মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জ্বালানি অবকাঠামোয় হামলা বন্ধের আহ্বানের মধ্যেই রাশিয়ায় বড় ধরনের ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইউক্রেন। শনিবার (১৭ অক্টোবর) রাত থেকে রোববার ভোর পর্যন্ত চালানো এ হামলায় রাশিয়ার গুরুত্বপূর্ণ একটি তেল টার্মিনাল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে একজন নিহত ও পাঁচজন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।
রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দাবি, ওই রাতে দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলে ইউক্রেনের ছোড়া ১ হাজার ১৫টি ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে।
হামলার লক্ষ্যবস্তুর মধ্যে সেন্ট পিটার্সবার্গের একটি তেল টার্মিনালও ছিল। ইউক্রেনের ড্রোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ফায়ার পয়েন্ট জানিয়েছে, হামলার পর টার্মিনাল এলাকায় আগুন ধরে যায়।
রাশিয়ার স্থানীয় কর্তৃপক্ষের ভাষ্য, হামলায় আবাসিক ভবনও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ ছাড়া সেন্ট পিটার্সবার্গের একটি সরবরাহকেন্দ্রে হামলার কথা জানিয়েছে রুশ প্রতিষ্ঠান ওজোন।
জ্বালানি স্থাপনায় হামলা বন্ধের আহ্বান ট্রাম্পের
রাশিয়ার জ্বালানি অবকাঠামোয় ইউক্রেনের হামলা নিয়ে সম্প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেন ট্রাম্প। গত সপ্তাহে রুশ তেল শোধনাগারে ইউক্রেনের হামলাকে ‘লজ্জাজনক’ বলে মন্তব্য করেন তিনি।
এর আগে ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, রাশিয়া ও ইউক্রেন পরস্পরের জ্বালানি অবকাঠামোয় হামলা বন্ধ করতে সম্মত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে জ্বালানি তেল ও ডিজেলের দাম কমানোর প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল বলে জানান তিনি। তবে কিয়েভ ও মস্কো-কোনো পক্ষই আনুষ্ঠানিকভাবে এমন সমঝোতার কথা স্বীকার করেনি।
ইউক্রেন কিছু সময়ের জন্য জ্বালানি স্থাপনায় হামলা বন্ধ রাখলেও পরে আবার হামলা শুরু করে। অন্যদিকে কিয়েভের অভিযোগ, রাশিয়া তাদের জ্বালানি স্থাপনা ও শহরগুলোতে হামলা অব্যাহত রেখেছে।
ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলায় নিহত ১১
ইউক্রেন কর্তৃপক্ষের দাবি, রোববার সকাল পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় দেশটিতে ১১ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন প্রায় ৫০ জন। ওডেসা অঞ্চলের জ্বালানি স্থাপনাগুলোতেও বড় ধরনের হামলা চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছে কিয়েভ।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লিখেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জ্বালানি স্থাপনায় হামলা বন্ধের ঘোষণা দেওয়ার পর এক সপ্তাহে রাশিয়া ইউক্রেনের জ্বালানি, তেল ও গ্যাস খাতে ৭৬ বার হামলা চালিয়েছে।
জেলেনস্কির অভিযোগ, নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা কিংবা সমঝোতার উদ্যোগে রাশিয়া ইতিবাচক সাড়া দিচ্ছে না। বরং এসব পদক্ষেপকে যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ হিসেবে দেখছে মস্কো।
রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা শিথিল যুক্তরাষ্ট্রের
রাশিয়ার জ্বালানি আমদানির ওপর কিছু নিষেধাজ্ঞা শিথিল করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। রুশ ডিজেল আমদানির ক্ষেত্রেও ছাড় দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার ট্রাম্প মার্কিন কংগ্রেসের নির্ধারিত কঠোর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা থেকে রাশিয়াকে অব্যাহতি দেওয়ার পদক্ষেপ নেন। এ সিদ্ধান্ত নিয়ে রিপাবলিকান দলের মধ্যেও সমালোচনা হয়েছে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে জেলেনস্কির সম্পর্কের টানাপোড়েন বাড়ছে। ইউক্রেনের আশঙ্কা, মার্কিন সহায়তা কমে গেলে আসন্ন শীতে রাশিয়ার হামলা মোকাবিলা করা আরও কঠিন হয়ে উঠবে।
সূত্র: সিএনএন
