বহু লোভ দেখানো হলেও জামায়াতে ইসলামী সেসব প্রত্যাখ্যান করেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, জুলাই সনদ ও গণভোটের গণরায় আদায় না করা পর্যন্ত তাঁদের আন্দোলন চলবে।
রোববার (১৮ অক্টোবর) বেলা ১১টায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) উদ্যোগে ‘জুলাই সনদের ১ বছর: প্রতিশ্রুতি ও প্রত্যাশার সালতামামি’ শীর্ষক মুক্ত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ডা. শফিকুর রহমান অভিযোগ করেন, বিএনপি জনগণকে অবমূল্যায়ন করে এবং নিজেদেরই শুধু জ্ঞানী মনে করে। তাঁর দাবি, সরকার একের পর এক সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানে হস্তক্ষেপ করছে। এবার বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনে (পিএসসি) প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা চলছে।
তিনি বলেন, শিক্ষার্থীরা মেধার অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং যোগ্যতা অনুযায়ী নিজেদের অবস্থান নিশ্চিত করতে আন্দোলনে নেমেছিলেন। পিএসসির মাধ্যমে যোগ্য ব্যক্তিরা রাষ্ট্রকে সেবা দেওয়ার সুযোগ পান। কিন্তু এখন রাজনৈতিক সরকারের প্রভাব খাটিয়ে পিএসসির সদস্যদের পদত্যাগ করতে বলা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
জামায়াত আমির বলেন, পিএসসি একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান, কোনো মন্ত্রীর পারিবারিক ব্যবসা নয়। চাকরির এই গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র দলীয় লোকজন দিয়ে পূর্ণ করার চেষ্টা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
বিরোধীদলীয় নেতা অভিযোগ করেন, যেসব এলাকার মানুষ বিএনপিকে ভোট দেয়নি বা দেবে না, সেসব এলাকায় বরাদ্দ না দেওয়ার কথা বলা হচ্ছে। রাষ্ট্রপতির একটি বক্তব্যেরও সমালোচনা করেন তিনি।
শফিকুর রহমান বলেন, রাষ্ট্রের কোষাগারে জমা হওয়া করের টাকায় শিশু থেকে শুরু করে সব শ্রেণি-পেশার মানুষের অবদান রয়েছে। কেউ প্রত্যক্ষ কর দেন, কেউ পরোক্ষ কর দেন। তাই রাষ্ট্রীয় সম্পদ কোনো নির্দিষ্ট দল বা গোষ্ঠীর নয়। তিনি আরও অভিযোগ করেন, সরকারি দলের ২০০ সংসদ সদস্যের আসনে বিশেষ বরাদ্দ দেওয়া হলেও বিরোধী দলের কোনো সংসদ সদস্যকে তা দেওয়া হয়নি। এ ধরনের বৈষম্য দূর করার প্রত্যাশা থেকেই জুলাই বিপ্লব হয়েছিল বলে মন্তব্য করেন তিনি।
‘জুলাই সনদ ও গণভোটের গণরায় আদায় করব’
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, সাত মাসের মধ্যেই রাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, আগের স্বৈরাচারী সরকারের পথেই বর্তমান সরকার হাঁটছে। তিনি বলেন, বিরোধী দলের ৮৯ জন সংসদ সদস্য ১৮ কোটি মানুষের অধিকার রক্ষায় কাজ করবেন। বিএনপি পরিবর্তিত হলেও জামায়াতে ইসলামী নিজেদের অবস্থান পরিবর্তন করবে না বলেও জানান তিনি।
জামায়াত আমির বলেন, ‘আমাদের বহু লোভ দেখানো হয়েছে, কিন্তু আমরা সেগুলোর দিকে তাকাইনি; প্রত্যাখ্যান করেছি।’ তিনি আরও বলেন, ‘জুলাই সনদ ও গণভোটের গণরায় আমরা আদায় করেই ছাড়ব, ইনশাআল্লাহ।’ তিনি বলেন, তাঁদের আন্দোলন কোনো নির্দিষ্ট দলের জন্য নয়; জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা, ফ্যাসিবাদের পথ বন্ধ করা, বৈষম্যহীন সমাজ গঠন এবং মানবিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার জন্য। এ আন্দোলনে কোনো ধরনের হুমকিকে তাঁরা পরোয়া করবেন না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
