
সিলেটের সব সিএনজি, এলপিজি ও পেট্রোল পাম্পে ডাকা অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট স্থগিত করা হয়েছে। হঠাৎ জ্বালানি সরবরাহ বন্ধের ঘোষণায় সৃষ্ট অনিশ্চয়তা কাটিয়ে পাম্পগুলো আবার স্বাভাবিক কার্যক্রমে ফিরছে।
বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) রাত ২টা ৩০ মিনিটে বিষয়টি নিশ্চিত করেন বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলার্স, ডিস্ট্রিবিউটার্স, এজেন্টস অ্যান্ড পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন, সিলেট বিভাগীয় কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ব্যারিস্টার রিয়াশাদ আজিম হক আদনান।
তিনি জানান, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে আপাতত ধর্মঘট স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে দাবি-দাওয়া পূরণ না হলে ভবিষ্যতে আবারও কর্মসূচি দেওয়া হতে পারে বলে ইঙ্গিত দেন তিনি।
এর আগে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জরিমানার নামে চাঁদাবাজির অভিযোগ তুলে পাম্প মালিকরা হঠাৎ করে তেল ও গ্যাস বিক্রি বন্ধের ঘোষণা দেন। এতে সিলেটজুড়ে জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা দেখা দেয় এবং পরিবহন খাতে অচলাবস্থার শঙ্কা তৈরি হয়। চালক ও সাধারণ ভোক্তাদের মধ্যে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে রাতেই উদ্যোগ নেয় প্রশাসন ও রাজনৈতিক নেতারা। রাত দেড়টার দিকে সিলেট মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ আহমদ চৌধুরী এবং সিলেট মহানগর পুলিশের কমিশনার আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী, পিপিএম পাম্প মালিকদের সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে জরুরি বৈঠক করেন।
দক্ষিণ সুরমা উপজেলার মোগলাবাজার এলাকায় অবস্থিত মেঘনা অয়েল ডিপো-তে অনুষ্ঠিত এ বৈঠক প্রায় এক ঘণ্টা ধরে চলে। বৈঠকে আলোচনার মাধ্যমে পরিস্থিতি সমাধানের চেষ্টা করা হয় এবং শেষে ধর্মঘট সাময়িকভাবে স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

সিলেটের সব সিএনজি, এলপিজি ও পেট্রোল পাম্পে ডাকা অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট স্থগিত করা হয়েছে। হঠাৎ জ্বালানি সরবরাহ বন্ধের ঘোষণায় সৃষ্ট অনিশ্চয়তা কাটিয়ে পাম্পগুলো আবার স্বাভাবিক কার্যক্রমে ফিরছে।
বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) রাত ২টা ৩০ মিনিটে বিষয়টি নিশ্চিত করেন বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলার্স, ডিস্ট্রিবিউটার্স, এজেন্টস অ্যান্ড পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন, সিলেট বিভাগীয় কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ব্যারিস্টার রিয়াশাদ আজিম হক আদনান।
তিনি জানান, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে আপাতত ধর্মঘট স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে দাবি-দাওয়া পূরণ না হলে ভবিষ্যতে আবারও কর্মসূচি দেওয়া হতে পারে বলে ইঙ্গিত দেন তিনি।
এর আগে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জরিমানার নামে চাঁদাবাজির অভিযোগ তুলে পাম্প মালিকরা হঠাৎ করে তেল ও গ্যাস বিক্রি বন্ধের ঘোষণা দেন। এতে সিলেটজুড়ে জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা দেখা দেয় এবং পরিবহন খাতে অচলাবস্থার শঙ্কা তৈরি হয়। চালক ও সাধারণ ভোক্তাদের মধ্যে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে রাতেই উদ্যোগ নেয় প্রশাসন ও রাজনৈতিক নেতারা। রাত দেড়টার দিকে সিলেট মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ আহমদ চৌধুরী এবং সিলেট মহানগর পুলিশের কমিশনার আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী, পিপিএম পাম্প মালিকদের সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে জরুরি বৈঠক করেন।
দক্ষিণ সুরমা উপজেলার মোগলাবাজার এলাকায় অবস্থিত মেঘনা অয়েল ডিপো-তে অনুষ্ঠিত এ বৈঠক প্রায় এক ঘণ্টা ধরে চলে। বৈঠকে আলোচনার মাধ্যমে পরিস্থিতি সমাধানের চেষ্টা করা হয় এবং শেষে ধর্মঘট সাময়িকভাবে স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

