সম্ভাব্য জ্বালানি সংকটের আশঙ্কায় মাগুরার বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে তেল নিতে ভিড় বেড়েছে। এ ভিড়ে পুরুষদের পাশাপাশি নারীদেরও লাইনে দাঁড়িয়ে তেল সংগ্রহ করতে দেখা গেছে।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সকাল থেকে শহরের ফাতেমা ফিলিং স্টেশনসহ বিভিন্ন পাম্পে বোতল ও ড্রাম নিয়ে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে দেখা যায় অনেককে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা রোদে দাঁড়িয়ে জ্বালানি নেওয়ার চেষ্টা করেছেন নারীরাও।
সদর উপজেলার কাটাখালি এলাকার বাসিন্দা রোকসানা বেগম জানান, তার স্বামী কৃষিকাজ করেন। তেলের জন্য লাইনে দাঁড়িয়ে থাকলে তার স্বামীর পুরো দিন নষ্ট হয়। তাই সংসারের কাজ সামলে নিজেই লাইনে দাঁড়িয়ে তেল নিতে এসেছেন তিনি। তার মতো আরও অনেক নারী একই কারণে পাম্পে ভিড় করছেন।
নাহার পাম্পের মালিক সৈয়দ নুরুল হাফিজ রুবেল জানান, জেলায় মোট ১৪টি পেট্রোল পাম্প থাকলেও আগে এ ধরনের চাপ দেখা যেত না। কৃষকরা সাধারণত স্থানীয় এজেন্টের মাধ্যমে তেল সংগ্রহ করতেন। বর্তমানে সরাসরি পাম্পে চাপ বাড়ায় পরিস্থিতি সামাল দেওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে।
এদিকে আব্দুল আল মাহামুদ, জেলা প্রশাসক বলেন, জেলায় জ্বালানি তেলের কোনো প্রকৃত সংকট নেই। আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি নিয়ে গুজব বা আশঙ্কা থেকেই মানুষ হুড়োহুড়ি করছে, যার ফলে পাম্পগুলোতে দীর্ঘ লাইন তৈরি হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, প্রতিটি পাম্পে সুশৃঙ্খলভাবে তেল বিতরণ নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসনের তদারকি জোরদার করা হয়েছে। ট্যাগ অফিসার নিয়োগ ও পুলিশ মোতায়েনের মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা চলছে।
সম্ভাব্য জ্বালানি সংকটের আশঙ্কায় মাগুরার বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে তেল নিতে ভিড় বেড়েছে। এ ভিড়ে পুরুষদের পাশাপাশি নারীদেরও লাইনে দাঁড়িয়ে তেল সংগ্রহ করতে দেখা গেছে।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সকাল থেকে শহরের ফাতেমা ফিলিং স্টেশনসহ বিভিন্ন পাম্পে বোতল ও ড্রাম নিয়ে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে দেখা যায় অনেককে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা রোদে দাঁড়িয়ে জ্বালানি নেওয়ার চেষ্টা করেছেন নারীরাও।
সদর উপজেলার কাটাখালি এলাকার বাসিন্দা রোকসানা বেগম জানান, তার স্বামী কৃষিকাজ করেন। তেলের জন্য লাইনে দাঁড়িয়ে থাকলে তার স্বামীর পুরো দিন নষ্ট হয়। তাই সংসারের কাজ সামলে নিজেই লাইনে দাঁড়িয়ে তেল নিতে এসেছেন তিনি। তার মতো আরও অনেক নারী একই কারণে পাম্পে ভিড় করছেন।
নাহার পাম্পের মালিক সৈয়দ নুরুল হাফিজ রুবেল জানান, জেলায় মোট ১৪টি পেট্রোল পাম্প থাকলেও আগে এ ধরনের চাপ দেখা যেত না। কৃষকরা সাধারণত স্থানীয় এজেন্টের মাধ্যমে তেল সংগ্রহ করতেন। বর্তমানে সরাসরি পাম্পে চাপ বাড়ায় পরিস্থিতি সামাল দেওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে।
এদিকে আব্দুল আল মাহামুদ, জেলা প্রশাসক বলেন, জেলায় জ্বালানি তেলের কোনো প্রকৃত সংকট নেই। আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি নিয়ে গুজব বা আশঙ্কা থেকেই মানুষ হুড়োহুড়ি করছে, যার ফলে পাম্পগুলোতে দীর্ঘ লাইন তৈরি হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, প্রতিটি পাম্পে সুশৃঙ্খলভাবে তেল বিতরণ নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসনের তদারকি জোরদার করা হয়েছে। ট্যাগ অফিসার নিয়োগ ও পুলিশ মোতায়েনের মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা চলছে।