‘জ্বালাও-পোড়াও আমাদের আন্দোলনের কর্মসূচি নয়’
বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, তাঁরা দেশকে ভালোবাসেন এবং জ্বালাও-পোড়াওকে আন্দোলনের কর্মসূচি মনে করেন না। ২০২৪ সালের আন্দোলন থেকে শিক্ষা নিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে এগিয়ে যাওয়ার কথা বলেন তিনি।
তিনি বলেন, ‘আমরা তাদের (বিএনপির) পতন চাইনি; তাদের সফলতা চেয়েছিলাম। কারণ, তাদের সফলতা মানে দেশের সফলতা।’ তবে বর্তমান সরকার বিরোধী দলের সহযোগিতা নিতে ব্যর্থ হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। শফিকুর রহমান আরও অভিযোগ করেন, ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ স্লোগান দেওয়া হলেও বাস্তবে সরকার নিজেদের ও পরিবারের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে। তিনি বলেন, দেশের মানুষকে সিন্ডিকেটের হাতে তুলে দেওয়া হবে না। তরুণদের সঙ্গে নিয়ে তাঁরা আন্দোলন চালিয়ে যাবেন।
এবি পার্টির সভাপতি মুজিবুর রহমান মঞ্জুর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন ও বক্তব্য রাখেন এলডিপির প্রেসিডেন্ট কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ বীর বিক্রম; বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক; এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ এমপি ও এবি পার্টির জেনারেল সেক্রেটারি ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ প্রমুখ।
বহু লোভ দেখানো হলেও জামায়াতে ইসলামী সেসব প্রত্যাখ্যান করেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, জুলাই সনদ ও গণভোটের গণরায় আদায় না করা পর্যন্ত তাঁদের আন্দোলন চলবে।
রোববার (১৮ অক্টোবর) বেলা ১১টায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) উদ্যোগে ‘জুলাই সনদের ১ বছর: প্রতিশ্রুতি ও প্রত্যাশার সালতামামি’ শীর্ষক মুক্ত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ডা. শফিকুর রহমান অভিযোগ করেন, বিএনপি জনগণকে অবমূল্যায়ন করে এবং নিজেদেরই শুধু জ্ঞানী মনে করে। তাঁর দাবি, সরকার একের পর এক সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানে হস্তক্ষেপ করছে। এবার বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনে (পিএসসি) প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা চলছে।
তিনি বলেন, শিক্ষার্থীরা মেধার অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং যোগ্যতা অনুযায়ী নিজেদের অবস্থান নিশ্চিত করতে আন্দোলনে নেমেছিলেন। পিএসসির মাধ্যমে যোগ্য ব্যক্তিরা রাষ্ট্রকে সেবা দেওয়ার সুযোগ পান। কিন্তু এখন রাজনৈতিক সরকারের প্রভাব খাটিয়ে পিএসসির সদস্যদের পদত্যাগ করতে বলা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
জামায়াত আমির বলেন, পিএসসি একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান, কোনো মন্ত্রীর পারিবারিক ব্যবসা নয়। চাকরির এই গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র দলীয় লোকজন দিয়ে পূর্ণ করার চেষ্টা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
