
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম যোদ্ধা শহিদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যার বিচার দাবিতে চলমান আন্দোলনের অংশ হিসেবে আজ শনিবার নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করবে ইনকিলাব মঞ্চ। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির পক্ষ থেকে পরবর্তী কর্মসূচির বিস্তারিত তুলে ধরা হবে বলে জানা গেছে।
এর আগে, গত শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) শাহবাগে অবস্থান কর্মসূচি স্থগিত করে ইনকিলাব মঞ্চ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নেতৃবৃন্দের আহ্বান এবং সাধারণ মানুষের দুর্ভোগের কথা বিবেচনায় নিয়ে ওই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
ইনকিলাব মঞ্চ জানায়, শহিদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যার ৫৪ দিন পেরিয়ে গেলেও এখনো বিচার প্রক্রিয়ায় দৃশ্যমান অগ্রগতি না থাকায় ক্ষোভ বাড়ছে আন্দোলনকারীদের মধ্যে। শুক্রবার দুপুরে ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড় থেকে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনার অভিমুখে যাত্রা শুরু করলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বাধার মুখে পড়েন তারা। একপর্যায়ে ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা করলে পুলিশ জলকামান, সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ ও লাঠিচার্জ করে।
এ ঘটনায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ায় পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। সংঘর্ষে ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল জাবেরসহ অন্তত ১১৭ জন আহত হন। আহতদের চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
পরবর্তীতে ঢাকা মেডিকেল ও শাহবাগ এলাকায় আবারও বিক্ষোভ করেন ইনকিলাব মঞ্চ ও এনসিপির নেতাকর্মীরা। রাতভর অবস্থানের পর ফের পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
আহত অবস্থায় দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের অভিযোগ করেন, আসন্ন নির্বাচন বানচাল করতেই এই হামলা চালানো হয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমরা আমাদের এক ভাইকে হারিয়েছি। এরপর আমাদের আরও ভাই হারালেও নির্বাচন নির্ধারিত সময়েই হতে হবে। তবে নির্বাচনের পর যে সরকার ক্ষমতায় আসবে, তারা যদি হাদি হত্যার সুষ্ঠু বিচার না করে, তাহলে আমরা কঠোর আন্দোলনে যেতে বাধ্য হবো।’
ইনকিলাব মঞ্চের নেতারা জানান, আজকের সংবাদ সম্মেলনে আন্দোলনের পরবর্তী ধাপ, কর্মসূচির ধরন এবং সময়সূচি স্পষ্টভাবে জানানো হবে।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম যোদ্ধা শহিদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যার বিচার দাবিতে চলমান আন্দোলনের অংশ হিসেবে আজ শনিবার নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করবে ইনকিলাব মঞ্চ। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির পক্ষ থেকে পরবর্তী কর্মসূচির বিস্তারিত তুলে ধরা হবে বলে জানা গেছে।
এর আগে, গত শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) শাহবাগে অবস্থান কর্মসূচি স্থগিত করে ইনকিলাব মঞ্চ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নেতৃবৃন্দের আহ্বান এবং সাধারণ মানুষের দুর্ভোগের কথা বিবেচনায় নিয়ে ওই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
ইনকিলাব মঞ্চ জানায়, শহিদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যার ৫৪ দিন পেরিয়ে গেলেও এখনো বিচার প্রক্রিয়ায় দৃশ্যমান অগ্রগতি না থাকায় ক্ষোভ বাড়ছে আন্দোলনকারীদের মধ্যে। শুক্রবার দুপুরে ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড় থেকে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনার অভিমুখে যাত্রা শুরু করলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বাধার মুখে পড়েন তারা। একপর্যায়ে ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা করলে পুলিশ জলকামান, সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ ও লাঠিচার্জ করে।
এ ঘটনায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ায় পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। সংঘর্ষে ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল জাবেরসহ অন্তত ১১৭ জন আহত হন। আহতদের চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
পরবর্তীতে ঢাকা মেডিকেল ও শাহবাগ এলাকায় আবারও বিক্ষোভ করেন ইনকিলাব মঞ্চ ও এনসিপির নেতাকর্মীরা। রাতভর অবস্থানের পর ফের পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
আহত অবস্থায় দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের অভিযোগ করেন, আসন্ন নির্বাচন বানচাল করতেই এই হামলা চালানো হয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমরা আমাদের এক ভাইকে হারিয়েছি। এরপর আমাদের আরও ভাই হারালেও নির্বাচন নির্ধারিত সময়েই হতে হবে। তবে নির্বাচনের পর যে সরকার ক্ষমতায় আসবে, তারা যদি হাদি হত্যার সুষ্ঠু বিচার না করে, তাহলে আমরা কঠোর আন্দোলনে যেতে বাধ্য হবো।’