সম্ভাব্য জ্বালানি সংকটের আশঙ্কায় মাগুরার বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে তেল নিতে ভিড় বেড়েছে। এ ভিড়ে পুরুষদের পাশাপাশি নারীদেরও লাইনে দাঁড়িয়ে তেল সংগ্রহ করতে দেখা গেছে।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সকাল থেকে শহরের ফাতেমা ফিলিং স্টেশনসহ বিভিন্ন পাম্পে বোতল ও ড্রাম নিয়ে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে দেখা যায় অনেককে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা রোদে দাঁড়িয়ে জ্বালানি নেওয়ার চেষ্টা করেছেন নারীরাও।
সদর উপজেলার কাটাখালি এলাকার বাসিন্দা রোকসানা বেগম জানান, তার স্বামী কৃষিকাজ করেন। তেলের জন্য লাইনে দাঁড়িয়ে থাকলে তার স্বামীর পুরো দিন নষ্ট হয়। তাই সংসারের কাজ সামলে নিজেই লাইনে দাঁড়িয়ে তেল নিতে এসেছেন তিনি। তার মতো আরও অনেক নারী একই কারণে পাম্পে ভিড় করছেন।
নাহার পাম্পের মালিক সৈয়দ নুরুল হাফিজ রুবেল জানান, জেলায় মোট ১৪টি পেট্রোল পাম্প থাকলেও আগে এ ধরনের চাপ দেখা যেত না। কৃষকরা সাধারণত স্থানীয় এজেন্টের মাধ্যমে তেল সংগ্রহ করতেন। বর্তমানে সরাসরি পাম্পে চাপ বাড়ায় পরিস্থিতি সামাল দেওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে।
এদিকে আব্দুল আল মাহামুদ, জেলা প্রশাসক বলেন, জেলায় জ্বালানি তেলের কোনো প্রকৃত সংকট নেই। আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি নিয়ে গুজব বা আশঙ্কা থেকেই মানুষ হুড়োহুড়ি করছে, যার ফলে পাম্পগুলোতে দীর্ঘ লাইন তৈরি হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, প্রতিটি পাম্পে সুশৃঙ্খলভাবে তেল বিতরণ নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসনের তদারকি জোরদার করা হয়েছে। ট্যাগ অফিসার নিয়োগ ও পুলিশ মোতায়েনের মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা চলছে।
সম্ভাব্য জ্বালানি সংকটের আশঙ্কায় মাগুরার বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে তেল নিতে ভিড় বেড়েছে। এ ভিড়ে পুরুষদের পাশাপাশি নারীদেরও লাইনে দাঁড়িয়ে তেল সংগ্রহ করতে দেখা গেছে।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সকাল থেকে শহরের ফাতেমা ফিলিং স্টেশনসহ বিভিন্ন পাম্পে বোতল ও ড্রাম নিয়ে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে দেখা যায় অনেককে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা রোদে দাঁড়িয়ে জ্বালানি নেওয়ার চেষ্টা করেছেন নারীরাও।
সদর উপজেলার কাটাখালি এলাকার বাসিন্দা রোকসানা বেগম জানান, তার স্বামী কৃষিকাজ করেন। তেলের জন্য লাইনে দাঁড়িয়ে থাকলে তার স্বামীর পুরো দিন নষ্ট হয়। তাই সংসারের কাজ সামলে নিজেই লাইনে দাঁড়িয়ে তেল নিতে এসেছেন তিনি। তার মতো আরও অনেক নারী একই কারণে পাম্পে ভিড় করছেন।
নাহার পাম্পের মালিক সৈয়দ নুরুল হাফিজ রুবেল জানান, জেলায় মোট ১৪টি পেট্রোল পাম্প থাকলেও আগে এ ধরনের চাপ দেখা যেত না। কৃষকরা সাধারণত স্থানীয় এজেন্টের মাধ্যমে তেল সংগ্রহ করতেন। বর্তমানে সরাসরি পাম্পে চাপ বাড়ায় পরিস্থিতি সামাল দেওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে।
এদিকে আব্দুল আল মাহামুদ, জেলা প্রশাসক বলেন, জেলায় জ্বালানি তেলের কোনো প্রকৃত সংকট নেই। আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি নিয়ে গুজব বা আশঙ্কা থেকেই মানুষ হুড়োহুড়ি করছে, যার ফলে পাম্পগুলোতে দীর্ঘ লাইন তৈরি হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, প্রতিটি পাম্পে সুশৃঙ্খলভাবে তেল বিতরণ নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসনের তদারকি জোরদার করা হয়েছে। ট্যাগ অফিসার নিয়োগ ও পুলিশ মোতায়েনের মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা চলছে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!