বিরোধীদলীয় নেতা অভিযোগ করেন, যেসব এলাকার মানুষ বিএনপিকে ভোট দেয়নি বা দেবে না, সেসব এলাকায় বরাদ্দ না দেওয়ার কথা বলা হচ্ছে। রাষ্ট্রপতির একটি বক্তব্যেরও সমালোচনা করেন তিনি।
শফিকুর রহমান বলেন, রাষ্ট্রের কোষাগারে জমা হওয়া করের টাকায় শিশু থেকে শুরু করে সব শ্রেণি-পেশার মানুষের অবদান রয়েছে। কেউ প্রত্যক্ষ কর দেন, কেউ পরোক্ষ কর দেন। তাই রাষ্ট্রীয় সম্পদ কোনো নির্দিষ্ট দল বা গোষ্ঠীর নয়। তিনি আরও অভিযোগ করেন, সরকারি দলের ২০০ সংসদ সদস্যের আসনে বিশেষ বরাদ্দ দেওয়া হলেও বিরোধী দলের কোনো সংসদ সদস্যকে তা দেওয়া হয়নি। এ ধরনের বৈষম্য দূর করার প্রত্যাশা থেকেই জুলাই বিপ্লব হয়েছিল বলে মন্তব্য করেন তিনি।
‘জুলাই সনদ ও গণভোটের গণরায় আদায় করব’
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, সাত মাসের মধ্যেই রাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, আগের স্বৈরাচারী সরকারের পথেই বর্তমান সরকার হাঁটছে। তিনি বলেন, বিরোধী দলের ৮৯ জন সংসদ সদস্য ১৮ কোটি মানুষের অধিকার রক্ষায় কাজ করবেন। বিএনপি পরিবর্তিত হলেও জামায়াতে ইসলামী নিজেদের অবস্থান পরিবর্তন করবে না বলেও জানান তিনি।
জামায়াত আমির বলেন, ‘আমাদের বহু লোভ দেখানো হয়েছে, কিন্তু আমরা সেগুলোর দিকে তাকাইনি; প্রত্যাখ্যান করেছি।’ তিনি আরও বলেন, ‘জুলাই সনদ ও গণভোটের গণরায় আমরা আদায় করেই ছাড়ব, ইনশাআল্লাহ।’ তিনি বলেন, তাঁদের আন্দোলন কোনো নির্দিষ্ট দলের জন্য নয়; জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা, ফ্যাসিবাদের পথ বন্ধ করা, বৈষম্যহীন সমাজ গঠন এবং মানবিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার জন্য। এ আন্দোলনে কোনো ধরনের হুমকিকে তাঁরা পরোয়া করবেন না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
‘জ্বালাও-পোড়াও আমাদের আন্দোলনের কর্মসূচি নয়’
বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, তাঁরা দেশকে ভালোবাসেন এবং জ্বালাও-পোড়াওকে আন্দোলনের কর্মসূচি মনে করেন না। ২০২৪ সালের আন্দোলন থেকে শিক্ষা নিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে এগিয়ে যাওয়ার কথা বলেন তিনি।
তিনি বলেন, ‘আমরা তাদের (বিএনপির) পতন চাইনি; তাদের সফলতা চেয়েছিলাম। কারণ, তাদের সফলতা মানে দেশের সফলতা।’ তবে বর্তমান সরকার বিরোধী দলের সহযোগিতা নিতে ব্যর্থ হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। শফিকুর রহমান আরও অভিযোগ করেন, ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ স্লোগান দেওয়া হলেও বাস্তবে সরকার নিজেদের ও পরিবারের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে। তিনি বলেন, দেশের মানুষকে সিন্ডিকেটের হাতে তুলে দেওয়া হবে না। তরুণদের সঙ্গে নিয়ে তাঁরা আন্দোলন চালিয়ে যাবেন।
এবি পার্টির সভাপতি মুজিবুর রহমান মঞ্জুর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন ও বক্তব্য রাখেন এলডিপির প্রেসিডেন্ট কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ বীর বিক্রম; বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক; এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ এমপি ও এবি পার্টির জেনারেল সেক্রেটারি ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ প্রমুখ।
