বাংলাদেশ পুলিশের জন্য আলাদা পে-স্কেল চালুর দাবি জানিয়েছেন পুলিশ সদস্যরা। একই সঙ্গে ঝুঁকিভাতা, ওভারটাইম বিল, অনারারি পদোন্নতি এবং তদন্ত কাজে প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধাসহ একগুচ্ছ দাবি তুলে ধরা হয়েছে সরকারের কাছে।
রোববার (১০ মে) রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ অডিটোরিয়ামে পুলিশ সপ্তাহ-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত কল্যাণ প্যারেডে এসব দাবি উপস্থাপন করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
এ সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, স্বরাষ্ট্র সচিব, আইজিপিসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।
পুলিশ সদর দপ্তরের এক কর্মকর্তা জানান, পুলিশের জন্য স্বতন্ত্র পে-স্কেল দীর্ঘদিনের দাবি। বর্তমানে বিচার বিভাগ ও সেনাবাহিনীতে আলাদা পে-স্কেল চালু রয়েছে। দেশ ও জনগণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখায় পুলিশের ক্ষেত্রেও একই ধরনের ব্যবস্থা চাওয়া হয়েছে।
কল্যাণ প্যারেডে তদন্ত কর্মকর্তাদের জন্য মোটরসাইকেল কেনায় সুদমুক্ত ঋণ ও জ্বালানি খরচ দেওয়ার দাবিও জানানো হয়। এ দাবি তুলে ধরেন বিমানবন্দর থানার ওসি ও বাংলাদেশ পুলিশ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি কামরুল হাসান তালুকদার। তিনি বলেন, থানার উপ-পরিদর্শকরা (এসআই) মামলার তদন্তের বেশিরভাগ কাজ করেন। কিন্তু যাতায়াতের জন্য পর্যাপ্ত যানবাহন না থাকায় তদন্ত কার্যক্রম ব্যাহত হয়। তাই মোটরসাইকেল কেনার জন্য সুদমুক্ত ঋণ ও জ্বালানি ভাতা দিলে তদন্ত কাজে গতি আসবে।
এছাড়া অতিরিক্ত কর্মঘণ্টার জন্য ৫০ শতাংশ ওভারটাইম বিল এবং ঝুঁকিভাতা দেওয়ার দাবিও উত্থাপন করা হয়।
কল্যাণ প্যারেডে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের এক নারী কনস্টেবল অবসরের আগে অনারারি পদোন্নতির দাবি জানান। তার বক্তব্যে বলা হয়, অনেক পুলিশ সদস্য কনস্টেবল বা ইন্সপেক্টর পদ থেকেই অবসরে যান। সেনাবাহিনীর মতো পুলিশ সদস্যদেরও অবসরের আগে অন্তত এক ধাপ পদোন্নতি দেওয়া হলে তা সম্মান ও প্রেরণা বাড়াবে।
এদিকে পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের ভবন নির্মাণ ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের জন্য উন্নয়ন প্রকল্পে অর্থ বরাদ্দ পুনরায় চালুর দাবিও জানানো হয়েছে।
জানা গেছে, পুলিশ সপ্তাহ-২০২৬ উপলক্ষে সোমবার (১১ মে) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পুলিশ সপ্তাহের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের স্বাধীনতা ও জনগণের বিরুদ্ধে যেন আর কোনো স্বৈরাচার পুলিশকে ব্যবহার করতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। তিনি আরও বলেন, জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ সদস্যদের সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে।
বাংলাদেশ পুলিশের জন্য আলাদা পে-স্কেল চালুর দাবি জানিয়েছেন পুলিশ সদস্যরা। একই সঙ্গে ঝুঁকিভাতা, ওভারটাইম বিল, অনারারি পদোন্নতি এবং তদন্ত কাজে প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধাসহ একগুচ্ছ দাবি তুলে ধরা হয়েছে সরকারের কাছে।
রোববার (১০ মে) রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ অডিটোরিয়ামে পুলিশ সপ্তাহ-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত কল্যাণ প্যারেডে এসব দাবি উপস্থাপন করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
এ সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, স্বরাষ্ট্র সচিব, আইজিপিসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।
পুলিশ সদর দপ্তরের এক কর্মকর্তা জানান, পুলিশের জন্য স্বতন্ত্র পে-স্কেল দীর্ঘদিনের দাবি। বর্তমানে বিচার বিভাগ ও সেনাবাহিনীতে আলাদা পে-স্কেল চালু রয়েছে। দেশ ও জনগণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখায় পুলিশের ক্ষেত্রেও একই ধরনের ব্যবস্থা চাওয়া হয়েছে।
