সম্ভাব্য অবৈধ অনুপ্রবেশ (পুশইন) ও চোরাচালান ঠেকাতে ফেনী সীমান্তে সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থা জারি করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। ফেনীতে ৪ বিজিবির আওতাধীন প্রায় ১০২ কিলোমিটার সীমান্তজুড়ে দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা টহল ও নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।
শনিবার (১০ মে) সকালে ফেনী ব্যাটালিয়নের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ভারতের পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন-পরবর্তী পরিস্থিতি বিবেচনায় সীমান্তের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে অতিরিক্ত মোবাইল পেট্রোল, ফুট পেট্রোল ও বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে সব বিওপি ও টহল দলকে বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
বিজিবি জানিয়েছে, অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রম, পুশইন, মাদক, গবাদিপশু ও ভারতীয় পণ্যসহ বিভিন্ন ধরনের চোরাচালান প্রতিরোধে গোয়েন্দা নজরদারিও বাড়ানো হয়েছে।
এছাড়া সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, গণ্যমান্য ব্যক্তি ও সীমান্তবর্তী বাসিন্দাদের সঙ্গে সমন্বয় বাড়ানো হয়েছে। কোনো সন্দেহজনক ব্যক্তি বা কার্যক্রম সম্পর্কে দ্রুত তথ্য দিতে সীমান্তবাসীকে নিকটস্থ বিজিবি ক্যাম্পে যোগাযোগের আহ্বান জানানো হয়েছে।
এ বিষয়ে ৪ বিজিবির অধিনায়ক এম এম জিল্লুর রহমান বলেন, দেশের সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বিজিবি বদ্ধপরিকর। সীমান্তে যেকোনো ধরনের অবৈধ অনুপ্রবেশ, চোরাচালান ও রাষ্ট্রবিরোধী কার্যক্রম প্রতিরোধে অভিযান ও নজরদারি অব্যাহত থাকবে।
সম্ভাব্য অবৈধ অনুপ্রবেশ (পুশইন) ও চোরাচালান ঠেকাতে ফেনী সীমান্তে সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থা জারি করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। ফেনীতে ৪ বিজিবির আওতাধীন প্রায় ১০২ কিলোমিটার সীমান্তজুড়ে দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা টহল ও নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।
শনিবার (১০ মে) সকালে ফেনী ব্যাটালিয়নের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ভারতের পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন-পরবর্তী পরিস্থিতি বিবেচনায় সীমান্তের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে অতিরিক্ত মোবাইল পেট্রোল, ফুট পেট্রোল ও বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে সব বিওপি ও টহল দলকে বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
বিজিবি জানিয়েছে, অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রম, পুশইন, মাদক, গবাদিপশু ও ভারতীয় পণ্যসহ বিভিন্ন ধরনের চোরাচালান প্রতিরোধে গোয়েন্দা নজরদারিও বাড়ানো হয়েছে।
এছাড়া সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, গণ্যমান্য ব্যক্তি ও সীমান্তবর্তী বাসিন্দাদের সঙ্গে সমন্বয় বাড়ানো হয়েছে। কোনো সন্দেহজনক ব্যক্তি বা কার্যক্রম সম্পর্কে দ্রুত তথ্য দিতে সীমান্তবাসীকে নিকটস্থ বিজিবি ক্যাম্পে যোগাযোগের আহ্বান জানানো হয়েছে।
এ বিষয়ে ৪ বিজিবির অধিনায়ক এম এম জিল্লুর রহমান বলেন, দেশের সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বিজিবি বদ্ধপরিকর। সীমান্তে যেকোনো ধরনের অবৈধ অনুপ্রবেশ, চোরাচালান ও রাষ্ট্রবিরোধী কার্যক্রম প্রতিরোধে অভিযান ও নজরদারি অব্যাহত থাকবে।
সম্ভাব্য অবৈধ অনুপ্রবেশ (পুশইন) ও চোরাচালান ঠেকাতে ফেনী সীমান্তে সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থা জারি করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। ফেনীতে ৪ বিজিবির আওতাধীন প্রায় ১০২ কিলোমিটার সীমান্তজুড়ে দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা টহল ও নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।
শনিবার (১০ মে) সকালে ফেনী ব্যাটালিয়নের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ভারতের পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন-পরবর্তী পরিস্থিতি বিবেচনায় সীমান্তের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে অতিরিক্ত মোবাইল পেট্রোল, ফুট পেট্রোল ও বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে সব বিওপি ও টহল দলকে বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
বিজিবি জানিয়েছে, অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রম, পুশইন, মাদক, গবাদিপশু ও ভারতীয় পণ্যসহ বিভিন্ন ধরনের চোরাচালান প্রতিরোধে গোয়েন্দা নজরদারিও বাড়ানো হয়েছে।
এছাড়া সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, গণ্যমান্য ব্যক্তি ও সীমান্তবর্তী বাসিন্দাদের সঙ্গে সমন্বয় বাড়ানো হয়েছে। কোনো সন্দেহজনক ব্যক্তি বা কার্যক্রম সম্পর্কে দ্রুত তথ্য দিতে সীমান্তবাসীকে নিকটস্থ বিজিবি ক্যাম্পে যোগাযোগের আহ্বান জানানো হয়েছে।
এ বিষয়ে ৪ বিজিবির অধিনায়ক এম এম জিল্লুর রহমান বলেন, দেশের সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বিজিবি বদ্ধপরিকর। সীমান্তে যেকোনো ধরনের অবৈধ অনুপ্রবেশ, চোরাচালান ও রাষ্ট্রবিরোধী কার্যক্রম প্রতিরোধে অভিযান ও নজরদারি অব্যাহত থাকবে।
সম্ভাব্য অবৈধ অনুপ্রবেশ (পুশইন) ও চোরাচালান ঠেকাতে ফেনী সীমান্তে সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থা জারি করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। ফেনীতে ৪ বিজিবির আওতাধীন প্রায় ১০২ কিলোমিটার সীমান্তজুড়ে দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা টহল ও নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।
শনিবার (১০ মে) সকালে ফেনী ব্যাটালিয়নের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ভারতের পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন-পরবর্তী পরিস্থিতি বিবেচনায় সীমান্তের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে অতিরিক্ত মোবাইল পেট্রোল, ফুট পেট্রোল ও বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে সব বিওপি ও টহল দলকে বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
বিজিবি জানিয়েছে, অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রম, পুশইন, মাদক, গবাদিপশু ও ভারতীয় পণ্যসহ বিভিন্ন ধরনের চোরাচালান প্রতিরোধে গোয়েন্দা নজরদারিও বাড়ানো হয়েছে।
এছাড়া সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, গণ্যমান্য ব্যক্তি ও সীমান্তবর্তী বাসিন্দাদের সঙ্গে সমন্বয় বাড়ানো হয়েছে। কোনো সন্দেহজনক ব্যক্তি বা কার্যক্রম সম্পর্কে দ্রুত তথ্য দিতে সীমান্তবাসীকে নিকটস্থ বিজিবি ক্যাম্পে যোগাযোগের আহ্বান জানানো হয়েছে।
এ বিষয়ে ৪ বিজিবির অধিনায়ক এম এম জিল্লুর রহমান বলেন, দেশের সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বিজিবি বদ্ধপরিকর। সীমান্তে যেকোনো ধরনের অবৈধ অনুপ্রবেশ, চোরাচালান ও রাষ্ট্রবিরোধী কার্যক্রম প্রতিরোধে অভিযান ও নজরদারি অব্যাহত থাকবে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!