
শরীয়তপুর-২ আসনের নির্বাচনী মাঠে এবারের আলোচনার কেন্দ্রে শুধু প্রার্থী নন, তাঁর পাশে হাঁটা একজন মানুষও। তিনি ফারহানা কাদির রহমান। ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপির প্রার্থী জেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব শফিকুর রহমান কিরনের সহধর্মিণী। তবে পরিচয়ের সীমানা এখন আর শুধু সেখানেই আটকে নেই।
নড়িয়া ও সখিপুরের গ্রামগুলোতে দিন-রাত ঘুরে বেড়ানো এই নারীকে এখন অনেকেই নাম ধরে ডাকেন। উঠান বৈঠকে বসে নারীদের গল্প শোনেন, তরুণদের সঙ্গে ভবিষ্যৎ নিয়ে কথা বলেন, আবার কখনো মোবাইল ফোনের সামনে দাঁড়িয়ে সামাজিক মাধ্যমে সরাসরি ভোটারদের উদ্দেশে কথা বলেন। তাঁর উপস্থিতি যেন প্রচারণার ভাষা বদলে দিয়েছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সময়ের শিক্ষক এবং বাংলাদেশ টেলিভিশনের ইংরেজি সংবাদ পাঠিকা ফারহানা কাদির রহমানের এই পথচলা হঠাৎ নয়। ১৯৯৬ সালে স্বামীর স্বতন্ত্র নির্বাচনের সময়ও তিনি মাঠে ছিলেন। শরীয়তপুরে আসার পর থেকেই স্থানীয় মানুষের সঙ্গে মিশে যাওয়ার চেষ্টা করেছেন। দীর্ঘ সময় ধরে ব্যক্তিগত সম্পর্ক গড়ে তোলার সেই অভ্যাসই আজ রাজনৈতিক প্রচারণায় অন্যরকম শক্তি হয়ে উঠেছে। অনেকের কাছে তিনি নেতা পরিবারের সদস্য নন, বরং "নিজেদের মানুষ"।
এবারের নির্বাচনে তাঁর সক্রিয়তা নতুন মাত্রা পেয়েছে। প্রতিদিন একের পর এক পথসভা, উঠান বৈঠক আর সরাসরি কথোপকথন। আনুষ্ঠানিক ভাষণের বদলে তিনি ব্যবহার করেন সহজ ভাষা। মানুষও তাই কথা বলতে দ্বিধা করে না। কোথাও নারীরা নিজেদের সমস্যা বলছেন, কোথাও তরুণরা কাজের সুযোগ নিয়ে প্রশ্ন তুলছে। ফারহানা শুনছেন, জবাব দিচ্ছেন, কখনো নোট নিচ্ছেন।
রাজনীতির বাইরেও পরিবারটি স্থানীয় আলোচনায় এসেছে অন্য কারণে। তাঁদের সন্তানরাও সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয়। বড় মেয়ে ডা. সাফা শারারা রহমান পড়াশোনা শেষ করেই ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প চালু করেছেন। দুই ছেলে ফারদিন হাবিব সামার ও ফারহান হাবিব যুমার তরুণদের বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগে যুক্ত। ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনের সময় তারা রাজপথে ছিল, সামাজিক মাধ্যমে সক্রিয় ছিল। সেই সময় সন্তানদের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন মা ফারহানা নিজেও।
স্থানীয়দের মতে, পরিবারটির এই সামাজিক সম্পৃক্ততা রাজনৈতিক প্রচারণাকে ব্যক্তিগত সম্পর্কের পর্যায়ে নিয়ে গেছে। ফলে ভোটের আলোচনা শুধু প্রতিশ্রুতির মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকছে না, হয়ে উঠছে আস্থার আলোচনাও।
ফারহানা কাদির রহমান নিজে বিষয়টিকে দেখেন ভিন্নভাবে। তাঁর ভাষায়, "নড়িয়া ও সখিপুরের মানুষের ভালোবাসায় আমি অভিভূত। এ ভালোবাসা হঠাৎ করে তৈরি হয়নি। বধূ হিসেবে শরিয়তপুরের মাটিতে পা রাখার পর থেকেই এ ভালোবাসার শুরু। এই ভালোবাসা একপাক্ষিক নয়। আমি সব সময় এই ভালোবাসার প্রতিদান দেওয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছি।"
