধ্বংসযজ্ঞ ও মানবিক সংকটের চিত্র তুলে ধরে চলতি বছরের সম্মানজনক পুলিৎজার পুরস্কার জিতেছেন ফিলিস্তিনি আলোকচিত্রী সাহের আলঘোরা।
সোমবার (৫ মে) ‘সাংবাদিকতার নোবেল’ হিসেবে পরিচিত এই পুরস্কারের বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়। মার্কিন গণমাধ্যম দ্য নিউইয়র্ক টাইমস-এ কর্মরত সাহের ‘ব্রেকিং নিউজ’ বিভাগে পুরস্কার অর্জন করেন। তার তোলা ছবিতে যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজার ভয়াবহতা ও সাধারণ মানুষের মানবেতর জীবন সংবেদনশীলভাবে ফুটে উঠেছে।
গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসন শুরুর পর দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে চলা সংঘাতে অঞ্চলটি ব্যাপকভাবে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। সাহেরের পুরস্কারজয়ী প্রতিবেদনের শিরোনাম ছিল ‘Trapped in Gaza: Between Fire and Famine’—যেখানে হামলা ও দুর্ভিক্ষের মধ্যে আটকে পড়া বেসামরিক মানুষের করুণ বাস্তবতা তুলে ধরা হয়েছে।
পুলিৎজার বোর্ডের প্রশাসক মারজোরি মিলার সাহেরের কাজকে ‘মর্মান্তিক’ ও ‘সাহসী’ বলে উল্লেখ করেন।
এ বছর গাজা ইস্যু ছাড়াও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে প্রতিবেদন করে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলো পুলিৎজার জিতেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প-এর রাজনৈতিক প্রতিশোধমূলক কর্মকাণ্ড নিয়ে প্রতিবেদন করে রয়টার্স ‘ন্যাশনাল রিপোর্টিং’ বিভাগে পুরস্কার পায়। এছাড়া কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক চ্যাটবটের শিশু-কিশোরদের ওপর ক্ষতিকর প্রভাব নিয়ে অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের জন্যও একই সংস্থা ‘বিট রিপোর্টিং’ বিভাগে পুরস্কৃত হয়েছে।
চলতি বছর দ্য নিউইয়র্ক টাইমস মোট তিনটি বিভাগে পুলিৎজার জয় করে। এছাড়া ওয়াশিংটন পোস্ট ও অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসসহ আরও কয়েকটি প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম বিভিন্ন বিভাগে এ সম্মাননা লাভ করে।
উল্লেখ্য, ১৯১৭ সাল থেকে কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়-এর একটি বোর্ড সাংবাদিকতা, সাহিত্য, সংগীত ও নাটকে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে প্রতিবছর এই পুরস্কার প্রদান করে আসছে।
পুরস্কার ঘোষণা করতে গিয়ে মারজোরি মিলার বৈশ্বিক নানা বাধার মধ্যেও সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব দেন। তিনি বলেন, প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও সাহের আলঘোরার মতো সাংবাদিকদের বস্তুনিষ্ঠ কাজ বিশ্ব সাংবাদিকতায় অনন্য দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!