কল্যাণ প্যারেডে তদন্ত কর্মকর্তাদের জন্য মোটরসাইকেল কেনায় সুদমুক্ত ঋণ ও জ্বালানি খরচ দেওয়ার দাবিও জানানো হয়। এ দাবি তুলে ধরেন বিমানবন্দর থানার ওসি ও বাংলাদেশ পুলিশ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি কামরুল হাসান তালুকদার। তিনি বলেন, থানার উপ-পরিদর্শকরা (এসআই) মামলার তদন্তের বেশিরভাগ কাজ করেন। কিন্তু যাতায়াতের জন্য পর্যাপ্ত যানবাহন না থাকায় তদন্ত কার্যক্রম ব্যাহত হয়। তাই মোটরসাইকেল কেনার জন্য সুদমুক্ত ঋণ ও জ্বালানি ভাতা দিলে তদন্ত কাজে গতি আসবে।
এছাড়া অতিরিক্ত কর্মঘণ্টার জন্য ৫০ শতাংশ ওভারটাইম বিল এবং ঝুঁকিভাতা দেওয়ার দাবিও উত্থাপন করা হয়।
কল্যাণ প্যারেডে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের এক নারী কনস্টেবল অবসরের আগে অনারারি পদোন্নতির দাবি জানান। তার বক্তব্যে বলা হয়, অনেক পুলিশ সদস্য কনস্টেবল বা ইন্সপেক্টর পদ থেকেই অবসরে যান। সেনাবাহিনীর মতো পুলিশ সদস্যদেরও অবসরের আগে অন্তত এক ধাপ পদোন্নতি দেওয়া হলে তা সম্মান ও প্রেরণা বাড়াবে।
এদিকে পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের ভবন নির্মাণ ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের জন্য উন্নয়ন প্রকল্পে অর্থ বরাদ্দ পুনরায় চালুর দাবিও জানানো হয়েছে।
জানা গেছে, পুলিশ সপ্তাহ-২০২৬ উপলক্ষে সোমবার (১১ মে) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পুলিশ সপ্তাহের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের স্বাধীনতা ও জনগণের বিরুদ্ধে যেন আর কোনো স্বৈরাচার পুলিশকে ব্যবহার করতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। তিনি আরও বলেন, জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ সদস্যদের সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে।
বাংলাদেশ পুলিশের জন্য আলাদা পে-স্কেল চালুর দাবি জানিয়েছেন পুলিশ সদস্যরা। একই সঙ্গে ঝুঁকিভাতা, ওভারটাইম বিল, অনারারি পদোন্নতি এবং তদন্ত কাজে প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধাসহ একগুচ্ছ দাবি তুলে ধরা হয়েছে সরকারের কাছে।
রোববার (১০ মে) রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ অডিটোরিয়ামে পুলিশ সপ্তাহ-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত কল্যাণ প্যারেডে এসব দাবি উপস্থাপন করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
এ সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, স্বরাষ্ট্র সচিব, আইজিপিসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।
পুলিশ সদর দপ্তরের এক কর্মকর্তা জানান, পুলিশের জন্য স্বতন্ত্র পে-স্কেল দীর্ঘদিনের দাবি। বর্তমানে বিচার বিভাগ ও সেনাবাহিনীতে আলাদা পে-স্কেল চালু রয়েছে। দেশ ও জনগণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখায় পুলিশের ক্ষেত্রেও একই ধরনের ব্যবস্থা চাওয়া হয়েছে।
কল্যাণ প্যারেডে তদন্ত কর্মকর্তাদের জন্য মোটরসাইকেল কেনায় সুদমুক্ত ঋণ ও জ্বালানি খরচ দেওয়ার দাবিও জানানো হয়। এ দাবি তুলে ধরেন বিমানবন্দর থানার ওসি ও বাংলাদেশ পুলিশ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি কামরুল হাসান তালুকদার। তিনি বলেন, থানার উপ-পরিদর্শকরা (এসআই) মামলার তদন্তের বেশিরভাগ কাজ করেন। কিন্তু যাতায়াতের জন্য পর্যাপ্ত যানবাহন না থাকায় তদন্ত কার্যক্রম ব্যাহত হয়। তাই মোটরসাইকেল কেনার জন্য সুদমুক্ত ঋণ ও জ্বালানি ভাতা দিলে তদন্ত কাজে গতি আসবে।
এছাড়া অতিরিক্ত কর্মঘণ্টার জন্য ৫০ শতাংশ ওভারটাইম বিল এবং ঝুঁকিভাতা দেওয়ার দাবিও উত্থাপন করা হয়।