বহু লোভ দেখানো হলেও জামায়াতে ইসলামী সেসব প্রত্যাখ্যান করেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, জুলাই সনদ ও গণভোটের গণরায় আদায় না করা পর্যন্ত তাঁদের আন্দোলন চলবে।
রোববার (১৮ অক্টোবর) বেলা ১১টায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) উদ্যোগে ‘জুলাই সনদের ১ বছর: প্রতিশ্রুতি ও প্রত্যাশার সালতামামি’ শীর্ষক মুক্ত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ডা. শফিকুর রহমান অভিযোগ করেন, বিএনপি জনগণকে অবমূল্যায়ন করে এবং নিজেদেরই শুধু জ্ঞানী মনে করে। তাঁর দাবি, সরকার একের পর এক সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানে হস্তক্ষেপ করছে। এবার বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনে (পিএসসি) প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা চলছে।
তিনি বলেন, শিক্ষার্থীরা মেধার অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং যোগ্যতা অনুযায়ী নিজেদের অবস্থান নিশ্চিত করতে আন্দোলনে নেমেছিলেন। পিএসসির মাধ্যমে যোগ্য ব্যক্তিরা রাষ্ট্রকে সেবা দেওয়ার সুযোগ পান। কিন্তু এখন রাজনৈতিক সরকারের প্রভাব খাটিয়ে পিএসসির সদস্যদের পদত্যাগ করতে বলা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
জামায়াত আমির বলেন, পিএসসি একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান, কোনো মন্ত্রীর পারিবারিক ব্যবসা নয়। চাকরির এই গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র দলীয় লোকজন দিয়ে পূর্ণ করার চেষ্টা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
বিরোধীদলীয় নেতা অভিযোগ করেন, যেসব এলাকার মানুষ বিএনপিকে ভোট দেয়নি বা দেবে না, সেসব এলাকায় বরাদ্দ না দেওয়ার কথা বলা হচ্ছে। রাষ্ট্রপতির একটি বক্তব্যেরও সমালোচনা করেন তিনি।
শফিকুর রহমান বলেন, রাষ্ট্রের কোষাগারে জমা হওয়া করের টাকায় শিশু থেকে শুরু করে সব শ্রেণি-পেশার মানুষের অবদান রয়েছে। কেউ প্রত্যক্ষ কর দেন, কেউ পরোক্ষ কর দেন। তাই রাষ্ট্রীয় সম্পদ কোনো নির্দিষ্ট দল বা গোষ্ঠীর নয়। তিনি আরও অভিযোগ করেন, সরকারি দলের ২০০ সংসদ সদস্যের আসনে বিশেষ বরাদ্দ দেওয়া হলেও বিরোধী দলের কোনো সংসদ সদস্যকে তা দেওয়া হয়নি। এ ধরনের বৈষম্য দূর করার প্রত্যাশা থেকেই জুলাই বিপ্লব হয়েছিল বলে মন্তব্য করেন তিনি।
‘জুলাই সনদ ও গণভোটের গণরায় আদায় করব’
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, সাত মাসের মধ্যেই রাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, আগের স্বৈরাচারী সরকারের পথেই বর্তমান সরকার হাঁটছে। তিনি বলেন, বিরোধী দলের ৮৯ জন সংসদ সদস্য ১৮ কোটি মানুষের অধিকার রক্ষায় কাজ করবেন। বিএনপি পরিবর্তিত হলেও জামায়াতে ইসলামী নিজেদের অবস্থান পরিবর্তন করবে না বলেও জানান তিনি।
জামায়াত আমির বলেন, ‘আমাদের বহু লোভ দেখানো হয়েছে, কিন্তু আমরা সেগুলোর দিকে তাকাইনি; প্রত্যাখ্যান করেছি।’ তিনি আরও বলেন, ‘জুলাই সনদ ও গণভোটের গণরায় আমরা আদায় করেই ছাড়ব, ইনশাআল্লাহ।’ তিনি বলেন, তাঁদের আন্দোলন কোনো নির্দিষ্ট দলের জন্য নয়; জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা, ফ্যাসিবাদের পথ বন্ধ করা, বৈষম্যহীন সমাজ গঠন এবং মানবিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার জন্য। এ আন্দোলনে কোনো ধরনের হুমকিকে তাঁরা পরোয়া করবেন না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