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জ্বালানি অবকাঠামোয় হামলা বন্ধের আহ্বানের মধ্যেই রাশিয়ায় বড় ধরনের ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইউক্রেন। শনিবার (১৭ অক্টোবর) রাত থেকে রোববার ভোর পর্যন্ত চালানো এ হামলায় রাশিয়ার গুরুত্বপূর্ণ একটি তেল টার্মিনাল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে একজন নিহত ও পাঁচজন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।
রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দাবি, ওই রাতে দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলে ইউক্রেনের ছোড়া ১ হাজার ১৫টি ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে।
হামলার লক্ষ্যবস্তুর মধ্যে সেন্ট পিটার্সবার্গের একটি তেল টার্মিনালও ছিল। ইউক্রেনের ড্রোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ফায়ার পয়েন্ট জানিয়েছে, হামলার পর টার্মিনাল এলাকায় আগুন ধরে যায়।
রাশিয়ার স্থানীয় কর্তৃপক্ষের ভাষ্য, হামলায় আবাসিক ভবনও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ ছাড়া সেন্ট পিটার্সবার্গের একটি সরবরাহকেন্দ্রে হামলার কথা জানিয়েছে রুশ প্রতিষ্ঠান ওজোন।
জ্বালানি স্থাপনায় হামলা বন্ধের আহ্বান ট্রাম্পের
রাশিয়ার জ্বালানি অবকাঠামোয় ইউক্রেনের হামলা নিয়ে সম্প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেন ট্রাম্প। গত সপ্তাহে রুশ তেল শোধনাগারে ইউক্রেনের হামলাকে ‘লজ্জাজনক’ বলে মন্তব্য করেন তিনি।
এর আগে ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, রাশিয়া ও ইউক্রেন পরস্পরের জ্বালানি অবকাঠামোয় হামলা বন্ধ করতে সম্মত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে জ্বালানি তেল ও ডিজেলের দাম কমানোর প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল বলে জানান তিনি। তবে কিয়েভ ও মস্কো-কোনো পক্ষই আনুষ্ঠানিকভাবে এমন সমঝোতার কথা স্বীকার করেনি।
ইউক্রেন কিছু সময়ের জন্য জ্বালানি স্থাপনায় হামলা বন্ধ রাখলেও পরে আবার হামলা শুরু করে। অন্যদিকে কিয়েভের অভিযোগ, রাশিয়া তাদের জ্বালানি স্থাপনা ও শহরগুলোতে হামলা অব্যাহত রেখেছে।
ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলায় নিহত ১১
ইউক্রেন কর্তৃপক্ষের দাবি, রোববার সকাল পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় দেশটিতে ১১ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন প্রায় ৫০ জন। ওডেসা অঞ্চলের জ্বালানি স্থাপনাগুলোতেও বড় ধরনের হামলা চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছে কিয়েভ।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লিখেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জ্বালানি স্থাপনায় হামলা বন্ধের ঘোষণা দেওয়ার পর এক সপ্তাহে রাশিয়া ইউক্রেনের জ্বালানি, তেল ও গ্যাস খাতে ৭৬ বার হামলা চালিয়েছে।
জেলেনস্কির অভিযোগ, নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা কিংবা সমঝোতার উদ্যোগে রাশিয়া ইতিবাচক সাড়া দিচ্ছে না। বরং এসব পদক্ষেপকে যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ হিসেবে দেখছে মস্কো।
রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা শিথিল যুক্তরাষ্ট্রের
রাশিয়ার জ্বালানি আমদানির ওপর কিছু নিষেধাজ্ঞা শিথিল করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। রুশ ডিজেল আমদানির ক্ষেত্রেও ছাড় দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার ট্রাম্প মার্কিন কংগ্রেসের নির্ধারিত কঠোর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা থেকে রাশিয়াকে অব্যাহতি দেওয়ার পদক্ষেপ নেন। এ সিদ্ধান্ত নিয়ে রিপাবলিকান দলের মধ্যেও সমালোচনা হয়েছে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে জেলেনস্কির সম্পর্কের টানাপোড়েন বাড়ছে। ইউক্রেনের আশঙ্কা, মার্কিন সহায়তা কমে গেলে আসন্ন শীতে রাশিয়ার হামলা মোকাবিলা করা আরও কঠিন হয়ে উঠবে।
সূত্র: সিএনএন