কল্যাণ প্যারেডে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের এক নারী কনস্টেবল অবসরের আগে অনারারি পদোন্নতির দাবি জানান। তার বক্তব্যে বলা হয়, অনেক পুলিশ সদস্য কনস্টেবল বা ইন্সপেক্টর পদ থেকেই অবসরে যান। সেনাবাহিনীর মতো পুলিশ সদস্যদেরও অবসরের আগে অন্তত এক ধাপ পদোন্নতি দেওয়া হলে তা সম্মান ও প্রেরণা বাড়াবে।
এদিকে পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের ভবন নির্মাণ ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের জন্য উন্নয়ন প্রকল্পে অর্থ বরাদ্দ পুনরায় চালুর দাবিও জানানো হয়েছে।
জানা গেছে, পুলিশ সপ্তাহ-২০২৬ উপলক্ষে সোমবার (১১ মে) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পুলিশ সপ্তাহের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের স্বাধীনতা ও জনগণের বিরুদ্ধে যেন আর কোনো স্বৈরাচার পুলিশকে ব্যবহার করতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। তিনি আরও বলেন, জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ সদস্যদের সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে।
বাংলাদেশ পুলিশের জন্য আলাদা পে-স্কেল চালুর দাবি জানিয়েছেন পুলিশ সদস্যরা। একই সঙ্গে ঝুঁকিভাতা, ওভারটাইম বিল, অনারারি পদোন্নতি এবং তদন্ত কাজে প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধাসহ একগুচ্ছ দাবি তুলে ধরা হয়েছে সরকারের কাছে।
রোববার (১০ মে) রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ অডিটোরিয়ামে পুলিশ সপ্তাহ-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত কল্যাণ প্যারেডে এসব দাবি উপস্থাপন করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
এ সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, স্বরাষ্ট্র সচিব, আইজিপিসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।
পুলিশ সদর দপ্তরের এক কর্মকর্তা জানান, পুলিশের জন্য স্বতন্ত্র পে-স্কেল দীর্ঘদিনের দাবি। বর্তমানে বিচার বিভাগ ও সেনাবাহিনীতে আলাদা পে-স্কেল চালু রয়েছে। দেশ ও জনগণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখায় পুলিশের ক্ষেত্রেও একই ধরনের ব্যবস্থা চাওয়া হয়েছে।
কল্যাণ প্যারেডে তদন্ত কর্মকর্তাদের জন্য মোটরসাইকেল কেনায় সুদমুক্ত ঋণ ও জ্বালানি খরচ দেওয়ার দাবিও জানানো হয়। এ দাবি তুলে ধরেন বিমানবন্দর থানার ওসি ও বাংলাদেশ পুলিশ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি কামরুল হাসান তালুকদার। তিনি বলেন, থানার উপ-পরিদর্শকরা (এসআই) মামলার তদন্তের বেশিরভাগ কাজ করেন। কিন্তু যাতায়াতের জন্য পর্যাপ্ত যানবাহন না থাকায় তদন্ত কার্যক্রম ব্যাহত হয়। তাই মোটরসাইকেল কেনার জন্য সুদমুক্ত ঋণ ও জ্বালানি ভাতা দিলে তদন্ত কাজে গতি আসবে।
এছাড়া অতিরিক্ত কর্মঘণ্টার জন্য ৫০ শতাংশ ওভারটাইম বিল এবং ঝুঁকিভাতা দেওয়ার দাবিও উত্থাপন করা হয়।
কল্যাণ প্যারেডে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের এক নারী কনস্টেবল অবসরের আগে অনারারি পদোন্নতির দাবি জানান। তার বক্তব্যে বলা হয়, অনেক পুলিশ সদস্য কনস্টেবল বা ইন্সপেক্টর পদ থেকেই অবসরে যান। সেনাবাহিনীর মতো পুলিশ সদস্যদেরও অবসরের আগে অন্তত এক ধাপ পদোন্নতি দেওয়া হলে তা সম্মান ও প্রেরণা বাড়াবে।
এদিকে পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের ভবন নির্মাণ ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের জন্য উন্নয়ন প্রকল্পে অর্থ বরাদ্দ পুনরায় চালুর দাবিও জানানো হয়েছে।
জানা গেছে, পুলিশ সপ্তাহ-২০২৬ উপলক্ষে সোমবার (১১ মে) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পুলিশ সপ্তাহের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের স্বাধীনতা ও জনগণের বিরুদ্ধে যেন আর কোনো স্বৈরাচার পুলিশকে ব্যবহার করতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। তিনি আরও বলেন, জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ সদস্যদের সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!