‘জ্বালাও-পোড়াও আমাদের আন্দোলনের কর্মসূচি নয়’
বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, তাঁরা দেশকে ভালোবাসেন এবং জ্বালাও-পোড়াওকে আন্দোলনের কর্মসূচি মনে করেন না। ২০২৪ সালের আন্দোলন থেকে শিক্ষা নিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে এগিয়ে যাওয়ার কথা বলেন তিনি।
তিনি বলেন, ‘আমরা তাদের (বিএনপির) পতন চাইনি; তাদের সফলতা চেয়েছিলাম। কারণ, তাদের সফলতা মানে দেশের সফলতা।’ তবে বর্তমান সরকার বিরোধী দলের সহযোগিতা নিতে ব্যর্থ হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। শফিকুর রহমান আরও অভিযোগ করেন, ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ স্লোগান দেওয়া হলেও বাস্তবে সরকার নিজেদের ও পরিবারের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে। তিনি বলেন, দেশের মানুষকে সিন্ডিকেটের হাতে তুলে দেওয়া হবে না। তরুণদের সঙ্গে নিয়ে তাঁরা আন্দোলন চালিয়ে যাবেন।
এবি পার্টির সভাপতি মুজিবুর রহমান মঞ্জুর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন ও বক্তব্য রাখেন এলডিপির প্রেসিডেন্ট কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ বীর বিক্রম; বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক; এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ এমপি ও এবি পার্টির জেনারেল সেক্রেটারি ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ প্রমুখ।
বহু লোভ দেখানো হলেও জামায়াতে ইসলামী সেসব প্রত্যাখ্যান করেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, জুলাই সনদ ও গণভোটের গণরায় আদায় না করা পর্যন্ত তাঁদের আন্দোলন চলবে।
রোববার (১৮ অক্টোবর) বেলা ১১টায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) উদ্যোগে ‘জুলাই সনদের ১ বছর: প্রতিশ্রুতি ও প্রত্যাশার সালতামামি’ শীর্ষক মুক্ত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ডা. শফিকুর রহমান অভিযোগ করেন, বিএনপি জনগণকে অবমূল্যায়ন করে এবং নিজেদেরই শুধু জ্ঞানী মনে করে। তাঁর দাবি, সরকার একের পর এক সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানে হস্তক্ষেপ করছে। এবার বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনে (পিএসসি) প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা চলছে।
তিনি বলেন, শিক্ষার্থীরা মেধার অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং যোগ্যতা অনুযায়ী নিজেদের অবস্থান নিশ্চিত করতে আন্দোলনে নেমেছিলেন। পিএসসির মাধ্যমে যোগ্য ব্যক্তিরা রাষ্ট্রকে সেবা দেওয়ার সুযোগ পান। কিন্তু এখন রাজনৈতিক সরকারের প্রভাব খাটিয়ে পিএসসির সদস্যদের পদত্যাগ করতে বলা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
জামায়াত আমির বলেন, পিএসসি একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান, কোনো মন্ত্রীর পারিবারিক ব্যবসা নয়। চাকরির এই গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র দলীয় লোকজন দিয়ে পূর্ণ করার চেষ্টা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
