
চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) বিদেশি অপারেটর ডিপি ওয়ার্ল্ডকে ইজারা দেওয়ার প্রক্রিয়া বাতিলসহ চার দফা দাবিতে আবারও লাগাতার ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদ। আগামীকাল রোববার সকাল ৮টা থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য এই ধর্মঘট শুরু হবে।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের এস রহমান হলে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন সংগঠনের সমন্বয়ক মো. হুমায়ুন কবীর ও মো. ইব্রাহিম খোকন।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, এনসিটি বিদেশি প্রতিষ্ঠান ডিপি ওয়ার্ল্ডকে ইজারা দেওয়ার প্রক্রিয়া অবিলম্বে বাতিল করতে হবে। একই সঙ্গে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এস এম মনিরুজ্জামানকে অপসারণ এবং তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির তদন্তের দাবি জানানো হয়। এছাড়া আন্দোলনে অংশ নেওয়া শ্রমিক-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে নেওয়া বদলি, সাময়িক বরখাস্ত ও চার্জশিটসহ সব শাস্তিমূলক ব্যবস্থা প্রত্যাহার এবং শ্রমিক নেতাদের বিরুদ্ধে মামলা ও আইনি হয়রানি বন্ধের দাবি তোলা হয়।
নেতারা জানান, গত ৫ ফেব্রুয়ারি নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেনের সঙ্গে আলোচনার পর রমজান মাস ও আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বিবেচনায় নিয়ে দুই দিনের জন্য কর্মসূচি স্থগিত রাখা হয়েছিল। তবে আলোচনার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বন্দর চেয়ারম্যান আন্দোলনকারী ১৫ জন নেতার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা ও সম্পদ তদন্তের জন্য দুদকে চিঠি দেওয়ায় শ্রমিকদের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে।
সংগঠনের সমন্বয়ক মো. হুমায়ুন কবীর বলেন, এনসিটি ইজারা বাতিলের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এবং শ্রমিকদের ওপর থেকে হয়রানিমূলক ব্যবস্থা প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত বন্দরে কোনো কাজ চলবে না।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের নেতারা ইফতেখার কামাল খান, এস কে খোদা তোতন, মো. হারুন, তসলিম হোসেন সেলিম ও ফজলুল কবির মিন্টু। এর আগে একই দাবিতে গত সপ্তাহে একাধিক দফা কর্মবিরতির কারণে চট্টগ্রাম বন্দরে আমদানি পণ্য খালাস, কনটেইনার হ্যান্ডলিং ও জাহাজ চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ে, যা দেশের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমে বড় ধরনের প্রভাব ফেলে।

চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) বিদেশি অপারেটর ডিপি ওয়ার্ল্ডকে ইজারা দেওয়ার প্রক্রিয়া বাতিলসহ চার দফা দাবিতে আবারও লাগাতার ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদ। আগামীকাল রোববার সকাল ৮টা থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য এই ধর্মঘট শুরু হবে।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের এস রহমান হলে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন সংগঠনের সমন্বয়ক মো. হুমায়ুন কবীর ও মো. ইব্রাহিম খোকন।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, এনসিটি বিদেশি প্রতিষ্ঠান ডিপি ওয়ার্ল্ডকে ইজারা দেওয়ার প্রক্রিয়া অবিলম্বে বাতিল করতে হবে। একই সঙ্গে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এস এম মনিরুজ্জামানকে অপসারণ এবং তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির তদন্তের দাবি জানানো হয়। এছাড়া আন্দোলনে অংশ নেওয়া শ্রমিক-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে নেওয়া বদলি, সাময়িক বরখাস্ত ও চার্জশিটসহ সব শাস্তিমূলক ব্যবস্থা প্রত্যাহার এবং শ্রমিক নেতাদের বিরুদ্ধে মামলা ও আইনি হয়রানি বন্ধের দাবি তোলা হয়।
নেতারা জানান, গত ৫ ফেব্রুয়ারি নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেনের সঙ্গে আলোচনার পর রমজান মাস ও আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বিবেচনায় নিয়ে দুই দিনের জন্য কর্মসূচি স্থগিত রাখা হয়েছিল। তবে আলোচনার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বন্দর চেয়ারম্যান আন্দোলনকারী ১৫ জন নেতার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা ও সম্পদ তদন্তের জন্য দুদকে চিঠি দেওয়ায় শ্রমিকদের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে।
সংগঠনের সমন্বয়ক মো. হুমায়ুন কবীর বলেন, এনসিটি ইজারা বাতিলের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এবং শ্রমিকদের ওপর থেকে হয়রানিমূলক ব্যবস্থা প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত বন্দরে কোনো কাজ চলবে না।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের নেতারা ইফতেখার কামাল খান, এস কে খোদা তোতন, মো. হারুন, তসলিম হোসেন সেলিম ও ফজলুল কবির মিন্টু। এর আগে একই দাবিতে গত সপ্তাহে একাধিক দফা কর্মবিরতির কারণে চট্টগ্রাম বন্দরে আমদানি পণ্য খালাস, কনটেইনার হ্যান্ডলিং ও জাহাজ চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ে, যা দেশের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমে বড় ধরনের প্রভাব ফেলে।

চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) বিদেশি অপারেটর ডিপি ওয়ার্ল্ডকে ইজারা দেওয়ার প্রক্রিয়া বাতিলসহ চার দফা দাবিতে আবারও লাগাতার ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদ। আগামীকাল রোববার সকাল ৮টা থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য এই ধর্মঘট শুরু হবে।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের এস রহমান হলে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন সংগঠনের সমন্বয়ক মো. হুমায়ুন কবীর ও মো. ইব্রাহিম খোকন।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, এনসিটি বিদেশি প্রতিষ্ঠান ডিপি ওয়ার্ল্ডকে ইজারা দেওয়ার প্রক্রিয়া অবিলম্বে বাতিল করতে হবে। একই সঙ্গে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এস এম মনিরুজ্জামানকে অপসারণ এবং তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির তদন্তের দাবি জানানো হয়। এছাড়া আন্দোলনে অংশ নেওয়া শ্রমিক-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে নেওয়া বদলি, সাময়িক বরখাস্ত ও চার্জশিটসহ সব শাস্তিমূলক ব্যবস্থা প্রত্যাহার এবং শ্রমিক নেতাদের বিরুদ্ধে মামলা ও আইনি হয়রানি বন্ধের দাবি তোলা হয়।
নেতারা জানান, গত ৫ ফেব্রুয়ারি নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেনের সঙ্গে আলোচনার পর রমজান মাস ও আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বিবেচনায় নিয়ে দুই দিনের জন্য কর্মসূচি স্থগিত রাখা হয়েছিল। তবে আলোচনার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বন্দর চেয়ারম্যান আন্দোলনকারী ১৫ জন নেতার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা ও সম্পদ তদন্তের জন্য দুদকে চিঠি দেওয়ায় শ্রমিকদের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে।
সংগঠনের সমন্বয়ক মো. হুমায়ুন কবীর বলেন, এনসিটি ইজারা বাতিলের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এবং শ্রমিকদের ওপর থেকে হয়রানিমূলক ব্যবস্থা প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত বন্দরে কোনো কাজ চলবে না।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের নেতারা ইফতেখার কামাল খান, এস কে খোদা তোতন, মো. হারুন, তসলিম হোসেন সেলিম ও ফজলুল কবির মিন্টু। এর আগে একই দাবিতে গত সপ্তাহে একাধিক দফা কর্মবিরতির কারণে চট্টগ্রাম বন্দরে আমদানি পণ্য খালাস, কনটেইনার হ্যান্ডলিং ও জাহাজ চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ে, যা দেশের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমে বড় ধরনের প্রভাব ফেলে।

চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) বিদেশি অপারেটর ডিপি ওয়ার্ল্ডকে ইজারা দেওয়ার প্রক্রিয়া বাতিলসহ চার দফা দাবিতে আবারও লাগাতার ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদ। আগামীকাল রোববার সকাল ৮টা থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য এই ধর্মঘট শুরু হবে।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের এস রহমান হলে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন সংগঠনের সমন্বয়ক মো. হুমায়ুন কবীর ও মো. ইব্রাহিম খোকন।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, এনসিটি বিদেশি প্রতিষ্ঠান ডিপি ওয়ার্ল্ডকে ইজারা দেওয়ার প্রক্রিয়া অবিলম্বে বাতিল করতে হবে। একই সঙ্গে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এস এম মনিরুজ্জামানকে অপসারণ এবং তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির তদন্তের দাবি জানানো হয়। এছাড়া আন্দোলনে অংশ নেওয়া শ্রমিক-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে নেওয়া বদলি, সাময়িক বরখাস্ত ও চার্জশিটসহ সব শাস্তিমূলক ব্যবস্থা প্রত্যাহার এবং শ্রমিক নেতাদের বিরুদ্ধে মামলা ও আইনি হয়রানি বন্ধের দাবি তোলা হয়।
নেতারা জানান, গত ৫ ফেব্রুয়ারি নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেনের সঙ্গে আলোচনার পর রমজান মাস ও আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বিবেচনায় নিয়ে দুই দিনের জন্য কর্মসূচি স্থগিত রাখা হয়েছিল। তবে আলোচনার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বন্দর চেয়ারম্যান আন্দোলনকারী ১৫ জন নেতার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা ও সম্পদ তদন্তের জন্য দুদকে চিঠি দেওয়ায় শ্রমিকদের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে।
সংগঠনের সমন্বয়ক মো. হুমায়ুন কবীর বলেন, এনসিটি ইজারা বাতিলের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এবং শ্রমিকদের ওপর থেকে হয়রানিমূলক ব্যবস্থা প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত বন্দরে কোনো কাজ চলবে না।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের নেতারা ইফতেখার কামাল খান, এস কে খোদা তোতন, মো. হারুন, তসলিম হোসেন সেলিম ও ফজলুল কবির মিন্টু। এর আগে একই দাবিতে গত সপ্তাহে একাধিক দফা কর্মবিরতির কারণে চট্টগ্রাম বন্দরে আমদানি পণ্য খালাস, কনটেইনার হ্যান্ডলিং ও জাহাজ চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ে, যা দেশের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমে বড় ধরনের প্রভাব ফেলে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!