দলীয়ভাবে প্রার্থীকে ঘিরে ঐক্য থাকলেও মাঠপর্যায়ে নতুন আলোচনার কেন্দ্র হয়ে উঠেছেন এই নারী। নির্বাচনী প্রচারণার ভিড়ে তিনি আলাদা হয়েছেন বড় কোনো রাজনৈতিক বক্তব্য দিয়ে নয়, বরং দরজায় কড়া নাড়া, বসে কথা বলা আর মানবিকতা।
শরীয়তপুর-২ এর এই নির্বাচনে শেষ পর্যন্ত ফলাফল যা-ই হোক, একটি বিষয় স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। রাজনীতির মঞ্চে কখনো কখনো বড় বক্তৃতার চেয়ে মানুষের পাশে নীরবে হাঁটা একজন সঙ্গীর উপস্থিতিই আলোচনার কেন্দ্র হয়ে ওঠে। ফারহানা কাদির রহমান সেই গল্পেরই নতুন চরিত্র।

শরীয়তপুর-২ আসনের নির্বাচনী মাঠে এবারের আলোচনার কেন্দ্রে শুধু প্রার্থী নন, তাঁর পাশে হাঁটা একজন মানুষও। তিনি ফারহানা কাদির রহমান। ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপির প্রার্থী জেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব শফিকুর রহমান কিরনের সহধর্মিণী। তবে পরিচয়ের সীমানা এখন আর শুধু সেখানেই আটকে নেই।
নড়িয়া ও সখিপুরের গ্রামগুলোতে দিন-রাত ঘুরে বেড়ানো এই নারীকে এখন অনেকেই নাম ধরে ডাকেন। উঠান বৈঠকে বসে নারীদের গল্প শোনেন, তরুণদের সঙ্গে ভবিষ্যৎ নিয়ে কথা বলেন, আবার কখনো মোবাইল ফোনের সামনে দাঁড়িয়ে সামাজিক মাধ্যমে সরাসরি ভোটারদের উদ্দেশে কথা বলেন। তাঁর উপস্থিতি যেন প্রচারণার ভাষা বদলে দিয়েছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সময়ের শিক্ষক এবং বাংলাদেশ টেলিভিশনের ইংরেজি সংবাদ পাঠিকা ফারহানা কাদির রহমানের এই পথচলা হঠাৎ নয়। ১৯৯৬ সালে স্বামীর স্বতন্ত্র নির্বাচনের সময়ও তিনি মাঠে ছিলেন। শরীয়তপুরে আসার পর থেকেই স্থানীয় মানুষের সঙ্গে মিশে যাওয়ার চেষ্টা করেছেন। দীর্ঘ সময় ধরে ব্যক্তিগত সম্পর্ক গড়ে তোলার সেই অভ্যাসই আজ রাজনৈতিক প্রচারণায় অন্যরকম শক্তি হয়ে উঠেছে। অনেকের কাছে তিনি নেতা পরিবারের সদস্য নন, বরং "নিজেদের মানুষ"।
এবারের নির্বাচনে তাঁর সক্রিয়তা নতুন মাত্রা পেয়েছে। প্রতিদিন একের পর এক পথসভা, উঠান বৈঠক আর সরাসরি কথোপকথন। আনুষ্ঠানিক ভাষণের বদলে তিনি ব্যবহার করেন সহজ ভাষা। মানুষও তাই কথা বলতে দ্বিধা করে না। কোথাও নারীরা নিজেদের সমস্যা বলছেন, কোথাও তরুণরা কাজের সুযোগ নিয়ে প্রশ্ন তুলছে। ফারহানা শুনছেন, জবাব দিচ্ছেন, কখনো নোট নিচ্ছেন।
রাজনীতির বাইরেও পরিবারটি স্থানীয় আলোচনায় এসেছে অন্য কারণে। তাঁদের সন্তানরাও সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয়। বড় মেয়ে ডা. সাফা শারারা রহমান পড়াশোনা শেষ করেই ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প চালু করেছেন। দুই ছেলে ফারদিন হাবিব সামার ও ফারহান হাবিব যুমার তরুণদের বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগে যুক্ত। ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনের সময় তারা রাজপথে ছিল, সামাজিক মাধ্যমে সক্রিয় ছিল। সেই সময় সন্তানদের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন মা ফারহানা নিজেও।