বিরোধীদলীয় নেতা অভিযোগ করেন, যেসব এলাকার মানুষ বিএনপিকে ভোট দেয়নি বা দেবে না, সেসব এলাকায় বরাদ্দ না দেওয়ার কথা বলা হচ্ছে। রাষ্ট্রপতির একটি বক্তব্যেরও সমালোচনা করেন তিনি।
শফিকুর রহমান বলেন, রাষ্ট্রের কোষাগারে জমা হওয়া করের টাকায় শিশু থেকে শুরু করে সব শ্রেণি-পেশার মানুষের অবদান রয়েছে। কেউ প্রত্যক্ষ কর দেন, কেউ পরোক্ষ কর দেন। তাই রাষ্ট্রীয় সম্পদ কোনো নির্দিষ্ট দল বা গোষ্ঠীর নয়। তিনি আরও অভিযোগ করেন, সরকারি দলের ২০০ সংসদ সদস্যের আসনে বিশেষ বরাদ্দ দেওয়া হলেও বিরোধী দলের কোনো সংসদ সদস্যকে তা দেওয়া হয়নি। এ ধরনের বৈষম্য দূর করার প্রত্যাশা থেকেই জুলাই বিপ্লব হয়েছিল বলে মন্তব্য করেন তিনি।
‘জুলাই সনদ ও গণভোটের গণরায় আদায় করব’
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, সাত মাসের মধ্যেই রাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, আগের স্বৈরাচারী সরকারের পথেই বর্তমান সরকার হাঁটছে। তিনি বলেন, বিরোধী দলের ৮৯ জন সংসদ সদস্য ১৮ কোটি মানুষের অধিকার রক্ষায় কাজ করবেন। বিএনপি পরিবর্তিত হলেও জামায়াতে ইসলামী নিজেদের অবস্থান পরিবর্তন করবে না বলেও জানান তিনি।
জামায়াত আমির বলেন, ‘আমাদের বহু লোভ দেখানো হয়েছে, কিন্তু আমরা সেগুলোর দিকে তাকাইনি; প্রত্যাখ্যান করেছি।’ তিনি আরও বলেন, ‘জুলাই সনদ ও গণভোটের গণরায় আমরা আদায় করেই ছাড়ব, ইনশাআল্লাহ।’ তিনি বলেন, তাঁদের আন্দোলন কোনো নির্দিষ্ট দলের জন্য নয়; জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা, ফ্যাসিবাদের পথ বন্ধ করা, বৈষম্যহীন সমাজ গঠন এবং মানবিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার জন্য। এ আন্দোলনে কোনো ধরনের হুমকিকে তাঁরা পরোয়া করবেন না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
‘জ্বালাও-পোড়াও আমাদের আন্দোলনের কর্মসূচি নয়’
বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, তাঁরা দেশকে ভালোবাসেন এবং জ্বালাও-পোড়াওকে আন্দোলনের কর্মসূচি মনে করেন না। ২০২৪ সালের আন্দোলন থেকে শিক্ষা নিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে এগিয়ে যাওয়ার কথা বলেন তিনি।
তিনি বলেন, ‘আমরা তাদের (বিএনপির) পতন চাইনি; তাদের সফলতা চেয়েছিলাম। কারণ, তাদের সফলতা মানে দেশের সফলতা।’ তবে বর্তমান সরকার বিরোধী দলের সহযোগিতা নিতে ব্যর্থ হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। শফিকুর রহমান আরও অভিযোগ করেন, ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ স্লোগান দেওয়া হলেও বাস্তবে সরকার নিজেদের ও পরিবারের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে। তিনি বলেন, দেশের মানুষকে সিন্ডিকেটের হাতে তুলে দেওয়া হবে না। তরুণদের সঙ্গে নিয়ে তাঁরা আন্দোলন চালিয়ে যাবেন।
এবি পার্টির সভাপতি মুজিবুর রহমান মঞ্জুর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন ও বক্তব্য রাখেন এলডিপির প্রেসিডেন্ট কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ বীর বিক্রম; বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক; এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ এমপি ও এবি পার্টির জেনারেল সেক্রেটারি ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ প্রমুখ।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!