ইনকিলাব মঞ্চের নেতারা জানান, আজকের সংবাদ সম্মেলনে আন্দোলনের পরবর্তী ধাপ, কর্মসূচির ধরন এবং সময়সূচি স্পষ্টভাবে জানানো হবে।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম যোদ্ধা শহিদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যার বিচার দাবিতে চলমান আন্দোলনের অংশ হিসেবে আজ শনিবার নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করবে ইনকিলাব মঞ্চ। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির পক্ষ থেকে পরবর্তী কর্মসূচির বিস্তারিত তুলে ধরা হবে বলে জানা গেছে।
এর আগে, গত শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) শাহবাগে অবস্থান কর্মসূচি স্থগিত করে ইনকিলাব মঞ্চ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নেতৃবৃন্দের আহ্বান এবং সাধারণ মানুষের দুর্ভোগের কথা বিবেচনায় নিয়ে ওই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
ইনকিলাব মঞ্চ জানায়, শহিদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যার ৫৪ দিন পেরিয়ে গেলেও এখনো বিচার প্রক্রিয়ায় দৃশ্যমান অগ্রগতি না থাকায় ক্ষোভ বাড়ছে আন্দোলনকারীদের মধ্যে। শুক্রবার দুপুরে ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড় থেকে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনার অভিমুখে যাত্রা শুরু করলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বাধার মুখে পড়েন তারা। একপর্যায়ে ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা করলে পুলিশ জলকামান, সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ ও লাঠিচার্জ করে।
এ ঘটনায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ায় পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। সংঘর্ষে ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল জাবেরসহ অন্তত ১১৭ জন আহত হন। আহতদের চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
পরবর্তীতে ঢাকা মেডিকেল ও শাহবাগ এলাকায় আবারও বিক্ষোভ করেন ইনকিলাব মঞ্চ ও এনসিপির নেতাকর্মীরা। রাতভর অবস্থানের পর ফের পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
আহত অবস্থায় দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের অভিযোগ করেন, আসন্ন নির্বাচন বানচাল করতেই এই হামলা চালানো হয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমরা আমাদের এক ভাইকে হারিয়েছি। এরপর আমাদের আরও ভাই হারালেও নির্বাচন নির্ধারিত সময়েই হতে হবে। তবে নির্বাচনের পর যে সরকার ক্ষমতায় আসবে, তারা যদি হাদি হত্যার সুষ্ঠু বিচার না করে, তাহলে আমরা কঠোর আন্দোলনে যেতে বাধ্য হবো।’
ইনকিলাব মঞ্চের নেতারা জানান, আজকের সংবাদ সম্মেলনে আন্দোলনের পরবর্তী ধাপ, কর্মসূচির ধরন এবং সময়সূচি স্পষ্টভাবে জানানো হবে।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম যোদ্ধা শহিদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যার বিচার দাবিতে চলমান আন্দোলনের অংশ হিসেবে আজ শনিবার নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করবে ইনকিলাব মঞ্চ। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির পক্ষ থেকে পরবর্তী কর্মসূচির বিস্তারিত তুলে ধরা হবে বলে জানা গেছে।
এর আগে, গত শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) শাহবাগে অবস্থান কর্মসূচি স্থগিত করে ইনকিলাব মঞ্চ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নেতৃবৃন্দের আহ্বান এবং সাধারণ মানুষের দুর্ভোগের কথা বিবেচনায় নিয়ে ওই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
ইনকিলাব মঞ্চ জানায়, শহিদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যার ৫৪ দিন পেরিয়ে গেলেও এখনো বিচার প্রক্রিয়ায় দৃশ্যমান অগ্রগতি না থাকায় ক্ষোভ বাড়ছে আন্দোলনকারীদের মধ্যে। শুক্রবার দুপুরে ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড় থেকে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনার অভিমুখে যাত্রা শুরু করলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বাধার মুখে পড়েন তারা। একপর্যায়ে ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা করলে পুলিশ জলকামান, সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ ও লাঠিচার্জ করে।
এ ঘটনায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ায় পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। সংঘর্ষে ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল জাবেরসহ অন্তত ১১৭ জন আহত হন। আহতদের চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
পরবর্তীতে ঢাকা মেডিকেল ও শাহবাগ এলাকায় আবারও বিক্ষোভ করেন ইনকিলাব মঞ্চ ও এনসিপির নেতাকর্মীরা। রাতভর অবস্থানের পর ফের পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
আহত অবস্থায় দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের অভিযোগ করেন, আসন্ন নির্বাচন বানচাল করতেই এই হামলা চালানো হয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমরা আমাদের এক ভাইকে হারিয়েছি। এরপর আমাদের আরও ভাই হারালেও নির্বাচন নির্ধারিত সময়েই হতে হবে। তবে নির্বাচনের পর যে সরকার ক্ষমতায় আসবে, তারা যদি হাদি হত্যার সুষ্ঠু বিচার না করে, তাহলে আমরা কঠোর আন্দোলনে যেতে বাধ্য হবো।’
ইনকিলাব মঞ্চের নেতারা জানান, আজকের সংবাদ সম্মেলনে আন্দোলনের পরবর্তী ধাপ, কর্মসূচির ধরন এবং সময়সূচি স্পষ্টভাবে জানানো হবে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!