স্থানীয়দের মতে, পরিবারটির এই সামাজিক সম্পৃক্ততা রাজনৈতিক প্রচারণাকে ব্যক্তিগত সম্পর্কের পর্যায়ে নিয়ে গেছে। ফলে ভোটের আলোচনা শুধু প্রতিশ্রুতির মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকছে না, হয়ে উঠছে আস্থার আলোচনাও।
ফারহানা কাদির রহমান নিজে বিষয়টিকে দেখেন ভিন্নভাবে। তাঁর ভাষায়, "নড়িয়া ও সখিপুরের মানুষের ভালোবাসায় আমি অভিভূত। এ ভালোবাসা হঠাৎ করে তৈরি হয়নি। বধূ হিসেবে শরিয়তপুরের মাটিতে পা রাখার পর থেকেই এ ভালোবাসার শুরু। এই ভালোবাসা একপাক্ষিক নয়। আমি সব সময় এই ভালোবাসার প্রতিদান দেওয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছি।"
দলীয়ভাবে প্রার্থীকে ঘিরে ঐক্য থাকলেও মাঠপর্যায়ে নতুন আলোচনার কেন্দ্র হয়ে উঠেছেন এই নারী। নির্বাচনী প্রচারণার ভিড়ে তিনি আলাদা হয়েছেন বড় কোনো রাজনৈতিক বক্তব্য দিয়ে নয়, বরং দরজায় কড়া নাড়া, বসে কথা বলা আর মানবিকতা।
শরীয়তপুর-২ এর এই নির্বাচনে শেষ পর্যন্ত ফলাফল যা-ই হোক, একটি বিষয় স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। রাজনীতির মঞ্চে কখনো কখনো বড় বক্তৃতার চেয়ে মানুষের পাশে নীরবে হাঁটা একজন সঙ্গীর উপস্থিতিই আলোচনার কেন্দ্র হয়ে ওঠে। ফারহানা কাদির রহমান সেই গল্পেরই নতুন চরিত্র।

শরীয়তপুর-২ আসনের নির্বাচনী মাঠে এবারের আলোচনার কেন্দ্রে শুধু প্রার্থী নন, তাঁর পাশে হাঁটা একজন মানুষও। তিনি ফারহানা কাদির রহমান। ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপির প্রার্থী জেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব শফিকুর রহমান কিরনের সহধর্মিণী। তবে পরিচয়ের সীমানা এখন আর শুধু সেখানেই আটকে নেই।
নড়িয়া ও সখিপুরের গ্রামগুলোতে দিন-রাত ঘুরে বেড়ানো এই নারীকে এখন অনেকেই নাম ধরে ডাকেন। উঠান বৈঠকে বসে নারীদের গল্প শোনেন, তরুণদের সঙ্গে ভবিষ্যৎ নিয়ে কথা বলেন, আবার কখনো মোবাইল ফোনের সামনে দাঁড়িয়ে সামাজিক মাধ্যমে সরাসরি ভোটারদের উদ্দেশে কথা বলেন। তাঁর উপস্থিতি যেন প্রচারণার ভাষা বদলে দিয়েছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সময়ের শিক্ষক এবং বাংলাদেশ টেলিভিশনের ইংরেজি সংবাদ পাঠিকা ফারহানা কাদির রহমানের এই পথচলা হঠাৎ নয়। ১৯৯৬ সালে স্বামীর স্বতন্ত্র নির্বাচনের সময়ও তিনি মাঠে ছিলেন। শরীয়তপুরে আসার পর থেকেই স্থানীয় মানুষের সঙ্গে মিশে যাওয়ার চেষ্টা করেছেন। দীর্ঘ সময় ধরে ব্যক্তিগত সম্পর্ক গড়ে তোলার সেই অভ্যাসই আজ রাজনৈতিক প্রচারণায় অন্যরকম শক্তি হয়ে উঠেছে। অনেকের কাছে তিনি নেতা পরিবারের সদস্য নন, বরং "নিজেদের মানুষ"।
এবারের নির্বাচনে তাঁর সক্রিয়তা নতুন মাত্রা পেয়েছে। প্রতিদিন একের পর এক পথসভা, উঠান বৈঠক আর সরাসরি কথোপকথন। আনুষ্ঠানিক ভাষণের বদলে তিনি ব্যবহার করেন সহজ ভাষা। মানুষও তাই কথা বলতে দ্বিধা করে না। কোথাও নারীরা নিজেদের সমস্যা বলছেন, কোথাও তরুণরা কাজের সুযোগ নিয়ে প্রশ্ন তুলছে। ফারহানা শুনছেন, জবাব দিচ্ছেন, কখনো নোট নিচ্ছেন।