সিলেটের সব সিএনজি, এলপিজি ও পেট্রোল পাম্পে ডাকা অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট স্থগিত করা হয়েছে। হঠাৎ জ্বালানি সরবরাহ বন্ধের ঘোষণায় সৃষ্ট অনিশ্চয়তা কাটিয়ে পাম্পগুলো আবার স্বাভাবিক কার্যক্রমে ফিরছে।
বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) রাত ২টা ৩০ মিনিটে বিষয়টি নিশ্চিত করেন বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলার্স, ডিস্ট্রিবিউটার্স, এজেন্টস অ্যান্ড পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন, সিলেট বিভাগীয় কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ব্যারিস্টার রিয়াশাদ আজিম হক আদনান।
তিনি জানান, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে আপাতত ধর্মঘট স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে দাবি-দাওয়া পূরণ না হলে ভবিষ্যতে আবারও কর্মসূচি দেওয়া হতে পারে বলে ইঙ্গিত দেন তিনি।
এর আগে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জরিমানার নামে চাঁদাবাজির অভিযোগ তুলে পাম্প মালিকরা হঠাৎ করে তেল ও গ্যাস বিক্রি বন্ধের ঘোষণা দেন। এতে সিলেটজুড়ে জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা দেখা দেয় এবং পরিবহন খাতে অচলাবস্থার শঙ্কা তৈরি হয়। চালক ও সাধারণ ভোক্তাদের মধ্যে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে রাতেই উদ্যোগ নেয় প্রশাসন ও রাজনৈতিক নেতারা। রাত দেড়টার দিকে সিলেট মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ আহমদ চৌধুরী এবং সিলেট মহানগর পুলিশের কমিশনার আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী, পিপিএম পাম্প মালিকদের সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে জরুরি বৈঠক করেন।
দক্ষিণ সুরমা উপজেলার মোগলাবাজার এলাকায় অবস্থিত মেঘনা অয়েল ডিপো-তে অনুষ্ঠিত এ বৈঠক প্রায় এক ঘণ্টা ধরে চলে। বৈঠকে আলোচনার মাধ্যমে পরিস্থিতি সমাধানের চেষ্টা করা হয় এবং শেষে ধর্মঘট সাময়িকভাবে স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

সিলেটের সব সিএনজি, এলপিজি ও পেট্রোল পাম্পে ডাকা অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট স্থগিত করা হয়েছে। হঠাৎ জ্বালানি সরবরাহ বন্ধের ঘোষণায় সৃষ্ট অনিশ্চয়তা কাটিয়ে পাম্পগুলো আবার স্বাভাবিক কার্যক্রমে ফিরছে।
বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) রাত ২টা ৩০ মিনিটে বিষয়টি নিশ্চিত করেন বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলার্স, ডিস্ট্রিবিউটার্স, এজেন্টস অ্যান্ড পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন, সিলেট বিভাগীয় কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ব্যারিস্টার রিয়াশাদ আজিম হক আদনান।
তিনি জানান, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে আপাতত ধর্মঘট স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে দাবি-দাওয়া পূরণ না হলে ভবিষ্যতে আবারও কর্মসূচি দেওয়া হতে পারে বলে ইঙ্গিত দেন তিনি।
এর আগে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জরিমানার নামে চাঁদাবাজির অভিযোগ তুলে পাম্প মালিকরা হঠাৎ করে তেল ও গ্যাস বিক্রি বন্ধের ঘোষণা দেন। এতে সিলেটজুড়ে জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা দেখা দেয় এবং পরিবহন খাতে অচলাবস্থার শঙ্কা তৈরি হয়। চালক ও সাধারণ ভোক্তাদের মধ্যে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে রাতেই উদ্যোগ নেয় প্রশাসন ও রাজনৈতিক নেতারা। রাত দেড়টার দিকে সিলেট মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ আহমদ চৌধুরী এবং সিলেট মহানগর পুলিশের কমিশনার আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী, পিপিএম পাম্প মালিকদের সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে জরুরি বৈঠক করেন।
দক্ষিণ সুরমা উপজেলার মোগলাবাজার এলাকায় অবস্থিত মেঘনা অয়েল ডিপো-তে অনুষ্ঠিত এ বৈঠক প্রায় এক ঘণ্টা ধরে চলে। বৈঠকে আলোচনার মাধ্যমে পরিস্থিতি সমাধানের চেষ্টা করা হয় এবং শেষে ধর্মঘট সাময়িকভাবে স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!