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জ্বালানি অবকাঠামোয় হামলা বন্ধের আহ্বানের মধ্যেই রাশিয়ায় বড় ধরনের ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইউক্রেন। শনিবার (১৭ অক্টোবর) রাত থেকে রোববার ভোর পর্যন্ত চালানো এ হামলায় রাশিয়ার গুরুত্বপূর্ণ একটি তেল টার্মিনাল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে একজন নিহত ও পাঁচজন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।
রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দাবি, ওই রাতে দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলে ইউক্রেনের ছোড়া ১ হাজার ১৫টি ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে।
হামলার লক্ষ্যবস্তুর মধ্যে সেন্ট পিটার্সবার্গের একটি তেল টার্মিনালও ছিল। ইউক্রেনের ড্রোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ফায়ার পয়েন্ট জানিয়েছে, হামলার পর টার্মিনাল এলাকায় আগুন ধরে যায়।
রাশিয়ার স্থানীয় কর্তৃপক্ষের ভাষ্য, হামলায় আবাসিক ভবনও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ ছাড়া সেন্ট পিটার্সবার্গের একটি সরবরাহকেন্দ্রে হামলার কথা জানিয়েছে রুশ প্রতিষ্ঠান ওজোন।
জ্বালানি স্থাপনায় হামলা বন্ধের আহ্বান ট্রাম্পের
রাশিয়ার জ্বালানি অবকাঠামোয় ইউক্রেনের হামলা নিয়ে সম্প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেন ট্রাম্প। গত সপ্তাহে রুশ তেল শোধনাগারে ইউক্রেনের হামলাকে ‘লজ্জাজনক’ বলে মন্তব্য করেন তিনি।
এর আগে ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, রাশিয়া ও ইউক্রেন পরস্পরের জ্বালানি অবকাঠামোয় হামলা বন্ধ করতে সম্মত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে জ্বালানি তেল ও ডিজেলের দাম কমানোর প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল বলে জানান তিনি। তবে কিয়েভ ও মস্কো-কোনো পক্ষই আনুষ্ঠানিকভাবে এমন সমঝোতার কথা স্বীকার করেনি।
ইউক্রেন কিছু সময়ের জন্য জ্বালানি স্থাপনায় হামলা বন্ধ রাখলেও পরে আবার হামলা শুরু করে। অন্যদিকে কিয়েভের অভিযোগ, রাশিয়া তাদের জ্বালানি স্থাপনা ও শহরগুলোতে হামলা অব্যাহত রেখেছে।
ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলায় নিহত ১১
ইউক্রেন কর্তৃপক্ষের দাবি, রোববার সকাল পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় দেশটিতে ১১ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন প্রায় ৫০ জন। ওডেসা অঞ্চলের জ্বালানি স্থাপনাগুলোতেও বড় ধরনের হামলা চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছে কিয়েভ।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লিখেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জ্বালানি স্থাপনায় হামলা বন্ধের ঘোষণা দেওয়ার পর এক সপ্তাহে রাশিয়া ইউক্রেনের জ্বালানি, তেল ও গ্যাস খাতে ৭৬ বার হামলা চালিয়েছে।
জেলেনস্কির অভিযোগ, নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা কিংবা সমঝোতার উদ্যোগে রাশিয়া ইতিবাচক সাড়া দিচ্ছে না। বরং এসব পদক্ষেপকে যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ হিসেবে দেখছে মস্কো।
রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা শিথিল যুক্তরাষ্ট্রের
রাশিয়ার জ্বালানি আমদানির ওপর কিছু নিষেধাজ্ঞা শিথিল করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। রুশ ডিজেল আমদানির ক্ষেত্রেও ছাড় দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার ট্রাম্প মার্কিন কংগ্রেসের নির্ধারিত কঠোর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা থেকে রাশিয়াকে অব্যাহতি দেওয়ার পদক্ষেপ নেন। এ সিদ্ধান্ত নিয়ে রিপাবলিকান দলের মধ্যেও সমালোচনা হয়েছে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে জেলেনস্কির সম্পর্কের টানাপোড়েন বাড়ছে। ইউক্রেনের আশঙ্কা, মার্কিন সহায়তা কমে গেলে আসন্ন শীতে রাশিয়ার হামলা মোকাবিলা করা আরও কঠিন হয়ে উঠবে।
সূত্র: সিএনএন