রাজনীতির বাইরেও পরিবারটি স্থানীয় আলোচনায় এসেছে অন্য কারণে। তাঁদের সন্তানরাও সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয়। বড় মেয়ে ডা. সাফা শারারা রহমান পড়াশোনা শেষ করেই ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প চালু করেছেন। দুই ছেলে ফারদিন হাবিব সামার ও ফারহান হাবিব যুমার তরুণদের বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগে যুক্ত। ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনের সময় তারা রাজপথে ছিল, সামাজিক মাধ্যমে সক্রিয় ছিল। সেই সময় সন্তানদের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন মা ফারহানা নিজেও।
স্থানীয়দের মতে, পরিবারটির এই সামাজিক সম্পৃক্ততা রাজনৈতিক প্রচারণাকে ব্যক্তিগত সম্পর্কের পর্যায়ে নিয়ে গেছে। ফলে ভোটের আলোচনা শুধু প্রতিশ্রুতির মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকছে না, হয়ে উঠছে আস্থার আলোচনাও।
ফারহানা কাদির রহমান নিজে বিষয়টিকে দেখেন ভিন্নভাবে। তাঁর ভাষায়, "নড়িয়া ও সখিপুরের মানুষের ভালোবাসায় আমি অভিভূত। এ ভালোবাসা হঠাৎ করে তৈরি হয়নি। বধূ হিসেবে শরিয়তপুরের মাটিতে পা রাখার পর থেকেই এ ভালোবাসার শুরু। এই ভালোবাসা একপাক্ষিক নয়। আমি সব সময় এই ভালোবাসার প্রতিদান দেওয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছি।"
দলীয়ভাবে প্রার্থীকে ঘিরে ঐক্য থাকলেও মাঠপর্যায়ে নতুন আলোচনার কেন্দ্র হয়ে উঠেছেন এই নারী। নির্বাচনী প্রচারণার ভিড়ে তিনি আলাদা হয়েছেন বড় কোনো রাজনৈতিক বক্তব্য দিয়ে নয়, বরং দরজায় কড়া নাড়া, বসে কথা বলা আর মানবিকতা।
শরীয়তপুর-২ এর এই নির্বাচনে শেষ পর্যন্ত ফলাফল যা-ই হোক, একটি বিষয় স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। রাজনীতির মঞ্চে কখনো কখনো বড় বক্তৃতার চেয়ে মানুষের পাশে নীরবে হাঁটা একজন সঙ্গীর উপস্থিতিই আলোচনার কেন্দ্র হয়ে ওঠে। ফারহানা কাদির রহমান সেই গল্পেরই নতুন চরিত্র।

শরীয়তপুর-২ আসনের নির্বাচনী মাঠে এবারের আলোচনার কেন্দ্রে শুধু প্রার্থী নন, তাঁর পাশে হাঁটা একজন মানুষও। তিনি ফারহানা কাদির রহমান। ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপির প্রার্থী জেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব শফিকুর রহমান কিরনের সহধর্মিণী। তবে পরিচয়ের সীমানা এখন আর শুধু সেখানেই আটকে নেই।