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জ্বালানি অবকাঠামোয় হামলা বন্ধের আহ্বানের মধ্যেই রাশিয়ায় বড় ধরনের ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইউক্রেন। শনিবার (১৭ অক্টোবর) রাত থেকে রোববার ভোর পর্যন্ত চালানো এ হামলায় রাশিয়ার গুরুত্বপূর্ণ একটি তেল টার্মিনাল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে একজন নিহত ও পাঁচজন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।
রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দাবি, ওই রাতে দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলে ইউক্রেনের ছোড়া ১ হাজার ১৫টি ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে।
হামলার লক্ষ্যবস্তুর মধ্যে সেন্ট পিটার্সবার্গের একটি তেল টার্মিনালও ছিল। ইউক্রেনের ড্রোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ফায়ার পয়েন্ট জানিয়েছে, হামলার পর টার্মিনাল এলাকায় আগুন ধরে যায়।
রাশিয়ার স্থানীয় কর্তৃপক্ষের ভাষ্য, হামলায় আবাসিক ভবনও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ ছাড়া সেন্ট পিটার্সবার্গের একটি সরবরাহকেন্দ্রে হামলার কথা জানিয়েছে রুশ প্রতিষ্ঠান ওজোন।
জ্বালানি স্থাপনায় হামলা বন্ধের আহ্বান ট্রাম্পের
রাশিয়ার জ্বালানি অবকাঠামোয় ইউক্রেনের হামলা নিয়ে সম্প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেন ট্রাম্প। গত সপ্তাহে রুশ তেল শোধনাগারে ইউক্রেনের হামলাকে ‘লজ্জাজনক’ বলে মন্তব্য করেন তিনি।
এর আগে ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, রাশিয়া ও ইউক্রেন পরস্পরের জ্বালানি অবকাঠামোয় হামলা বন্ধ করতে সম্মত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে জ্বালানি তেল ও ডিজেলের দাম কমানোর প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল বলে জানান তিনি। তবে কিয়েভ ও মস্কো-কোনো পক্ষই আনুষ্ঠানিকভাবে এমন সমঝোতার কথা স্বীকার করেনি।
ইউক্রেন কিছু সময়ের জন্য জ্বালানি স্থাপনায় হামলা বন্ধ রাখলেও পরে আবার হামলা শুরু করে। অন্যদিকে কিয়েভের অভিযোগ, রাশিয়া তাদের জ্বালানি স্থাপনা ও শহরগুলোতে হামলা অব্যাহত রেখেছে।
ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলায় নিহত ১১
ইউক্রেন কর্তৃপক্ষের দাবি, রোববার সকাল পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় দেশটিতে ১১ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন প্রায় ৫০ জন। ওডেসা অঞ্চলের জ্বালানি স্থাপনাগুলোতেও বড় ধরনের হামলা চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছে কিয়েভ।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লিখেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জ্বালানি স্থাপনায় হামলা বন্ধের ঘোষণা দেওয়ার পর এক সপ্তাহে রাশিয়া ইউক্রেনের জ্বালানি, তেল ও গ্যাস খাতে ৭৬ বার হামলা চালিয়েছে।
জেলেনস্কির অভিযোগ, নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা কিংবা সমঝোতার উদ্যোগে রাশিয়া ইতিবাচক সাড়া দিচ্ছে না। বরং এসব পদক্ষেপকে যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ হিসেবে দেখছে মস্কো।
রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা শিথিল যুক্তরাষ্ট্রের
রাশিয়ার জ্বালানি আমদানির ওপর কিছু নিষেধাজ্ঞা শিথিল করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। রুশ ডিজেল আমদানির ক্ষেত্রেও ছাড় দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার ট্রাম্প মার্কিন কংগ্রেসের নির্ধারিত কঠোর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা থেকে রাশিয়াকে অব্যাহতি দেওয়ার পদক্ষেপ নেন। এ সিদ্ধান্ত নিয়ে রিপাবলিকান দলের মধ্যেও সমালোচনা হয়েছে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে জেলেনস্কির সম্পর্কের টানাপোড়েন বাড়ছে। ইউক্রেনের আশঙ্কা, মার্কিন সহায়তা কমে গেলে আসন্ন শীতে রাশিয়ার হামলা মোকাবিলা করা আরও কঠিন হয়ে উঠবে।
সূত্র: সিএনএন
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!