নড়িয়া ও সখিপুরের গ্রামগুলোতে দিন-রাত ঘুরে বেড়ানো এই নারীকে এখন অনেকেই নাম ধরে ডাকেন। উঠান বৈঠকে বসে নারীদের গল্প শোনেন, তরুণদের সঙ্গে ভবিষ্যৎ নিয়ে কথা বলেন, আবার কখনো মোবাইল ফোনের সামনে দাঁড়িয়ে সামাজিক মাধ্যমে সরাসরি ভোটারদের উদ্দেশে কথা বলেন। তাঁর উপস্থিতি যেন প্রচারণার ভাষা বদলে দিয়েছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সময়ের শিক্ষক এবং বাংলাদেশ টেলিভিশনের ইংরেজি সংবাদ পাঠিকা ফারহানা কাদির রহমানের এই পথচলা হঠাৎ নয়। ১৯৯৬ সালে স্বামীর স্বতন্ত্র নির্বাচনের সময়ও তিনি মাঠে ছিলেন। শরীয়তপুরে আসার পর থেকেই স্থানীয় মানুষের সঙ্গে মিশে যাওয়ার চেষ্টা করেছেন। দীর্ঘ সময় ধরে ব্যক্তিগত সম্পর্ক গড়ে তোলার সেই অভ্যাসই আজ রাজনৈতিক প্রচারণায় অন্যরকম শক্তি হয়ে উঠেছে। অনেকের কাছে তিনি নেতা পরিবারের সদস্য নন, বরং "নিজেদের মানুষ"।
এবারের নির্বাচনে তাঁর সক্রিয়তা নতুন মাত্রা পেয়েছে। প্রতিদিন একের পর এক পথসভা, উঠান বৈঠক আর সরাসরি কথোপকথন। আনুষ্ঠানিক ভাষণের বদলে তিনি ব্যবহার করেন সহজ ভাষা। মানুষও তাই কথা বলতে দ্বিধা করে না। কোথাও নারীরা নিজেদের সমস্যা বলছেন, কোথাও তরুণরা কাজের সুযোগ নিয়ে প্রশ্ন তুলছে। ফারহানা শুনছেন, জবাব দিচ্ছেন, কখনো নোট নিচ্ছেন।
রাজনীতির বাইরেও পরিবারটি স্থানীয় আলোচনায় এসেছে অন্য কারণে। তাঁদের সন্তানরাও সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয়। বড় মেয়ে ডা. সাফা শারারা রহমান পড়াশোনা শেষ করেই ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প চালু করেছেন। দুই ছেলে ফারদিন হাবিব সামার ও ফারহান হাবিব যুমার তরুণদের বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগে যুক্ত। ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনের সময় তারা রাজপথে ছিল, সামাজিক মাধ্যমে সক্রিয় ছিল। সেই সময় সন্তানদের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন মা ফারহানা নিজেও।
স্থানীয়দের মতে, পরিবারটির এই সামাজিক সম্পৃক্ততা রাজনৈতিক প্রচারণাকে ব্যক্তিগত সম্পর্কের পর্যায়ে নিয়ে গেছে। ফলে ভোটের আলোচনা শুধু প্রতিশ্রুতির মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকছে না, হয়ে উঠছে আস্থার আলোচনাও।
ফারহানা কাদির রহমান নিজে বিষয়টিকে দেখেন ভিন্নভাবে। তাঁর ভাষায়, "নড়িয়া ও সখিপুরের মানুষের ভালোবাসায় আমি অভিভূত। এ ভালোবাসা হঠাৎ করে তৈরি হয়নি। বধূ হিসেবে শরিয়তপুরের মাটিতে পা রাখার পর থেকেই এ ভালোবাসার শুরু। এই ভালোবাসা একপাক্ষিক নয়। আমি সব সময় এই ভালোবাসার প্রতিদান দেওয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছি।"
দলীয়ভাবে প্রার্থীকে ঘিরে ঐক্য থাকলেও মাঠপর্যায়ে নতুন আলোচনার কেন্দ্র হয়ে উঠেছেন এই নারী। নির্বাচনী প্রচারণার ভিড়ে তিনি আলাদা হয়েছেন বড় কোনো রাজনৈতিক বক্তব্য দিয়ে নয়, বরং দরজায় কড়া নাড়া, বসে কথা বলা আর মানবিকতা।
শরীয়তপুর-২ এর এই নির্বাচনে শেষ পর্যন্ত ফলাফল যা-ই হোক, একটি বিষয় স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। রাজনীতির মঞ্চে কখনো কখনো বড় বক্তৃতার চেয়ে মানুষের পাশে নীরবে হাঁটা একজন সঙ্গীর উপস্থিতিই আলোচনার কেন্দ্র হয়ে ওঠে। ফারহানা কাদির রহমান সেই গল্পেরই নতুন চরিত্র।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!